Mst. Aktar Banu

Mst. Aktar Banu লিখতে, পড়তে এবং শিখতে খুব ভালোবাসি। সংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার সন্তান আমি

এই ছবির ভিতরে একটা ওয়ার্ড আমি দেখতে পাচ্ছি । আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন?কত বুদ্ধি মানুষের মাথায়!!
11/06/2026

এই ছবির ভিতরে একটা ওয়ার্ড আমি দেখতে পাচ্ছি ।
আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন?
কত বুদ্ধি মানুষের মাথায়!!

10/06/2026

I got over 20 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

💦চেহারার সুন্দর হওয়ার চাইতে ভাগ্য সুন্দর হওয়াটা কিন্তু অনেক বেশি জরুরি এই কথাটার জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে রইলেন ডা. দীপরা তবাস...
10/06/2026

💦চেহারার সুন্দর হওয়ার চাইতে ভাগ্য সুন্দর হওয়াটা কিন্তু অনেক বেশি জরুরি এই কথাটার জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে রইলেন ডা. দীপরা তবাসসুম। তিনি ছিলেন একজন সফল চিকিৎসক। বিয়ে করেছিলেন আরেক ডাক্তারকে। স্বামীর চেহারা ভালো না হলেও ডাক্তার-ডাক্তার মিলে তো ভালো হয়—এই কথায় বিশ্বাস করে অনেকেই যেমন বিয়ে করে, দীপরাও বিয়ে করেছিলেন।

কিন্তু বিয়ের পর জীবনটা তার জন্য জাহান্নাম হয়ে উঠেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বাচ্চা হওয়ার পর 'পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন' (Postpartum Depression)—এই রোগে ভুগছিলেন ডা. দীপরা। এর সাথে ছিল উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস। স্বামী, শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে মানসিক ও শা'রীরিক নি'র্যাতন করত বলে অভিযোগ উঠেছে।

মৃ*ত্যু*র আগের তিন দিন নাকি কেউ তাকে খাবার দেয়নি। কেউ জিজ্ঞাসাও করেনি, কিছু খাবে? সম্ভবত মা ওনার বাসায় গিয়েছিল। একটু 'ভাত খাব' বলতে বলতেই মেয়ের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। এরপর ওনাকে বাসার কাছের হসপিটালে না নিয়ে দূরের কোনো একটা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৯০ মিনিট সিপিআর (CPR) করেও বাঁচানো যায়নি তাকে।

দীপরা মৃ/ত্যু/র আগে 'ফিমেল ডক্টরস ইন বাংলাদেশ' গ্রুপে পরিচয় গোপন করে পোস্ট করে কিছু লেখেন

"আমার ২ বছরের সন্তান আছে। তাকে নিয়ে সারাদিন ওখানেই থাকি। সামনে এফসিপিএস ফাইনাল পরীক্ষা, কিন্তু পড়তে পারি না। কেউ হেল্প করে না। আমার স্বামী ডাক্তার, সে নিজের কাজ নিয়ে অনেক ব্যস্ত। বাসায় থাকি শাশুড়ির সাথে। উনি আমার দেখা ওর্স্ট হিউম্যান বিং গুলোর মধ্যে একজন। অন্যদের কাছে তিনি কেমন জানি না, কিন্তু আমার কাছে তিনি সবচাইতে খারাপ, খুব খারাপ।"

"আমার সন্তান জন্মের পরের সময়টা ছিল খুব কঠিন। এখনো ডিপ্রেশন থেকে বের হতে পারিনি। থেরাপি নিচ্ছি, অনেক ব্যয়বহুল। আমার নিজের আয় না থাকায় নিয়মিত নিতেও পারি না। অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে, হাতাহাতি হয়েছে। এক পর্যায়ে আমার স্বামী আমাকে বলেছিল, তুই তো একটা ফোকন্নির বাচ্চা, দেখ তোর আশেপাশে কেউ নেই। এত গালাগালির মধ্যেও এই কথাটাই আমাকে সবচাইতে বেশি কষ্ট দিয়েছে। সত্যিই তো, আমার আশেপাশে কেউ নেই।

শাশুড়ি অ'ত্যাচার করলে বাবা-মা সাপোর্ট করে না, স্বামী অত্যাচার করলে কেউ সাপোর্ট করে না। সবাই বলে, এইসব তো হয়, মানিয়ে নাও। মানিয়ে নাও। মানে, আমি আসলেই একা! ছোটবেলা থেকেই আমার মায়ের সিজোফ্রেনিয়া দেখে বড় হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এতদূর এসেছি। এমবিবিএস করেছি, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করতে চাই, কিন্তু পারছি কোথায়? আমি না আর বাঁচতে চাই না। রাগ করে অনেক ওষুধ খেয়ে ফেলেছি। বেঁচে থাকার জন্য কিছু নয়, হাতের কাছে যা পেয়েছি তাই খেয়েছি। কোনো ইফেক্টও হচ্ছে না। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে, আমি কি ১০ মিনিটও নিজের জন্য পাবো না? আল্লাহ আমাকে এমন ভাগ্য কেন দিলেন?"

গত ৪ জুন দীপরা তবাসসুম মা/রা গেলেন। বলা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাকে মা'রা গেছেন তিনি। তার শ্বশুর একজন বড় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, স্বামীও হৃদরোগের চিকিৎসক। এই যে একটা ডাক্তার মেয়ে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে গেল, তাও একটা ডাক্তার পরিবারে! মেয়েটি পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের স্বপ্ন দেখছিল। স্ত্রী, পুত্রবধূ হিসেবে চেয়েছিল একটু ভালোবাসা, একটু আন্তরিকতা, একটু সাহায্যের। চেয়েছিল নিজের চিকিৎসা করাতে। এর জন্য শুনতে হয়েছে অনেক কটু কথা।

এটি কি স্বাভাবিক মৃ/ত্যু? নাকি কাউকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মরে যেতে বাধ্য করা? এই হ/ত্যা কি এড়ানো যায়? অথচ বাহিরের পৃথিবীতে তিনি সবসময় হাসিমুখে থাকতেন। কাউকে বুঝতেই দিতেন না শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা। ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দিতেন, শুধু একটু ভালো কথা শোনার আশায়। একটি মানুষ এভাবে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেল শুধুমাত্র শ্বশুরবাড়ির মানুষ আর স্বামীর অত্যা'চারের কারণে। পার্টনার ভালো না হলে মানুষ দুনিয়াতেই জা'হান্নাম বোধ করে। জা'হান্নামের স্বাদ সে পেয়ে যায়। এটা কোনো স্বাভাবিক মৃ/ত্যু নয়, এটাকে বলে সম্মিলিত হ'ত্যা—মানসিক নি'র্যাতন, অবহেলা আর নীরবতার মাধ্যমে।

শ্বশুরবাড়ি আর স্বামীর অ'ত্যাচার আর অবহেলায় একজন প্রতিভাবান ডাক্তার, একজন মা, একজন মেয়ে চিরতরে চলে গেলেন। পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন একটি ভয়ঙ্কর বাস্তবতা। বাচ্চা জন্মের পর অনেক মায়ের হরমোনাল পরিবর্তন, শারী'রিক দুর্বলতা, ঘুমের সমস্যা আর মানসিক চাপে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন হয়। এটাকে শুধু মন খারাপ ভাবলে কিন্তু চলবে না। চিকিৎসা না করলে এটি সুইসাইড বা অন্যান্য জটিলতায় রূপ নিতে পারে। ডা. দীপ্রার ক্ষেত্রে এই ডিপ্রেশনকে আরও ভ*য়*ঙ্কর করে তুলেছিল শ্বশুরবাড়ির নি'র্যাতন।

দীপ্রার মতো অনেক মেয়েই ভাবে, ডাক্তার বিয়ে করলে সুখী হবো। কিন্তু এই স্বামীর মতো মানুষরা প্রমাণ করে, ডিগ্রি বা পেশা দিয়ে মনুষ্যত্ব হয় না। স্বামী হিসেবে তা পাওয়া যায় আচরণে, সম্মানে, ভালোবাসায় এবং পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতায়।
সংগৃহীত

🍂ডাঃ বিধান রায়, ডাঃ নীলরতন সরকার শান্তিনিকেতনে থাকার ভরসা পেলেন না।সেই রাতেই তারা কলকাতা পাড়ি দিলেন। গোটা ঘটনাটা ঘটেছি...
09/05/2026

🍂ডাঃ বিধান রায়, ডাঃ নীলরতন সরকার শান্তিনিকেতনে থাকার ভরসা পেলেন না।সেই রাতেই তারা কলকাতা পাড়ি দিলেন। গোটা ঘটনাটা ঘটেছিল রবীন্দ্রনাথের অগোচরে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাড়িতে হাত দিয়ে তিনি বুঝতে পারলেন নিজের দাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। আয়নাতে মুখ দেখে কবি রাগে অগ্নিশর্মা।রবীন্দ্রনাথকে অতীত অত মারাত্মক রেগে যেতে কেউ কখনও দেখেন নি। কিন্তু কেন কবিগুরু এত রেগে গেলেন! নেপথ্যের কাহিনি কী!!
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

রবীন্দ্রনাথ মাথা থেকে ঘাড় পর্যন্ত যন্ত্রনা অনুভব করছিলেন। কলকাতা থেকে স্বনামধন্য চিকিৎসকের দল আসে। ডাঃ নীলরতন সরকার,ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় প্রমুখ। তারা কবিকে দিনের বেলায় ভালভাবে পরীক্ষা করে শারীরিক যন্ত্রনার কারণ শনাক্ত করতে পারলেন না। সিদ্ধান্ত হল ঘুমের ওষুধ দিয়ে কবিকে ঘুম পাড়িয়ে তাঁর দাড়ির ভেতরটা দেখতে হবে। সেইমত রবীন্দ্রনাথের রাতের খাবারের সঙ্গে গোপনে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়। কবি তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ডাক্তাররা তাঁর কানের কাছের চুল ও গালের কিছু অংশের দাড়ি কেটে তাঁকে ভালকরে পরীক্ষা করলেন এবং ওষুধপত্র দেওয়া হল।
বিধান রায়, নীলরতন সরকার শান্তিনিকেতনে থাকার ভরসা পেলেন না। সেই রাতেই তারা কলকাতা পাড়ি দিলেন।

ভোরবেলায় কবির ঘুম ভাঙলে তিনি দাড়িতে হাত দিয়েই অনুভব করলেন কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। এরপর আয়নাতে নিজের মুখ দেখে রাগে অগ্নিশর্মা। বনমালীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন তাঁর দাড়ির এমন দশা কিভাবে হল। বনমালী কাঁদতে, কাঁদতে বললেন তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এসব কিছুই জানে না। কবি নিয়মমত কফি খেতেন, কিন্তু সেদিন রাগে কফি খেলেন না। রবীন্দ্রনাথ এরপর বনমালীকে বললেন রথীন্দ্রনাথকে ডেকে আনতে। বনমালী ঘুরে এসে খবর দিল জরুরি কাজে ভোরবেলায় রথীন্দ্রনাথ শ্রীনিকেতন গিয়েছেন।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

রবীন্দ্রনাথ আরও গুম হয়ে গেলেন, বনমালী যতবার খাবারের কথা বলে ততবার কবির কাছে ধমক খায়। কেউ রবীন্দ্রনাথের কাছে যেতে সাহস পান না। শেষ পর্যন্ত পুত্রবধূ প্রতিমাদেবী কবির সামনে গিয়ে বললেন তিনি না খেলে বাড়ির অন্যরা কেউ যে খাবার মুখে তুলবে না। তবুও যেন কবির রাগ কমে না। আবার রবীন্দ্রনাথকে খাওয়ার অনুরোধ করলেন রথীন্দ্রনাথ জায়া। প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে কবি জানালেন তাঁর দাড়িতে হাত দেওয়ার আগে তাঁকে কি একবার জিজ্ঞেস করার দরকার ছিল না। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কবি খেয়েছিলেন। কিন্তু বাবার সামনে ভয়ে কয়েকদিন যান নি রথীন্দ্রনাথ।

কবির জীবনের ভিন্ন ধরনের অনবদ্য এই কাহিনী লিখেছেন নন্দিনী অর্থাৎ পুপে। ঠাকুরবাড়ির মেয়ে না হলেও তাঁকে বুকে টেনে প্রতিমা মিটিয়েছিলেন মাতৃত্বের সাধ। রবীন্দ্রনাথের দেওয়া নাম নন্দিনী, তাঁর শিশুমনে ঘটনাটি এমন দাগ কাটে পরিণত বয়সে দাদামশাইয়ের কথা লিখতে গিয়ে অনবদ্য ছবিটি উপহার দিয়েছেন। 'পিতা পুত্রী' - তে নন্দিনী , রথীন্দ্রনাথ ছাড়াও লিখেছেন দাদামশাই রবীন্দ্রনাথের কথা। নন্দিনী আত্মপ্রকাশে বিমুখ ছিলেন, লিখেছেন কম। যদি আরও একটু বেশি লিখতেন, তাহলে আরও অনেক দুর্লভ ছবি উপহার দিতেন। আজ ভারতবর্ষের গর্ব, এশিয়া মহাদেশের গর্ব রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন,লহ প্রণাম।

© ধ্রুবতারাদের খোঁজে







পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল, চিত্রা দেব

💦শেষ আলিঙ্গন! নর্মদার জলে ডুবেও সন্তানকে ছাড়েননি মা, জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য।মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের কাছে বরগ...
03/05/2026

💦শেষ আলিঙ্গন! নর্মদার জলে ডুবেও সন্তানকে ছাড়েননি মা, জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য।
মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের কাছে বরগি বাঁধে পর্যটকবাহী ক্রুজ উল্টে যাওয়ার ঘটনায় সামনে এল এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শুক্রবার সকালে উদ্ধারকারীরা যখন নর্মদা নদী থেকে এক মহিলা ও তাঁর চার বছরের সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করেন, দেখা যায় মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মা তাঁর সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টায় বুকের সঙ্গে শক্ত করে জাপটে রেখেছিলেন।

মৃত মা ও শিশুটি দিল্লির বাসিন্দা। তাঁরা সপরিবারে নর্মদায় ভ্রমণে এসেছিলেন। চার জনের ওই পরিবারটিতে বাবা ও মেয়ে কোনওক্রমে প্রাণে গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।।

"বই হচ্ছে অতীত আর বর্তমানের             মধ্যে বেঁধে দেয়া সাঁকো। "             #রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর 🙏এটি একটি ভাষ্কর্য - ফি...
17/04/2026

"বই হচ্ছে অতীত আর বর্তমানের
মধ্যে বেঁধে দেয়া সাঁকো। "

#রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর 🙏

এটি একটি ভাষ্কর্য - ফিনল্যান্ডের একটি রাস্তায়। সাধারণ কিন্তু কত গভীর।

ভাস্কর্যটির নাম - "Read even if you are drowning", মানে "তুমি যদি ডুবে যেতে থাকো, তবুও পড়ো।"

নামটি প্রতীকী, কিন্তু এর ব্যাখার ব্যাপকতা অনেক। জীবনের যে পর্যায়েই থাকি না কেন আমরা, কখনোই আমাদের পড়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত নয়।
আমাদের দেশে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে আমরা পড়ার দিকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি যা আমাদের সামনে যাবার পথে সবথেকে বড় বাঁধা।

Address

Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mst. Aktar Banu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share