29/07/2026
একজন যোগ্য ছাত্রের পরিচয়!
১। সময়মতো ক্লাসে উপস্থিত হওয়া এবং নির্ধারিত সময় পর্যন্ত মনোযোগ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে ক্লাসে থাকা।
২। ক্লাস চলাকালীন অপ্রয়োজনীয় কথা, দুষ্টুমি বা অন্য কোনো কাজে লিপ্ত না হয়ে শিক্ষকের পাঠে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া।
৩। শিক্ষক যে বিষয় পড়ান, তা আন্তরিকতার সঙ্গে শেখা এবং না বুঝলে বিনয়ের সঙ্গে প্রশ্ন করা।
৪। নিজের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন থাকা এবং নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন করা।
৫। শিক্ষককে সম্মান করা, তাঁর পরামর্শ মেনে চলা এবং শিক্ষকের সহযোগিতাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা।
৬। নিজের দুর্বলতা ও ভুল-ত্রুটি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং তা সংশোধনের জন্য শিক্ষকের সহযোগিতা গ্রহণ করা।
৭। শিক্ষকের নেগরানি ও শাসনকে বিরোধিতা না করে নিজের সংশোধন ও কল্যাণের জন্য গ্রহণ করা।
৮। ভুল বা অপরাধ হলে তা স্বীকার করা এবং একই ভুল বারবার না করার চেষ্টা করা।
৯। শাসন বা শাস্তি পাওয়ার পর শিক্ষকের প্রতি রাগ, অভিমান বা বিদ্বেষ না রেখে নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া।
১০। নিজের কোনো ভুল বা অপরাধ হলে তা গোপন না করে প্রয়োজনে শিক্ষক ও অভিভাবকের কাছে সত্য কথা বলা।
১১। শিক্ষকের উৎসাহ ও ভালো পরামর্শকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করা।
১২। শিক্ষকের কাছে শুধু পড়াশোনা নয়; বরং আদব-আখলাক, আমল ও সুন্দর চরিত্র শেখার চেষ্টা করা।
১৩। আল্লাহ তায়ালার ভয় অন্তরে ধারণ করা, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা রাখা এবং তাঁর সুন্নতের পাবন্দি করার চেষ্টা করা।
১৪। ভালো মুরব্বি ও সৎ মানুষের সোহবত গ্রহণ করা এবং খারাপ সঙ্গ ও অনৈতিক কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
১৫। সর্বোপরি, একজন যোগ্য ছাত্র শিক্ষকের শাসনকে সংশোধনের জন্য, নেগরানিকে কল্যাণের জন্য এবং উপদেশকে নিজের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য গ্রহণ করে। সে শুধু ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা করে না; বরং নিজেকে একজন আদর্শ, সৎ, আমলদার ও উত্তম চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষকদের আদব রক্ষা করে জ্ঞান, আমল ও উত্তম চরিত্রে সমৃদ্ধ হওয়ার তাওফিক দান করুন!
আমীন।
✍️ হাফেজ মুহাম্মাদ আবু তলহা।