10/05/2026
ভারত গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়ায় ব্যালিস্টিক মি*সাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে। এই মিসাইলের রেঞ্জ সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার।
হ্যাঁ সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার! যেটা ছুঁড়লে বাংলাদেশ একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে গিয়ে আঘাত হানবে।
অথচ বাংলাদেশের কাছে FM-90 নামের যে মি*সাইলটা আছে সেটার রেঞ্জ মাত্র ১৫ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে মারলে সাভার গিয়ে পড়বে। মানে বাংলাদেশের মিসাইলের আঘাতে বাংলাদেশের মানুষই মরবে!
আর সর্বোচ্চ রেঞ্জের যে মি*সাইলটা আছে সেটা হয়তো খুব বেশি হলে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত যেতে পারবে।
ভারতের কাছে বিভিন্ন রেঞ্জের ৪০ টার বেশি বাঘা বাঘা মি*সাইল আছে। শত শত ফাইটার জেট, যুদ্ধবিমান, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আছে।
ভারত চাইলে মাত্র ৪-৫ দিনেরও কম সময়ে বাংলাদেশকে দখল করে ফেলতে পারবে, পরাধীন করতে পারবে।
কারণ - বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তির কোন অ*স্ত্রশস্ত্র নাই, গোলাবারুদ নাই, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নাই, সামরিক শক্তি নাই।
ই*সরায়েলের মতো ভারতের কাছেও এখন এতটাই আধুনিক মি*সাইল আছে যে রাডার ফাঁকি দিয়ে অনায়াসেই শত্রু দেশের সীমানায় ঢুকে পড়তে পারে।
শুধু তাই না, তাদের কাছে এমনসব প্রযুক্তি আছে যেগুলো দিয়ে টার্গেট সেট করে শত্রু কোন বিল্ডিংয়ের কোন রুমে বসে আছে সেটাও বের করে হ*ত্যা করা যায়।
তাদের কাছে আছে অত্যাধুনিক রাফায়েল যু*দ্ধবিমান, স্টেলথ জেট, Iron Dom System, সার্ভিলেন্স শিপ, Anti Tank মিসাইল সহ শত শত আধুনিক যন্ত্রপাতি।
অথচ আমাদের আছে মাত্র গুটিকয়েক ট্যাঙ্ক তাও আবার পুরনো আমলের। যু*দ্ধবিমান যেগুলো আছে একশ বছরের পুরনো মডেল, কোনরকম চলে শুধু।
আমাদের আয়রন ডোম সিস্টেম নাই, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নাই, রাডার সিস্টেম নাই। শুধু নাই আর নাই। আছে শুধু গলাবাজি করা কিছু রাজনীতিবিদ, অলিতে গলিতে সহসভাপতি আর চেতনা ব্যবসা।
যেই ভারতকে আমরা কটাক্ষ করে সেভেন সিস্টার্স দখল করার হুমকি দেই তাদের কাছে শত শত উন্নত প্রতিরক্ষা সিস্টেম আছে যেগুলো দিয়ে মাত্র কয়েকদিনেই বাংলাদেশ দখল করে ফেলা সম্ভব। তাদের কাছে পারমাণবিক অ*স্ত্র আছে, বো*মা আছে।
যেই আফগানিস্তানকে আমরা হেয় করে মোল্লা মুনসির দেশ বলি সেই আফগানিস্তানেও আমাদের চেয়ে হাজারগুণ উন্নত প্রযুক্তি আছে, অ*স্ত্র আছে।
অথচ এসব আধুনিক অ*স্ত্রপাতি নিজেদের রিজার্ভে রাখতে আহামরি টাকার প্রয়োজন ছিল না। মাত্র ১৭০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতিটা সেক্টরে ভারত, আমেরিকার মতো উন্নত প্রযুক্তি আর অ*স্ত্রশস্ত্র থাকতো আমাদের।
কিন্তু থাকবে কিভাবে? হাসিনার আমলে নতুন যু*দ্ধের সরঞ্জাম কেনার জন্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট হয়েছিল কিন্তু নেতারা আর বাহিনীরা মিলে সেগুলো মেরে দিয়েছে।
এস আলম আলম একাই দেশ থেকে ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। আওয়ামী নেতারা করেছে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তাছাড়া হাসিনাও চাইতো ভারতকে খুশি করতে গিয়ে দেশকে সামরিক খাতে দুর্বল করে রাখতে। এজন্যেই আমাদের দেশের পুরনো মডেলের বিমান উড়তে গিয়ে মাইলস্টোন স্কুলে গিয়ে পড়ে।
স্বাধীনতার পর থেকে এক সরকারের পর আরেক সরকার এসেছে কিন্তু কোন সরকারই এই প্রতিরক্ষা খাতটা উন্নত করতে পারে নাই। শুধু এই খাতের টাকা মেরেছে।
এজন্যেই আমাদেরকে সব দেশের কাছে নত হয়ে থাকতে হয়, ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।
স্বাধীনতার ৫০ টা বছর পার হয়ে গেছে অথচ আমাদের রাস্তাঘাটগুলোই এখনো ঠিক হয় নাই। বৃষ্টি হলেই পানি জমে, রাস্তা ভাঙ্গে, ম্যানহোলে পড়ে মানুষ মরে।
ভারতসহ বাইরের দেশগুলো চিন্তা করে কিভাবে প্রতিরক্ষা খাতে আরেকটু ভালো করে অন্য দেশের সাথে টক্কর দেওয়া যায়, নতুন কিছু আবিষ্কার করে তাক লাগানো যায়।
আর আমাদের দেশের নেতারা চিন্তা করে কিভাবে দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে আরেকটা ভালো বাড়ি বানানো যায়, কর্মীরা চিন্তা করে কিভাবে নেতার সাথে একটা ভালো ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করা যায়।
দেশ গোল্লায় যাক, এই এক ছবি দিয়েই বাকি পাঁচটা বছর চলা যাবে।
এদেশের বস্তাপচা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি আর চেতনা ব্যবসাই এই দেশটাকে ধ্বংস করেছে।
হাদী ভাই বারবার বলতো- সীমান্ত বাঁচাতে হলে ঘাস খেয়ে হলেও অ*স্ত্র বানাও। কিন্তু তার কথা কেউ শুনে নাই। উল্টো তাকেই মেরে ফেলেছে।
ভারতে বিজেপি সরকার মুসলিমদের উপর যে অত্যাচার চালাচ্ছে তারা চাইলে বাংলাদেশ দখল করে সেটা যেকোন সময় আমাদের উপরও চালাতে পারে। মসজিদ ভাঙতে পারে, গরু খাওয়ার জন্যে মারধর করতে পারে, হিজাব পড়ার জন্যে বেত্রাঘাত করতে পারে।
আমরা হেসেখেলে দিন কাটাচ্ছি আর অন্যদিকে ভারত নিজ দেশ ছাড়িয়ে আমাদের দেশের মুসলিমদের উপরও আগ্রাসন চালানোর জন্যে জোরেসোরে তৈরি হয়ে নিচ্ছে।
মনে রাখবেন- ভারতের সাথে কখনো বাংলাদেশের যুদ্ধ লাগলে নেতা আর বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকতারা আগেই দেশ ছেড়ে পালাবে। আমাদের কথা ওরা ভাববে না। কারণ সামরিক খাতের করুণ অবস্থা ওরা জানে।
আমার আপনার মতো সাধারণ জনগণদের যাওয়ার জায়গা নাই। আমরা হতভাগা জনগণরা মি*সাইল আর রাইফেলের গু*লি খেয়েই পঁচে গলে মরব শুধু
কপি পোস্ট