Megh Balika

Megh Balika ফুলের মতো হাসো,, কারণ -হাসিতে'ই লুকিয়ে থাকে জীবনের আসল সৌন্দর্য।
সুস্থ শরীর | সুন্দর মন | সঠিক জ্ঞান 🌈

নিষিদ্ধ ছায়াগ্রামের নাম ছিল না, শহরের প্রান্তে একটা পুরনো বাড়ি। সেখানে থাকতেন হরেন্দ্রনাথ—পঞ্চান্ন বছর বয়স, চাকরি থেক...
08/03/2026

নিষিদ্ধ ছায়া

গ্রামের নাম ছিল না, শহরের প্রান্তে একটা পুরনো বাড়ি। সেখানে থাকতেন হরেন্দ্রনাথ—পঞ্চান্ন বছর বয়স, চাকরি থেকে অবসর নেওয়া, স্ত্রী মারা গেছেন আট বছর আগে। ছেলে অভিজিৎ বিদেশে চাকরি করে, বছরে একবার আসে। আর এসেছে তার বউ—রিয়া।

রিয়া এসেছিল বিয়ের পর প্রথমবার। সাতাশ বছর বয়স, শহুরে মেয়ে, চাকরি করে কলকাতায়। কিন্তু অভিজিৎ যখন বিদেশ চলে গেল, রিয়া থেকে গেল শ্বশুরবাড়িতে—কারণ তার নিজের বাড়িতে কেউ ছিল না।

প্রথমে সব স্বাভাবিক ছিল। হরেন্দ্রনাথ রান্না করতেন, রিয়া অফিস থেকে ফিরে এসে বাসন মাজত। কথা হতো সামান্য—আবহাওয়া, বাজারের দাম, টিভির খবর। কিন্তু রাত বাড়লে বাড়িটা নিস্তব্ধ হয়ে যেত। দুজনের ঘর পাশাপাশি। দেয়াল পাতলা।

এক রাতে বিদ্যুৎ চলে গেল। গরমে ঘুম আসছিল না। রিয়া বারান্দায় এসে দাঁড়াল। হরেন্দ্রনাথও এলেন। চাঁদের আলোয় তার মুখ দেখে রিয়া বলল,

“আপনি কখনো একা লাগে না?”

হরেন্দ্রনাথ হাসলেন। “একা তো সবাই। তবে অভ্যাস হয়ে যায়।”

“আমার হয় না।” রিয়ার গলা ভারী। “অভিজিৎ ফোন করে ঠিক সময়ে কথা বলে না। আমি শুধু অপেক্ষা করি।”

সেই রাত থেকে কথা বাড়তে লাগল। সকালে চা খেতে খেতে, রাতে টিভি দেখতে দেখতে। হরেন্দ্রনাথ বলতেন তার যৌবনের গল্প—কীভাবে স্ত্রীর সঙ্গে প্রথম দেখা, কীভাবে ভালোবাসা গড়ে উঠেছিল। রিয়া শুনত মন দিয়ে। তার চোখে কখনো হাসি, কখনো জল।

একদিন বৃষ্টির রাত। বিদ্যুৎ নেই। রিয়া বলল, “আমার ভয় করছে।”

হরেন্দ্রনাথ মোমবাতি জ্বালালেন। দুজনে বসলেন খাটের কিনারে। রিয়া কাঁপছিল। হরেন্দ্রনাথ আলতো করে তার কাঁধে হাত রাখলেন।

“আমি তো আছি।”

রিয়া মুখ তুলে তাকাল। চোখে চোখ পড়তেই দুজনেই চুপ। সময় থেমে গেল। তারপর রিয়া নিজেই এগিয়ে এল। ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল। হরেন্দ্রনাথ প্রথমে থমকে গেলেন। তারপর জড়িয়ে ধরলেন।

সেই রাতে তারা কথা বলেনি। শুধু ছুঁয়েছিল। নিষিদ্ধ, কিন্তু গভীর। যেন দুজনেই অনেকদিনের তৃষ্ণা মেটাচ্ছিল।

সকাল হলে লজ্জা এল। অপরাধবোধ এল। কিন্তু চোখাচোখি হলেই আবার সেই টান। তারা লুকিয়ে রাখতে চাইল, কিন্তু লুকানো গেল না। বাড়ির দেয়াল, বাতাস, সব জেনে গেল।

এক বছর পর অভিজিৎ ফিরল। রিয়া গর্ভবতী। সবাই খুশি। হরেন্দ্রনাথ হাসলেন। কিন্তু তার চোখে একটা ছায়া। রিয়া তাকাল। দুজনের চোখে একই প্রশ্ন—এটা কার সন্তান?

কেউ কিছু বলল না। জীবন চলতে লাগল। গোপন একটা সম্পর্ক রয়ে গেল—কথাহীন, স্পর্শহীন, কিন্তু জ্বলন্ত।

আর বাড়ির পেছনের আমগাছটা প্রতি বছর ফল দিতে লাগল। যেন সাক্ষী। নিঃশব্দ সাক্ষী।

#বৌমা_শশুর
#পরকীয়া
#নিষিদ্ধ_ভালোবাসা
#গোপন_সম্পর্ক
#শ্বশুরবাড়ির_গল্প
#অবৈধ_প্রেম
#বাংলা_ইরোটিক
#পারিবারিক_নিষিদ্ধ
#রিয়া_ও_হরেন্দ্র
#গ্রাম্য_পরকীয়া
#অপরাধবোধ_ও_আকর্ষণ

শুধু ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নিলেই হয় না,রাতে খাট কাঁপানোর দায়িত্বও নিতে হয়।
08/03/2026

শুধু ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নিলেই হয় না,
রাতে খাট কাঁপানোর দায়িত্বও নিতে হয়।

Big shout out to my newest top fans! 💎 Tapas GoraiDrop a comment to welcome them to our community,
07/03/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Tapas Gorai

Drop a comment to welcome them to our community,

“সিম্পল লুক, কিন্তু আকর্ষণীয় স্টাইল—আপনার কেমন লাগলো? 💬”
07/03/2026

“সিম্পল লুক, কিন্তু আকর্ষণীয় স্টাইল—আপনার কেমন লাগলো? 💬”

গ্রীষ্মের রাত। হালকা বাতাসে জানালার পর্দা দুলছে। নীলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল, চাঁদের আলো তার মুখে নরম আভা ফেলেছে। ঠিক তখন...
07/03/2026

গ্রীষ্মের রাত। হালকা বাতাসে জানালার পর্দা দুলছে। নীলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল, চাঁদের আলো তার মুখে নরম আভা ফেলেছে। ঠিক তখনই আরিফ এসে পাশে দাঁড়াল।

আরিফ মৃদু স্বরে বলল, “তুমি জানো, তোমাকে এই চাঁদের আলোয় আরও সুন্দর লাগে।”

নীলার ঠোঁটে লাজুক হাসি ফুটে উঠল। তাদের চোখে চোখ পড়তেই মুহূর্তটা যেন থেমে গেল। আরিফ ধীরে তার হাতটা ধরল। সেই স্পর্শে নীলার শরীর কেঁপে উঠল, বুকের ধুকপুকানি আরও দ্রুত হয়ে গেল।

চাঁদের আলো, নীরব রাত আর দু’জনের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা—সব মিলিয়ে মুহূর্তটা হয়ে উঠল উষ্ণ, রহস্যময় আর হৃদয় কাঁপানো।

কখনও কখনও শুধু একটা স্পর্শ আর একটুখানি অনুভূতিই রাতটাকে সবচেয়ে স্মরণীয় করে তোলে।

Address

Khulna
7010

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Megh Balika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share