Jamil The Hopeless

Jamil The Hopeless Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jamil The Hopeless, Digital creator, Madaripur.

কী ভ*য়াবহ অবস্থা! মা*দক সমাজটাকে ধ্বং*স করে দিলো। পুরো ঘটনা কোনো থ্রিলার সা*ইকো সিনেমার থেকেও হার হিম করা।জিলা স্কুলের প...
23/08/2026

কী ভ*য়াবহ অবস্থা! মা*দক সমাজটাকে ধ্বং*স করে দিলো। পুরো ঘটনা কোনো থ্রিলার সা*ইকো সিনেমার থেকেও হার হিম করা।

জিলা স্কুলের প্রাক্তন স্যার গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানসহ পুরো পরিবারের মোট ৪ জনকে হ*ত্যার ঘটনার বিস্তারিত।

এই হ*ত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতা দুই জা*নোয়ার-সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। এই জা*নোয়ার দুটো ঠান্ডা মাথায় হার হিম করা জ*ঘন্য এই হ*ত্যাকাণ্ড চালায়। গত শুক্রবার ভোররাত থেকে তারা এই নি*র্মম হ*ত্যাকাণ্ড চালায়।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ভিকটিমের পাশের পাশা ছাদ টপকে তারা স্যারদের বাসার ছাদে এসে বরাবরের মতো ই*য়াবা সে*বন করছিল। ঘটনার দিন স্যার ছাদে কোথাও একটু শব্দ পেলে চেক করার জন্য উপরে যান। গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে এই দুই কাল*প্রিট ই*য়াবা সে*বন করছিল। স্যার তাদের দুজনকে দেখে চিনতে পারায় তারা স্যারকে দুনিয়া থেকে স*রিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করে সাথে সাথেই। তারা ভাবে, তাদের এই মাদক সেবনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।

স্যার খালি গায়ে ছিলেন এবং গলায় একটি গামছা ছিল। জানোয়ার দুটো সেই গামছা দিয়েই স্যারের গ*লা পেঁ*চিয়ে সাথে সাথেই তাঁকে সেখানে হ*ত্যা করে।

উপরে একটু ধ*স্তাধ*স্তির শব্দ পেয়ে স্যারের স্ত্রী দ্রুত ছাদে ছুটে চলে আসেন। এবং স্যারের স্ত্রীকেও তারা ধা*ক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে একইভাবে গ*লায় গামছা পেঁ*চিয়ে মে*রে ফেলে।

বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি এবং শব্দ পেয়ে বড় মেয়ে আগামী চক্রবর্তীও ছাদে চলে আসেন। কারমাইকেল কলেজের মাস্টার্সের এই শিক্ষার্থী আগামী চক্রবর্তীকেও তারা গামছা পেঁ*চিয়ে হ*ত্যার চেষ্টা করেন।

খু*নিদের ভাষ্যমতে, তারা আগামী চক্রবর্তীকে গামছা পেঁ*চিয়ে হ*ত্যা করার চেষ্টা করলেও কিছুতেই তাঁর প্রা*ণ যাচ্ছিল না। প্রায় ৪–৫ মিনিট তাঁকে হ*ত্যা করতে সময় লেগেছে। তারা আগামী চক্রবর্তীর মুখে এবং গলায় এতটাই জোরে গামছা পেঁ*চিয়ে চে*পে ধরেছিল যে, চাপের জোরে আগামী চক্রবর্তীর মুখের ক*বজি ভেঙে যায় এবং একটি চো*খ বাহিরে বেরিয়ে আসে। এরপর তারা তাঁকে মা*রতে সফল হয়।

এরপর তারা তাদের এই হ*ত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে নি*র্মম ও হিং*স্র হ*ত্যাকাণ্ড চালায়।

স্যারের সবচেয়ে ছোট ছেলে প্রিয়ম। সে জিলা স্কুলের ৫ম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। জা*নোয়ার দুটো এরপর রুমে এসে প্রিয়মকে দেখতে পেলে তারা সেখানে থাকা কাপড় তুলে তা প্রিয়মের মুখে পেঁ*চিয়ে হ*ত্যার চেষ্টা করে। এতে তার প্রা*ণ না গেলে তাকে আবার পুনরায় বা*লিশ চাপা দিয়ে শ্বা*সরোধ করে তার মৃ*ত্যু নিশ্চিত করে জা*নোয়ার দুটো।

একটা ১০ বছরের বা*চ্চাকেও তারা ছাড়লো না। এর কারণ হিসেবে তারা জানায়, ছোট্ট এই প্রিয়ম, মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ছোট ভাইয়ের সাথে খেলাধুলা করে। তাই সে জা*নোয়ার দুটোকে চিনে ফেলেছিল। প্রমাণ না রাখতে তাই তাকেও তারা মে*রে ফেলে খাটের নিচে ছূ*ড়ে ফেলে দেয়।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মানুষরূপী এই পি*শাচ দুটোর ভ*য়াবহ রূপ দেখানো আরও বাকি।

সবার মৃ*ত্যু নিশ্চিতের পর তারা ভোররাত থেকে সেখানেই অবস্থান করে। সবাইকে মে*রে ফেলার পর প্রিয়ম যে রুমে থাকত, সেই রুমের ওয়াশরুমে গিয়ে তারা গোসল করে ফ্রেশ হয়। এরপর ডাইনিংয়ে বসে টেবিলে রাখা খেজুরের বক্স থেকে খেজুর খায় ও রেস্ট নেয়!

চিন্তা করেন, তারা কিছুক্ষণ আগে ৪টা তর*তাজা প্রা*ণ নিলো। একট হাসিখুশি পরিবার'কে কয়েক মিনিটেই শে*ষ করে দিলো। এরা কি মানুষ?

এরপর তাদের কাছে অবশিষ্ট আরও ১ পিস ই*য়াবা ছিল, যেটি তারা টেবিলে বসে সে*বন করে।

সকাল হলে তারা অপেক্ষা করে, বাইরে মানুষের আনাগোনা কখন কম হয়। এরই মাঝে তারা ঘটনাকে অন্যদিকে মোড় দিতে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করতে থাকে। ঘটনাক্রমে তাদের লো*ভ জাগলে কিছু স্বর্ণালংকার ও দামি জিনিসপত্র নিয়ে নেয়।

সময় গড়িয়ে যখন নামাজের সময় হয় এবং শুক্রবার হওয়াতে বাইরের লোকজন সবাই জুমার নামাজে যায় ও বাইরে মানুষের আনাগোনা কমে যায়, সেই সময় তারা ছাদ টপকে পাশের বাসা দিয়ে পা*লিয়ে যায়। পালানোর পর তারা চু*রি করা জিনিস পাশের মন্দিরের পিছনে লুকিয়ে রাখে।
ভ*য়ংকর এই ঘটনার বিবরণ তারা নিজ মুখেই পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

মানুষ কীভাবে এতটা ভ*য়ংকর হতে পারে?
হার হিম করা নি*র্মম এই ঘটনাটার বিস্তারিত লিখতে আমাদের হাত কাঁ*পছিল, চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল।

এদের-এই জা*নোয়ার দুটোর-একমাত্র সাজা জনসম্মুখে ফাঁ*সি। ১ মাসের মধ্যেই আমরা এদের ফাঁ*সি চাই।

আপনার-আমার আশেপাশেই ঘুরছে মানুষরূপী এই ভ*য়ংকর জা*নোয়ারগুলো।
সবাই সাবধান থাকবেন। শান্তির শহর রংপুর ভালো নেই।

23/08/2026

টাকা পয়সা আসবে যাবে ভাই ব্রাদার সবসময় থাকবে🙂🙂

২০১৮ সালের ৪ আগষ্ট থেকে এই ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটক এর প্রতি টা পর্ব দেখে আসছি, একটা সময় ছিলো সারাদিন এর কান্তি চিন্তা মুক্ত...
23/08/2026

২০১৮ সালের ৪ আগষ্ট থেকে এই ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটক এর প্রতি টা পর্ব দেখে আসছি, একটা সময় ছিলো সারাদিন এর কান্তি চিন্তা মুক্ত করার ঔষধ হিসেবে কাজ করতো🙂

ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটক টা,,আজ জীবন এর তাগিদে হয় তো, বড়ো হয়ে গেছি, সংশার এর দায়িত্ব, কাঁধে নিছি,,,
তবে কাজল আরেফিন অমি, ভাই,, আপনি এই এতো বছর এর ব্যচেলর, পয়েন্ট নাটক যদি, হাজার টা গালি, শিক্ষাইয়া থাকেন,...🥰
আজ তার,, সব কিছু শেষ করে দিছেন এই ছোট একটা অংশের মধ্যে, আমি যানি না,, মানুষ বিষয় টা কিভাবে নিবে ভাই, তয়, ভাই আমি একটা জিনিস শিক্ষা পাইছি,,যে,,, হারামে , যদি, হাজার কোটি টাকা থাকে, তার কোনো মূল নেই,,,, হালাল টাকা, ১০০ টাকা,, হাজার কোটি টাকার সমান আর.... বিশেষ করে বাচ্চু ভাই,, আমার পছন্দের একজন মানুষ,, তার এই অভিনয় হাজার টা মানুষ এর বাস্তব জীবনে হয়, ❤️

তবে এই নাটকে সবার অভিনয় ই সেরা, কাবিলা,হাবু,পাশা,শিমুল,আরেফিন,নেহাল,

ধন্যবাদ কাজল আরিফন অমি, ভাই,,,❤️

🌅 শুভ সকাল 🌿নতুন সকাল মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর নতুন করে শুরু করার সুযোগ।গতকালের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আজকের দিন...
23/08/2026

🌅 শুভ সকাল 🌿

নতুন সকাল মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর নতুন করে শুরু করার সুযোগ।
গতকালের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আজকের দিনটাকে সুন্দর করে তোলার চেষ্টা করি। ❤️

সবার সকালটা হোক শান্তিময়, সুন্দর ও আনন্দে ভরা।
শুভ সকাল সবাইকে। ☀️🌸

পোস্টটা সামনে গেলে সবাই একটু রেসপন্স করিয়েন🙂সবাই কমেন্ট সেয়ার করুন আপনার ড্যাসবোর্ড সবুজ হবে ইনশাআল্লাহ
22/08/2026

পোস্টটা সামনে গেলে সবাই একটু রেসপন্স করিয়েন🙂

সবাই কমেন্ট সেয়ার করুন
আপনার ড্যাসবোর্ড সবুজ হবে ইনশাআল্লাহ

22/08/2026

"হয়তো এটা একটা অভিনয়,কিন্তু মায়ের প্রতি ভালোবাসাটা একদম সত্যি।"💝🌼
22/08/2026

"হয়তো এটা একটা অভিনয়,কিন্তু মায়ের প্রতি ভালোবাসাটা একদম সত্যি।"💝🌼

দীপু মনি বলছেন, “পুলিশ ভাই, আমাকে তো এখনই নিয়ে যাবেন, আমি দুই মিনিট ফ্যামিলির সাথে কথা বলি?”ভাই, একটা কথা আজকাল খুব মনে ...
21/08/2026

দীপু মনি বলছেন, “পুলিশ ভাই, আমাকে তো এখনই নিয়ে যাবেন, আমি দুই মিনিট ফ্যামিলির সাথে কথা বলি?”

ভাই, একটা কথা আজকাল খুব মনে হয় মানুষ রাজনীতি কেন করে? আর হাতে ক্ষমতা এলেই কেন এমন কিছু করে বসে, যার ফল একদিন নিজের কাছেই ভ*য়ংকর হয়ে ফিরে আসে?

নিউজফিডে একের পর এক ভিডিও আসছে ড. দীপু মনি তাঁর প্রয়াত স্বামীকে শেষ বিদায় জানাচ্ছেন।

স্বামী মা*রা গেলেন, অথচ শেষ সময়ে পাশে থাকার সুযোগটুকুও তাঁর ছিল না। পরে মাত্র ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে কফিনের কাছে গিয়ে শেষবারের মতো বিদায় জানালেন প্রিয় মানুষটিকে।

১২ ঘণ্টা শেষ।
থমথমে মুখে আবার প্রিজন ভ্যানে বসেছেন। ফিরে যাচ্ছেন কারাগারে।

দৃশ্যটা দেখলে কেমন একটা অস্বস্তি হয়, তাই না?
তবে একটা বিষয় চোখে পড়ল তাঁর হাতে অন্তত হাতক*ড়া ছিল না। স্বাধীনভাবে হেঁটে প্রিয় মানুষটাকে শেষ বিদায় জানানোর সুযোগটুকু তিনি পেয়েছেন।

অথচ অতীতে আমরা এমন দৃশ্যও দেখেছি এক হাতে মায়ের খাটিয়া ধরে আছেন, আর অন্য হাতে পুলিশের হাতকড়া!

ইতিহাস ঘাটলে হয়তো এর চেয়েও নি*ষ্ঠুর গল্প পাওয়া যাবে। এমন মানুষও হয়তো ছিলেন, যাঁদের কাছের মানুষ মা*রা গেলেও প্যারোলে মুক্তি মেলেনি। কাউকে হয়তো শেষবারের মতো দা*ফনটুকুও ঠিকভাবে করতে দেওয়া হয়নি।

আজকের এই দৃশ্য তাই শুধু একজন মানুষের ব্যক্তিগত কষ্টের দৃশ্য নয়। এটা ক্ষমতায় থাকা এবং ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার নি*র্মম বাস্তবতারও একটা ছবি।

আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, আর যারা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসবেন সবার জন্যই হয়তো এসব দৃশ্য একটা বড় শিক্ষা।

কারণ ক্ষমতা চিরদিন কারও হাতে থাকে না।

আজ আপনি ওপরে, কাল অন্য কেউ।

আজ আপনি সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন, কাল সেই সিদ্ধান্তের ভার আপনাকেও বহন করতে হতে পারে।

আমরা মাঝে মাঝে মজা করে বলি
“ইশ! কোনোদিন যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম! কত পাওয়ার থাকত! কত কিছু করতে পারতাম!”

কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি সত্যিই যদি সেই ক্ষমতা হাতে আসে, তখন কি আজকের মতো করে ভাবতে পারব?

নাকি ক্ষমতা, অর্থ, নিরাপত্তা, প্রশংসা আর চারপাশের শত শত ‘জি স্যার’ ধীরে ধীরে আমাদের চোখটাই বদলে দেবে?

কে জানে!
হয়তো মানুষ খারাপ হয়ে জন্মায় না।
ক্ষমতার নেশা, প্রতিশোধের রাজনীতি আর সীমাহীন সুযোগ মানুষের ভেতরের অন্ধকারটাকে বের করে আনে।

তাই মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা সাধারণ মানুষই ভালো আছি।

আমাদের কোটি কোটি টাকা নেই।
ক্ষমতার চেয়ার নেই।
শত শত মানুষের নিরাপত্তা নেই।

কিন্তু অন্তত প্রিয় মানুষটা মা*রা গেলে তার পাশে বসে কাঁদতে পারি।
মায়ের মাথায় হাত রাখতে পারি।
বাবার কফিনটা শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখতে পারি।

এটাই বা কম কী?

হুমায়ূন আহমেদের হিমুর একটা কথা মনে পড়ে
“সাধারণ থাকাটাই অসাধারণ ব্যাপার।”

সত্যিই তো।
ক্ষমতার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হওয়া উচিত ক্ষমতায় থেকেও মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে শেখা।

কারণ চেয়ারটা একদিন অন্য কারও হবে।
ক্ষমতাটাও চলে যাবে।
টাকাও একদিন অর্থহীন হয়ে যাবে।

শেষে পড়ে থাকবে শুধু একটা প্রশ্ন
আপনি ক্ষমতা পেয়ে কতটা বড় হয়েছিলেন, আর মানুষ্যত্ব হারিয়ে কতটা ছোট হয়ে গিয়েছিলেন?

জীবন বড় অদ্ভুত জিনিস।
ক্ষমতা, টাকা আর প্রভাব মানুষের চারপাশ বদলে দিতে পারে।
কিন্তু কর্মফল?

ওটা ঠিক ঠিক ঠিকানায় পৌঁছে যায়।
তাই মাঝে মাঝে মনে হয়..
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেয়ে সাধারণ মানুষ হয়ে থাকাটাই হয়তো অনেক শান্তির।

ক্ষমতা নেই।
কোটি টাকা নেই।
বড় চেয়ার নেই।

কিন্তু অন্তত প্রিয় মানুষটার শেষ সময়ে পাশে থাকার স্বাধীনতাটা আছে।

শেষ বিদায়ের সময় প্রিয় মানুষটার হাতটা ধরে রাখতে পারা এর চেয়ে বড় ক্ষমতা আর কী হতে পারে? 😌🖤

Address

Madaripur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamil The Hopeless posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share