Traditional tune

Traditional tune official page of story telling. ❤️❤️

সালমান ভাই কথা কি ঠিক?রাগ করলা?🙂
23/05/2026

সালমান ভাই কথা কি ঠিক?
রাগ করলা?🙂

ফুচকা খেয়ে মারা গেলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার!!!!এক প্লেট ফুচকা ই কাল হলো তার!! তিনি ২ সপ্তাহ আগে বাইরের ফ...
16/05/2026

ফুচকা খেয়ে মারা গেলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার!!!!
এক প্লেট ফুচকা ই কাল হলো তার!! তিনি ২ সপ্তাহ আগে বাইরের ফুচকা খেয়ে ছিলেন। উল্লেখ্য রাস্তায় থাকা বিভিন্ন খাবার অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং দূষিত পানি দিয়ে তৈরি করা হয়। এসব খাবারে থাকে হেপাটাইটিস A,E ভাইরাস। এই ভাইরাস মানুষের শরীরের লিভারকে অকার্যকর করে দেয়। ফলে মানুষ মারা যায়। কারিনা কায়সার ও ২ সপ্তাহ আগে শেষবার ফুচকা খেয়েছেন । হেপাটাইটিস A ভাইরাস মানুষেমানুষের শরীরে ঢুকে ২ সপ্তাহ সুপ্ত অবস্থায় থাকে।তারপর মানুষের শরীরের লিভারে ঢুকে লিভার কোষের ডিএনএ এর সাথে নিজের ডিএনএ মিশিয়ে লক্ষ কোটি ভাইরাস বাচ্চা উৎপাদন করে। ফলে লিভার কোষটা আর কাজ করেনা। মানে লিভার ফেইলিউর যেটা কে বলে।কারিনা কায়সার ও গুনে গুনে ২ সপ্তাহ পরে মারা গেলেন। আমরা নিজেরা ও বাচ্চাদের বাইরের খাবার থেকে বিরত রাখি।

মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই বহুগামী। পরকিয়া তার একটা মাধ্যম মাত্র। যেমন মাধ্যম অন্য আর সব যোগাযোগ ও সম্পর্ক। পরকিয়া একটা সম্পর্...
14/05/2026

মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই বহুগামী। পরকিয়া তার একটা মাধ্যম মাত্র। যেমন মাধ্যম অন্য আর সব যোগাযোগ ও সম্পর্ক। পরকিয়া একটা সম্পর্কের মানুষের দেয়া বানানো নাম। কিন্তু কাজকর্ম সেই একই। যোগাযোগ রাখো, ঘুরো ফিরো, খাও দাও, লাগাও আর টেনশন করো।🙂

মানুষ কখনোই এক মানুষে সন্তুষ্ট নয়!!কোন মানুষই নয়। কিন্তু নিজেকে সে ধর্ম সমাজ পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনায় দমিয়ে রাখে। আর কেউ কেউ দমিয়ে রাখে না৷ এইটুকোই যা পার্থক্য। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সবাই চায় ভিন্নতা। সবাই চায় একঘেয়ে চলমান সম্পর্ক থেকে কিছুটা মুক্তি। কিছুটা প্রশান্তি। এখন আপনি অযথাই নিজেকে তথাকথিত ভালো সাজিয়ে দেখানোর জন্য কমেন্ট বক্সে আমাকে গালি দিতে আসবেন জানি। কিন্তু দিন শেষে আমি যা বললাম, তাই সঠিক৷ বিছানায় শুয়ে লুঙ্গি হাতালেই বুঝবেন আমি ঠিক না বেঠিক।😁
দুনিয়ায় সব কিছুতেই, সব কাজেই, মানুষের এক ঘেয়ে লাগতে পারে। তেমনি মানুষকেও মানুষের এক ঘেয়ে লাগতে পারে। একঘেয়ে থেকে সাময়িক নিস্তার পেতেও মানুষ সম্পর্কের ভিন্নতা খুঁজে। এটা আমরা উপলব্ধি করি কিন্তু স্বীকার করি না। স্বীকার করলেই সমাজ, পারিপার্শ্বিকতা, ধর্ম ইত্যাদির সামনে এসে পড়তে হবে।
মানুষ সৃষ্টিলগ্ন থেকেই অসভ্য প্রাণী। সময়ের সাথে সাথে সভ্য হওয়ার পথে এগিয়েছে। যে কারণে মানুষ এখন সমাজকে ভয় পায়, ধর্মকে পায়, পারিপার্শ্বিকতা কে ভয় পায়। তাই নিজেকে সংযত করে। যাদের সংযত হবার ক্ষমতা কম তারাই এইসব সম্পর্কে জড়ায়।

পরকিয়া যুগে যুগে সব সময়ই ছিল। কিন্তু আগে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল না। হাজবেন্ড এর বন্ধু রাশেদ ভাই জীবনে একবার এসেছিল বাড়ীতে। তার সুঠাম দেহ ভালো লাগে, তার কথাবার্তা ভালো লাগে, তার চাহনি ভালো লাগে। কিন্তু আর দেখা হবার সুযোগ নেই। এরপর ১২ বছর পর আবার দেখা মেয়ের বিয়েতে। কিভাবে কি হবে আর?

সম্পর্ক হচ্ছে একটা গাছ। আর যোগাযোগ হচ্ছে পানি। গাছে পানি না দিলে গাছ মরে যায়। যোগাযোগ না থাকলে সম্পর্ক ও কাম মরে যায়।

কিন্তু এখন যোগাযোগের বিপ্লব ঘটে গেছে দুনিয়া জুুড়ে। চিনে না, জানে না, দুনিয়ার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে মানুষ মানুষকে ফেসবুকে মেসেজ দিচ্ছে। খোঁচাখুঁচি করছে। দুনিয়ায় গোপনীয়তা, রাজ্যের নিরাপত্তা এখন হাতের কাছেই আছে। হাত বাড়ালেই যৌনতা। কামনা বাসনায় পরিপূর্ণ হবার সুযোগ। দুই চারটি মেসজে আদান প্রদানের মাধ্যমেই একে অন্যের সাথে শুয়ে পড়ছে। কারণ সহজ যোগাযোগ, অফুরন্ত অপশন এবং যথাযথ নিরাপত্তা
আগে এই যোগাযোগ সুযোগ নিরাপত্তা কিছুই ছিল না। তাই সম্পর্ক গড়ে উঠেনি। এখন সবই আছে তাই মানুষ এগুলো কাজে লাগাচ্ছে। মানুষের প্রকৃত নেচার কিন্তু এটাই। বহুগামিতা।

সব কিছুর শেষে সবাইকেই একটা সময় এসে থামতে হয়। মানুষ ক্লান্ত হয়। তার সুখী হবার দরকার হয়। বহুগামিতা আপনাকে সাময়িক কামনার সুখ দিতে পারে কিন্তু একটা সময় একা করে দিবে। সে একাকিত্ব খুবই ভয়ানক।

আর এগুলো আসলে মানুষের অভ্যাস। আপনি ভালো মানুষ হবার অভ্যাস গড়ে তুললে দেখবেন ভালো মানুষই হচ্ছেন। আবার খারাপ হবার অভ্যাস করলে দেখবেন খারাপ ই হচ্ছেন। সবই নির্ভর করে আপনার উপর। আপনি যেভাবে নিজেকে অভ্যস্ত করাবেন আপনি সেটাই হবেন।

জামাইয়ের ফোনে miss you জান মেসেজটা দেখে নীলার বুকটা ধক করে উঠে!!রাত তখন প্রায় বারোটা। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে। জানালার ...
14/05/2026

জামাইয়ের ফোনে miss you জান মেসেজটা দেখে নীলার বুকটা ধক করে উঠে!!

রাত তখন প্রায় বারোটা। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে। জানালার পাশে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল নীলা। ছোট্ট ঘরের এক কোণে তার তিন বছরের ছেলে রায়ান ঘুমিয়ে আছে। ঘুমের মধ্যেও বারবার “মা” বলে ডাকছে। নীলা ছেলের গায়ে পাতলা কম্বলটা টেনে দিল। তারপর নিঃশব্দে চোখের পানি মুছে আবার জানালার পাশে গিয়ে বসলো।

একসময় এই বৃষ্টিই তার খুব প্রিয় ছিল। বিয়ের পর প্রথম বর্ষায় রাকিব তাকে ছাদে নিয়ে ভিজিয়েছিল। বলেছিল,
“তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মানুষ। কখনো তোমাকে কষ্ট দেব না।”

নীলা বিশ্বাস করেছিল। খুব সাধারণ পরিবারের মেয়ে ছিল সে। বাবা মারা গিয়েছিলেন ছোটবেলায়। মা মানুষের বাসায় সেলাই করে সংসার চালাতেন। সেই সংসার থেকে একদিন অনেক স্বপ্ন নিয়ে রাকিবের হাত ধরে নতুন জীবনে এসেছিল নীলা।

প্রথম দিকে সবকিছু সত্যিই সুন্দর ছিল। ছোট্ট ভাড়া বাসা, সীমিত আয়, কিন্তু অনেক ভালোবাসা। রাকিব অফিস থেকে ফিরলে নীলা দৌড়ে দরজা খুলে দিত। দুজনে মিলে রাতের খাবার খেত, ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখত। তারপর তাদের জীবনে এলো ছোট্ট রায়ান। ছেলেকে কোলে নিয়ে রাকিব কেঁদে ফেলেছিল আনন্দে।

কিন্তু সুখগুলো বোধহয় খুব বেশি দিন টেকে না।

রায়ানের জন্মের পর থেকেই রাকিব একটু বদলে যেতে শুরু করলো। আগের মতো সময় দিত না। অফিসের কাজের অজুহাতে রাত করে ফিরত। ফোন লুকিয়ে ব্যবহার করত। নীলা প্রথমে কিছু বুঝতে পারেনি। ভেবেছিল হয়তো সংসারের চাপ, টাকার চিন্তা।

একদিন গভীর রাতে রাকিব বাথরুমে ছিল। তখন তার ফোনে একটা মেসেজ আসে।

“তোমাকে খুব মিস করছি জান।”

নীলার বুকটা ধক করে উঠেছিল। হাত কাঁপছিল। সে ফোন খুলে দেখেছিল অসংখ্য ছবি, অসংখ্য ভালোবাসার কথা। অন্য এক মেয়ের সঙ্গে রাকিবের সম্পর্ক অনেক দিনের।

সেদিন নীলা কিছু বলেনি। শুধু সারারাত রায়ানকে বুকে জড়িয়ে কেঁদেছিল।

পরদিন সকালে সাহস করে জিজ্ঞেস করেছিল,
“তুমি কি অন্য কাউকে ভালোবাসো?”

রাকিব একটুও অস্বীকার করেনি। বরং বিরক্ত হয়ে বলেছিল,
“হ্যাঁ, ভালোবাসি। তোমার সাথে আর ভালো লাগে না। সারাদিন শুধু বাচ্চা আর সংসার নিয়ে পড়ে থাকো।”

কথাগুলো ছুরির মতো বিঁধেছিল নীলার বুকে। যে মেয়েটা নিজের সবকিছু ছেড়ে তার জন্য জীবন গড়েছিল, আজ সে-ই বোঝা হয়ে গেছে!

তারপর থেকে প্রতিদিনই অশান্তি বাড়তে লাগলো। রাকিব দিনের পর দিন বাসায় ফিরত না। সংসারের খরচও ঠিকমতো দিত না। নীলা নিজের গয়না বিক্রি করে ছেলের দুধ কিনেছে। অনেক রাত না খেয়ে থেকেছে, কিন্তু রায়ানকে কখনো বুঝতে দেয়নি।

একদিন রায়ান জ্বরে খুব অসুস্থ হয়ে পড়লো। নীলা বারবার রাকিবকে ফোন করছিল। কিন্তু সে ফোন ধরেনি। পরে মাঝরাতে ফোন ধরে বিরক্ত কণ্ঠে বলেছিল,
“আমি ব্যস্ত আছি। এত নাটক করো না।”

নীলা ছেলেকে কোলে নিয়ে একা হাসপাতালে গিয়েছিল। সেদিন হাসপাতালের করিডোরে বসে তার মনে হয়েছিল পৃথিবীতে সে সত্যিই একা।

দিন যেতে লাগলো। একসময় রাকিব বাসায় আসাই প্রায় বন্ধ করে দিল। প্রতিবেশীরা কানাঘুষা করত। কেউ করুণা দেখাত, কেউ অপমান করত। কিন্তু নীলা সব সহ্য করত শুধু ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে।

এক রাতে রাকিব বাসায় এলো। সঙ্গে একটা ব্যাগ। খুব ঠান্ডা গলায় বললো,
“আমি আর এই সংসারে থাকতে পারব না। আমি ওকে বিয়ে করবো।”

নীলার মনে হচ্ছিল মাটিটা সরে যাচ্ছে পায়ের নিচ থেকে। সে শুধু একবার বলেছিল,
“আমাদের কথা একবারও ভাবলে না? এই বাচ্চাটার কথা?”

রাকিব নির্লিপ্ত চোখে বলেছিল,
“তোমাদের দায়িত্ব নিতে পারবো না।”

তারপর দরজা খুলে চলে গিয়েছিল।

সেদিন নীলা দরজার সামনে বসে অনেকক্ষণ কেঁদেছিল। রায়ান ঘুম ভেঙে মায়ের কাছে এসে ছোট্ট হাতে চোখের পানি মুছে দিয়েছিল। বলেছিল,
“মা, তুমি কান্দো না।”

একটা তিন বছরের বাচ্চার সেই কথা নীলার বুকটা আরও ভেঙে দিয়েছিল।

পরদিন সকাল থেকে নীলা নতুন যুদ্ধ শুরু করলো। মানুষের বাসায় রান্নার কাজ নিল। কেউ কেউ অপমান করত, তবুও সহ্য করত। কারণ তার বাঁচতে হবে, ছেলেকে মানুষ করতে হবে।

অনেক রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরীরে ছেলেকে বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ত। কখনো কখনো রায়ান জিজ্ঞেস করত,
“আমার বাবা কোথায়?”

নীলা উত্তর খুঁজে পেত না। শুধু বলত,
“তোমার বাবা অনেক দূরে থাকে।”

বছরখানেক পরে একদিন বাজারে হঠাৎ রাকিবকে দেখেছিল নীলা। তার পাশে সেই মেয়েটা। দুজন খুব হাসছিল। রাকিব একবারও ছেলের দিকে তাকায়নি। অথচ রায়ান বাবাকে দেখে দৌড়ে যেতে চাইছিল।

নীলা শক্ত করে ছেলের হাত ধরে রেখেছিল। কারণ সে জানত, কিছু মানুষ শুধু জন্ম দেয়, বাবা হতে পারে না।

সেদিন রাতে নীলা অনেক কেঁদেছিল। কিন্তু সেই কান্নার মাঝেও একটা জিনিস বুঝেছিল — সে আর আগের দুর্বল নীলা নেই।

সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলেছিল,
“যে মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে, তার জন্য জীবন থেমে থাকতে পারে না।”

তারপর ধীরে ধীরে নীলা নিজের জীবন গুছিয়ে নিতে শুরু করলো। ছোট্ট একটা সেলাই মেশিন কিনলো। বাসায় কাজ নিত। রায়ানকে স্কুলে ভর্তি করালো। কষ্ট ছিল, অভাব ছিল, কিন্তু একটা শান্তি ছিল — অন্তত প্রতিদিন আর অপমান সহ্য করতে হয় না।

একদিন স্কুল থেকে ফিরে রায়ান মাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল,
“মা, বড় হয়ে আমি অনেক টাকা কামাবো। তোমাকে আর কাঁদতে দেবো নাহ!!
ছোট্ট রায়ানের হাতটা শক্ত করে বুকে টেনে নেয় নীলা!!!

14/05/2026

তোমার কাছে পৌঁছাতে আমার একযুগ কেটে গেলো- রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্!

মানুষের জীবনে failure শব্দটা আসলে খুবই কঠিন একটা সত্যি! মেনে নেয়া যায় নাহ তবুও মানতে হয়, মেনে নিতে হয়!এই যেমন বার বার চে...
14/05/2026

মানুষের জীবনে failure শব্দটা আসলে খুবই কঠিন একটা সত্যি! মেনে নেয়া যায় নাহ তবুও মানতে হয়, মেনে নিতে হয়!এই যেমন বার বার চেষ্টা করার পরও একটা জিনিস আমার হয়ে উঠছে নাহ! কেন হচ্ছে না? কেন এর কোন উত্তর থাকে নাহ। শত শত রাত জাগা, পরিশ্রম সব যেন বৃথা। কি করলাম কেন করলাম ভেবে পাইনা। আমরা বইতে পরি রবার্ট ব্রুসের কথা, সাত বার চেষ্টা করে রাজ্য জয় করেছিলো কিন্তু সত্যিকার জীবনে এক একবার চেষ্টা করার শক্তি থাকেনা!! মনের জোর যেন জোর করেই হারিয়ে যায়। শত চাপা আফসোস আর চারপাশের মানুষের টিপ্পনি ভেঙেচুরে দেয়!!!

good morning 💫💫
10/02/2026

good morning 💫💫

09/02/2026

অপেক্ষায় ছিলাম কিন্তু তুমিই কখনো বলো নাই 🙂!!

09/02/2026

❝ছেলে আর মেয়ে বন্ধুত্ব করতে পারে, কিন্তু একসময় তারা একে অপরের প্রেমে পড়বেই। হয়তো ক্ষণিকের জন্য, হয়তো ভুল সময়ে, কিংবা দেরিতে। আর নাহয় আজীবনের জন্য!!

09/02/2026

💫💫❤️

Good morning 💫💫💫
09/02/2026

Good morning 💫💫💫

Address

Kishoreganj
2326

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traditional tune posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share