FUNNY BD

FUNNY BD Well come to funny bd page, all funny video cotton, Entertainment, comedy, world news, movie, drama, lifestyle and history Ai content

16/06/2025

মাছে র মজার ছড়া গান ゚

🦠 আবার করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে XBB! নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।নতুন রূপ -- XB...
09/06/2025

🦠 আবার করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে XBB!

নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।
নতুন রূপ -- XBB -আগের মতো নয়।
এই ভাইরাসে সাধারণভাবে জ্বর বা কাশি হয় না,
তবে শরীরের ভেতরে নীরবে চলতে থাকে ভয়াবহ সংক্রমণ।

রোগীরা মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পিঠে অস্বস্তি--এসব উপসর্গ নিয়ে আসেন।
অনেক সময় নাকের সোয়াব পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে,
কিন্তু এক্স-রেতে ধরা পড়ে নিউমোনিয়া।

XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অন্তত ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং
সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে--তাই উপসর্গ হালকা হলেও ঝুঁকি অনেক বেশি।

🔍 লক্ষণ যেগুলো দেখা যাচ্ছে:
• মাথা ব্যথা
• গলা ও জয়েন্টে ব্যথা
• পিঠে চাপ
• ক্ষুধা হ্রাস
• ক্লান্তি
• এক্স-রেতে নিউমোনিয়া

শরীরের বাইরে থেকে ধরা না পড়লেও ভিতরে আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসতন্ত্র।

⚠️ এই রূপ আরও ছলনাময়, আরও নীরব।
তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়া জরুরি।

✅ করণীয়:
• মাস্ক ব্যবহার করা
• জনসমাগম এড়িয়ে চলা
• ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা
• নিয়মিত হাত ধোয়া
• উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে এক্স-রে বা HRCT করানো

📢 ব্যক্তিগত অনুরোধ:
এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন।
পরিবার, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব -- সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।

"রাজা" ক*ন*ড*ম আর "হিরো" ক*ন*ড*ম ছিলো বেশি প্রচলিত। চায়ের দোকান থেকেও কিনতাম। প্রায় কোল বালিশ সাইযের বানিয়ে ফেলতাম ফুলিয়...
22/07/2023

"রাজা" ক*ন*ড*ম আর "হিরো" ক*ন*ড*ম ছিলো বেশি প্রচলিত। চায়ের দোকান থেকেও কিনতাম। প্রায় কোল বালিশ সাইযের বানিয়ে ফেলতাম ফুলিয়ে। বড়রা এগুলা পচা জিনিস,বাজে তেল দিয়ে বানায় এই সেই নানা কথা বলতো। কিন্তু এই ক*ন*ড*ম*কে বেলুন বানিয়ে খেলার কারণেই চায়ের দোকানীরা বিক্রি করতো খেলনা হিসাবে।

শুক্রবারটা ছিলো একটা ঈদের দিনের মতোন। সিনেমা হতো দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পর্যন্ত। ম্যাগগেইভার আর আলিফ লায়লা চলতো সকাল দিকে।

একসাথে সিনেমা দেখার আলাদা মজা ছিলো। বড়রা খাটে বা সোফায় বসতো আমরা নিচে বসতাম। আঙুল দিয়ে বিজ্ঞাপণ গুনতাম। প্রায় বারোটা বিজ্ঞাপণ দেখানোর পরই সিনেমা শুরু হতো।

রুবেল, দিতি, জসীম, সাবানা, ববিতা, মৌসুমি, রাজ্জাক ছিল নায়ক নায়িকা। এদের কেউ নেই মানে সিনেমা পানসে। রাজীব, রানি, শরীফ, মিশা, জাম্বু ভিলেন থাকার কারণে কতো গালিই যে খেত তার হিসেব নেই। নায়ক মার খেলে আমাদের আফসোস হত, অসহায় ববিতার কান্নায় চোখে পানি চলে আসতো।

বিকেলটা ছিল অনেক লম্বা,শেষ হইতো না। তখন খেলতাম ইচিং বিচিং, কুতকুত, বউছি, ফুলের টোকা, বরফ পানি, ছোঁয়াছুঁয়ি, সাতচারা, ডাংগুলি, মাংশ চোর, আরও কী কী
মনেও নেই। খুব ছোটরা খেলার বায়না ধরলে তাদেরকে "দুধভাত" হিসেবে খেলায় নিতাম, তবুও ছোট বলে তাকে বঞ্চিত করতাম না।

ঝগড়া হলে তাহলে কাইন আঙুলে আড়ি নিতাম, দু দিন কথা বলতাম না। তারপর আবার আনুষ্ঠানিক ভাবে দুই আঙুলে " ভাব" নিতাম।

তখন আবার রক্তের বন্ধুবান্ধবীর প্রচলন ছিল। কারও হাত কাটলে ছুটে যেতাম রক্তের সই পাতাতে। আমার কাটা আঙুলের সাথে ভাল আঙুল মিলিয়ে হতাম "রক্তের বান্ধু বান্ধবী, কোনদিন এই বন্ধুত্ব যাবেনা"। কই গেল আমার সেই বন্ধুবান্ধব গুলা।

মারবেল দিয়ে বিড়িং খেলা হত। দামি খেলনা ছিলো রবারকোপ আর পিস্তল। টাকাওয়ালা বাবার মেয়েরা খেলত ব্যাটারির পুতুল দিয়ে। পুতুলের সুইচ অন করলেই বাজত ‘চল ছাইয়া ছাইয়া’ গান। বেশিরভাগ মেয়েদের হাড়িপাতিল
থাকতো অনেকগুলা। সকাল হলে ভাত রান্না করতো আবার।

সন্ধ্যা হলেই শুরু হত যন্ত্রণা। বই খাতা খুলে পড়তে বসা লাগবে। সবার আগে পড়তাম সমাজ। চার্জার লাইটগুলা চার্জ দেয়া লাগতো,কখন কারেন্ট যাবে বলা যায় না,বাড়ির কাজও হবে না। অংক করতে বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে দোয়া করতাম, "আল্লাহ, কারেন্ট যা"।

যেই কারেন্ট যেত অমনি সবাই একসাথে চিৎকার করে বেড়িয়ে আসতাম ঘর থেকে। শুরু হয় নতুন খেলা, 'চোখ পলান্তিস' নাইলে 'বরফ পানি'। বড়রা বিরক্ত হয়ে

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FUNNY BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share