06/04/2026
রাতের রহস্য 😶
Writer - FAR✍️
আন্ধার রাত গহিন জঙ্গলে পুরোনো বাড়িতে সাবুজ , শহিন রানা মিলে মিরাকে ধ*র্ষ*ণ করে মে*রে ফেলে। মিরার লাশ পুঁতে দেই এইখানে । মিরা বাবা-মা মারা মেয়ে । মামা - মামির লাঠিজাটা খেয়ে বড় হয়েছে। টিউশনি করে নিজের খরচটা কোন রকম চালায় । মিরা খুব সুন্দর। গায়ের রং ফর্সা ফুটফুটে, চোখ হরিনির মতো , ঠোঁট গোলাপী যে কেউ দেখলে চোখ সরাতে পারতো না। মামি জহেরা বেগম মিরা কে সহ্য করতে পারতো না । সারা দিন সংসারের কাজ করাতেন। এক দিন কলেজ থেকে ফিরে আসার সময় রানা তার বন্ধু শাহিন _ সবুজ কলেজের সামনে বসে মেয়েদের ইভ টিজিং করে । রানার বাবা প্রতাপশালী থাকায় রানাকে কেউ কিছু বলতে পারে না ।কলেজের স্যার ম্যাডামরা সহ ভয় পাইতো। একবার করিম স্যার প্রতিবাদ করাই রানার বাবা (সুজন চৌধুরী বিশিষ্ট ইন্ডাস্ট্রিস )করিম স্যার এর এক হাত কে*টে ফেলে। এর পর থেকে আর কারো সাহস হয়নাই রানাকে কিছু বলার। বাবার অতিরিক্ত ভালোবাসার ফলে রানা শয়তান হয়েছে বললেই চলে। মিরা ক্লাস শেষ করে আসার সময় রানা ,শাহিন , সবুজ এর মুখাপেক্খি হয়। রানা মিরা কে দেখে প্রেমে পরে যায়। মিরার আচল দরে টান মেরে বুকে টেনে দরে ফেলে । তুমার মত এত সুন্দর মেয়ে আমি দেখি নাই। কি সুন্দর নরম তোমার শরীর।
ঠোঁট ওফ্ফ মাখন, এই বলে যখন রানা কিস করতে যাবে মিরা ধাক্কা মেরে দূরে সরাই দেই। ঠাস ঠাস করে চর মারে রানার গালে। আর মিরা দ্রুত চলে আসে বাড়িতে । রানা গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে থাকে , আজ পর্যন্ত কেউ তার শরীরে হাত দিতে সাহস পাই নাই। সেখানে মিরা তার গায়ে হাত তুলছে। রানা ,শাহিন ,সবুজ কে বলে এই মেয়েকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে।
মিরা টিউশনি শেষে করে রাতে বাড়ি ফিরছিলো । তখন রানা, শাহিন ,সবুজ তাকে কিডন্যাপ করে জঙ্গলের মাঝে পুরোনো বাড়িতে নিয়ে যায় । মিরার জ্ঞান ফিরতেই তারা তিন জন প্রচাশীক হাসি দেয়। মিরা বাঁচার অনেক আকুতি মিনুতি করে। রানা বলে তরে আমার ভাল্লাগছিলো তুই আমকে চর মাড় ছিলি এখন আকুতি মিনুতি করে লাভ নাই।এই বলে হিংস্র জানোয়ারের মতো যাপিয়ে পরে মিরার উপরে। পালাক্রমে তিনজন ধ*র্ষ*ণ করতে থাকে । মিরা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে । তবু তারা শান্ত হয় না। একের পর এক ধ*র্ষ*ণ করতেই থাকে। মিরার চিৎকার কেউ শুনে না। অতিরিক্ত রক্তে ক্ষরণ ফলে মিরা মারা যায়। বডি ঠান্ডা হয়ে যাই। রানা, সবুজ, শাহিন ভয় পেয়ে যায় । কি করবে এখন তারা তিনজনে বুদ্ধি করে মিরার লাশ পাঁচ টুকরো করে মাটিতে পুঁতে দেয়। যেন কোন প্রমান না থাকে। কয়েক দিন পর রানার মা মেয়ে দেখ রানাকে বিয়ে করানোর জন্য রানা তার মায়ের কথা মতো বিয়ে করে। মেয়ে সুন্দর শিক্ষিত। রানার মায়ের অমতে যায় নাই। বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে । তারপর রানাকে বাসোর ঘরে পাটাই এবং শাহিন , সবুজ বাড়িতে চলে যাই।
রানা নতুন বউ এর ঘুমটা খুলতেই চোখ কপালে উঠে যায়
মিরা তুমি.................চলবে ।........?