KUET Insiders

KUET Insiders অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার

প্রধানমন্ত্রীর "হাজব্যান্ড" স্ট্যান্ডার্ড কি বাংলাদেশের পুরুষ সমাজের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে যাচ্ছে? 👽
02/05/2026

প্রধানমন্ত্রীর "হাজব্যান্ড" স্ট্যান্ডার্ড কি বাংলাদেশের পুরুষ সমাজের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে যাচ্ছে? 👽

01/05/2026

জুলাইয়ের অ্যাম্বুলেন্স রিক্সাওয়ালা মামাদের পক্ষ থেকে শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা।

01/05/2026
01/05/2026

বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে যেইটা কালকে বলছেন, এইটাই মূলত সত্যি কথা। ৩১ দফার বাইরে কোন সংস্কারেই বিএনপি আসলে রাজি ছিল না। চাপে পইড়া, ইলেকশান যাতে কেউ আটকায়ে না দেয় - এই ভয়ে যতটুকু না মানলেই না, ততটুকু বাধ্য হইয়া মানছে। ৩১ দফারও সব কিছু বিএনপি আসলেই করবে কি না, সেইটাও আমরা দেখতে পাব সামনের দিনে।

বিএনপির এই পজিশানে সমস্যা কি?

বিএনপির এই পজিশানে আসলে কোন সমস্যা নাই। বিএনপি বলতেছে, আমরা তোমাদের সংস্কার মানি না, আমরা তোমাদের প্রেসক্রিপশনে সংস্কার করব না।

তোমরা যদি মনে কর সংস্কার এতই গুরুত্বপূর্ণ, তাইলে একটা নির্বাচন জিতে আইসা তারপর সংস্কার কইরা দেখাও।

ফেয়ার এনাফ পয়েন্ট। বিএনপি তো ইলেকশন জিতেই আসছে।

সমস্যা হইল শুধুমাত্র তাদের, যারা সংস্কারের আশায় গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিছে, আবার বিএনপিকেও ভোট দিছে। এই লোকদের গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেয়াকে বিএনপি বুড়ো আঙুল দেখাইল আর কি!

এখন এই লোকেরা যদি বিএনপির এই আচরণে অপমানিত বোধ করে, তাহলে পরের সকল নির্বাচনে তারা বুড়ো আঙুলের ছাপ আবার ধানের শীষে দেওয়ার আগে তিনবার চিন্তা করবে।

একটা নির্বাচনে গো-হারা না হারলে বিএনপি কোনদিন বুঝবে না, কেন এই দেশটার সিস্টেম বদলানো দরকার; কেন ২০২৬ এ এসে ১৯৯০ এর রাজনীতি করা আত্মঘাতী।
@মির্জা গালিব

অমর একুশে হল , কুয়েটফটোগ্রাফার দীপ শেখর দত্ত
29/04/2026

অমর একুশে হল , কুয়েট
ফটোগ্রাফার দীপ শেখর দত্ত

ক্যাম্পাস এর ভালো প্রতিটা স্টুডেন্ট চায় কুয়েট এর সাবেক ভিসি স্যার এর সময় এই চুক্তি হয় যে হলে হলে ওয়াশিং মেশিন দিবে । ...
29/04/2026

ক্যাম্পাস এর ভালো প্রতিটা স্টুডেন্ট চায় কুয়েট এর সাবেক ভিসি স্যার এর সময় এই চুক্তি হয় যে হলে হলে ওয়াশিং মেশিন দিবে । বর্তমান প্রশাসন স্টুডেন্ট এর জন্য অনেক বেশি কাজ করে যাচ্ছে এবং যাবে বলে আমরা আশা রাখি ; ইফাজ নামে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই শিক্ষার্থী আজকে যা করলো পুরোপুরি মিথ্যাচার এবং পুরো ক্রেডিট নিজের নামে নিতে চাওয়া এমন কোনো দরখাস্ত কোথাও জমা দেওয়া হয় নাই!

29/04/2026

এপ্রিল মাসে এই উপমহাদেশে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। প্রথমটা আপনারা সবাই জানেন, বাঙলাদেশ তার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোড করেছে।

(টাংকিতে জ্বালানি ভরার অনুষ্ঠান দেখলাম। এর আগে ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে জ্বালানির স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান, দুই দফা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান, কম্পানি উদ্বোধন অনুষ্ঠানসহ রূপপুর ইস্যুতে এই জাতি বহু আমোদ-ফূর্তি করেছে)

এপ্রিল মাসে এই অঞ্চলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে তামিলনাড়ুর কালপাক্কাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। ওরা নিউক্লিয়ার চুল্লিতে প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরোনিয়াম (২৩৩) বানিয়ে ফেলেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম এমন কিছু ঘটলো তাও এই মাসের ৬ তারিখে। ভারত পুরো পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের সারপ্রাইজ় দিয়েছে।

১৯৩০ এর দশকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেইলস বোর সাহেবের ছাত্র ছিলেন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। ছাত্র জীবনেই এই লোক এতো বড় গবেষক ছিলেন যে, ওপেনহাইমার, আইনস্টাইনরা ব্যক্তিগতভাবে উনাকে চিনতেন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর জাহাঙ্গীর ভাবা দেশে ফিরে আসেন। উনার নাম শুনে আপনাদের আমোদিত হওয়ার কিছু নাই। উনি মুসলমান না।

যাইহোক, ভারতের স্বাধীনতার পর নেহরু সাহেব জ্বালানি-স্বনির্ভরতা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। পেট্রো ডলারে বন্দি হবার ইচ্ছা উনার ছিল না, বাণিজ্যিক সোলার প্যানেল আবিষ্কার তখনও হয়নি।
জ্বালানি স্বনির্ভতার একমাত্র উপায় ছিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার। কিন্তু নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ বানাতে যে ইউরেনিয়াম ২৩৫ দরকার, সেটা ভারতে ছিল না। এর মানে ঘুরে ফিরে আবার ইউরেনিয়াম আমদানী, আবার বিদেশের উপর নির্ভরশীলতা।
হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা তখন একটা বুদ্ধি দেন যে উড়িষ্যার সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম পাওয়া না গেলেও, সেখানে থোরিয়াম পাওয়া যায়। পৃথিবীর বেশিরভাগ থোরিয়াম রিজ়ার্ভই ভারতে। আর থিওরিটিকালি থোরিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

থোরিয়ামকে কনভার্ট করার কাজটা সহজ না। পৃথিবীতে আগে কেউ এটা করার কথা কল্পনা করেনি। হোমি ভাবা তখন একটা বিশাল প্রজেক্ট শুরু করেন। এটার তিনটা স্টেপ।

১. ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে প্রাপ্ত সস্তা ইউরেনিয়াম ২৩৮ কে কনভার্ট করে প্লুটোনিয়াম বানানো।
২. প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম ২৩৩ বানানো।
৩. ইউরেনিয়াম ২৩৩ দিয়ে থোরিয়ামকে এক্টিভেট করা - যেন থোরিয়াম নিজে নিজে নিউক্লিয়ার চেইন রিএকশন শুরু করে দেয়। তাহলে আর ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর দরকারই নেই। থোরিয়ামই টার্বাইন ঘুরাবে।

হোমি ভাবা নিজেই স্টেপ ১ সফল করে গেছেন। গত ৬ এপ্রিল ভারত সফলভাবে স্টেপ ২ শেষ করেছে। স্টেপ ৩ করতে তাদের সর্বোচ্চ আর ১০ বছর লাগবে।

মানে ২০৪০ সালে ভারত বিদ্যুতের জন্য জ্বালানি তেল, গ্যাস আর কয়লা আমদানী বন্ধ করে দিবে। ফলে ভারত মধ্যপ্রাচ্য আর আমেরিকার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করবে। অন্যদিকে ভারত সোলার প্যানেল আমদানী কমিয়ে দিবে। সে চীনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করবে। ২০৪০ সালের ভারত হবে জ্বালানি-স্বনির্ভর স্বাধীন দেশ।
আর এপ্রিল মাসের এই অর্জন কেবল বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি না। এই কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যেই তারা ৫০০ মেগাওয়াটের মত বিদ্যুৎ তৈরি করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।

রেকর্ড ব্রেকিং এই ভয়াবহ অগ্রগতি করত ভারতের মোট খরচ হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। এই ১০ হাজার কোটি টাকার ফল তারা আগামী শত শত বছর পাবে। কারণ এর কোন মেয়াদ নেই।

আর আমরা রূপপুরে খরচ করেছি ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটা আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে এক্সপেনসিভ প্রকল্প। আর এই টাকাটার ৯০% ঋণ করে আনা। তার মানে মোট খরচ আরও বেশি। রাশিয়ার দেওয়া ঋণে ৪% সুদ, মুদ্রাস্ফীতি আর ইউএস ডলার বরাবর টাকার ডিভ্যালুয়েশন হিসেবে নিলে - আমার হিসেবে এটা কমসে কম ২ লাখ কোটি টাকার প্রজেক্ট।
২ লাখ ২০ হাজার কোটিও হতে পারে।

এর মানে নিউক্লিয়ারের অপারেশন কস্ট কম দেখিয়ে সস্তায় বিদ্যুৎ পাওয়ার যে প্রচারণা - এর পুরোটা স্ক্যাম।
হাসিনার স্যাটেলাইট বানানোর খরচ উঠে আসার আগেই যেভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট অক্কা পাবে, এলপিজির তুলনায় রূপপুর লাভজনক হওয়ার আগেই এই পারমাণবিক কেন্দ্রটির মৃত্যু ঘটবে। প্রতি ইউনিট ২-৩ টাকায় বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে - এটা সর্বৈব মিথ্যাচার। এই হিসাবে শুধু অপারেশন কস্ট ধরা হয়েছে। বিনিয়োগ, ঋণ, সুদ, মুদ্রাস্ফীতি - এগুলা ধরা হয়নি।

ভারত যে কাজটা ১০-১৫ হাজার কোটিতে করতে পারে, আমরা সেটা রাশানদের ডেকে এনে ২ লাখ কোটিতে করেছি। তাও মাত্র ৬০ বছরের জন্য।

ভারতের সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম নেই। আমাদের সমুদ্র সৈকতেও নেই। শিবিরের মোসাদ্দেকরা আরও ৭ জনম দাঁত দিয়ে বালি খুড়লেও বাঙলাদেশে ইউরেনিয়াম ২৩৫ পাওয়া যাবে না।

কিন্তু উড়িষ্যার মতই আমাদের কক্সবাজার, কুয়াকাটায় প্রচুর পরিমাণে থোরিয়াম আছে। আমরা থোরিয়াম দিয়েই অল্প টাকা খরচ করে বিদ্যুৎ বানাতে পারতাম।

ভারত পরাশক্তি হয়ে ওঠার জন্য তার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনিয়োগ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাই সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, সেতু নির্মাণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, রেল প্রযুক্তি, কম্পিউটার সাইন্স, ব্যাংকিং - সবকিছুর খরচ কমিয়ে দিয়েছে।
ভারত এক সেক্টরে পানি ঢেলে সব সেক্টরের আগুন নিভিয়েছে।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করিনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বাধ্যতামূলক করেছি। তাই আমাদের প্রতিটা সেক্টর ধরে বিদেশি ভাড়া করতে হয়। এমনকি গার্মেন্টস পর্যন্ত আমরা নিজেরা চালাইতে পারি না। ভারতীয় লাগে। তারপর চড়া দাম দিয়ে, ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে নিজেই নিজের পাছার ছাল তুলে বিদেশিদের পায়ের জুতা বানিয়ে দিতে হয়।

আমরা ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি, ঢাকা না দিল্লীর মত অ্যাবসার্ড স্লোগান দিই, সকাল-বিকাল সেভেন সিস্টার্স আলাদা করতে থাকি। কিন্তু কোনদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে বলি না - বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি আর তাবলীগ অফ করতে হবে, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাশানদের ভাড়া করে নিয়ে আসতে হবে, আমেরিকানদের নিয়ে আসতে হবে।

আমরা রূপপুর প্রকল্পে ১২ হাজার টাকায় বালিশ কিনে সেগুলো ৫০০০ টাকায় তুলেছি। একেকটা নাট বল্টু কিনেছি ১ লাখ টাকা দিয়ে। যেমন দূর্নীতির মহোৎসব করেছে বাঙলাদেশ সরকার, তেমনি দূর্নীতি আর ওভারপ্রাইজ় করেছে রাশান সরকার।

গত তিন সরকার আমল ধরে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে, সব রিসার্চ সেন্টারে ফ্রিতে বিশ্বমানের রিসার্চ ফ্যাসিলিটি এনে দেওয়ার জন্য সরকারের হাতে পায়ে ধরছি। সামান্য এই টাকাটা সরকার নিজে দিবে না, টাকা চাইলে ধান্দাবাজ মনে করবে, নিচু দৃষ্টিতে তাকাবে - সেটা জানি। আত্মসম্মানবোধ থেকে টাকা চাইতেও যাইনি। উলটো টাকা দিতে গেছি।
কিন্তু এই দেশের আমলাতন্ত্র (নট আমলা) এমনই ইনএফিশিয়েন্ট;
সিস্টেম আর সরকার এমনই ডিসফাংশনাল যে মাগনা প্রযুক্তি আর টাকা এনে দিলেও সেটা কুড়িয়ে খাওয়ার যোগ্যতা নেই।

এসব দেশে রাশানরা এসে বিজ্ঞানচর্চা করবে, দেশের সবচেয়ে ক্রিটিকাল সিকিউরিটি ইন্সটলেশন বিদেশিরা নিয়ন্ত্রণ করবে। আর স্বদেশিরা সেই ক্রিটিকাল ইন্সটলেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে টিকটক করবে, কুলিং টাওয়ারের পাশের মাঠে ফুড কার্ট বসাবে, তেল চিটচিটে প্লাস্টিকের টেবিলের উপর ছিটা রুটি দিয়ে হাঁসের মাংস খাবে।

29/04/2026

রূপপুর বা এই ধরণের মেগা প্রজেক্ট নিয়ে যে ‘আর্ট’ আর ‘আর্টিস্ট’ মার্কা প্রচার চালানো হচ্ছে, তা আসলে সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই করার একটা কৌশল মাত্র। আসল সত্যিটা হলো, হাসিনা বা তাঁর দল তাদের নিজেদের পকেট থেকে এক টাকাও এখানে খরচ করেনি। এই বিশাল অংকের টাকা আসছে জনগণের পকেট থেকে। যে ট্যাক্স আপনি বা আমি দিচ্ছি, সেই টাকা দিয়ে এই ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ, রাশিয়ার কাছ থেকে যে হাজার হাজার কোটি টাকা লোন নেওয়া হয়েছে, তার ঘানি টানতে হবে এদেশের সাধারণ মানুষকে এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে। কিন্তু প্রকল্পের আড়ালে যে লুটপাট হয়েছে, সেটা এখন ওপেন সিক্রেট। বালিশ কিনতে যে পরিমাণ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে, তা দিয়েই বোঝা যায় দুর্নীতির গভীরতা কতটুকু। এই লুটপাটের বিচার অবশ্যই হতে হবে। উন্নয়নের নাম করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার করা আর জনগণের পকেট কাটা কোনোভাবেই কৃতিত্বের কাজ হতে পারে না।
সবচেয়ে বড় কথা হলো মানুষের জীবন। গত ১৭ বছরে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী মতের যত মানুষকে গুম বা খুন করা হয়েছে, ৫ মে শাপলা চত্বরে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে এবং সর্বশেষ জুলাই মাসে শত শত ছাত্র-জনতাকে যেভাবে নির্বিচারে গুলি করে মারা হয়েছে—এই রক্তের দাগ কোনো 'মেগা প্রজেক্ট' দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কয়েকটা বড় দালান বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানিয়ে দিলেই কি হাজারো মায়ের বুক খালি করার অপরাধ মাফ হয়ে যায়? কখনোই না।
সহজ কথা হলো, রূপপুর কোনো ব্যক্তিগত দান নয়, এটা জনগণের ঘাড়ে চাপানো এক বিশাল ঋণের বোঝা। আর এই প্রজেক্টের দোহাই দিয়ে বিগত দিনের হত্যাযজ্ঞ আর গুম-খুনের রাজনীতিকে কখনোই জায়েজ করা যাবে না। রক্ত আর উন্নয়নের মধ্যে তুলনা করাটাই একটা বড় অপরাধ। এদেশের মানুষ এখন সচেতন, তারা জানে কোনটা সত্যিকারের উন্নয়ন আর কোনটা উন্নয়নের নামে স্রেফ লুটপাট আর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নাটক।

28/04/2026

গাজীপুর ২ আসনের সাংসদ এম মঞ্জুরুল করিম রনি সাহেব গত দিন জুলাই সনদকে "আননেসেসারি" বলেছেন।

যা জুলাই শহীদ ও আহতদের প্রতি চরম অপমানজনক শব্দচয়ন

আমরা ভাবছি, এটা তিনি ভুলবশত বলে ফেলেছেন এবং আমরা বিশ্বাস করতে চাই এটা অবশ্যই বিএনপির অফিসিয়াল স্ট্যান্ড নয়।
কারন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই সনদকে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে অবশ্যই তাকে কারন দর্শানোর নোটিস দেয়া হবে এবং তিনি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা প্রদান করবেন।

28/04/2026

ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ স-ন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

হাসিব এর মতো পার্ভার্টকে বহিষ্কার করা হয়েছে ।ধন্যবাদ কুয়েট প্রশাসন কে ।
28/04/2026

হাসিব এর মতো পার্ভার্টকে বহিষ্কার করা হয়েছে ।ধন্যবাদ কুয়েট প্রশাসন কে ।

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KUET Insiders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share