Sad Moment

Sad Moment A sad soul can kill quicker than a poison. we act like we don’t care, but deep inside, it hurts… ভালোবাসা নিয়ে কিছু কথা হোক পাওয়া না পাওয়ার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া

ভালোবাসা আসলেই স্বপ্নের মত :) যারা সত্যিকারের ভালোবাসা পেয়েছে তাদের কাছে সুস্বপ্ন  :) আর যাদের জীবনে উল্টোটা ঘটেছে তাদের...
20/05/2015

ভালোবাসা আসলেই স্বপ্নের মত :) যারা সত্যিকারের ভালোবাসা পেয়েছে তাদের কাছে সুস্বপ্ন :) আর যাদের জীবনে উল্টোটা ঘটেছে তাদের জন্য দুঃস্বপ্ন :(
#স্বপ্নময়ী

আমি হলাম দুরের পাখি কষ্টে ভরা মন, :( এই মনের কষ্ট বুঝার মত নেই কোন আপনজন- উদাস মনে ঘুরে বেড়াই অচিন পাখির মত, :p নিষ্ঠুর ...
19/10/2014

আমি হলাম দুরের পাখি
কষ্টে ভরা মন, :(
এই মনের কষ্ট বুঝার মত
নেই কোন আপনজন-
উদাস মনে ঘুরে বেড়াই
অচিন পাখির মত, :p
নিষ্ঠুর পৃথিবীতে কি হবে
কেউ আমার মনের মত?
ভালবাসা সেতো সত্যি স্বপ্নের মত

30/09/2014

ফোন দিতেই লেখা আসে ওয়েটিং। পরপর কয়েকবার ফোন দিতেই ওপাশে বিরক্তিভরা কন্ঠে মেয়েটা কথা বলে ওঠে।
ভয়ংকর একটা প্রশ্ন করেঃ আপনি কে ?
ছেলেটা বলেঃ
আমি ! আশ্চর্য ! ভুলে গেছো ?
মেয়েটা বলেঃ
এমন থার্ডক্লাস মার্কা আইডিয়া দিয়ে মেয়ে পটাতে এসেছেন ।
I don't know you. ফোন রাখছি । ধ্যাত ! আপনার কারণে আমার বয়ফ্রেন্ড ফোন কেটে দিয়েছে !
ছেলেঃ বয়ফ্রেন্ড !
মেয়েঃ হ্যাঁ !
ছেলেটা খুব স্বভাবতই ধাক্কা খায় ! আস্তে করে গলা নামিয়ে বলেঃ
সবাইকে যা দেয়া যায় তা ভালোবাসা নয় ! যা দেয়া যায় ধোঁকা ! আমার নাম্বারটা ভুলে গেছো ?
ফোনটা কেটে দেয় ছেলেটা।
খানিকবাদে ওপাশ থেকে মেয়েটা ফোন দিতে থাকে !
কিন্তু ছেলেটা আর ফোন ধরে না !
অথচ একমাস আগেই মেয়েটা ছেড়ে গিয়েছিলো ছেলাটাকে।
বলেছিলোঃ
দেখ ! তোমার আমার সম্পর্ক পরিবার মেনে নিবে না !
তুমি ভালো একটা ছেলে ।
অনেক ভালো মেয়ে ডিজার্ভ করো।
ছেলেটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিলোঃ
কাউকে ভালোবাসো ?
মেয়েটা রেগে চিত্‍কার করে বলেঃ
ছিঃ এত নোংরা মানসিকতা তোমার ! আমি তোমাকে কত ভালোবাসি এটা জানো না বলেই এভাবে বলতে পারলা !
ছিঃ ছিঃ
অজুহাতটা পেয়ে গিয়েছিলো মেয়েটা!
ছোট এই কথাটার জের ধরে করেছিলো ব্রেকআপ!
কি অদ্ভুত !
সম্পর্ক ভেঙে দিতে কি অসাধারণভাবে খুঁজে নিতে হয় অজুহাত!
এই মেয়েটাই একদিন কারো মিথ্যা কথায় ভোলামনে ঘর বাড়ি ছেড়ে যাবে।
যে মেয়েগুলো সম্পর্ক ভাঙ্গার জন্য বলেঃ
পরিবার সম্পর্ক মেনে নিবে না !
তারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় মিথ্যেবাদী !
কারণ সে যদি পরিবারকে এতই ভালোবাসতো তবে অযোগ্য কাউকে জীবনে আনতো না।
নিশ্চয়ই ভালো কাউকে পেয়ে হাত ছেড়ে দেয়া দরকার।
মানুষ প্রতি মুহূর্তে বদলায় আর বদলে ফেলে নকল চেহারা!
ভুলে যায় প্রতিজ্ঞা ।
অথচ মেয়েটা কত আবেগ নিয়ে বলতোঃ
ভালোবাসি।
আমরা মিথ্যাটাকেই ভালোভাবাসা ভাবতে থাকি।
সম্পর্ক শেষ হতেই সিমের তিনশটা কন্ট্রাক্ট নাম্বার থেকে ডিলেট হয়ে যায় নাম্বার।যে নাম্বারটা একসময় অন্যমানুষটার মুখস্ত ছিলো ।
কে বলবে যে এই মেয়েটাই টানা কয়েকটা বছর চিঠি লিখতো !
রাতজেগে মিথ্যা স্বপ্ন দেখাতো।
আল্লাহ এদেরকে প্রচুর ভালোবাসার ক্ষমতা দিয়েছে । কিন্তু এরা অসন্তুষ্ট!
বিশেষ এক জনকে হাজারভাবে ভালোবাসা যায় কিন্তু এরা হাজার জনকে ভালোবাসার জালে ফেলে একইভাবে ধোঁকা দেয়!
ভালোবাসার সমীকরণে একপাশের সংখ্যাটাকে শূন্য দিয়ে গুন করে দিলেই অন্যপাশের অজস্র ভালোবাসার বৃহদাকার সংখ্যাটাও শূন্যই হয়। :(

কষ্ট লাগলে কষ্টে কে উপভোগ করো ......... কষ্টের ভিতর আনন্দ খোজার চেষ্টা করো ...... যদি আনন্দ খুজে পাও তা হলে জীবনে আর কোন...
04/09/2014

কষ্ট লাগলে কষ্টে কে উপভোগ করো ......... কষ্টের ভিতর আনন্দ খোজার চেষ্টা করো ...... যদি আনন্দ খুজে পাও তা হলে জীবনে আর কোন দিন কষ্ট কে কষ্ট বলে মনেই হবে না

--স্বপ্নময়

05/06/2014

শনিবার আমি তানিসাদের বাসায় গেলাম। তানিসাকে দেখে মনটা একদম ভাল হয়ে গেল। আমাকে দেখেই, ভাইয়া এসেছে, ভাইয়া এসেছে বলে চিৎকার চেচামেচি শুরু করে দিল মেয়েটা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও আন্টিকে একটু চিন্তিত মনে হল। যাই হোক, আমি কিছু না বলে তানিসাকে নিয়ে তার পড়ার রুমে চলে গেলাম পড়ানোর জন্য।

এভাবে আরো কয়েকদিন চলে গেল।

একদিন, তানিসা খুব দুষ্টুমি করছিল। কিছুতেই থামাতে পারছিলাম না। পড়াতেও মন ছিল না ওর। দুষ্টুমির এক পর্যায়ে দেখলাম, তানিসা হাসতে হাসতে হঠাৎ করে তার চেয়ার থেকে পড়ে গেল। তারপর অজ্ঞান হয়ে গেল। আমি হন্তদন্ত হয়ে তাকে কোলে নিলাম। তারপর, আন্টিকে ডেকে তাকে বেডরুমে নিয়ে শুইয়ে দিলাম। আন্টির চেহারা দেখে বুঝতেই পারছিলাম, কোন সিরিয়াস ব্যাপার নিয়ে আন্টি খুব চিন্তিত কয়েকদিন থেকেই।

আমি আন্টি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তানিসার কী হয়েছে আন্টি?? আর আপনাকে কয়েকদিন থাকেই খুব চিন্তিত দেখাচ্ছে! সিরিয়াস কিছু??

আমি দেখলাম, আমার কথা শুনে আন্টি আরো বিমর্ষ হয়ে গেল। ভাল ভাবে খেয়াল করে দেখলাম, আন্টি কাঁদছেন। কিছুই বুঝতে পারলাম না। তাই, আবার বললাম,

-আন্টি! কী হয়েছে আমাকে বলবেন প্লিজ ?

এবার আন্টি আমাকে অনেকগুলো কথা বললেন। আমি সত্যিই সেগুলো শোনার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। কথাগুলো বলেই আন্টি হু হু করে কেঁদে দিলেন। আমিও আর নিজেকে আটকাতে পারলাম না। চোখ ফেটে কান্না এল আমার্। বুকটা নিমিষেই কষ্টে ভরে গেল। মনে হচ্ছিল, কেউ যেন আমার বুকে বিশাল একটা পাথর চাপিয়ে দিয়েছে। আর আমি নিশ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফট করছি। কিন্তু পারছিনা। এতটাই কষ্ট হচ্ছিল আমার।

আন্টির কথার মর্মার্থ খুব ছোট করে বললে এরূপ দাড়াবে,"তানিসার ব্রেইন টিউমার হয়েছে। কিছুদিন আগেই টেষ্টে এটা ধরা পরেছে। কিন্তু তানিসা এটা জানেনা। ডাক্তার বলেছে সময় অনেক বেশি হয়ে যাওয়ার ফলে তাদের আর করার কিছুই নেই। যেকোনদিন তানিসা এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে পারে। তার জন্য আর কোন চিকিৎসাই অবশিষ্ট নেই।"

আমি কী বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এরমধ্যে আন্টি আরো কিছু কথা বললেন যেগুলো শুনে তানিসার প্রতি আমার ভালবাসা আরো অনেকগুনে বেড়ে গেল। আন্টি আর আঙ্কেল তানিসার স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কারন ডাক্তার বলেছেন,এ মুহুর্তে তানিসার মাথায় যেন অতিরিক্ত কোন চাপ না পড়ে। আর এই কারনে উনারা আমাকেও টিউশনিটা বাদ দেওয়ার কথা বলতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু তানিসা এতে কিছুতেই রাজি হয়নি। সে নাকি খুব কান্না কাটি করে বলেছিল,স্কুল-প্রাইভেট বাদ দিলে দিক, কিন্তু আমাকে যেন বাদ দেওয়া না হয়। সে নাকি সেদিন কান্না করে বলেছে,"ভাইয়াকে ছাড়া আমার কিছু ভাল লাগে না। পড়ার জন্য না হলেও ভাইয়া যেন প্রতিদিন আমাদের বাসায় আসে।"

আমি এরপর থেকে প্রতিদিনই তানিসাদের বাসায় যেতাম। সবসময় হাসিয়ে রাখার চেষ্টা করতাম মেয়েটাকে। কিন্তু অল্প কয়েকদিনের ব্যাবধানেই তানিসার চেহারা অনেক বদলে গেল। অনেক শুকিয়ে গেল সে। আগের মত আর হাসিখুশি ভরা মুখখানা নিয়ে আমার সাথে দুস্টুমিও করতো না। যখন তখন অসুস্থ হয়ে পড়তো। ব্যাপারগুলো খুব কাছ থেকে দেখতাম আমি, কিন্তু কিছুই করার ছিল না। প্রতিদিন মেসে এসে নিজের রুমে বসে একা একা কাঁদতাম আমি।

কয়েকদিন যেতে না যেতেই তানিসা খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ল। বিছানা ছেড়ে উঠতে পারতো না সে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়,এই অসুস্থতার মধ্যেও সে সবসময় আমাকে খুঁজতো। একদিন আন্টি আমার হাত ধরে কান্নাকাটি করে খুব কাকুতি করে আমাকে উনাদের বাসায় থেকে যেতে বললেন। সেদিন তানিসার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

ডাক্তার এসে দেখলেন কিন্তু কিছুই বললেন না। কিছু ওষুধের নাম সহ একটা প্রেস্ক্রিপশন আংকেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চশমা খুলে চোখ মুছতে মুছতে চলে গেলেন। সেদিন সারাটা সময় আমি তানিসার সাথেই কাটিয়েছিলাম। অনেক মজার মজার গল্প বলে ওকে একটু হাসানোর খুব চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু মেয়েটা হাসার চেষ্টা করেও হাসতে পারছিল না। বুঝতে পারছিলাম খুব কষ্ট হচ্ছে ওর। কিন্তু আমিও নিজেকে আর সামলাতে পারছিলাম না। মেয়েটার হাসিমাখা মুখখানা যে অনেকদিন দেখিনি।

সন্ধ্যার দিকে তানিসা ঘুমিয়ে পড়ল। আমরাও রাতে কিছুক্ষন গল্প করে যার যার রুমে চলে গেলাম। আমাকে গেস্ট রুমে থাকার ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। রাতে কিছুতেই ঘুম আসছিল না আমার। হঠাৎ পাশের রুম থেকে আন্টির চিতকার শুনতে পেলাম। আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না। ছুটে গেলাম তানিসার সেই রুমে।

গিয়ে দেখলাম,আন্টি তানিসাকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছেন। আঙ্কেল নিশ্বব্দে দাড়িয়ে আছেন আন্টির পাশে। আঙ্কেলের হাত তানিসার ছোট্ট হাতটি ধরে রেখেছেন শক্ত করে। যেন কিছুতেই না ছুটে যায়। কারো মুখে কোন শব্দ নেই। আন্টি চুপটি করে আছেন, সেরূপ আঙ্কেলও। শুধু দুজনের চোখ দিয়ে ঝরঝরিয়ে পানি পড়ছে।

আমি আসতে আসতে কাছে এগিয়ে গেলাম। পরম মমতায় "আপু" বলে ডাক দিলাম। দেখলাম,তানিসা একটু নড়েচড়ে উঠল। তারপর,আন্টির কোল থেকে মুখটা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে "ভাইয়া" বলে ডাক দিল। তারপর,তার ছোট্ট হাতটি আমার দিকে বাড়িয়ে দিল প্রশস্ত করে। আমিও আমার হাতটা তার দিকে বাড়িয়ে দিলাম। আমার হাতটা শক্ত করে ধরে তানিসা বলল,"ভাইয়া আমি কি মরে যাবো?? আম্মু আব্বু আমাকে কিছুই বলতে চাচ্ছে না। তুমি বলনা, ভাইয়া ! তোমরা সবাই কাদছো কেন?"

আমি কিছুই ভেবে পাচ্ছিলাম না যে এই মুহুর্তে আমি কী বলবো। চুপ করে শুধু অশ্রু বিষর্জন করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার ছিল না। হঠাত খেয়াল করলাম,তানিসার যেই হাতটা আমার আঙ্গুলটা ধরে ছিল সেটা আঙ্গুলটা ছেড়ে দিল। তারপর আস্তে করে সমস্ত শরীরটা আন্টির কোলে এলিয়ে দিল। আন্টি সশব্দে চিৎকার করে উঠলেন সাথে আঙ্কেলও। আমি তানিসার মুখপানে শুধু চেয়েছিলাম।

হঠাৎ খেয়াল করলাম, আমারও চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে! :'(

05/06/2014

আপনি আপনার বাবাকে নিয়ে এসেছেন হাসপাতালে।
দেখেশুনে বুঝলাম উনার হার্ট অ্যাটাক। দ্রুত টারশিয়ারি হাসপাতালে না পাঠালে তাঁর বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কিন্তু রেফার করার আগে যদি অ্যাসপিরিন, ক্লপিডগ্রিল আর স্ট্যাটিন এর লোডিং ডোজ খাইয়ে দিই তবে বাঁচার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। তবু আমি সেটা করবোনা কারণ পথিমধ্যে রোগী মারা গেলে আপনি এসে আমার কলার চেপে বলবেন ওই ঔষধগুলা দিয়ে আমি আপনার বাবাকে মেরে ফেলেছি। ক্ষতিটা কার হলো শুনি?

আপনার স্ত্রীর প্রসব যন্ত্রণা উঠেছে মধ্যরাতে। আমাকে এসে ঘুম থেকে ডেকে তুললেন সাহায্য করার জন্যে। আমি গিয়ে দেখলাম চাইলেই নরম্যালি বাচ্চা ডেলিভারি করাতে পারব কিন্তু আমি করবোনা। মাঝরাতে বারো মাইল দূরের হাসপাতালে পাঠাবো কারণ যদি সামান্য কিছু এদিক ওদিক হয়ে যায় আপনি আপনার গোষ্ঠীসহ আমার টুটি চেপে ধরবেন। ক্ষতিটা কার হলো শুনি?

আপনার জ্বর হয়েছে এক সপ্তাহ ধরে। ফার্মেসি থেকে মাতবরি করে এন্টিবায়োটিক কিনে খেয়েছেন কাজ হয়নি। আমার কাছে এসে বললেন 'ডাক্তার... সাতদিনের জ্বর, এন্টিবায়োটিক খেলাম কিছুই তো হল না।' আমি জিজ্ঞেস করলাম ‘এন্টিবায়োটিক’ মানে কি? আপনি আমতা আমতা করে বললেন 'ওই যে জ্বর হলে খায় আরকি' আমি আপনাকে মনে মনে আবাল টাইটেল দিয়ে চিকিৎসা শুরু করলাম। আবালদের চিকিৎসার নিয়ম ভিন্ন। ঠিকমত পরীক্ষা করে হয়তো বিশটাকার ডক্সিসাইক্লিন ক্যাপসুল দিলেই আপনার রোগ ভাল হয়ে যেত কিন্তু আমি তা করব না। কারণ টেস্ট করতে দিলে তো বলবেন ‘সামান্য(!) জ্বরের জন্যে রক্ত পরীক্ষা করতে দিল। জ্বর কি রক্তে হয় নাকি? জ্বর তো হয় চামড়ায়। খালি কমিশন খাওয়ার ধান্দা’ তাই আমি আপনাকে চিকিৎসা শুরু করব ‘টেজোসিন’ দিয়ে। মশা মারতে হাইড্রোজেন বোমা দাগার মত। দ্রষ্টব্যঃ একেকটা টেজোসিন ইনজেকশনের দাম কয়েক হাজার টাকা, হয়তো ঠিক পথে চিকিৎসা দিলে বিশ টাকায় কর্ম সাধন হত। ক্ষতিটা কার হলো শুনি?

আপনি সরকারী হাসপাতালে যাবেন না, কারণ কি? ওখানে ডাক্তাররা ভাল করে দেখে না। লম্বা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আপনি আসবেন প্রাইভেট চেম্বারে। আর চায়ের দোকানে বসে বড় বড় বুলি ঝাড়বেন 'আহারে দ্যাশে চিকিৎসা বলতে কিচ্ছু নাই, আম্রিকায় কত ভাল চিকিৎসা দেয় ডাক্তাররা।' এখন কথা হল আম্রিকায় একজন জিপি আট ঘণ্টার অফিস আওয়ারে যেখানে রোগী দেখে পনেরো থেকে বিশজন সেখানে বাংলাদেশের একটা সরকারী হাসপাতালের আউটডোরে রোগী দেখতে হয় একশ থেকে দেড়শজন। এরপরেও আপনি আশা করেন আপনাকে কোলে বসিয়ে আপনার ঘর-গৃহস্থালির খোঁজ খবর নিবে ডাক্তার। না নিলেই ডাক্তার লোক খারাপ। আবার প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখলে বলবেন 'হায় হায় দ্যাখ শালা কত ট্যাকা কামায়া ফেলল! কসাই একটা।' যান প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ; হাসপাতালে প্রতিটা রোগীকে পনেরো মিনিট করে দেখব। সে হিসাবে এক ঘণ্টায় চারজন। আট ঘণ্টায় বত্রিশজন। স্যরি ভুল বললাম... মাঝে এক ঘণ্টার লাঞ্চ ব্রেক আছে। তাহলে থাকল সাত ঘণ্টায় আটাশজন। আপনি আবার কালকে কাউয়া ডাকা ভোরে এসে লাইনে দাঁড়াইয়েন। নান অফ মাই বিজনেস; আই অ্যাম জাস্ট ডুয়িং একজ্যাক্টলি হোয়াট ইউ ওয়ান্টেড। এখন ক্ষতিটা কার হলো শুনি?

আপনার হয়েছে টাইফয়েড, হাসপাতালের সরকারী সাপ্লাই আছে প্যারাসিটামল আর কৃমির বড়ি। আমি সেইটা দিয়েই আপনারে বিদায় করব। কারণ বাইরে থেকে সঠিক ঔষধটা কিনতে বললে তো বলবেন কোম্পানির কমিশন খেয়ে লিখেছি। যান এখন জ্বরে কো কো করে কাটান আরও কয়েকটা দিন। আমার কি?

আরও বলবো? সারাদিন বলতে পারব এরকম। দিনশেষে ভুক্তভোগী আপনি হবেন, আমি না। ডাক্তার ফেরেশতা না, মানুষ। ফেরেশতার চেয়ে আল্লাহ্‌র কাছে মানুষের মূল্য বেশি। নিজে মানুষ হন, ডাক্তারদেরকে মানুষ ভাবতে শিখুন। মানুষের সীমাবদ্ধতা আছে সেটা মনে রাখুন। আপনার বাবাকে মেরে ফেলে আমার লাভ নেই, আপনার অনাগত সন্তানের ক্ষতি করে আমার লাভ নেই। তাঁদের সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। বরং তাদের বাঁচাতে পারলেই আমার ভাল লাগে, আমি শান্তি পাই, আমার হাড়ভাঙা খাটুনি সার্থক হয়, জীবনটা অর্থবহ মনে হয়। আপনার আপনজনের মৃত্যুতে আমিও কাঁদি, সে কান্না আমার চোখে জলের স্রোত হয়ে নামে না, ঝর্না হয়ে রয়ে যায় অন্তরালে। সাদা আপন প্রাণের ভিতরটাতে এমন হাজারো কান্নার আনাগোনা নিয়ে তবু আমি আজরাইলের সাথে যুদ্ধে নামি আবার নতুন করে...! যদি একটিও প্রাণ বাঁচাতে পারি - এই আশায়। :)

লেখক- ডাঃ সাইফুল ইসলাম

01/06/2014

বাবা-মা এর খোলা চিঠি সব সন্তানদের প্রতি :

১. যেদিন আমরা বৃদ্ধ হয়ে যাবো, তখন নিজের
শৈশব স্মরণ করো এবং আমাদের বুঝার চেষ্টা করো।

২. যখন আমরা কোন কথা ভুলে যাবো, তখন
আমাদের উপর রাগ না করে তোমার শিশুকাল মনে করো।

৩. যখন বয়সের ভারে চলতে পারবো না, তখন
আমাদের শেষ আশ্রয় হয়ও এবং নিজের প্রথম
হেঁটে চলা মনে করো।

৪. যখন আমরা অসুস্থ হয়ে যাবো, তখন ওই দিন
মনে করে আমাদের জন্য টাকা খরচ করো যেদিন
গুলোতে আমরা তোমাদের সব ইচ্ছা পূরণ
করতাম। :)

24/05/2014

যে ৮ ধরনের মানুষকে বিয়ে করার আগে অনেক বেশী ভাবা উচিৎ--

বিয়ে,
পুরো মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যম। কিন্তু, মাঝে মধ্যে এই মাধ্যমটিরও অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক অনেক সময় শুরুতে মধুর হলেও পরে তিক্ততায় পরিণত হয়। আপাতদৃষ্টিতে, বিয়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যে সকল সম্পর্ককে মনে হয় বিয়ে করার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে, কিছুদিন পর দেখা যায় সেগুলোতে সবচেয়ে বেশী গড়মিল ছিল। তেমনই কিছু সম্পর্কের প্রতি একটু দৃষ্টিপাত করা যাক।

সহপাঠীঃ

বিয়ের আগে সবচেয়ে সুখকর দাম্পত্য জীবনের পূর্বাভাস দেয় সহপাঠী। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, বেশীরভাগই ক্ষেত্রেই তা পরিণত হয় দুঃখের ঝড়ো হাওয়ায়। এর অন্যতম কারণ হলো সমবয়স। প্রকৃতিগত কারণেই মেয়েদের সাংসারিক-মানসিক পরিপক্কতা সচরাচর আগে হয় ছেলেদের থেকে। তাই যে সময়ে একজন মেয়ে ঘরের ড্রয়িংরুমের সোফাটা কেমন হবে, তা নিয়ে চিন্তা করে, তখন একজন ছেলে চিন্তা করে, এবারের ব্যলন ডিওরটা রোনাল্ডো না মেসি পাবে। এছাড়াও একজন ছেলের স্বাবলম্বী হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়, সে সময়ে দেখা যায় অন্যান্য অনেক মেয়েই সন্তানের মা হয়ে গিয়েছে। যার কারণে, যে মেয়েটি সহপাঠীকে বিয়ে করেছে বা করবে তাকে হতে হয় অনেক ধৈর্যশীল। আরও একটি ব্যাপার, যদিও সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, তবুও হল, সহপাঠী হওয়ার কারণে বিয়ের আগেই দুজনের মধ্যে অনেক বেশী জানাশোনা হয়ে যায়, যা বিয়ের পর আকর্ষন ধরে রাখার বিরুদ্ধে কাজ করে।

ঘনিষ্ট বন্ধু বা বান্ধবীর বোন বা ভাইঃ

বিয়ের আগে এমন সম্পর্ক থাকলে খুব বেশী করে ভাবা উচিৎ। বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে আপনার মনের মিল থাকতেই পারে, কিন্তু তাই বলে, এইটা ভাবা ভুল যে তার বোন বা ভাই এর সাথেও আপনার মনের মিল হবে। কারণ, এক একটি মানুষ এক একটি সত্ত্বা, রক্তের সম্পর্ক সবসময় মনের প্রতিফলন ঘটায় না। আরও একটি বিষয়, বিয়ের আগে আপনার বন্ধু বা বান্ধবীটি কিন্তু বিয়ের পরে শুধু আপনার আর সেই আগের মত বন্ধু বা বান্ধবী থাকে না। সে এখন আপনার স্ত্রী বা স্বামীর ভাই অথবা বোনও। আর বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে এমন অনেক ব্যাপার শেয়ার করা হয় যা অন্যদের সাথে সম্ভব নয়, যার ফলে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব দাম্পত্য জীবনে গিয়ে পড়ে।

রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় স্বজনঃ

এই সম্পর্কটির মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিয়ে হয়ে থাকে, যেমন চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুপাতো ভাইবোন। এই সম্পর্কে মানসিক অসুবিধার চেয়ে জিনগত কিছু সমস্যা দেখা যায় বেশী। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে। সবচেয়ে বেশী যে বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতে হয় সেটি হলো, যদি কখনও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বেশী খারাপ হয় তখন সেটি আর দুইটি জীবনের মধ্যে থাকে না, ক্যান্সারের মতো তা সমস্ত আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

সম্পূর্ণ অপরিচিতঃ

একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের সাথে বিয়ের মত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যাওয়ার আগে অন্তত কয়েকশবার ভাবনা চিন্তা করা উচিৎ। শুধু ক্ষণিকের দেখায় হয়তো বা ভালো লাগতে পারে, কিন্তু দুজনের মধ্যে যদি অতীতে এমন কিছু থাকে যা ভবিষ্যতে সংসারের জন্য হুমকি স্বরূপ, তবে সে সম্পর্কে যাওয়ার চেয়ে বোধ হয় না যাওয়াই ভালো। বিয়েতো আর জামা কাপড় কেনা না, যে এখন একটা কিনলেন, দুইদিন পর পছন্দ হলো না, কাউকে ব্যবহার করতে দিয়ে আবার আরেকটা কিনে আনলেন।
নিজ ধর্মের বাইরে বিয়ে করাঃ
সত্যি কথা বলতে, সবচেয়ে বেশী ঝামেলা সহ্য করতে হয় এইরকম বিয়ের ক্ষেত্রে। দুইজনের পরিবারই হাতে গোনা দুই একটা ঘটনা বাদে কখনই মেনে নেয় না। স্বামী-স্ত্রীকে সারাজীবন কাটাতে হয় আত্মীয়-স্বজনদের সান্নিধ্য ছাড়া।

প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকাঃ

বিয়ের আগে প্রেম ভালবাসা হতেই পারে। তবে, অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রেমিক প্রেমিকা ভালবাসা করলেও বিয়ে আর হয় না। সম্পর্কের ভাঙ্গন ধরে। কিছুদিন পর দুজন দুই দিকে চলে যায়, অনেকসময় নতুন সম্পর্ক হয়। আবার কিছুদিন পর মনে হয়, না, পূর্বজনই বোধহয় ভালো ছিল। এইক্ষেত্রে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো নামে পরিচিত বিশ্ববরেণ্য তারকা জনি ডিপ এর একটা বিখ্যাত উক্তি আছে-
“যদি তোমার প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা এবং বর্তমান প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে কাউকে বেছে নিতে বলা হয় তবে সবসময় দ্বিতীয়জনকে বেছে নিও। কারণ, প্রথমজন যদি তোমার জন্য উপযুক্তই হতো তবে, তুমি দ্বিতীয়জনের কাছে কখনও যেতে না”।

আপনার চেয়ে খুব বেশী ধনী বা গরিব কাউকেঃ

এই ধরণের সম্পর্কের বিয়ে, নাটক সিনেমায় বেশী দেখা যায়। যদিও বাস্তবে অনেক কম, তবুও এই রকম বিয়ে করার আগে ছেলে বা মেয়ের অনেক বেশী চিন্তা করা উচিৎ। অর্থনৈতিকভাবে দুই পক্ষই ভারসাম্যে না থেকে যদি কোন একপক্ষ মাত্রাতিরিক্ত অবস্থাসম্পন্ন হয় তবে সেটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মনোকষ্টের কারণ হয়। যে পক্ষের অবস্থা ভালো তাদের মধ্যে একটু অহংকারবোধ এবং অন্য পক্ষের মধ্যে হীনমন্যতা দেখা দিতে পারে। স্বামী-স্ত্রী হয়তোবা নিজেদের মধ্যে এগুলো মিটমাট করে ফেলতে পারে, কিন্তু আত্মীয়স্বজনেরা অনেক সময় খোটা দিতে পিছপা হয় না।

মিডিয়া ব্যক্তিত্বঃ

আমাদের সবারই স্বপ্নের নায়ক বা নায়িকা কমবেশি থাকে। তাদের মধ্যে কেউ বা নাটক সিনেমায় অভিনয় করেন, কেউ গান গায়, কেউ নাচে, কেউ কেউ আবার অন্যের পন্যের জন্য করে মডেলিং। কেউ হয়তো বা লেখালিখি করে, কেউবা করে সিনেমা পরিচালনা। এসকল স্বপ্নের মানুষগুলোর সাথে বাস্তব জীবনে সম্পর্কে যাওয়ার আগে একটা জিনিস মাথায় রাখা উচিৎ, আপনার মতো আরও অনেকের স্বপ্নেই কিন্তু উনি আছেন। তাই বিয়ের পরে, ওনার পেশাগত কারণে আপনার প্রতি সময় কম দেওয়া বা আরও অনেকের সাথে কথা বলা, বিভিন্ন স্থানে যাওয়া, এই বিষয়গুলো যদি আপনি মেনে নিতে না পারেন, তবে স্বপ্নের মানুষকে স্বপ্নেই রেখে দিন। বাস্তবে আর ধরতে যাবেন না।

দাম্পত্য জীবন শুরু করার আগে একটু ভেবে দেখুন এই বিষয়গুলি। কারণ কথায় বলে-
“ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না”।

অবশ্য ব্যতিক্রম সবক্ষেত্রেই আছে। তাই যদি মানিয়ে নিতে পারেন তবে, কোন কিছুই কোন সমস্যা না।প্রতিটি দাম্পত্য জীবন হোক সুখময়, আনন্দময় এবং মধুময়।

অনেকেই হয়তো বিয়ে নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছেন। তাদের জন্য এই কথাটা বলতে চাই!
বিয়ে তাকেই করা উচিত-
যার সাথে শেষদিন পর্যন্ত অন্তত ঝগড়া করা যায় :)

#সংগৃহীত

18/05/2014
আমাদের পেজ এর সম্মানীয় অ্যাডমিন  #স্বপ্নময়ী মেসি কে একদম দেখতে পারে না। মেসির নাম শুনলেই নাকি তার মেজাজ খারাপ হয়ে যায় :P...
18/05/2014

আমাদের পেজ এর সম্মানীয় অ্যাডমিন #স্বপ্নময়ী মেসি কে একদম দেখতে পারে না। মেসির নাম শুনলেই নাকি তার মেজাজ খারাপ হয়ে যায় :P :P তাই উনার সম্মানে এয়ত উৎসর্গ করলাম।
B| B| B| B| B|

:v :v :v
18/05/2014

:v :v :v

Address

Rupsha
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sad Moment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share