Mahmud health solution

Mahmud health solution রক্তের গ্রুপ :AB+(positive)
মোট রক্তদান :৩১ বার
শেষ রক্তদান :২২/১২/২০২৫

স্ত্রী রান্নাঘরে ভাত বসিয়েছিলেন।হঠাৎ পেছন থেকে স্বামী এসেগরম ভাতের ফুটন্ত পানিতে তার মুখ চেপে ধরে…একবার না… তিনবার।কারণ?...
19/02/2026

স্ত্রী রান্নাঘরে ভাত বসিয়েছিলেন।
হঠাৎ পেছন থেকে স্বামী এসে
গরম ভাতের ফুটন্ত পানিতে তার মুখ চেপে ধরে…
একবার না… তিনবার।

কারণ?
স্বামীর পরকীয়া নিয়ে দাম্পত্যে মনমালিন্য চলছিল।
এখন সেই নারী মুখ ঝলসে যাওয়া অবস্থায়
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি।
আর তাদের ঘরে আছে একটি ছোট্ট সন্তান।
পরকীয়ার কারনে এভাবে কত সংসার যে তছনছ হয়ে যায়৷ কত আপন মানুষদের দেখলাম পরকীয়ার বলি হয়ে সংসার ভেঙে যেতে।

এটা শুধু একটি জীবন না…
পুরো একটি পরিবার ধ্বংস করে দেয়।
ঠাকুরগাঁওয়ে ঘটে এই ঘটনাটা।
দাম্পত্যে রাগ জমতে জমতে
যখন মানুষ নিয়ন্ত্রণ হারায়,
তখন সে মানুষ থাকে না…
সে হয়ে যায় বিপজ্জনক।
মনে রাখবেন,
রাগের এক মুহূর্তের সিদ্ধান্ত
কারো সারাজীবনের যন্ত্রণা হয়ে যায়।
যেখানে সম্মান নেই, নিরাপত্তা নেই,
সেখানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মানে হয়না ।

ডা.আব্দুর রহমান

অনেকেই বলেন—“সব রিপোর্ট নরমাল, তবু পেটটা ভালো  না।”এইটাই IBSআপনার কি এমন হয়? * পেটের নিচে ব্যথা বা মোচড় টয়লেটে গেলে কিছু...
27/01/2026

অনেকেই বলেন—
“সব রিপোর্ট নরমাল, তবু পেটটা ভালো না।”
এইটাই IBS

আপনার কি এমন হয়?

* পেটের নিচে ব্যথা বা মোচড়
টয়লেটে গেলে কিছুটা আরাম
আবার ফিরে আসে

* খাওয়ার পর পেট ফুলে যায়
ভেতরটা টান টান লাগে
গ্যাসে অস্বস্তি

*কখনো পাতলা পায়খানা
হঠাৎ চাপ আসে
টেনশন থাকলে বেশি হয়

*আবার কখনো শক্ত পায়খানা
অনেক চাপ দিতে হয়
ঠিকমতো খালি হয়নি মনে হয়
আজ ডায়রিয়া, কাল কোষ্ঠকাঠিন্য

*পেটের কোনো নিয়ম নেই
বারবার গ্যাস
পায়খানার সাথে সাদা জেলির মতো কিছু
টয়লেট থেকে উঠে এসেও মনে হয়, “আরো বাকি”

* শরীর সব সময় ক্লান্ত
ঘুম ঠিক নেই
মনও শান্ত না

IBS হলে
রক্ত যায় না
ওজন হঠাৎ কমে না
ক্যান্সারে রূপ নেয় না
কিন্তু কষ্টটা সত্য

এগুলোই বেশি ট্রিগার করে
চাপ
ঝাল, তেলেভাজা
দুধ বা কিছু খাবার
অনিয়মিত খাওয়া, কম ঘুম

কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন?
– পায়খানায় রক্ত
– অকারণে ওজন কমা
– রাতে ঘুম ভেঙে ডায়রিয়া
– জ্বর বা পরিবারে কোলন ক্যান্সারের ইতিহাস

IBS বিপজ্জনক না,
কিন্তু অবহেলা করলে জীবনটা অস্বস্তিকর হয়ে যায়।
খাবার বুঝে, চাপ কমিয়ে, সঠিক চিকিৎসায়
এটার সাথে ভালোভাবেই থাকা যায়।

এই লেখাটা শেয়ার করুন।
হয়তো কেউ ভাবছে—
“আমি একাই এমন।”
না, আপনি একা না।

ডা.আব্দুর রহমান

ক্যান্সার থেকে বাঁচার উপায় সবাইকেই খুঁজতে হবে...ছবিটিতে যেগুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলো হলো ক্যান্সার লিভারে ছড়ানো এবং বুকে পা...
25/01/2026

ক্যান্সার থেকে বাঁচার উপায় সবাইকেই খুঁজতে হবে...

ছবিটিতে যেগুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলো হলো ক্যান্সার লিভারে ছড়ানো এবং বুকে পানি। এই রোগীর স্তন ক্যান্সার যেটি বুকে এবং লিভারে ছড়িয়েছে। এই ছবি দেখেই আমি আতংকিত হয়ে গেছি। কারন এই রোগীর অবস্থা, ভবিষ্যত খুবই খারাপ। বর্তমানে ক্যান্সার এত বেড়ে গিয়েছে যে অধিকাংশ পরিবারে কেউ না কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো জীবনে কোনদিন ধূমপান করে নাই, জর্দা খায় নাই, তাদেরও ক্যান্সার হচ্ছে।

আমার কাছে মনে হয় ক্যান্সার হবার কারনসমূহ
১) খাবারে সমস্যা, খাবারে বিভিন্ন হেভি মেটাল পাওয়া যাচ্ছে বিশেষ করে মাছ, মুরগী, প্রসেসড খাবারে।
২) বায়ু দূষণ
৩) ওজন বৃদ্ধি, কায়িক শ্রম কম করা।
৪) বিভিন্ন ভাইরাস যেমনঃ হেপাটাইটিস বি & সি, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।
৫) অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, প্রসেসড খাবার)
৬) অতিরিক্ত রেডিয়েশন (এক্সরে, সিটি স্ক্যান)

ক্যান্সার প্রতিরোধে আমরা কী করতে পারি?
১) ধূমপান ও তামাক সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে
২) প্রতিদিন শাক-সবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে।
৩) নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে।
৪) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৫) প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা নিতে হবে- হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিন, জরায়ুর মুখে ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন)
৬) অপ্রয়োজনে এক্স-রে/সিটি স্ক্যান সহ অন্যান্য রেডিয়েশন এড়িয়ে চলতে হবে।
৭) নিয়মিত স্তন ও জরায়ুর মুখের ক্যান্সার স্ক্রেনিং করতে হবে।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

কিছুদিন আগে একজন ফার্মাসিস্ট আমাকে কল দিলেন। ছবিটা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বললেন উনার মেয়ের শরীরে এরকম সমস্যা। বললাম impetig...
24/01/2026

কিছুদিন আগে একজন ফার্মাসিস্ট আমাকে কল দিলেন। ছবিটা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বললেন উনার মেয়ের শরীরে এরকম সমস্যা। বললাম impetigo হতে পারে। এটা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ, যা বাচ্চাদের কমনলি হয়।
একটা ক্রিম দিলাম ব্যবহার করার জন্য। ভালো না হলে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বললাম।
আজকে নিয়ে আসলো। ভালো হয়নি, ঔষধ ব্যবহারের পর আগের মতোই আছে।
একটা প্রশ্ন করলাম-আপনার বাসায় বিড়াল আছে, আপনার মেয়ে বিড়াল পোষে? বললো হ্যা।
ডায়াগনোসিস হয়ে গেলো। রোগটা Cat Scratch Disease. বিড়ালের আচরে/সংস্পর্শে হয়। এজন্যই impetigo'র চিকিৎসায় ভালো হয়নি। আশা করি এখন ঠিক হয়ে যাবে। মূলকথা-যেকোন সমস্যায় সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা. মোঃ ফারুক প্রধান
এমবিবিএস, বিসিএস, এফসিপিএস(কোর্স)

এটা সবার হবে না,যারা সেনসেটিভ (পেট এলার্জি) কেবলমাত্র তারাই সাফার করবে,

জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক।সর্দি–কাশি হলেই ফার্মেসি থেকে “একটা শক্ত ঔষধ”।অনেকের কাছে এটা এখন অভ্যাস।এই লেখাটা ঠিক তাদের জ...
24/01/2026

জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক।
সর্দি–কাশি হলেই ফার্মেসি থেকে “একটা শক্ত ঔষধ”।
অনেকের কাছে এটা এখন অভ্যাস।
এই লেখাটা ঠিক তাদের জন্য।
সব জ্বর, সর্দি বা কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না।
আর অ্যান্টিবায়োটিক কোনো ভিটামিনও না যে ইচ্ছামতো খাওয়া যাবে।
আজ হাসপাতালে একটি বাচ্চা ভর্তি হয়েছে।
কারণ খুব সাধারণ—
Ciprofloxacin খাওয়ার পর ভয়াবহ Drug Reaction।
এই ঔষধ অনেকেই খায়, নামও সবার পরিচিত।
কিন্তু কোন বয়সে, কোন অবস্থায়, কত ডোজে দেওয়া যাবে—এটা সবাই জানে না।
এই জায়গাটাই ডাক্তারি।
MBBS-এর পাঁচ বছর আর তার পরের ইন্টার্নশিপে আমাদের এসব ঝুঁকিই বারবার শেখানো হয়।
আমরা চিকিৎসা করছি।
ইনশাআল্লাহ বাচ্চাটা ভালো হয়ে যাবে।
কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়—
জ্বর–কাশিতে মুড়ির মতো অ্যান্টিবায়োটিক না খেলে কি এই অবস্থা হতো?

নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না
ফার্মেসির পরামর্শে বাচ্চাকে ঔষধ দেবেন না
“আগেও খেয়েছিলাম” এই যুক্তি সবচেয়ে বিপজ্জনক
এই পোস্টটা শুধু পড়ার জন্য না।
যারা অল্প জ্বরেই অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করেন,
তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য।
নিজে জানুন।
অন্যদের জানান।
একটা ভুল অ্যান্টিবায়োটিক
একটা শিশুর জন্য জীবন–মরণ হয়ে যেতে পারে।

ডা:আব্দুর রহমান

ছবি, কেস সামারি :-ডা. মাহফুজ বাঁধন

BSMMU ➡️ BsamamuBIRDEM ➡️ BerdemCardiology ➡️ Cardiologi Asthma ➡️ Ajma 🐸Medicine ➡️ MedicinEdinburgh➡️ Adbnbargএকটা নাট...
23/01/2026

BSMMU ➡️ Bsamamu
BIRDEM ➡️ Berdem
Cardiology ➡️ Cardiologi
Asthma ➡️ Ajma 🐸
Medicine ➡️ Medicin
Edinburgh➡️ Adbnbarg

একটা নাটকের সিনের পোস্টার।
এত বানান ভুল(পড়ুন বানাম বুল) কিভাবে হয়🐸

Dr.Tridev Debnath Opu

কিছু কিছু মানুষের কিছু কিছু ওষুধে এলার্জী থাকে। না জেনে সেই অসুধগুলো যদি তারা ব্যবহার করে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি। ষ্টিভেন...
23/01/2026

কিছু কিছু মানুষের কিছু কিছু ওষুধে এলার্জী থাকে। না জেনে সেই অসুধগুলো যদি তারা ব্যবহার করে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি।

ষ্টিভেন জনসন সিনড্রোম (Steven Jonson Syndrome) সেই ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের নাম।
এই ৮ বছরের মেয়েটি জ্বরের জন্য সেফট্রাইএকসন ইনজেকশন নিয়েছিলো, যে ওষুধ আমরা অনেক বেশি ব্যবহার করি। কিন্তু মেয়েটি ছিলো সেই হাজারে একজন রোগী যার এলার্জীক রিয়েকশন হয়েছে। এই অসুখে চামড়ার উপর ফোস্কা তৈরি হয় এবং চামড়ায় অনেক বেশি ঘায়ের মতো তৈরি হয়। এই রোগে শুধু চামড়া না, মুখ, চোখও আক্রান্ত হয়।

সাথে সাথে ক্ষতিকর ওষুধ বন্ধ করে স্যালাইন, এলার্জীর অসুধ, স্টেরয়েড জাতীয় মলম শুরু করা উচিত
সময়মতো চিকিৎসা না করলে জীবননাশক ইনফেকশনে বাচচা মারা যায়

ডা: রুমানা আহমেদ

ফাইলেরিয়া।এটা কোনো হঠাৎ রোগ না। মশার কামড়ে ঢোকা কৃমি বছরের পর বছর শরীরে থেকে লিম্ফ নালি বন্ধ করে দেয়। শুরুতে কিছুই বোঝা ...
11/01/2026

ফাইলেরিয়া।
এটা কোনো হঠাৎ রোগ না। মশার কামড়ে ঢোকা কৃমি বছরের পর বছর শরীরে থেকে লিম্ফ নালি বন্ধ করে দেয়। শুরুতে কিছুই বোঝা যায় না। পরে একদিন দেখা যায়—পা, হাত বা অণ্ডকোষ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেছে। তখন আর সহজে ঠিক হয় না।
ফাইলেরিয়া দারিদ্র্যের রোগ বলা হয়, কিন্তু অজ্ঞতার রোগও বটে।
মশা নিয়ন্ত্রণ, সময়মতো পরীক্ষা আর নিয়মিত ওষুধই একে থামাতে পারে।
হালকা ফোলা, বারবার জ্বর, ত্বক শক্ত হয়ে আসা—এগুলো অবহেলা করবেন না।
শেয়ার করুন। কারও একটা পা বাঁচলেও, সেটাই বড় কথা।
Dr-Abdur Rahman vai

অনেকেই মুখে জ্বালাপোড়া নিয়ে আসেন। বিশেষ করে ঝাল, গরম বা টক কিছু খেলেই জ্বালা বাড়ে। আয়নার সামনে জিভ বের করে দেখলে দেখা যা...
10/01/2026

অনেকেই মুখে জ্বালাপোড়া নিয়ে আসেন। বিশেষ করে ঝাল, গরম বা টক কিছু খেলেই জ্বালা বাড়ে। আয়নার সামনে জিভ বের করে দেখলে দেখা যায় জিভের উপর অদ্ভুত নকশার মতো দাগ। আজ এখানে, কাল ওখানে। অনেক সময় মানুষ ভয় পেয়ে যায়, ক্যান্সার নাকি কোনো সংক্রমণ ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ে।
এই সমস্যাটার নাম Geographic Tongue বা Benign Migratory Glossitis।
ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটা ক্যান্সার না, ছোঁয়াচে না, আবার সংক্রমণও না।
কেন হয়
এই রোগে জিভের উপরের স্বাভাবিক ছোট ছোট পাপিলা কিছু জায়গায় উঠে যায়। ফলে ওই জায়গাগুলো লাল ও মসৃণ দেখায়, চারপাশে সাদা বা হালকা সাদা বর্ডার থাকে। দাগগুলো জায়গা বদলায়, এজন্যই নাম Geographic Tongue।
স্ট্রেস, হরমোনাল পরিবর্তন, ভিটামিন B-এর ঘাটতি, অ্যালার্জি প্রবণতা বা কিছু মানুষের স্বাভাবিক জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এটা বেশি দেখা যায়।
লক্ষণ কী
– জিভে মানচিত্রের মতো দাগ
– জ্বালাপোড়া বা পোড়া পোড়া অনুভূতি
– ঝাল, গরম, টক খাবারে অস্বস্তি
– মাঝে মাঝে কিছুই লাগে না, আবার হঠাৎ বাড়ে
কী করবেন
– অযথা অ্যান্টিবায়োটিক বা মুখে লাগানোর ওষুধ ব্যবহার করবেন না
– খুব ঝাল, গরম, অতিরিক্ত মসলা, ধূমপান আপাতত এড়িয়ে চলুন
– নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখুন
– ভিটামিন B কমপ্লেক্স অনেক সময় উপকার দেয়
– মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন
কখন ডাক্তার দেখাবেন
– জ্বালাপোড়া খুব বেশি হলে
– দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা বা ঘা থাকলে
– ওজন কমা, রক্তপাত বা শক্ত কোনো গাঁট থাকলে
সাধারণভাবে এই রোগে বিশেষ চিকিৎসার দরকার হয় না। সচেতন থাকলেই বেশিরভাগ মানুষ ভালো থাকেন।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারণ অকারণে ভয় পাওয়া একজন মানুষকেও যদি আপনি আশ্বস্ত করতে পারেন, সেটাই সবচেয়ে বড় উপকার।
ডা.আব্দুর রহমান

মাথার চামড়ার নিচেস্বাভাবিক রক্তনালি নেইআছে পেঁচিয়ে যাওয়া, ফুলে ওঠা, বেঁকে যাওয়া অসংখ্য রক্তনালিযেগুলো একে অপরের সাথে ভুল...
09/01/2026

মাথার চামড়ার নিচে
স্বাভাবিক রক্তনালি নেই
আছে পেঁচিয়ে যাওয়া, ফুলে ওঠা, বেঁকে যাওয়া অসংখ্য রক্তনালি
যেগুলো একে অপরের সাথে ভুলভাবে যুক্ত
এগুলো ধীরে ধীরে রক্ত টেনে নিচ্ছে
বাইরের দিকে ফুলে উঠছে
চামড়ার উপর অদ্ভুত ঢেউ তৈরি করছে
রক্ত যাচ্ছে ভুল পথে
ভুল গতিতে
এটাই Scalp arteriovenous malformation
যাকে বলা হয় cirsoid aneurysm
আর ভেতরে
মস্তিষ্কের গভীরে
আগের মতোই জমে আছে রক্ত
Intraparenchymal hemorrhage
একটা নিঃশব্দ টাইম বোমা
রিপোর্টে লেখা আছে
“no significant change”
কিন্তু বাস্তবে
এই “পরিবর্তন না হওয়া” মানেই বিপদ
কারণ যেকোনো মুহূর্তে
আরেকটা রক্তক্ষরণ
আরেকটা স্ট্রোক
আরেকটা শেষ অধ্যায়
ভাবুন
আপনি বাইরে থেকে মানুষটাকে দেখছেন
সে হাঁটছে
কথা বলছে
হাসছে
কিন্তু মাথার ভেতরে
মৃত্যু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছে
এই জায়গায় দাঁড়িয়ে
ডাক্তার হিসেবে আমি একটাই জিনিস বুঝি
মানুষ যতই শক্ত হোক
শরীর যতই আধুনিক চিকিৎসায় ঢেকে রাখা হোক
একটা রক্তনালির ভুল সংযোগ
সব হিসাব উল্টে দিতে পারে
আর এখানেই মানুষ থেমে যায়
নিজেকে প্রশ্ন করে
এই জীবন কি আমার নিয়ন্ত্রণে?
না
একদমই না
একটা রক্তনালি
এক ফোঁটা রক্ত
এক সেকেন্ড
সব শেষ
তখন আর CT, MRI, 3D reconstruction কিছুই কাজে আসে না
থাকে শুধু একজন রব
যিনি চাইলে ধরে রাখেন
আর না চাইলে
এক মুহূর্তেই সব ফিরিয়ে নেন
এই পোস্টটা শেয়ার করুন
ভয়ের জন্য না
বরং মনে রাখার জন্য
আমরা কেউই নিজের শরীরের মালিক নই
আমরা সবাই শুধু আমানতদার
ডা.আব্দুর রহমান

ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানোর ফলাফল। যেকোনো রোগের জন্য প্রথম থেকেই রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। Dr.Ash...
06/01/2026

ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানোর ফলাফল।

যেকোনো রোগের জন্য প্রথম থেকেই রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Dr.Ashraful Amin Chowdhury
নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ

জিহ্বার নিচে ‘ব্যাঙের পেট’! এই অদ্ভুত ফোলাটা আসলে কী?অনেকেই হঠাৎ খেয়াল করেন—জিহ্বার নিচে নরম, স্বচ্ছ বা হালকা নীলচে একটা...
04/01/2026

জিহ্বার নিচে ‘ব্যাঙের পেট’! এই অদ্ভুত ফোলাটা আসলে কী?
অনেকেই হঠাৎ খেয়াল করেন—
জিহ্বার নিচে নরম, স্বচ্ছ বা হালকা নীলচে একটা ফোলা।
ব্যথা নেই, জ্বালাও না। তাই ভাবেন,
“ফোসকা হবে… নিজে নিজেই সেরে যাবে।”
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটা হয়।
এই ফোলাটার নাম র‍্যানুলা (Ranula)।
দেখতে ব্যাঙের পেটের মতো বলেই ল্যাটিন Rana শব্দ থেকে নামটা এসেছে।
এটা হয় কেন?
আমাদের মুখের ভেতরে লালা তৈরির অনেক গ্রন্থি আছে।
জিহ্বার ঠিক নিচেই থাকে সাবলিঙ্গুয়াল স্যালিভারি গ্ল্যান্ড।
কোনো কারণে যদি
– লালা বের হওয়ার নালি বন্ধ হয়ে যায়
– বা নালিটি ছিঁড়ে যায়
তাহলে লালা বাইরে না বের হয়ে ভেতরেই জমতে থাকে।
ধীরে ধীরে সেটা একটা থলির মতো ফুলে ওঠে—এটাই র‍্যানুলা।
ব্যথা না থাকলে কি চিন্তা নেই?
না। একদম না।
র‍্যানুলা সাধারণত ব্যথাহীন হলেও এটি ধীরে ধীরে বড় হয়।
এবং দুইভাবে ভয়ংকর রূপ নিতে পারে—
১️ Simple Ranula
শুধু জিহ্বার নিচেই থাকে।
কিন্তু বড় হলে
– কথা বলতে সমস্যা
– খাবার গিলতে কষ্ট
– কখনও শ্বাস নিতেও অসুবিধা হতে পারে
২️Plunging Ranula (সবচেয়ে বিপজ্জনক)
এই ক্ষেত্রে ফোলাটা
জিহ্বার নিচ থেকে চোয়ালের নিচ দিয়ে
ঘাড় পর্যন্ত নেমে আসে।
তখন বাইরে থেকে গলা ফুলে আছে মনে হয়।
অনেকে একে ভুল করে
টিউমার বা থাইরয়েডের সমস্যা ভেবে বসেন।
সবচেয়ে মারাত্মক ভুল কী জানেন?
সুঁই দিয়ে ফুটিয়ে দেওয়া।
অনেকেই ভাবেন,
“পানি বের করে দিলেই ঠিক হয়ে যাবে।”
কিন্তু বাস্তবতা হলো—
ফাটালে এটা প্রায় নিশ্চিতভাবেই আবার ফিরে আসে।
কারণ মূল সমস্যা লালা গ্রন্থিতে থেকেই যায়।
উল্টো করে
– ইনফেকশন
– পুঁজ জমা
– ফোলা আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে
কখন অবশ্যই সতর্ক হবেন?
– হঠাৎ ফোলাটা দ্রুত বড় হলে
– বারবার ফিরে এলে
– মুখ, জিহ্বা বা গলায় চাপ লাগলে
– গিলতে বা কথা বলতে সমস্যা হলে
দেরি করবেন না।

চিকিৎসা হিসেবে
Marsupialization (সিস্ট কেটে ভেতরটা খোলা করে দেওয়া)
বা প্রয়োজন হলে ক্ষতিগ্রস্ত লালা গ্রন্থি অপসারণ

এই ছোট অস্ত্রোপচারগুলো নিরাপদ এবং স্থায়ী সমাধান দেয়।

জিহ্বার নিচের যেকোনো অদ্ভুত ফোলা
“সাধারণ ফোসকা” ভেবে অবহেলা করবেন না।
আপনার বা পরিচিত কারও এমন কিছু দেখলে
নিজে কিছু করার আগে একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দেখান।

ডা.আব্দুর রহমান

Address

Magura
7600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmud health solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share