13/08/2026
▶ #সংক্ষিপ্ত_পরিচিতি:
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল বারী (রহঃ)
ছিলেন ইসলামী পণ্ডিত, লেখক ও বাংলাদেশের এক প্রভাবশালী শিক্ষাবিদ, প্রাচ্যভাষাবিদ ও ইসলামী চিন্তক।
তিনি এম এ বারী নামেও পরিচিত ছিলেন।
মুহাম্মদ আব্দুল বারী (রহ:)
▶️সভাপতি: বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস
তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দুই মেয়াদ, এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও দুই মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনিই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য। এছাড়াও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি
দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও জ্ঞানের জগতকে সমৃদ্ধ করতে অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে তিনি দীর্ঘ ৪৩ বছর, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস-এর সভাপতি হিসেবে, দায়িত্ব পালন কেরেছেন, দাওয়াহ ও সংগঠনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
৫ম ও ৮ম উপাচার্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
১ম মেয়াদ ১৯৭১-১৯৭২
২য় মেয়াদ ১৯৭৭-১৯৮১
চেয়ারম্যান: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (UGC) দুই মেয়াদী ১৯৮১ - ১৯৮৯
▶️শৈশব ও পরিবার
প্রফেসর ড. এম এ বারী (রহঃ)
তিনি ১৯৩০ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর গ্রামে মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার আচরাই, খোলাহাটী/নুরুলহুদা গ্রাম।
▶️তাঁর বাবা: মুহাম্মদ আব্দুল্লাহিল বাকি
অবিভক্ত ভারতে মুসলিম লীগের
ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাবস্থাপক পরিষদ ও বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য, পাকিস্তান গণপরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদের সদস্য এবং একজন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ।
ড.এম, এ,বারী বাল্যশিক্ষা তার পিতা থেকেই গ্রহণ
করেন।
পারিবারিকভাবে দ্বীনি শিক্ষার পরিমণ্ডল
প্রফেসর ড. এম এ বারী (রহঃ)
এর আপন চাচা ছিলেন উপমহাদেশের যুগান্তকারী অন্যতম প্রধান ইসলামি চিন্তাবিদ। দাওয়াহীর নেতা, লেখক ও সাংবাদিক-এবং ইসলামী সাহিত্য-সংস্কৃতি অদ্বিতীয়, বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত সাহিত্য ও দাওয়াহ অবদানে কিংবদন্তি
আহলে হাদীস আন্দোলনের প্রণেতা ও সংগঠক এবং বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক দাওয়াহ আন্দোলনের অগ্রদূত, ইসলামের খ্যাটি শিক্ষা প্রচারে নিবেদিতপ্রাণ দাওয়াহকারি। লেখক, গবেষক,
সাংবাদিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী এবং ইসলামী
মাসনতন্ত্রের অগ্রদূত।বাংলাদেশের দাওয়াহ ইতিহাসে এক কালজয়ী আলেম।
আল্লামা আব্দুল্লাহিল কাফী আল কুরাইশী রহঃ
তার জীবনদর্শন ও কর্মধারা শুধু আহলে
হাদীস আন্দোলনেই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশক হয়ে আছে। যাঁর কর্মযজ্ঞে আহলে হাদীস আন্দোলন,
সালাফি দাওয়াহ এবং ইসলামী সাহিত্য-সংস্কৃতি অদ্বিতীয়।
প্রফেসর ড. এম এ বারী (রহঃ) এর প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা শিশুকালেই ঘরে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে
মাদরাসায় ভর্তি হন।
নওগাঁ কো-অপারেটিভ হাই মাদরাসায় পড়েন; ১৯৪৪ সালে মাত্র ১৩ বছর ৬ মাস বয়সে হাই মাদরাসা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে সমগ্র বঙ্গের ১১তম স্থান অর্জন করেন।
১৯৪৬ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট কলেজ (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) থেকে ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েটে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনার্স (১৯৪৯) ও মাস্টার্স (১৯৫০)-উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এই কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ নীলকান্ত সরকার গোল্ড মেডেল, বাহরুল উলুম উবায়েদী সুহরাওয়ার্দী গোল্ড মেডেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গোল্ড মেডেল লাভ করেন। এরপর
উচ্চতর গবেষণার জন্য পাকিস্তান সরকারের বৃত্তিতে তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করেন এবং ১৯৫৩ সালে ডি-ফিল ডিগ্রি অর্জনি করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ১৯শ শতকের বাংলার মুসলিম সংস্কার আন্দোলন; গবেষণায় তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন প্রখ্যাত ওরিয়েন্টালিস্ট H. A. R. Gibb a Joseph Schachter!
▶️শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক জীবন ড.এম. এ বারী (রহ:) বাংলাদেশে ফিরে এসে ১৯৫৪- সাল থেকে শিক্ষকতা এবং শিক্ষকতার পাশাপাশি উচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তান শিক্ষা সার্ভিসে সরাসরি অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
প্রথমে তিনি ঢাকা কলেজ এবং পরবর্তীতে রাজশাহী কলেজের আরবি বিভাগে তিনি অধ্যাপনা করেন। ১৯৫ সালে তিনি রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের 'রীডার' পদে (বর্তমান পদবী-সমতুলা অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর) যোগদান করেন। পরবর্তীকালে একই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্বপালন করেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছুকাল গবেষণা করেন। ১৯৬১ সালে তিনি 'নাফিল্ড ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ লাভকরে পূর্ব লন্ডন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টোরাল রিসার্চ সম্পন্ন করেন।১৯৬২-৬০ সালে কলা অনুষদের ডিন এবং ১৯৬৯-৭১ সালে জিন্নাহ হল (বর্তমান শের-ই-বাংলা হল) প্রোভোস্ট ছিলেন।
অসামান্য শিক্ষকতার জন্য ১৯৬৯ সালে
রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক পান। প্রফেসর ড. এম এ বারী (রহঃ) তিনি ১৯৭১ সালের ১৯ জুলাই ৪০ বছর বয়সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
উপাচার্য নিযুক্ত হন এবং ১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ঐ পদে বহাল ছিলেন।
১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত
তিনি দ্বিতীয়বারের মত রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (UGC) চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ১৯৮২-১৯৮৯ সাল পর্যন্ত, দুই মেয়াদে উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
এরপর ১৯৮৯-১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনকারী দলের উপদেষ্টা পদে নিয়োগলাভ করেন। এতে দায়িত্ব পালনকালে তার আপ্রাণ প্রচেস্টায়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সরকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিলে ১৯৯২ সালে তাঁকে উপাচার্য নিয়োগ দেয়।
পেশাগত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক শিক্ষামূলক কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত দু'টি কমিটিরই চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। এছাড়াও তিনি ২০০২ সালে জাতীয় শিক্ষা সংস্কার কমিটির চেয়ারম্যান, ১৯৯০ সালে মাদরাসা শিক্ষা সংস্কার কমিটির চেয়ারম্যান, ইসলামী বিশ্বকোষ প্রণয়ন সম্পাদনা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ পদে চার
বছর দায়িত্ব পালন করে ১৯৯৬ সালে
তিনি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণ এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার ১৭টি দেশে সেমিনার,সিম্পোজিয়াম ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন-বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও ইসলামী চিন্তা ও চর্চার প্রতিনিধিত্ব করেন।
▶️বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের নেতৃত্ব ও উল্লেখযোগ্য কিছু অবদান :
তিনি শত কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়েই ১৯৬০ সাল থেকে আমৃত্য পর্যন্ত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সংগঠন তার সুযোগ্য নেতৃত্বে সারা দেশে ইসলামী দাওয়াতের প্রসারে ভূমিকা রেখেছিলো। এই সংগঠনের মাধ্যমেই তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা করেছেন বহু মাদরাসা, মসজিদ, ইয়াতিমখানা।
ড.এম. এ বারী (রহ:) স্যারের
আপন চাচা এবং বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের ▶️প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: আল্লামা আব্দুল্লাহিল কাফী আল-কুরায়শী (রহ.)-এর ইন্তেকালের পর ১৫ জুন, ১৯৬০ সালে জমঈয়তের কার্যকরী কমিটির সভায় ‘প্রফেসর আল্লামা ড. মুহাম্মদ আব্দুল বারী (রহ.) পূর্ব-পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী জেনারেল কমিটির সভায় উক্ত নিবার্চন সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জমঈয়ত তার বিভিন্নমুখী কর্মতৎপরতা অব্যাহত রাখে। সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং ‘আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী-সহ প্রতিষ্ঠিত উলামায়ে কিরামের মূল্যবান গ্রন্থও এ সময়ে প্রকাশ করা হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পর পূর্ব-পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীস-এর নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ‘বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস।’ স্বাধীন দেশে আল্লামা ড. মুহাম্মদ আব্দুল বারীর নেতৃত্বে জমঈয়তে আহলে হাদীসের কাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলে। ইতোমধ্যে ১৯৭৮ সালে পুরাতন ঢাকার ৮৬, কাজী আলাউদ্দীন রোডে স্থাপিত জমঈয়ত কার্যালয় দুঃখজনকভাবে ত্যাগ করতে হয়। ইত্যবসরে ঢাকার জমঈয়ত হিতৈষী ব্যক্তিত্ব আলহাজ্জ আব্দুল মাজেদ সরদার-এর আন্তরিক সহযোগিতায় ৯৮, নবাবপুর রোডে ৫ কাঠা জমি খরিদ করা হয়। তার অব্যবহিত পর একই প্লটের অবশিষ্ট ৫ কাঠা জমি বাংলাদেশ সরকারের নিকট হতে জমঈয়তের নামে লীজ গ্রহণ করা হয়। প্রায় একই সময়ে ঢাকা উত্তর যাত্রাবাড়ীতে জমঈয়তের নামে ২৬ কাঠা জমি এবং মাদ্রাসা মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়ার নামে ১৭ কাঠা জমি ক্রয় করা হয়। যেখানে এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ সালাফী কওমী মাদ্রাসা। ‘আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কুরায়শী , ‘আল্লামা মুহাম্মদ আকরাম খাঁ ও ‘আল্লামা ড. মুহাম্মাদ আবদুল বারী-এর গ্রন্থাগার এখানেই স্থান পেয়েছে।
১৯৬০ সালে, তিনি বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস-এর সভাপতি হন, এবং নিজের ইন্তেকাল (৪ জুন ২০০৩) পর্যন্ত ৪৩ বছর টানা এই দায়িত্ব পালন করেন-যা সংগঠনটির ইতিহাসে দীর্ঘতম একক সভাপতিত্ব হিসেবে স্বীকৃত।
দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব ও সংগঠনের স্ট্রাকচার গঠন তার সভাপতিত্ব কালে জমঈয়ত ব্যাপক আঞ্চলিক বিস্তার ও শাখা-সংগঠন গড়ে তুলেছে; কেন্দ্রীয় কায়েমি কাঠামো শক্ত করে।
দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও ইসলামি পণ্ডিত ২০০৩ সালের ৪ জুন, ৭৩ বছর বয়সে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। দিনাজপুরের নুরুল হুদায় (আটরাই, খোলাহাটী, পার্বতীপুর) পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
ড.এম এ বারী (রহ:) ব্যক্তিগত জীবনে ২
পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।
তিনি বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন ও
দেশে-বিদেশে অনুষ্ঠিত অসংখ্য আন্তর্জাতিক সেমিনার-সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্সে যোগদান করেছেন। সংগঠনিক নেতৃত্ব:৪৩ বছরের
▶️স্মরণীয় কিছু অবদান দীর্ঘ ৪৩ বছরের সফল সভাপতি... ছিল বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
সাংগঠনিক প্রসার ও প্রতিষ্ঠা তৎকালীন
৩৫টি জেলা শাখা,
৫০টিরও বেশি এলাকা, (উপজেলা) ৫০০+ উপশাখা এবং ৬০০০+ শাখা সারাদেশে করেছেন-দেশজুড়ে সংগঠনকে এক সমন্বিত কাঠামো প্রদান করেছেন। তিনি উদ্যোগী হয়েছেন: আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমির প্রবর্তন, বাইপাইলে মালিকানাধীন ৫২ বিঘা জমিপথে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর।
▶️শুব্বান
বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস এর একমাত্র অনুমোদিত যুব সংগঠন, জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস, ও ড. এম এ বারী স্যারের নিজ হাতে গড়া সংগঠন
বর্তমান ধর্মবিরোধী ও লা-দীনী পরিবেশে তরুণ ও যুবকরা যেভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে তাতে জমঈয়ত বিশেষ শংকিত ও উৎকণ্ঠিত না হয়ে পারেনা। বিভিন্ন ইজমের খপ্পরে পড়ে আমাদের সন্তানরা যাতে নিজস্ব আকীদা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিস্মৃত হ'য়ে ধর্মনিরপেক্ষতা তথা ধর্মহীনতার স্রোতে ভেসে না যায় সেজন্য জমঈয়ত সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জমঈয়ত তরুণ কিশোর ও যুবকদের 'জমঈয়ত। শুব্বানে আহলে হাদীসের' মাধ্যমে সংগঠিত ও কর্মতৎপর হয়ে উঠতে উৎসাহিত করে। ১৯৮৫ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে জমঈয়তে একটি শুব্বান বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৯ সালের ২৮শে ডিসেম্বর তারিখে মহানগরী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বংশাল জামে মসজিদে দেশের সকল অঞ্চল থেকে আগত ছাত্র, যুবক ও তরুণরা এক কনভেনশনে মিলিত হয়ে জমঈয়তের প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে শুব্বান বিভাগকে আরও শক্তিশালী ও কর্মতৎপর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তারা তাদের একটি গঠনতন্ত্র ও কর্মপদ্ধতিও পরিগ্রহণ করে। সর্বত্র তাদের মধ্যে এক অভাবনীয় উৎসাহ ও উদ্দীপনার জোয়ার এসেছে। সকল জেলায় এখন আহলে হাদীস যুবকরা সংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ এবং দীন ও জামাআতের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে দৃঢ়সংকল্প। দেশের অনেক গুলা বিশ্ববিদ্যালয় যথা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা তাদের শাখা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সর্বত্রই তাদের মধ্যে অভূতপূর্ব কর্মচাঞ্চল্য পরিলক্ষিত হ'চ্ছে।
▶️ভবন নির্বান
১.গৃহ নির্মাণ ৪১৭৯ টি
২.পাকা মসজিদ নির্মাণ ৩৪ টি
৩.আধা পাকা মসজিদ নির্মাণ ১৬০ টি
৪.মসজিদ সংস্কার ৩৯১টি
৫.পাকা মাদ্রাসা নির্মাণ ৩০টি
৬.মাদ্রাসা সংস্কার ৪২২টি
৭.টিউবয়েল স্থাপন ১৪৯২ টি
▶️জমঈয়ত-এ নেতৃত্ব এই সময়কালে সংগঠনটি দাওয়াহ-প্রচার, প্রকাশনা ও শিক্ষা-প্রকল্পে প্রচুর প্রসার পেয়েছে। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা/পৃষ্ঠপোষকতা -কেন্দ্রীয় ইয়াতীমখানা, মডেল মাদরাসা (আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফীর
নামাঙ্কিত মডেল মাদরাসা), উম্মুল মুমিনীন আয়িশা মহিলা মডেল মাদরাসা,নওমুসলিম পূর্ণবাসন প্রকল্প,ইত্যাদি।
এগুলো বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের বাস্তব কার্যক্রম ও ঠিকানা-বিস্তারিত, অফিসিয়াল সাইটে আছে।
মসজিদ ও সেবামূলক প্রকল্প-বাইতুল আবেদীন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সহ সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প (দুঃস্থ পুনর্বাসন ইত্যাদি)
বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস-এর
উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে।
প্রকাশনা ও পত্রিকা চালানো-সাপ্তাহিক আরাফাত, মাসিক তর্জুমানুল-হাদীস-এর ধারাবাহিক প্রকাশনা ও দাওয়াহ সমর্থক প্রকাশনায় তিনি গভীরভাবে জড়িত ছিলেন; এগুলো সংগঠনের ভাবমূর্তির অন্যতম মাধ্যম।
শিশু-কল্যাণ ও ইহতীয়া-প্রকল্প-ইয়াতীমখানা-
ধাঁচের আবাসিক শিক্ষা ও পনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক সেবা ।
▶️খিদমত-ই-খালকঃ
জমঈয়তে আহলে হাদীসের বিভাগসমূহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হ'ল খিদমাত-ই-খালক। এই বিভাগের মাধ্যমে জমঈয়ত দেশের আপামর জনসাধারণের সেবায় তাদের হস্ত প্রসারিত করেছে। নিজেদের সীমিত সামর্থ ও ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশসমূহ বিশেষ করে কুয়েত ও সাউদী আরবের কতিপয় ইসলামী সংগঠন ও মহৎপ্রাণ দীনী ভাইদের সক্রিয় সহযোগিতায় জমঈয়ত ৮৭ ও ৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যা ও তুফান এবং ১৯৮৯ সালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া অঞ্চলে প্রলয়ংকরী টর্নাডোর, পর বিভিন্ন সেবামূলক প্রোগ্রাম গ্রহণ করে যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গৃহ নির্মাণ, মসজিদ ও মাদ্রাসা সংস্কার,টিউবওয়েল স্থাপন ইত্যাদি ব্যাপক কর্মসূচী গৃহীত ও বাস্তবায়িত হয়। এই কর্মসূচীর আওতায় ঠাকুরগা, পঞ্চগড়,দিনাজপুর, রংপুর, নীলফামারী,
লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা,
বগুড়া, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, নাটোর,
রাজশাহী, কুষ্টিয়া, চাপাইনওয়াবগঞ্জ,
জামালপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, খুলনা, যশোর,
বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ঢাকা, ও সিলেট
জেলার প্রায় ষাটটি থানায় ত্রাণ ও
পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এই কার্যক্রমের তহবিলের সিংহভাগ আসে
কুয়েতের তদানীন্তন রাষ্ট্রদূতের মারফত
এবং পরবর্তীতে কুয়েতের আল-লাজনা
আল-মুশতারিকা লি ইগাসা বাংলাদেশ থেকে। কুয়েতের জমঈয়ত ইয়া আত-তুরাস আল-ইসলামী, বাহরাইনের ইদারাত সুনদুক আল-ইনফাক আল-খাইরীও তাঁদের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। রিয়াদের কতিপয় ভাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জমঈতের কাছে কিছু ব্যক্তিগত অনুদান প্রেরণ করেন। ঐ সাথে যোগ দেন ঢাকার জমঈয়ত দরদী মহৎপ্রাণ ভ্রাতৃবৃন্দ। জমঈয়ত এঁদের সকলের কাছে ঋণী এবং এঁদের ঋণ স্বীকারের সাথে সাথে জমঈয়ত এই মহান উদ্যোগের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। আল্লাহ এদের মহানুভবতা কবুল করুন এবং এঁদেরকে যোগ্য প্রতিদান দিন।
▶️মসজিদ নির্মাণঃ আল্লাহ তাআলার অপার অনুগ্রহে প্রধানতঃ কুয়েতের জমঈয়ত ইহয়া আত-তুরাস আল-ইসলামী এবং বায়তুয যাকাত এর অর্থানুকূল্যে জমঈয়ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু মসজিদ নির্মাণ করতে সমর্থ হয়েছে । আমাদের কিছু সাউদী ভাইও এ মহান কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এঁদের সকলের দান কবুল করুন।
জমঈয়ত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার শোকর আদা করে যে, কয়েকটি স্থানে অসমাপ্ত মসজিদ সমাপ্ত করার উদ্যোগে জমঈয়ত তার সীমিত সামর্থে শরীক হয়েছে। জমঈয়ত উপলব্ধি করে যে দেশের অনেক এলাকায় স্থানীয় ভ্রাতৃবৃন্দের উৎসাহে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবার পর ফান্ডের অভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হ'তে পারেনি। এরূপ অসমাপ্ত মসজিদসমূহ সমাপ্ত করার জন্য সম্ভবপর হ'লে এবং আল্লাহ তওফিক দিলে জমঈয়ত একটি প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নে আগ্রহী।
▶️এতিমঃ জমঈয়তের উদ্যোগে কুয়েতস্থ বায়তুয যাকাত পঞ্চাশজন এতিমকে তাঁদের তালিকাভুক্ত করে নিয়েছেন। জমঈয়ত নিজস্ব প্রচেষ্টা এবং স্থানীয় ভ্রাতৃমন্ডলীর সক্রিয় সাহায্য ও সহযোগিতায় বাইপাইলে তার নিজস্ব জমিতে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস কেন্দ্রীয় এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক এতিমকে এখানে লালন পালন ও শিক্ষা দান করা হচ্ছে। এই এতিমখানা ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ আরও সম্প্রসারিত এবং এর কার্যক্রম আরও বহুমুখী করা হবে।
▶️স্বাস্থ্যকেন্দ্রঃ
জমঈয়ত বিগত বহু বছর ধরে ঢাকার উপকন্ঠে একটি অত্যন্ত দরিদ্র ও অবহেলিত শহরতলী ভাসানটেকে একটি স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে। এখানের ছিন্নমূল, ভাসমান ও প্রায় বিত্তহীন অধিবাসীদের মধ্যে জমঈয়ত বিনা মূল্যে ওষুধ ও সেবা দান করে থাকে। অপুষ্টিজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের বিশেষ পরিচর্যার ব্যবস্থাও একেন্দ্রে রয়েছে। এখানে শিশুদের মায়েদেরকে অল্প খরচে বাচ্চাদের জন্য সুষম খাবার তৈরির প্রশিক্ষণ দেয়ার সাথে সাথে তাদেরকে শেলাই প্রশিক্ষণের
মাধ্যমে কিছু রোজগারপাতির জন্যও
ট্রেইনিং দেয়া হয়। এই কেন্দ্র ছাড়াও
দিনাজপুরের নূরুলহোদা এবং নাটোরের
দাস্তানাবাদে জমঈয়ত আরও দু'টি দাতব্য
চিকিৎসালয় পরিচালনা করে থাকে।
সম্প্রতি সাতক্ষীরার পাথরঘাটায়, খুলনার
গল্লামারী ও ঢাকার সাভারে তিনটি
চিকিৎসালয়গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।
▶️ছাত্রবৃত্তিঃ
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত অত্যন্ত দুঃস্থ ছাত্রদের জন্য সীমিত অর্থ নিয়ে জমঈয়ত একটি ছাত্র সাহায্য তহবিল গঠন করেছে যেখান থেকে মেধাবী, সৎ ও জামাআত সচেতন ছাত্রদের কিছু স্টাইপেন্ড দেয়া হ'য়ে থাকে। ভবিষ্যতে এ ফান্ড আরও শক্তিশালী হ'বে বলে জমঈয়ত আশা করে।
▶️ভবন নির্বান
১.গৃহ নির্মাণ ৪১৭৯ টি
২.পাকা মসজিদ নির্মাণ ৩৪ টি
৩.আধা পাকা মসজিদ নির্মাণ ১৬০ টি
৪.মসজিদ সংস্কার ৩৯১টি
৫.পাকা মাদ্রাসা নির্মাণ ৩০টি
৬.মাদ্রাসা সংস্কার ৪২২টি
৭.টিউবয়েল স্থাপন ১৪৯২ টি
▶️বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের উদ্যোগে নির্মিত পাকা মসজিদের তালিকা
১। রিয়ায়নগর মসজিদ, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
২। কেন্দ্রীয় আহলে হাদীস জামে মসজিদ, টাঙ্গাইল।
৩। নও মুসলিম পূর্নবাসন প্রকল্প মসজিদ, ভাওরাইদ, গাজীপুর।
৪. ছয়দানা আহলে হাদীস জামে মসজিদ, ছয়দানা, টঙ্গী, গাজীপুর।
৫. ঠেঙ্গারবন্দ জামে মসজিদ, ঠেঙ্গারবল, গাজীপুর।
৬. চেংগ্রাম জামে মসজিদ, হিলি দিনাজপুর।
৭. যশোর শহর মসজিদ, বকচর যশোর।
৮. দৌলতপুর জামে মসজিদ, দৌলতপুর খুলনা।
৯. মাহমুদপুর মসজিদ, সাতক্ষীরা। ১০. বুড়িচং জামে মসজিদ, কুমিল্লা।
১০.বুড়িচং জামে মসজিদ, কুমিল্লা।
১১. টঙ্গী আহলে হাদীস জামে মসজিদ, গাজীপুর।
১২.গোবিন্দগঞ্জ জামে মসজিদ, গাইবান্ধা।
১৩.ঠাকুরগাঁও মসজিদ-মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, ঠাকুরগাঁও।
১৪.পূবাইল জামে মসজিদ পূবাইল, গাজীপুর।
১৫. সোনাখালী জামে মসজিদ, বাগেরহাট।
১৬. সন্যাসী জামে মসজিদ, বাগেরহাট।
১৭. কাহালপুর দাখেল মাদ্রাসা মসজিদ, বাগেরহাট।
১৮. রাণীগঞ্জ বাজার আহলে হাদীস মসজিদ, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।
১৯. করশালিকা মসজিদ, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ।
২০. মুহাম্মদপুর ফারাযীপাড়া মসজিদ, কুষ্টিয়া।
২১. মদনহাটি মসজিদ, রাজশাহী।
২২. জামগড়া মসজিদ, সাভার, ঢাকা।
২৩. সালাহুদ্দীন আয়ুবী মসজিদ,চারিতালুক, নারায়ণগঞ্জ।
২৪. আল-মা'হাদ আস-সালাফী মসজিদ, নিজ খামার, খুলনা।
২৫. পাঁচরুখী মাদ্রাসা মসজিদ, নারায়ণগঞ্জ।
২৬.শেরুডাঙ্গা আমে মাসজিদ,শেরুডাঙ্গা , রংপুর।
২৭. নোয়ালী জামে মসজিদ, ঝিনাইদহ, যশোর।
২৮. বওরা জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।
২৯. সাতলাঠি জামে মসজিদ, সিরাজগঞ্জ।
৩০. রাণীনগর জামে মসজিদ, রাজশাহী শহর, রাজশাহী।
৩১. মসজিদ মুবারক, বগুড়া শহর, বগুড়া।
৩২. ধামরাই আহলে হাদীস জামে মসজিদ, ঢাকা।
৩৩. আশুলিয়া জামে মসজিদ, ধামরাই, ঢাকা।
৩৪ ইটাপোতা জামে মসজিদ, লালমনিরহাট, রংপুর।
▶️বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সহযোগিতা ও তত্বাবধানে নির্মিত মাদ্রাসা ভবনের তালিকা
১. মাদ্রাসা দারুল হাদীস আস-সালাফীয়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
২.মাদ্রাসা দারুল হাদীস, শেখের ভিটা, জামালপুর।
৩.মাদ্রাসা দারুল হাদিস পাচরুখী, নারায়ণগঞ্জ
৪. মাদ্রাসা সালাফীয়া তাহেরীয়া, বাঁশবাড়ী, সিলেট
৫. চাপাদহ ইসলামীয়া মাদ্রাসা, গাইবান্ধা
৬. দেবীপুর ইসলামীয়া মাদ্রাসা, তানোর, রাজশাহী
৭. মাদ্রাসা দারুল ইসলাম মোহাম্মাদীয়া, বল্লা, টাঙ্গাইল
৮. আল-মা'হাদ আদ-দীনী, মাদার্সী, ধামসর, বরিশাল
৯. দারুল হাদীস আস-সালাফীয়া,ডাঙ্গাপাড়া, দিনাজপু।
১০.আল-মা'হাদ আস-সালাফী, নিজ খামার, খুলনা।
১১.খয়েরসূতী দারুল হাদীস, রাহমানীয়া মাদ্রাসা, পাবনা।
১২.হামিদপুর রাহমানীয়া মাদ্রাসা, গাবতলী,বগুড়া।
১৩.আদর্শ রহমতে আলম মাদ্রাসা, ইটনা কিশোরগঞ্জ।
১৪.আল-মা'হাদ আল-ইসলামী, গোলপুকুর পাড়, ময়মনসিংহ।
১৫.উনাইল দারুল ইসলাম মাদ্রাসা, শিমুলিয়া ঢাকা।
১৬.হাড়াভাঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসা, মেহেরপুর।
১৭.নয়াপাড়া কাজাইকাটা আমিনিয়া দারুল উলুম আরাবীয়া মাদ্রাস,মাহমুদপুর, মেলান্দহ জামালপুর।
১৮.মাদ্রাসা দারুস সালাম সালাফীয়া, ভায়া লক্ষীপুর রাজশাহী।
১৯. আল-জামেআতুস সালাফীয়া আল-মারকাযীয়া, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
২০. আলাদীপুর দারুল হোদা সালাফীয়া মাদ্রাসা, নিশ্চিন্তপুর, নওগাঁ
২১. বটতলী মহিলা সিনিয়র মাদ্রাসা, জয়পুরহাট
২২. সৈয়দপুর রাহমানীয়া মাদ্রাসা, বগুড়া
২৩. মাহমুদপুর রসুলপুর ইসলামীয়া মাদ্রাসা, মাহমুদপুর, দিনাজপুর
২৪. মাদ্রাসা ইশা আতুল ইসলাম আস-সালাফীয়া, রাজশাহী
২৫. আল-জামে'আতুস সালাফীয়া, রংপুর
২৬. মসজিদ মুবারক মসজিদ-মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, বগুড়া
২৭. কোরপাই সিনিয়র মাদ্রাসা, কুমিল্লা
২৮. মাদ্রাসাতুল হাদীস নাজিরা বাজার ঢাকা
২৯. মাদ্রাসা মোহাম্মদীয়া আরাবিয়া যাত্রাবাড়ি ঢাকা
৩০. ঠাকুরগাঁও মাদ্রাসা মসজিদ কমপ্লেক্স ঠাকুরগাঁও
▶️বর্তমান কর্মসূচি ও প্রকল্পসমূহ এক নজরে
* দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা
ইয়াতীমখানা পরিচালনা
দুঃস্থ মুসলিম পুনর্বাসন
নওমুসলিম পুনর্বাসন
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন
সুপেয় পানির জন্য নলকূপ স্থাপন
সাপ্তাহিক-মাসিক পত্রিকা প্রকাশ
আহলে হাদীস শিক্ষাবোর্ড পরিচালনা
পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ
অনলাইন-অফলাইন দাওয়াতী প্রোগ্রাম
আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন
আধুনিক প্রিন্টিং প্রেস প্রতিষ্ঠা
দেশব্যাপী ইমাম ও দাঈ প্রশিক্ষণ
গবেষণা ও ইসলামী বইপত্র প্রকাশ
মসজিদ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা
কারিগরি কলেজ প্রকল্প
ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা
বিশ্বমানের জামি'আ আরাবিয়া প্রকল্প
আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা
শিশু ও বয়স্কদের জন্য মক্তব প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা
ডায়াগনস্টিক ল্যাব, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
কুরআন–সুন্নাহভিত্তিক দাওয়াহ আন্দোলনের অগ্রদূত, ইসলামের খাঁটি শিক্ষা প্রচারে নিবেদিতপ্রাণ দাওয়াহকারি। বাংলাদেশের দাওয়াহ ইতিহাসে এক কালজয়ী আলেম।আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন এবং তাঁর রেখে যাওয়া দাওয়াহর কাজকে, জমঈয়তকে, শুব্বানকে কবুল করুন আমিন।
মো. মনিরুজ্জামান
সাবেক প্রচার সম্পাদক
জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস যশোর জেলা।
▶️তথ্যসূত্র (প্রাথমিক ও নির্ভরযোগ্য)
১. Banglapedia (English): "Bari, Muhammad Abdul" - বিস্তৃত জীবনী, শিক্ষা, কর্মজীবন, সংগঠকত্ব, ইন্তেকাল (৪ জুন ২০০৩) নিশ্চিত।
২. Banglapedia (Bengali): একই তথ্যের বাংলা সংস্করণ-শিক্ষাজীবন, পুরস্কার, RU/UGC/NU দায়িত্বসমূহ।
৩.বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস (অফিসিয়াল সাইট): Past Presidents তালিকায় তাঁর দীর্ঘ সভাপতিত্ব (১৯৬০-২০০৩) প্রদর্শিত।
৪. "Professor Dr. Muhammad Abdul Bari Central Library" ক্যাটালগ (PDF): সংগঠনের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার তাঁর নামে-স্মারক ও উত্তরাধিকার হিসেবে। 1. Banglapedia / Wikipedia (জীবনীস
৫. বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস স্মরণিকা ১৯৯২