29/07/2026
কুয়েটে নাহিয়ান স্যারকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে। তাঁর অতীত ভূমিকা, শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ এবং প্রশাসনিক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনা দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হচ্ছে। এসব বিষয়ে সত্যতা নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
রাজশাহী নিউ গভ. কলেজে পড়ার সময় যারা শিবিরের রাজনীতি করেছে, বুয়েটে চান্স পেয়ে ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় ঘুরে বেড়িয়েছে, তারা কিভাবে আজ হেড হয়ে প্রশাসনে প্রভাব বিস্তার করছে—এটাই আজ কুয়েট পরিবার ও দেশের সচেতন মানুষের বড় প্রশ্ন।
প্রথম দশে না থাকা সত্ত্বেও, রশিদ স্যারের ছত্রছায়ায় যিনি কুয়েটে শিক্ষক হতে পেরেছেন, সেই নাহিয়ান স্যার শুরু থেকেই আলমগীর স্যারের নিকটতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত। কুয়েটে ছাত্র রাজনীতিতে সহিংসতা এবং ভাঙনের সময়ও তিনি ছিলেন সেই কুখ্যাত গোষ্ঠীর অংশ, যারা ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের তাণ্ডবমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষ করে ছাত্রলীগ কর্তৃক মদখোর মেহেদীকে ‘মোরাল’ করার পেছনে আলমগীর স্যারের পাশাপাশি নাহিয়ান স্যারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা আজ কারো অজানা নয়। অথচ আজ সেই ব্যক্তি আবার প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সক্রিয় হয়ে উঠার চেষ্টা করছে।
প্রশ্ন রইল কুয়েট প্রশাসনের প্রতি—আপনারা কি কুয়েট ক্যাম্পাসের অন্যতম নিকৃষ্ট এই লোকতাকে শাস্তি দিবেন না? এই আওয়ামী উচ্ছিষ্ঠভোগীকে শাস্তি না দিতে পারলে কুয়েট তার বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক ভিত আরও একবার ধ্বংসের মুখে পড়বে। সময় এসেছে ইতিহাসকে মনে রাখার, ভুলকে প্রতিহত করার।