16/05/2026
প্রতিদিনই ফেসবুক খুললে একটা জিনিসই চোখে আসে এর হাজবেন্ড ওর সাথে আর ওর ওয়াইফ এর সাথে, বলতে গেলে প্রতিদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইসব দেখে এদেরকে আমরা যা খুশি তাই বলি, এমনি এমনি বলি না এরা শোনার যোগ্য তাই এদেরকে বলা হয়। কিন্তু এখন যারা রিলেশনে থাকতে চিট করে, বিয়ের কথা বলে বিয়ে করে না, পরে গিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে তাদেরকে আমরা গা/লি দি না, কারন কি রিলেশনে থাকলে চিট করা যাবে, বিয়ের কথা বলে অন্য মেয়েকে বিয়ে করা যাবে, অনেকের কথা প্রেম করলে কি বিয়ে করতে হয়ে এরা আরও কতো কথা বলে। বিবাহিত হাজবেন্ড ওয়াইফ চিট করলে গা/লি খায় কিন্তু রিলেশনে থাকা বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড চিট করলে কেন গা/লি খাবে না? দোষ তো ২জনেই করেছে, ২জনেই একজন মানুষের ফিলিংস নিয়ে খেলেছে। হাজবেন্ড ওয়াইফ চিট করে পরে বিয়ে করলে আমরা বলি এটাও টিকবে না ওরা ভালো থাকবে না আরও কতো কথা কিন্তু যখন একটা ছেলে বা একটা মেয়ে চিট করে অন্য ছেলে বা মেয়ে কে বিয়ে করে তখন আমরা তার বিয়ের দাওয়াত খেতে যাই, তাকে কংগ্রাচুলেশন্স বলি, উইশ করি। কিন্তু গা/লি তো খাওয়ার যোগ্য ২জনেই। এখন অনেকে বলবে আরে বিয়ের আগে ছেলেটা কেমন বুঝতে পেরেছে মেয়েটার জীবন বেঁচে গেলো, হুম মানলাম বেঁচে গেলো তাই বলে কি ওর কোনো শাস্তি হবে না, অবশ্যই হওয়া উচিত। এখন একদল এসে বলবে ইসলামে রিলেশন হারাম, এই হারাম সম্পর্কের সাথে বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্কের তুলনা করছো। আমি কোনো তুলনা করছি না। ইসলামে যেমন বলেছে রিলেশন করলে গুনাহ হবে, তেমনি তুমি করছো হারাম কাজ তার উপরে আরেকজনকে চিট করছো, অন্যজনের বিশ্বাস নিয়ে খেলছো এতে কি গুনাহ হয়েছে না শাস্তি কি পাবে না। কিন্তু আমার কথা হলো হাজবেন্ড ওয়াইফ চিট করলে যেমন গা/লি খায়, রিলেশনে বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড চিট করলেও গা/লি দেওয়া উচিত। এখন যেমন অনেকে বলে প্রেম করলেই বিয়ে করতে হবে, আর কিছুদিন যাক তখন বলবে বিয়ে করলেই কি সারাজীবন এক সাথে থাকা লাগবে, আমি তো চাইলে চিট করতেই পারি, প্রবলেম হলে ডিভোর্স দিয়ে দাও। কয়েকদিন পরে রিলেশন ব্রেকাপের মতো বিয়ে ডিভোর্সও দুধভাত হয়ে যাবে।