01/05/2026
ত্রি-স্মৃতি বিজরিত আজ এই বৈশাখী পূর্ণিমা ( জন্ম, বুদ্ধত্ব-বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ লাভ )
জন্মস্থান ও কাল
গৌতম বুদ্ধ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ অব্দে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মস্থান বর্তমান নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনী কাননে।
বংশ পরিচয়
পিতা: রাজা শুদ্ধোদন (শাক্য বংশের রাজা ছিলেন)।
মাতা: রাণী মায়াদেবী।
বংশ: তিনি শাক্য বংশের রাজপুত্র ছিলেন বলে তাকে 'শাক্যমুনি' বলা হয়।
শৈশবের নাম: তার জন্মের পর নাম রাখা হয়েছিল সিদ্ধার্থ, যার অর্থ "যিনি লক্ষ্য অর্জন করেছেন"।
অলৌকিক ঘটনা
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, সিদ্ধার্থের জন্মের সময় কিছু বিশেষ সংকেত দেখা গিয়েছিল:
জন্মের পরপরই তিনি সাতটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
প্রতিটি পদক্ষেপের নিচে একটি করে পদ্মফুল ফুটে উঠেছিল।
অসিত ঋষি নামক এক সন্ন্যাসী তাকে দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, এই শিশু বড় হয়ে হয় মহৎ রাজা হবেন, নয়তো সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী হয়ে বিশ্বকে মুক্তির পথ দেখাবেন।
বৈশাখী পূর্ণিমার গুরুত্ব
বুদ্ধের জীবনের তিনটি প্রধান ঘটনা একই তিথিতে ঘটেছিল বলে একে বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা বলা হয়:
তার জন্ম।
বুদ্ধত্ব বা বোধি লাভ।
তার মহাপরিনির্বাণ বা মৃত্যু।
সিদ্ধার্থের জন্মের সাত দিন পর তার মা রাণী মায়াদেবী মারা গেলে তার মাসি মহাপ্রজাপতি গৌতমী তাকে লালন-পালন করেন। এই কারণেই তার নাম হয় গৌতম।