EthicVerse

EthicVerse Welcome to EthicVerse: Where Faith meets Future.

রোজার মতো নামাজ পড়াটাও ‘সামাজিক’ বানান।রোজা ব্যাপারটা ছোট-বড় সবার কাছে একটা পারিবারিক-সামাজিক ইবাদাতের মতো। কেউ সবার সাম...
22/02/2026

রোজার মতো নামাজ পড়াটাও ‘সামাজিক’ বানান।

রোজা ব্যাপারটা ছোট-বড় সবার কাছে একটা পারিবারিক-সামাজিক ইবাদাতের মতো। কেউ সবার সামনে বেরোজাদার থাকতে একটু হলেও লজ্জা পান। বা গিল্টি ফিল করেন।

কিন্তু নামাজটার ব্যাপারে এরকম দেখা যায় না। অথচ এই নামাজের হিসেবই হবে সবার আগে।

রমাদান শুরু হোক গুছানোভাবে—প্রতিদিন একটা কুরআনিক দোয়া, একটা অনুভব।এই ৩০ দিনের সিরিজটা সাজানো একটাই লক্ষ্য নিয়ে—আপনি যেন ...
13/02/2026

রমাদান শুরু হোক গুছানোভাবে—প্রতিদিন একটা কুরআনিক দোয়া, একটা অনুভব।

এই ৩০ দিনের সিরিজটা সাজানো একটাই লক্ষ্য নিয়ে—আপনি যেন স্ক্রল করতে করতে দোয়া ভুলে না যান। কার্ড দেখেই সাথে সাথে পড়ে ফেলতে পারেন, সেভ করে রাখতে পারেন, আর পরিবারের মানুষকেও শেয়ার করতে পারেন।

রমাদান শুধু রুটিন বদলায় না—ভেতরের মানুষটাকেও বদলায়। আর এই বদলটা বড় কিছু দিয়ে শুরু হয় না; প্রতিদিন আল্লাহর দরবারে ছোট্ট করে ফিরে আসাটাই যথেষ্ট।

আজ থেকে—একদিন, এক দোয়া, এক ফিরে আসা। ইনশাআল্লাহ আপনার রমাদানটা গুছানোই থাকবে।

রমজান আসার আগেই দোয়ার ভাষা শিখে নেওয়া—এটাই আসল প্রস্তুতি।কারণ রমজান শুধু সময় নয়,এটা আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ।হৃদয় ...
13/02/2026

রমজান আসার আগেই দোয়ার ভাষা শিখে নেওয়া—
এটাই আসল প্রস্তুতি।

কারণ রমজান শুধু সময় নয়,
এটা আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ।
হৃদয় স্থির করা, গুনাহ ধুয়ে ফেলা,
আর নিজেকে নতুন করে শুরু করার মাস।

এই দোয়াগুলো মুখস্থ করার জন্য নয়—
ফিরে ফিরে পড়ার জন্য।
দুর্বল দিনে, ইফতারের আগে,
সাহরির নীরবতায়, চোখ ভিজে যাওয়ার মুহূর্তে।

হয়তো আমরা পারফেক্ট নই,
কিন্তু আল্লাহর দরজা এখনো খোলা।
আর রমজান—
সে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার নাম।

দোয়া করুন।
চুপচাপ, মন দিয়ে।
বাকিটা আল্লাহ সামলে নেবেন।

আমল করলেন, কিন্তু কবুল হবে তো? ইবরাহিম (আ.) এর এই দোয়া জানেন?সারা বছর নামাজ পড়লেন—পাঁচ ওয়াক্ত। মসজিদে গিয়ে। জামাতে।দ...
11/02/2026

আমল করলেন, কিন্তু কবুল হবে তো? ইবরাহিম (আ.) এর এই দোয়া জানেন?

সারা বছর নামাজ পড়লেন—পাঁচ ওয়াক্ত। মসজিদে গিয়ে। জামাতে।
দান-সদকা করেছেন। গরিবদের সাহায্য করেছেন। হজ্জ করেছেন। কুরআন তিলাওয়াত করেছেন।

এত আমল! কিন্তু রাত হলে মনে একটা ভয় আসে—

“কবুল হলো তো? নাকি সব বৃথা গেল?”

মনে পড়ে—নামাজে মনোযোগ ছিল না।
মাঝে মাঝে গিবত হয়েছে।
দান করেছেন, কিন্তু কোথাও যেন একটু দেখানোর নিয়ত ঢুকে গেছে।

ভাবছেন—“আল্লাহ কি এই আমল কবুল করবেন? এত কষ্ট করলাম, কিন্তু হয়তো সব নষ্ট… কারণ ইখলাস ছিল না।”

এই ভয়টা অস্বাভাবিক না। সালেহ বান্দাদেরও ছিল। এমনকি নবীদেরও।

ইবরাহিম (আ.) কাবা বানালেন—নিজ হাতে। ছেলে ইসমাইল (আ.) কে নিয়ে। পাথর তুলে তুলে। কত কষ্ট, কত পরিশ্রম!
কিন্তু শেষ পাথর বসানোর পর তিনি গর্ব করলেন না।
তিনি দোয়া করলেন—“হে আল্লাহ, আমাদের থেকে কবুল করুন!”

কাবা বানিয়েও ভয়—কবুল হবে কি না!

---

ইবরাহিম-ইসমাইল (আ.) এর কবুলিয়্যাতের দোয়া (রেফারেন্সসহ)

আল্লাহ কুরআনে বলেছেন—

وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

অর্থ: আর স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম ও ইসমাইল বাইতুল্লাহর ভিত্তি স্থাপন করছিলেন, তখন বলছিলেন: “হে আমাদের রব! আমাদের থেকে কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।”

রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ১২৭ (২:১২৭)

দেখুন—তারা বলছেন: “আমাদের থেকে কবুল করুন।”
কাবা! আল্লাহর ঘর! এত বড় কাজ! তবুও “কবুল” নিয়ে ভয়, আর দোয়া।

কারণ তারা জানতেন—

আমল করা যথেষ্ট না—কবুল হতে হয়

নিয়ত খাঁটি না হলে আমল ভেঙে যায়

আল্লাহর রহমত ছাড়া কিছুই টেকে না

---

আমল কবুল না হওয়ার বড় কারণ

১) ইখলাস নেই—দেখানোর জন্য আমল

আল্লাহ বলেন—

وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ

অর্থ: তাদেরকে শুধু এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে একনিষ্ঠভাবে।

রেফারেন্স: সূরা আল-বাইয়্যিনাহ, আয়াত ৫ (৯৮:৫)

নামাজ পড়ছেন—কিন্তু মানুষকে দেখানোর জন্য?
দান করছেন—কিন্তু প্রশংসা শোনার জন্য?
হজ্জ করছেন—কিন্তু “হাজী” বলার জন্য?

এটা বিপদ। কারণ ইখলাস ছাড়া আমল কবুল হয় না।

২) হারাম খাওয়া—দোয়াও আটকে যায়

নবীজি ﷺ বলেছেন—“আল্লাহ পবিত্র, তিনি শুধু পবিত্র জিনিসই কবুল করেন।”
তারপর এক ব্যক্তির কথা বললেন—সে হাত তুলে দোয়া করছে: “ইয়া রব! ইয়া রব!”
কিন্তু তার খাবার হারাম, পোশাক হারাম, সম্পদ হারাম—তাহলে দোয়া কীভাবে কবুল হবে?

রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম

অর্থাৎ—আমল ঠিক রাখতে হলে, রিজিকও হালাল রাখতে হবে।

---

“রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না”—কবুলিয়্যাতের দোয়া

ইবরাহিম-ইসমাইল (আ.) যে দোয়া পড়লেন—

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ: রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না, ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম।
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের থেকে কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাহ (২:১২৭)

এই দোয়া পড়ুন—

নামাজের পর

দান করার পর

যেকোনো নেক আমলের পর

তওবার পর

হাত তুলে বলুন—
“হে আল্লাহ, আমার থেকে কবুল করুন। আমি দুর্বল। ভুল করেছি। আপনি দয়া করে কবুল করে নিন।”

---

কবুলিয়্যাতের জন্য ৩টি করণীয়

১) আমলের আগে নিয়ত ঠিক করুন

মুখে বলবেন না—মনে মনে ঠিক করুন—

“আমি এই ইবাদত শুধু আল্লাহর জন্য করছি। মানুষকে দেখানোর জন্য না। প্রশংসা পাওয়ার জন্য না।”

২) আমলের পর গর্ব নয়—ভয় এবং দোয়া

অনেকেই আমল করে নিশ্চিন্ত হয়ে যায়।
কিন্তু সালেহদের অভ্যাস ছিল উল্টো—আমল শেষে তারা বেশি কাঁদতেন। বেশি চাইতেন।
কারণ তারা জানতেন—কবুল হওয়াটাই আসল।

আপনি নামাজ পড়লেন—তারপর বলুন:
“রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না।”

৩) হারাম ছাড়ুন—হালাল ধরুন

ঘুষ, সুদ, হারাম ব্যবসা—এসব থাকলে আমলের নূর কমে যায়।
হালাল রিজিকের চেষ্টা করুন, তওবা করুন, আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।
তারপর আমল করুন—ইনশাআল্লাহ কবুলের আশা বাড়বে।

---
শেষ কথা

আমল করাই যথেষ্ট না—কবুল হতে হবে।

ইবরাহিম (আ.) কাবা বানিয়েও দোয়া করলেন—“কবুল করুন।”
তাই আপনার আমল শেষে আপনি বলুন—

“রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না।”

আল্লাহ আপনার নামাজ কবুল করুন।
আপনার দান কবুল করুন।
আপনার তওবা কবুল করুন—ইনশাআল্লাহ।

আপনি কি আজ থেকেই প্রতিটা আমলের পর “রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না” বলবেন?

08/02/2026
জীবন্ত কিংবদন্তিইসলামী সংগীত জগতের এক জোড়া নিবেদিত খাদেমইসলামী সংগীত জগত কেবল সুর ও কণ্ঠের সমন্বয় নয়; এটি একটি আত্মিক...
08/02/2026

জীবন্ত কিংবদন্তি
ইসলামী সংগীত জগতের এক জোড়া নিবেদিত খাদেম

ইসলামী সংগীত জগত কেবল সুর ও কণ্ঠের সমন্বয় নয়; এটি একটি আত্মিক আন্দোলন, যেখানে ইমান, ভালোবাসা ও খেদমত মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এই অঙ্গনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা আলোচনার চেয়ে আড়ালেই বেশি থাকতে ভালোবাসেন, কিন্তু তাঁদের অবদান ছাড়া এই জগত কল্পনাই করা যায় না। তেমনই এক জোড়া জীবন্ত কিংবদন্তি হলেন কবি, সাহিত্যিক ও গীতিকার মহিউদ্দিন বিন নূর Mohiuddin Bin Nur এবং সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী আব্দুল মুনয়িম খান M***i Abdul Munim Khan হুজুর ।

প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা ইসলামী সংগীতের এই ময়দানে নিরলস খেদমত করে যাচ্ছেন। তাঁদের এই খেদমত ছিল নিঃশব্দ, কিন্তু প্রভাব ছিল গভীর ও সুদূরপ্রসারী। ইনশাআল্লাহ, এই খেদমত চলমান আছে এবং থাকবে।

জুলফিকার হামদ-নাত ও গজল পরিবেশক দলের যে বিপুল জনপ্রিয় সংগীত আজ শ্রোতামহলে সমাদৃত, তার একটি বড় অংশই এই দুই খাদেমের অবদান। তাঁদের লেখা, সুর ও পরিবেশনায় এমন এক আন্তরিকতা রয়েছে, যা সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করে। আশেকে রাসুলদের অন্তর শীতল করে দেয়, চোখ ভিজিয়ে দেয় ভালোবাসার অশ্রুতে।

বহু গুণে গুণান্বিত, সুসাহিত্যিক ও কিংবদন্তি কবি মহিউদ্দিন বিন নূর রচনা করেছেন অসংখ্য হামদ, নাত, ইসলামী সংগীত, দীনিয়া তারানা ও মর্সিয়া। তাঁর শব্দচয়নে রয়েছে ইমানি গভীরতা, আর ভাবনায় রয়েছে রাসুলপ্রেমের অনুপম ছোঁয়া। অন্যদিকে সেই রচনাগুলোকে সুরের রাজ্যে তুলে এনে প্রাণ দিয়েছেন সুর সম্রাট আব্দুল মুনয়িম খান। তাঁর কণ্ঠে ও সুরে সেই শব্দগুলো যেন নতুন জীবন পেয়েছে।

তাঁদের যৌথ খেদমতের কিছু উল্লেখযোগ্য সংগীত আজও শ্রোতাদের মুখে মুখে ফেরে

০১. বিদায় বেলায় মোরে দিওগো দেখা হে প্রিয় রাসূল
০২. আল্লাহ ওগো আল্লাহ ক্ষমা করে দাও
০৩. হে রাসুল তোমায় ভালোবাসি অন্তরে শুধু মুখে নয়
০৪. এসেছেন তাজেদারে হারাম
০৫. মন ছুটে যায় ঐ মদিনার অলি গলিতে
০৬. তোমায় হারিয়ে মুর্শিদ কেমন আছি দেখে যাও
০৭. ওহে বাংলা বাসি ভেবে দেখো না
০৮. স্কুলেতে পড়বো না মা, হাট্টিমা টিম টিম
০৯. ঠিক বলেছেন আমার পীর ঠিক বলেছেন আকাবির
১০. আল্লাহ তোমার এই ধরার মাঝে।

এই সংগীতগুলো হয়তো আপনি জীবনে অসংখ্যবার শুনেছেন। কতবার শুনেছেন, সেটার হিসাব হয়তো মনে নেই। কিন্তু অনুভূতিগুলো ঠিকই জমা আছে হৃদয়ের গভীরে।

আজকের এই লেখার মাধ্যমে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোই মূল উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ, এই দুই খাদেমের জন্য দোয়া করবেন। যেন আল্লাহ তাআলা তাঁদেরকে তাঁর ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টির লক্ষ্যে আজীবন খেদমত করে যাওয়ার তৌফিক দান করেন।

আল্লাহ পাক কবুল করুন, আমিন।

লেখক : মুহিব্বুল্লাহ আল-মাহদী

08/02/2026

জু'লু'মের বিষয়ে শহীদ হাদীকে নিয়ে আলোচনা 🎤

|| মাওলানা আহ্সান উল্লাহ্ সোহরাব ||

প্রিয় ভাই-বোনেরা,  অনেকেই আজকাল বিয়ের বয়স হয়ে গেলেও সঠিক সময়ে বিয়ে হচ্ছে না। মনের মধ্যে একটা অস্থিরতা, একাকিত্ব আর...
07/02/2026

প্রিয় ভাই-বোনেরা,
অনেকেই আজকাল বিয়ের বয়স হয়ে গেলেও সঠিক সময়ে বিয়ে হচ্ছে না। মনের মধ্যে একটা অস্থিরতা, একাকিত্ব আর অপেক্ষার যন্ত্রণা চলতে থাকে। কিন্তু জেনে রাখুন, আল্লাহ তা'আলা যখন কাউকে কোনো নেক চাওয়া দেন, তখন তিনি তার জন্য সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা করে দেন। শুধু দরকার সঠিক আমল আর পূর্ণ ভরসা।

আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু সহজ, কিন্তু খুবই কার্যকরী আমল শেয়ার করছি, যা ইনশাআল্লাহ দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। এগুলো কুরআন-হাদিসের আলোকে, আলেমদের পরামর্শ অনুসারে অনেকেই আমল করে উপকার পেয়েছেন।

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন
উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে, সারাদিন জিহ্বায় "আসতাগফিরুল্লাহ" জারি রাখুন। গুনাহ মাফ হলে আল্লাহ দুশ্চিন্তা দূর করে দেন, রিজিক বাড়ান এবং বন্ধ দরজা খুলে দেন।

২. সূরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর (এবং যখনই সুযোগ পান) গভীর আবেগ নিয়ে পড়ুন:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রাব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিঁ ওয়াজআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য ইমাম বানিয়ে দিন।

এ দোয়া চোখের শীতলতা, অর্থাৎ প্রিয় জীবনসঙ্গী ও সন্তানের জন্য।

৩. সূরা কাসাসের ২৪ নম্বর আয়াত
হজরত মুসা (আ.)-এর এ দোয়া একাকিত্বের সময় পড়তেন, আর আল্লাহ তাঁর জন্য সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। বেশি বেশি পড়ুন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কোনো কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।

এ দোয়া বিয়ে, চাকরি, ঘর-বাড়ি—সবকিছুর জন্য কাজ করে।

৪. দোয়া কবুলের সময়গুলোতে দোয়া করুন
তাহাজ্জুদ, সেজদা, আযান-ইকামতের মাঝে, বৃষ্টির সময়, রোজার শেষ মুহূর্ত—এসব সময় একটা দোয়াও যেন ফাঁকা না যায়।

৫. হালাল পথে খোঁজখবর নিন
দোয়ার পাশাপাশি পরিবার-আত্মীয়দের মাধ্যমে ভালো পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করুন। আল্লাহ কারণের সাথে ফল দেন।

৬. রুকইয়াহ করুন
কিছু ক্ষেত্রে জাদু-টোনা বা নজরের কারণে বিলম্ব হয়। নিয়মিত মুয়াওয়িযাতাইন (সূরা ফালাক-নাস) পড়ুন, অথবা বিশ্বস্ত কোনো আলেমের কাছে রুকইয়াহ করান।

৭. নিয়মিত সদকা দিন
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সদকা বালা-মুসিবত দূর করে। বিয়ের বিলম্বও একটা বড় মুসিবত। সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিদিন/সপ্তাহে সদকা করুন—এমনকি অল্প হলেও।

৮. অন্য ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করুন
যারা বিয়ের জন্য অপেক্ষায় আছে, তাদের জন্য দোয়া করুন। হাদিসে আছে, অন্যের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা আপনার জন্য দোয়া করেন—আর ফেরেশতাদের দোয়া কবুল হয়ই।

৯. মা-বাবার সাথে সুসম্পর্ক রাখুন
জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে। তাদের খেদমত, দোয়া আর সন্তুষ্টি—এগুলো বিয়ের দরজা খোলে।

ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো নিয়মিত করুন, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক জীবনসঙ্গী দান করেন, যারা দুনিয়া-আখিরাতের শান্তি হবে। আমীন।

আপনিও এ আমল করুন, আর পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সাহায্য করুন। আল্লাহ আপনার আমল কবুল করুন।

ইবাদতে অলসতা আসে খুব নীরবে। আপনি চান, মনও চায়—কিন্তু ধারাবাহিকতা থাকে না। এই জায়গাটাতেই উলামায়ে কিরাম এমন কিছু ছোট আমল শ...
02/02/2026

ইবাদতে অলসতা আসে খুব নীরবে। আপনি চান, মনও চায়—কিন্তু ধারাবাহিকতা থাকে না। এই জায়গাটাতেই উলামায়ে কিরাম এমন কিছু ছোট আমল শিখিয়েছেন, যা ইবাদতের ভেতরের বাধা ভাঙতে সাহায্য করে।

এই আমলে কোনো জটিলতা নেই, কোনো বাড়াবাড়িও নেই। শুধু নিয়মিতভাবে আল্লাহর একটি নামের সাথে নিজেকে যুক্ত করা—যেন ইবাদত আবার বোঝা না হয়ে আত্মিক প্রশান্তির জায়গা হয়ে ওঠে।

আমল:
মাগরিব ও এশার নামাজের মাঝখানে প্রতিদিন
يَا وَارِثُ (ইয়া ওয়ারিসু) — ১০০ বার

অর্থ:
হে সবকিছুর চূড়ান্ত মালিক ও উত্তরাধিকারী আল্লাহ।

এই নামটি পড়লে মানুষ ধীরে ধীরে বুঝতে শেখে—সবকিছুর মালিক সে নিজে নয়। ইবাদতও তার ক্ষমতায় নয়; বরং আল্লাহ চাইলে তাওফিক দেন। আর এই উপলব্ধিটাই অলসতার মূল শেকড় কেটে দিতে সাহায্য করে।

রেফারেন্স ও সূত্র:
উলামায়ে কিরামের অভিজ্ঞতাভিত্তিক নসিহত ও তাযকিয়ার কিতাবসমূহে বর্ণিত।

শায়খের পরিচিতি:
শায়খ ডক্টর আলী জুম‘আ (হাফিজাহুল্লাহ) — মিসরের একজন প্রখ্যাত আলেম, খতিব ও দাঈ। তিনি আত্মশুদ্ধি (তাযকিয়া), যিকির-আদব এবং দ্বীনি নসিহত বিষয়ে বহু বছর ধরে দাওয়াত ও শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

30/01/2026

I have never smelled like you.💌

Address

Cumilla
Laksham

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EthicVerse posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share