31/12/2025
👻 জ্বিনের বিয়ে 👻
(একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
এই ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৯ সালের এক শীতের রাতে, বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। গ্রামটির নাম বলছি না—কারণ আজও সেখানকার মানুষ এই বিষয়টি মুখে আনতে ভয় পায়।
গ্রামের শেষ প্রান্তে ছিল একটি পুরোনো তালগাছ ঘেরা বাড়ি। বহু বছর ধরে সেটি পরিত্যক্ত। সন্ধ্যার পর কেউ ওদিকে যেত না। বলা হতো—ওই বাড়িতে জ্বিনদের আসর বসে।
গ্রামের এক যুবক, নাম ধরি রাশেদ, কাজের প্রয়োজনে সেদিন রাতে বাড়ি ফিরছিল দেরিতে। রাত তখন প্রায় ১২টা। হঠাৎ সে দেখতে পেল—পরিত্যক্ত বাড়িটিতে আলো জ্বলছে।
না হারিকেন, না বিদ্যুৎ—সাদা নীলচে আলো, ঠিক চাঁদের মতো।
কৌতূহল তাকে টেনে নিল।
সে যত কাছে গেল, ততই স্পষ্ট শোনা যেতে লাগল—
ঢোলের মতো শব্দ, মেয়েদের হাসি, আর অদ্ভুত এক গুনগুন আওয়াজ।
ভেতরে ঢুকেই সে থমকে গেল।
👉 একটা বিয়ে চলছে।
কিন্তু বর-কনের চেহারা স্বাভাবিক না।
কারও পা মাটিতে ছুঁয়েছে না।
কারও চোখ নেই, শুধু ফাঁকা গর্ত।
কনের মাথায় ওড়না, কিন্তু মুখ নেই—শুধু কালো ছায়া।
হঠাৎ একজন বৃদ্ধ জ্বিন তার দিকে তাকিয়ে বলল,
“মানুষ এখানে আসে না… তুমি কেন এলে?”
রাশেদের গলা শুকিয়ে গেল। সে দৌড়াতে চাইল, কিন্তু পা নড়ে না।
ঠিক তখনই আজান ভেসে এল দূরের মসজিদ থেকে—ফজরের আজান।
মুহূর্তেই সবকিছু অদৃশ্য।
আলো নিভে গেল।
বাড়ি আবার অন্ধকার, নীরব।
রাশেদ মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।
সকালে গ্রামবাসী তাকে সেই বাড়ির সামনে অচেতন অবস্থায় পায়।
সে তিন দিন কথা বলতে পারেনি।
এরপর শুধু বলেছিল একটাই কথা—
“ওটা মানুষের বিয়ে ছিল না…
ওটা ছিল জ্বিনের বিয়ে।”
আজও ওই বাড়ির পাশ দিয়ে গেলে রাতে ঢোলের শব্দ শোনা যায়।
আর কেউ সাহস করে সেখানে যায় না।
বিশ্বাস করুন বা না করুন—