Hamimist

Hamimist Fascinating about writing, photography, teaching, English, playing,videography, personal devolvement, gardaning,chemistry, data science,Politics, book review .

17/08/2026

একদিন একজন শিক্ষার্থী এসে বলল—
“ভাই, আমি পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সব প্রশ্নই পড়ে ফেলতে চাই। যত বেশি প্রশ্ন পড়ব, তত বেশি কমন পাওয়ার সম্ভাবনা—তাই না?”
আমি বললাম, “সব প্রশ্ন পড়তে গিয়ে যদি পড়াগুলোই মনে না থাকে, তাহলে এত প্রশ্ন পড়ে লাভটা কী?”
পদার্থবিজ্ঞানে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে—এটা শুধু পড়ার বিষয় নয়, লিখে আয়ত্ত করার বিষয়।
গণিত বা রসায়নের মতো ২–৩ বার পড়লেই সবকিছু মাথায় গেঁথে যাবে—এমনটা সবসময় হয় না। আজ যে প্রশ্নটা খুব সহজ মনে হচ্ছে, কয়েকদিন পর সেটার সূত্র, ব্যাখ্যা কিংবা ধাপগুলোই ভুলে যেতে পারেন।
তাই বেশি প্রশ্নের পেছনে না ছুটে প্রয়োজনে প্রশ্ন কিছুটা কম পড়ুন। কিন্তু যেটুকু পড়বেন, বারবার লিখে লিখে রিভিশন দিন।
আজ পড়লেন, কাল না দেখে লিখলেন। কয়েকদিন পর আবার লিখলেন। তারপর নিজেকে পরীক্ষা করলেন—“আমি কি সত্যিই পারি?”
এভাবেই ধীরে ধীরে প্রশ্নগুলো আপনার নিজের হয়ে যাবে।
আর সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো—আপনাদের হাতে এখনও সময় আছে। তাই শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ না করে এখন থেকেই সময়টাকে কাজে লাগান।
মনে রাখবেন,
১০০টি প্রশ্ন পড়ে ২০টি মনে রাখার চেয়ে, ৫০টি প্রশ্ন পড়ে ৪০টি নিজের হাতে লিখে আসতে পারা অনেক বেশি মূল্যবান।
পদার্থবিজ্ঞানে তাই বেশি পড়ার প্রতিযোগিতা নয়—যেটুকু পড়বেন, সেটুকু শক্তভাবে আয়ত্ত করার চেষ্টা করুন।

16/08/2026

গণিতের সঙ্গে প্রেমের গল্প

শত অধৈর্য, হতাশা আর ব্যর্থতার মাঝেও যারা হাল ছাড়বে না—জীবনে ভালো কিছু করার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি। ইনশাআল্লাহ। তবে একটা শর্ত আছে—অসম্ভব লেভেলের পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।

ধরুন, গণিত বিভাগের একজন শিক্ষার্থীর কথা।

গণিত এমন কোনো সাবজেক্ট নয়, যেটা শখ করে নিয়ে কয়েকদিন পড়লেই ভালোবাসা হয়ে যাবে। গণিত তাদের জন্য, যাদের ধৈর্য আছে, বারবার প্র্যাকটিস করার মানসিকতা আছে এবং কঠিন জিনিসের সামনে বসে থাকার ক্ষমতা আছে।

একটা কঠিন ম্যাথ নিয়ে বসেছেন।

প্রথমে মনে হলো—“এটা তো পারব!”

কিছুক্ষণ পর…

একটার পর একটা ক্যালকুলেশন মাথার মধ্যে এমনভাবে প্যাঁচ লাগতে শুরু করল যে, সবকিছু এলোমেলো! 😄

মনে হলো—

“আজকে এই ম্যাথটাকে সাইজ করেই ছাড়ব!”

কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখা গেল…

ম্যাথই আপনাকে সাইজ করে দিয়েছে! 😂

এখানেই আসল পরীক্ষা।

অনেকে এই জায়গায় এসে খাতা বন্ধ করে দেয়। ভাবে, “আমার দ্বারা হবে না।”

কিন্তু যে মানুষটা একটু থামে, কিছুক্ষণ ব্রেক নেয়, তারপর আবার ফিরে আসে—তার গল্পটা অন্যরকম।

প্রথমবার পারেননি?

সমস্যা নেই।

দ্বিতীয়বার চেষ্টা করুন।

তবুও না হলে একটু বিশ্রাম নিন।

তারপর আবার বসুন।

একসময় হঠাৎ দেখবেন—যে ক্যালকুলেশনটা কিছুক্ষণ আগেও অসম্ভব মনে হচ্ছিল, সেটাই আপনার কাছে সহজ হয়ে গেছে!

আর তখন একটা মজার ব্যাপার ঘটে।

যে ম্যাথটার জন্য এতক্ষণ ধৈর্যের পরীক্ষা দিলেন, সেই ম্যাথের ক্যালকুলেশনটাই সম্ভবত আপনি সবচেয়ে বেশি মনে রাখবেন।

কারণ, সহজ জিনিস আমরা পড়ি আর ভুলে যাই।

কিন্তু যে জিনিসটার সঙ্গে আমাদের লড়াই হয়েছে, যেটার জন্য সময় দিয়েছি, বারবার চেষ্টা করেছি—সেটা মস্তিষ্কে অন্যভাবে বসে যায়।

সমস্যা হলো, অনেক শিক্ষার্থী একটু চেষ্টা করেই না পারলে বিরক্ত হয়ে যায়। বই বন্ধ করে রাখে। এরপর আর ফিরে তাকায় না।

ফলে কঠিন ক্যালকুলেশন আয়ত্তে আসার সুযোগও তৈরি হয় না।

আর তখন আমার একটা সিনেমার ডায়লগ মনে পড়ে যায়। 😄

“আপনাকেও তো আগে কখনো দেখিনি। তাই বলে কি প্রেম দিবো না?” 😂

গণিতের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অনেকটা এমন।

আজ যে ক্যালকুলেশনটা আপনার কাছে সম্পূর্ণ নতুন, কাল সেটাই হয়তো আপনার সবচেয়ে প্রিয় একটা সমস্যা হয়ে যাবে।

কারণ, অপরিচিত বলেই তো তাকে সময় দিতে হবে।

একটা ছেলে যখন একটা মেয়েকে পছন্দ করে, তখন কী করে?

একদিন চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে কি বলে—“থাক, আর দরকার নেই”?

না! 😄

সময় দেয়, চেষ্টা করে, ধৈর্য ধরে, বারবার কথা বলার সুযোগ খোঁজে। অনেক সাধনার পর হয়তো একদিন তার সান্নিধ্য পেয়ে যায়। 😊

গণিতও অনেকটা তেমনই।

প্রথম দেখায় কঠিন লাগবে।

অপরিচিত মনে হবে।

মাথা গরম করবে।

আপনাকে হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। 😄

কিন্তু আপনি যদি পালিয়ে না যান, সময় দেন, ধৈর্য ধরেন এবং বারবার চেষ্টা করেন—

একদিন দেখবেন, যে গণিতকে এতদিন ভয় পেতেন, সেই গণিতই আপনার কাছে সহজ হয়ে গেছে।

তাই ম্যাথকে ভয় পাবেন না।

প্রেমের মতোই গণিতকেও একটু সময় দিন। ❤️

কারণ, কিছু জিনিস প্রথম দেখায় ভালো লাগে না—

কিন্তু ধৈর্য ধরে কাছে গেলে, একসময় সেগুলোর প্রেমেই পড়ে যেতে হয়। 😊

অজৈব রসায়ন  প্রশ্ন। #    # #রসায়ন hamimist
16/08/2026

অজৈব রসায়ন প্রশ্ন।
# # #রসায়ন hamimist

15/08/2026

শর্ট সাজেশন প্রসঙ্গে কিছু কথা 🤦
একদিন একজন শিক্ষার্থী এসে বলল—
“ভাই, আমাদের মাত্র ২০টা প্রশ্ন দেন না! এমন ২০টা প্রশ্ন, যেগুলো পড়লেই যেন পরীক্ষায় সব কমন আসে!”
কথাটা শুনে প্রথমে হয়তো হাসি পেতে পারে। কিন্তু একটু থেমে ভাবুন তো—এটা কি সত্যিই সম্ভব?
চলুন, ছোট্ট একটা হিসাব করি।
ধরুন, তাপ, অজৈব রসায়ন বিষয়ের একটি নমুনা প্রশ্নপত্রে মোট ২৭টি প্রশ্ন দেওয়া হলো।
এখন প্রশ্নই যদি থাকে ২৭টি, তাহলে আমি আপনাকে কীভাবে মাত্র ২০টি প্রশ্ন দিয়ে নিশ্চিত করব যে পরীক্ষার সব প্রশ্ন সেখান থেকেই আসবে?
সত্যি বলতে, যিনি প্রশ্ন তৈরি করছেন, তিনিও আপনাকে ২০টি প্রশ্ন নিশ্চিত করে দিতে পারবেন না।
পুরাতন সিলেবাসের সময় পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন ছিল। প্রায় ৩০–৩৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ভালোভাবে পড়লে অনেক সময় ৯৫% পর্যন্ত কমন পাওয়া সম্ভব হতো।
কিন্তু এখন সিলেবাস বদলেছে, প্রশ্নের ধরন বদলেছে, প্রশ্ন করার পদ্ধতিও বদলেছে।
তাই পুরোনো নিয়মে শুধু ২০টি প্রশ্ন পড়ে পরীক্ষায় ভালো করার চেষ্টা এখন অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে পাশ করাও কঠিন হয়ে যেতে পারে।
তাহলে কতটুকু পড়বেন?
🔹 শুধু পাশ করতে চাইলে: প্রায় ৩০–৩৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
🔹 ফার্স্ট ক্লাসের জন্য: প্রায় ৫০–৬০টি প্রশ্ন
🔹 A+ পাওয়ার লক্ষ্য থাকলে: প্রায় ৭০–৮০টি প্রশ্ন
অবশ্যই বিষয়ভেদে এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে।
আর গণিতের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে শুধু প্রশ্ন মুখস্থ করে লাভ নেই। বরং প্রায় ১৫–২০টি গুরুত্বপূর্ণ টপিকের বেসিক নিয়ম ও পদ্ধতি ভালোভাবে শিখুন। এরপর একই টপিকের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন বারবার অনুশীলন করুন।
তখন একটি প্রশ্ন বদলে গেলেও আপনি ভয় পাবেন না। কারণ আপনি শুধু প্রশ্ন মুখস্থ করেননি—প্রশ্ন সমাধানের পদ্ধতিটা শিখেছেন।
তখন হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন আসবে—
“এত প্রশ্ন কীভাবে মনে রাখব?”
উত্তরটা আসলে খুব সহজ।
নিয়মিত পড়ুন।
বারবার রিভিশন দিন।
বাসায় লিখে অনুশীলন করুন।
নিয়মিত পরীক্ষা দিন।
আজ যে প্রশ্নটা কঠিন মনে হচ্ছে, কয়েকবার পড়ার পর সেটাই একসময় সহজ হয়ে যাবে।
মনে রাখবেন—
সাজেশন আপনাকে পথ দেখাতে পারে,
কিন্তু সফলতার পথে হাঁটতে হবে আপনাকেই। ❤️
শর্ট সাজেশনকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করুন, কিন্তু তার ওপর পুরোপুরি নির্ভর করবেন না। মেইন বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো বুঝে পড়ুন।
কারণ নতুন প্রশ্ন প্যাটার্নে ভালো ফলাফল করতে হলে—
শর্টকাট নয়, স্মার্ট প্রস্তুতি প্রয়োজন।
আজ হয়তো আপনি ২০টি প্রশ্নের নিশ্চয়তা খুঁজছেন।
কিন্তু পরীক্ষার হলে আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হবে সেই প্রস্তুতি, যেটা আপনি নিজের পরিশ্রমে তৈরি করেছেন।
শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার খাতায় সাজেশন লিখতে হবে না—
আপনার জ্ঞানটাই লিখতে হবে।

13/08/2026

অনার্সে অধ্যয়নের সময় আমরা প্রায়ই একটি সাধারণ ভুল করে থাকি।
পরীক্ষা যতই ঘনিয়ে আসে, ততই মনে হয়—“আরও বেশি প্রশ্ন অনুশীলন করতে হবে, আরও বেশি সাজেশন শেষ করতে হবে।”
ফলে কেউ ১০০টি প্রশ্ন অনুশীলন করে, কেউ ২০০টি পর্যন্ত যায়। একের পর এক বই শেষ হয়, খাতায় নোট জমে ওঠে। কিন্তু পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর অনেক সময়ই মনে হয়—এত কিছু পড়ার পরও কতটা মনে আছে?
মূল চ্যালেঞ্জটি এখানেই।
অনার্স পর্যায়ে আপনার কত বেশি প্রশ্ন পড়েছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো—কতটা প্রশ্ন আপনি গভীরভাবে বুঝে পড়েছেন এবং পরীক্ষার সময় সঠিকভাবে মনে করতে সক্ষম হচ্ছেন।
কারণ পরীক্ষার খাতায় বইয়ের পৃষ্ঠা হুবহু তুলে ধরা হয় না; সেখানে প্রকাশ পায় আপনার অর্জিত জ্ঞান ও তার প্রয়োগ।
তাই ১০০টি প্রশ্ন শুধু পড়ে শেষ করার চেয়ে ৫০টি প্রশ্ন ভালোভাবে বোঝা, অনুশীলন করা এবং নিয়মিত রিভিশনের মাধ্যমে মনে রাখা অনেক বেশি কার্যকর।
অনার্সে সফলতার মূল সূত্র শুধুমাত্র “বেশি পড়া” নয়—
বেশি পড়া + গভীরভাবে বোঝা + নিয়মিত মনে রাখা + সঠিক সময়ে স্মরণ করতে পারাই প্রকৃত প্রস্তুতি।

12/08/2026

আপনাদের কি কখনো মনে হয়—পরীক্ষার আগে মাত্র দুই-তিন দিন বই খুলে এত কঠিন কঠিন প্রশ্ন পড়ে, সবকিছু মনে রেখে পরীক্ষার হলে গিয়ে লিখে আসা বুঝি খুব সহজ? 😅
বিশেষ করে রসায়ন !
রাতে অনেক কষ্ট করে একটা প্রশ্ন পড়লেন। মনে হলো,
“হ্যাঁ, এবার তো মুখস্থ হয়ে গেছে!”
তারপর নিশ্চিন্তে ঘুমাতে গেলেন। 😴
সকালে উঠে বই খুলে দেখলেন—
প্রশ্নটা পরিচিত…
কিন্তু উত্তরটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে! 🥲
একবার মনে করার চেষ্টা করলেন—প্রথম লাইন মনে আছে, দ্বিতীয় লাইনও একটু একটু মনে আছে… তারপর হঠাৎ পুরো উত্তরটাই যেন মাথা থেকে উধাও! 😂
আসলে এত জটিল প্রশ্ন মাত্র দুই-তিন দিন পড়ে মনে রাখা সত্যিই সহজ নয়। বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে শুধু মুখস্থ করলেই হয় না—ধারণা বুঝতে হয়, সূত্র বুঝতে হয়, ধাপে ধাপে উত্তর লেখার অভ্যাস করতে হয়।
তাই শেষ মুহূর্তে সবকিছু গিলে ফেলার চেষ্টা না করে আগে থেকেই অল্প অল্প করে পড়ুন।
কারণ পরীক্ষার আগের রাতে পড়া জিনিস মনে রাখার চেয়ে,
আগে থেকে পড়া জিনিস পরীক্ষার হলে মনে করা অনেক সহজ। 📚
শেষ মুহূর্তের চাপ কমাতে চাইলে—
আজকের পড়া আজই শেষ করুন।
কালকের জন্য জমিয়ে রাখবেন না। ❤️

12/08/2026

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েটে পোস্টগ্র্যাজুয়েশন—সত্যিই কি সম্ভব? 🎓
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন বা করেছেন—এমন অনেক শিক্ষার্থীর মনে একটা প্রশ্ন থাকে,
“আমি তো বুয়েটের ছাত্র নই। তাহলে কি বুয়েটে MSc করতে পারব?”
উত্তরটা অনেকের জন্যই আশার—হ্যাঁ, পারবেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়—কোথা থেকে অনার্স করেছেন, সেটাই একমাত্র বিষয় নয়। আপনার একাডেমিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শর্ত পূরণ করাই মূল বিষয়।
📖 Part–01 | আগে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন
ধরুন, আপনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Chemistry-তে চার বছর মেয়াদি অনার্স শেষ করেছেন। এরপর আপনার লক্ষ্য হলো বুয়েটে পোস্টগ্র্যাজুয়েশন করা।
প্রথম প্রশ্ন আসবে—
“বুয়েটে কি শুধু ইঞ্জিনিয়াররাই পোস্টগ্র্যাজুয়েশন করতে পারে?”
না। বুয়েটে শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং নয়, Chemistry, Physics ও Mathematics-সহ বিভিন্ন বিষয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েশনের সুযোগ রয়েছে।
বুয়েটে আপনি MSc Engineering, MSc, MPhil, PhD এমনকি Postgraduate Diploma-তেও পড়ার সুযোগ পেতে পারেন।
তাহলে ভর্তি হবেন কীভাবে?
বিভাগভেদে নিয়ম আলাদা হতে পারে। কোথাও লিখিত পরীক্ষা, কোথাও একাডেমিক ফলাফল ও ভাইভা—আবার কোনো ক্ষেত্রে একাধিক ধাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হতে পারে।
ভর্তি সাধারণত এপ্রিল ও অক্টোবর সেমিস্টারকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। তবে বিজ্ঞপ্তি ও সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—
“CGPA কত লাগবে?”
সাধারণভাবে অনেক প্রোগ্রামে ন্যূনতম CGPA 2.50/4.00-এর মতো যোগ্যতা থাকতে পারে। তবে শুধু ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ করলেই ভর্তি নিশ্চিত নয়। বিভাগভেদে শর্টলিস্ট, পরীক্ষা বা অন্যান্য শর্ত থাকতে পারে।
আর খরচ?
বুয়েটের পোস্টগ্র্যাজুয়েশন তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারে। পাশাপাশি যোগ্যতা ও সুযোগ অনুযায়ী RA, TA বা Research Fellowship-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার সুযোগও থাকতে পারে।
অর্থাৎ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়েছেন বলে বুয়েটের দরজা আপনার জন্য বন্ধ—এটা ভুল ধারণা।
🧪 Part–02 | এবার Chemistry নিয়ে আসি
ধরুন আপনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Chemistry-তে BSc (Honours) শেষ করলেন।
এরপর আপনার সামনে একটি নতুন প্রশ্ন—
“এখন কি বুয়েটে Chemistry-তে MSc করা সম্ভব?”
যোগ্যতা পূরণ করলে আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে।
সাধারণভাবে Chemistry-তে MSc-এর জন্য চার বছর মেয়াদি BSc (Honours) in Chemistry বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন হতে পারে এবং নির্দিষ্ট ন্যূনতম CGPA/শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে হয়।
MPhil বা PhD-এর ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট একাডেমিক যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত।
অর্থাৎ গল্পটা এমন—
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় → Chemistry Honours → প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন → বুয়েটে আবেদন → ভর্তি প্রক্রিয়া → MSc/MPhil/PhD
তবে এখানে একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ:
📌 প্রতিটি সেমিস্টারের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিই চূড়ান্ত। যোগ্যতা, আসন, পরীক্ষা, বিভাগীয় শর্ত ও অন্যান্য নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে বুয়েটের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বশেষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অবশ্যই দেখে নিতে হবে।

আপনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী—এই পরিচয় আপনার পথ আটকে দেওয়ার কারণ নয়।
আপনার সামনে পথটা হয়তো একটু আলাদা, কিন্তু সুযোগের দরজা বন্ধ নয়।
আজ আপনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে Chemistry পড়ছেন, আর ভবিষ্যতে আপনার লক্ষ্য হতে পারে—
“একদিন বুয়েটের MSc ল্যাবে দাঁড়িয়ে নিজের গবেষণা করা।” 🧪🎓
স্বপ্নটা বড় হোক।
তবে স্বপ্নের সঙ্গে যোগ্যতা, প্রস্তুতি আর সঠিক তথ্য—এই তিনটাও থাকতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েট—সম্ভব কি না, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: আপনি যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে প্রস্তুত কি না।

Address

Maijdee Court
Maijdee Court
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hamimist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hamimist:

Shortcuts

Share