09/08/2026
আপনার কি আমার মত কখনো মনে হয়েছে, আপনাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না!
আমরা কি করতে পারি, সেটা আমরা সিদ্ধান্ত নেই না। এটার সিদ্ধান্ত নেয় আমাদের আশে পাশের নয়েজ।
আমরা বলতে শুনি যে, একটা সফল পুরুষের পিছনে একজন নারী থাকে। এই নারী হতে পারে, স্ত্রী অথবা মা কিংবা বোন।
প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে থাকে?
কারন হচ্ছে, ঐ পুরুষটা যখনই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে, পিছন থেকে ঐ নারী তখন একটা কথাই বলে, আরে ধৈর্য ধরো, পারবা। যে বলছে এই কথা, সে নিজেও হয়তো বিশ্বাস করে না অনেক সময়, শান্তনা দেয়ার জন্যই বলে। কিন্তু ব্রেইন এটাকেই বিশ্বাস করে নেয়।
ঠিক এর বিপরিত যদি ঘটে, সারাক্ষন আপনাকে যদি বলা হয়, আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না। তখন জিদে হয়তো আপনি স্থান ত্যাগ করবেন, অনেক কিছু করেও ফেলবেন। কিন্তু ঐ পরিবেশে থেকে কিছুই করতে পারবেন না।
ঠিক যেমনটা স্বপ্নের ব্যাক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে। স্বপ্নের ব্যাক্ষা যেমন হবে, ফলাফল সেটাই হবে।
তাহলে এই নেগেটিভ কমেন্ট থেকে বাচার উপায় কি?
১। সার্কেল বদলানো জরুরী। আমি দেখেছি, যখন আমি এমন মানুষদের মাঝে থাকি, যারা আমার থেকে কিছুটা ভালো করছে, কিংবা অনেক ভালো করছে। তখন আলাদা একটা মটিভেশন কাজ করে।
২। কমিউনিটি মেইন্টেইন। যখন আমি হারিয়ে যেতে বসেছিলাম... হঠাত একদিন এক ফ্রিল্যান্সারের সাথে দেখা, কথায় কথায় যানতে পারলাম, তারা এখনো ফ্রিল্যান্সিং করে যাচ্ছে, এবং ভালো করছে। ঐ দিন আমি নিজেকে খুজে পেয়েছি।
যখনই কমিউনিটির সাথে দূরত্ব বেড়েছে, তখনই নিজেকে হারিয়ে জাওয়া পথিক মনে হয়েছে।
৩। নামাজ । হতাস ফিল হলেই মসজিদ এ চলে যান। জামাতে নামাজ পরেন। ইন্সট্যান্ট সমস্যা সমাধান না হলেও, ইন্সট্যান্ট মন হাল্কা হয়ে যাবে।
৪। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত, কারো সাথে সম্পূর্ণ শেয়ার করবেন না। যখন আমরা আমাদের ইচ্ছা শেয়ার করি, তখন সেটা প্রকাশ পেয়ে যায়, এবং এনার্জি স্প্রিট কমে যায়। কারন ভুল ধরার এবং মোটিভেশন ডাউন করার মানুষের অভাব নেই আপনার চার পাশে।
নেগেটিভ ভাইব থেকে বাচার আর কোন রাস্তা কি আপনার জানা আছে? নিচে কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা।