Auwal Academy

Auwal Academy In this page you will get Videos of Classes, Writing about Science and General knowledge, Interestin

05/09/2026

নেত্রকোনা নাকি নেত্রকোণা?
অনেকেই ভুল করে জেলাটির নাম নেত্রকোণা লিখেন। জেলাটির নামের সঠিক বানান হবে নেত্রকোনা।

এমন হওয়াটা নিন্দনীয়! তবে ইংরেজি জানাটা অপরাধ নয়!
28/08/2026

এমন হওয়াটা নিন্দনীয়! তবে ইংরেজি জানাটা অপরাধ নয়!

একজন প্রকৃত বিপ্লবীর গল্প! একসময় সিলিকন ভ্যালিতে প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার ছিল তাঁর। বিশ্বের অন্যতম পরিচিত সেমিকন্ডাক্টর কোম্...
26/08/2026

একজন প্রকৃত বিপ্লবীর গল্প!

একসময় সিলিকন ভ্যালিতে প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার ছিল তাঁর। বিশ্বের অন্যতম পরিচিত সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি AMD-তে কাজ করেছেন চিপ ডিজাইনার হিসেবে। চাইলে যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারতেন। কিন্তু তাঁর চোখে তখন অন্য এক স্বপ্ন—বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের নিয়ে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যারা বিশ্বের semiconductor industry-র সঙ্গে সরাসরি কাজ করবে।

সেই স্বপ্ন থেকেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ULKASEMI। শুরুতে প্রকৌশলী ছিলেন মাত্র চারজন। প্রায় দুই দশকের পথচলায় সেই প্রতিষ্ঠান এখন ৬০০-এর বেশি design engineer-এর একটি আন্তর্জাতিক semiconductor design company। বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ULKASEMI এখন Taiwan Semiconductor Manufacturing Company (TSMC)-এর Design Center Alliance-এর অংশ।

মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমানের এই গল্প তাই কেবল একজন প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশে একটি নতুন শিল্পের ভিত গড়ে তোলার গল্প।

মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের পথ ধরে পৌঁছে যান সিলিকন ভ্যালিতে। সেখানে তিনি AMD-তে semiconductor chip designer হিসেবে কাজ করেন। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের দ্রুত বিকাশ, প্রযুক্তির পরিবর্তন এবং এশিয়ার সম্ভাবনা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয় তাঁর।

সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার সময়ই তাঁর মনে একটি ধারণা তৈরি হয়—বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে তারাও বৈশ্বিক semiconductor ecosystem-এর অংশ হতে পারেন। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী ও প্রকৌশলী তৈরির সক্ষমতা তাঁকে সেই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেয়। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারিয়ার ছেড়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

২০০৭ সালে ঢাকায় মাত্র চারজন প্রকৌশলী নিয়ে ULKASEMI-এর যাত্রা শুরু হয়। একই সময়ে সিলিকন ভ্যালিতেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করা হয়। তখন বাংলাদেশে semiconductor design industry বলতে কার্যত কোনো প্রতিষ্ঠিত ecosystem ছিল না। প্রয়োজন ছিল দক্ষ জনবল তৈরি করা, আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা অর্জন করা এবং একেবারে নতুন একটি খাতে বাংলাদেশকে পরিচিত করা।

শুরুর সময়টা সহজ ছিল না। ২০০৮ থেকে ২০১০ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটিকে টিকে থাকতে হয়েছে। ULKASEMI প্রথম দিকে chip layout design-এর মতো কাজ দিয়ে যাত্রা শুরু করে। এর মাধ্যমে প্রকৌশলীদের দ্রুত প্রশিক্ষিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে semiconductor design-এর আরও জটিল পর্যায়ে বিস্তৃত হয়—architecture, RTL design, verification থেকে শুরু করে physical design ও অন্যান্য বিশেষায়িত সেবায়।

আজ ULKASEMI-এর সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি তার মানবসম্পদ। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, তাদের ৬০০-এর বেশি design engineer রয়েছে। চারটি দেশে তাদের design centre রয়েছে এবং senior management-এর সম্মিলিত Silicon Valley experience ২৫০ বছরেরও বেশি।

প্রতিষ্ঠানটি এখন শুধু বাংলাদেশের জন্য কাজ করে না; বরং বৈশ্বিক semiconductor value chain-এর অংশ হিসেবে কাজ করছে। ULKASEMI-এর expertise-এর মধ্যে রয়েছে analog circuit design, custom IC layout, IC physical design, architecture and RTL design, design-for-test এবং foundry design enablement। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের ৪০০-এর বেশি physical-design tape-out এবং ১৫০টি SRAM ও ৫০টি OTP tape-out-এর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

এই যাত্রার অন্যতম বড় মাইলফলক আসে ২০২১ সালে। ওই বছর ULKASEMI TSMC-এর Design Center Alliance (DCA)-এর partner হয়। TSMC-এর নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, DCA মূলত chip implementation services ও system-level design solutions-এর মাধ্যমে TSMC technology গ্রহণকারী গ্রাহকদের design সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। TSMC-এর বর্তমান DCA তালিকাতেও ULKASEMI-এর নাম রয়েছে।

এটি বাংলাদেশের semiconductor industry-এর জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। কারণ TSMC বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ semiconductor foundry-গুলোর একটি, আর তাদের DCA ecosystem-এ যুক্ত হওয়া মানে ULKASEMI বৈশ্বিক chip-design ecosystem-এর একটি স্বীকৃত অংশ হিসেবে কাজ করছে।

তবে এনায়েতুর রহমানের লক্ষ্য শুধু নিজের প্রতিষ্ঠানকে বড় করা নয়। তিনি বাংলাদেশের জন্য semiconductor industry-র একটি দীর্ঘমেয়াদি ecosystem দেখতে চান। তাঁর মতে, বাংলাদেশের জন্য শুরুতেই বিপুল মূলধননির্ভর chip fabrication plant স্থাপন করার চেয়ে semiconductor design, verification এবং testing & packaging-এর মতো ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান তৈরি করা বেশি বাস্তবসম্মত।

এই চিন্তার পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের বড় একটি সম্ভাবনা—মানবসম্পদ। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার engineering graduate বের হন। এই বিশাল talent pool-কে semiconductor-specific skills-এ প্রশিক্ষিত করা গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক chip-design ও engineering services-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

সেই স্বপ্ন এখন কেবল ব্যক্তিগত উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাংলাদেশ সরকারও semiconductor sector-কে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ export industry হিসেবে বিবেচনা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় semiconductor strategy, talent roadmap এবং ecosystem development নিয়ে কাজ এগিয়েছে। এনায়েতুর রহমানও এ খাতের নীতি প্রণয়নে যুক্ত হয়েছেন এবং বাংলাদেশের semiconductor সম্ভাবনা নিয়ে নিয়মিত কথা বলছেন।

তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠানও এখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রকৌশলী তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। ULKASEMI-র সাম্প্রতিক উদ্যোগ ও বক্তব্যে analog design, digital verification, layout engineeringসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক skill set থাকলে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরাও বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করতে পারেন।

একসময় যে মানুষটি AMD-র মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে চিপ ডিজাইন করতেন, তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের দেশের মাটিতে ফিরে এসে এমন একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন, যেখানে আজ শত শত প্রকৌশলী বৈশ্বিক semiconductor industry-র জন্য কাজ করছেন।

চারজন প্রকৌশলী নিয়ে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ এখন ৬০০-এর বেশি প্রকৌশলীর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের নাম এখন আর শুধু তৈরি পোশাক বা প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের সঙ্গে নয়—ধীরে ধীরে semiconductor design-এর মতো উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেত্রেও উচ্চারিত হচ্ছে।

মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমানের সবচেয়ে বড় অর্জন হয়তো ULKASEMI-এর আকার নয়। বরং তিনি দেখিয়েছেন—বাংলাদেশে বসেও বিশ্বমানের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা সম্ভব। সিলিকন ভ্যালিতে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে দেশের মাটিতে কাজে লাগিয়ে তিনি এমন একটি ecosystem তৈরির চেষ্টা করেছেন, যেখানে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা শুধু বিদেশে চাকরি খুঁজবেন না; বরং বিশ্ব প্রযুক্তি শিল্পের জন্য বাংলাদেশ থেকেই সমাধান তৈরি করবেন।

একসময় সিলিকন ভ্যালি ছিল তাঁর কর্মক্ষেত্র। আজ তাঁর তৈরি প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের সেই বৈশ্বিক প্রযুক্তির দরজায় পৌঁছে দিচ্ছে।
#পাবলিকিয়ান

20/08/2026

চাকরি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রশ্ন-
# বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির নাম কি?
# মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?

ডিপ্লোমা ভর্তি!
18/08/2026

ডিপ্লোমা ভর্তি!

05/08/2026

আমার সাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কে কে ডুয়েটে চান্স পেয়েছো?

30/07/2026

হে শিক্ষার্থী, তুমি ফুলটাইম শিক্ষার্থী না হলে পার্টটাইম চাকরিও পাবে না! উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়তে পড়াশোনায় মনোযোগ দাও।

জেনে রাখুন!
20/07/2026

জেনে রাখুন!

06/07/2026

# বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নেতা কে?
ক. স্পীকার খ. প্রধানমন্ত্রী গ. রাষ্ট্রপতি ঘ. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সবুজ ক্যাম্পাস "কিশোরগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট"
05/07/2026

সবুজ ক্যাম্পাস "কিশোরগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট"

Address

Azimuddin School Road
Kishoreganj
2300

Telephone

+8801812793939

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Auwal Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Auwal Academy:

Shortcuts

Share