Voice Of MUBC

Voice Of MUBC " আমি ধূর্জ্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর!
আমি বিদ্রোহী আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর "

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে বিশাল আর্থিক অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্তে গত দেড় দশকে প্রায় সাড়ে ৬...
17/05/2026

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে বিশাল আর্থিক অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্তে গত দেড় দশকে প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার হিসাব গরমিল, তহবিল আত্মসাৎ ও নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। ইতোমধ্যে প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

👉 বিস্তারিত জানতে এই পোস্টের কমেন্ট দেখুন।

27/02/2026

৬০ ফিট, মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ভিডিও ভাইরাল — উত্তেজনার মাঝে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা

18/02/2026

ব্রিফ করছেন সাংবাদিক Ali Asgar Emon

শিরোনাম : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের 'পুনঃভর্তি ফি' আদায় নিষিদ্ধ: সরকারি প্রজ্ঞাপন ও কঠোর নির্দেশনা

সারসংক্ষেপ:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী ক্লাসে ওঠার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে 'পুনঃভর্তি ফি' বা 'সেশন চার্জ'-এর নামে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেছে সরকার। 'বাংলাদেশ আইন ও অধিকার এইড'-এর পক্ষ থেকে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাইকোর্টে করা একটি রিটের প্রেক্ষিতে সরকার ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬’ নামে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

আদালতের নোটিশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ১১ পৃষ্ঠার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই নীতিমালার ৫(ঙ) ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে:

ভর্তিরত কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোক্রমেই 'পুনঃভর্তি ফি' (Re-admission fee) নেওয়া যাবে না।

অনেক অভিভাবক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, এমন কি নীতিবান শিক্ষকও যারা সকলের মঙ্গল কামনা করেন তাদের জন্য।আপনারা অনেকে ...
15/02/2026

অনেক অভিভাবক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, এমন কি নীতিবান শিক্ষকও যারা সকলের মঙ্গল কামনা করেন তাদের জন্য।
আপনারা অনেকে অনেকের অভিযোগ/পরামর্শ দিতে চান। তাই একটি ফর্ম তৈরি করা হলো। বিষয় যাচাই করে তা সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

লিঙ্ক কমেন্টে আছে।

12/02/2026

13th National Election
কেন্দ্রঃ মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা শাখা

বিষয়ঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য রাজনীতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতির সবচেয়ে কলঙ্কময় দিক হলো শিক্ষকদের রাজনীতি। সক্রিয়...
14/10/2025

বিষয়ঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য রাজনীতি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতির সবচেয়ে কলঙ্কময় দিক হলো শিক্ষকদের রাজনীতি। সক্রিয়ভাবে কোনো একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ সত্যি দুঃখজনক, যার নেতিবাচক প্রভাব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে পড়ে এবং শিক্ষার মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। এতে শিক্ষকরা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও এর কুপ্রভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মনিপুর স্কুলে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকগণ সহাবস্থানে থেকে প্রতিষ্ঠানের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। তাঁরা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কখনও রাজনৈতিক চর্চা বা কোনো রাজনৈতিক নেতাকে তোষামোদ করে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেননি। এই প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে নিজের ফায়দা হাসিলের চেষ্টার সূত্রপাত হয় ফরহাদ হোসেনের মাধ্যমে। তিনি প্রতিষ্ঠানের অনেক যোগ্য ও সিনিয়র শিক্ষকদের পেছনে ফেলে একজন সাধারণ শিক্ষক থেকে রাতারাতি সহকারী প্রধান শিক্ষক হয়ে যান।

তার হাত ধরেই কামাল মজুমদারের দৌরাত্ম্য, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ, অর্থ লুটপাট এবং প্রতিষ্ঠানের মাঠকে রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করে শিক্ষকদের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের খেলা শুরু হয়। ৫ই আগস্টের পর মনে হয়েছিল এই নোংরা রাজনীতির অপচর্চার অবসান হবে, কিন্তু সেই খেলা নতুনভাবে শুরু করলেন এই প্রতিষ্ঠানের আরেক ক্ষমতালোভী ও ফরহাদের মতো উচ্চাভিলাষী শিক্ষক, জনাব ওয়াহেদ আনসারী মণ্ডল।

এই ওয়াহেদ আনসারী ফরহাদের বাংলা বিভাগের শিক্ষক এবং তিনি ফরহাদের ‘চামচা’ বলে খ্যাত ছিলেন। ফরহাদ ঐ আমলে মজুমদারকে খুশি করতে বারো মাসে তেরো পার্বণের আয়োজন করতেন এবং আনসারীর কাজ ছিল সেই অনুষ্ঠানে মজুমদারের জন্য প্রশংসাসূচক গান, কবিতা ও নাটক রচনা করে নিজের দলবল নিয়ে অভিনয় করা। স্কুল ম্যাগাজিনে তিনি মুজিব বন্দনা করে কাব্যও রচনা করেছেন।

অথচ সেই আনসারী ৫ই আগস্টের পর এখন নিজেকে বিএনপির বড় অনুসারী বলে দাবি করছেন, তার প্রোফাইল পিকচারে বিএনপির লোগো। হাসিনার আমলে প্রতিষ্ঠানটিকে মজুমদার ও ফরহাদের হাত থেকে রক্ষা করতে শিক্ষকরা যখন মরণপণ লড়াই করে হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন, তিনি তখন নিজেকে নিরপেক্ষ প্রমাণ করে ফরহাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতেন। শিক্ষকরা মজুমদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার জন্য গোপনে চাঁদা দিলেও, তিনি কোনো টাকা তো দেননি, বরং একবার কিছু টাকা দিয়ে আবার তা তুলেও নেন।

এখন তিনি ‘জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম’ তৈরি করে ফরম বিতরণ করে শিক্ষকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে দল গঠন করছেন। মজুমদার যা করার সাহস করেননি, সেই আনসারী প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ করে রাজনৈতিক শোডাউন করলেন। ঐ অনুষ্ঠানটি ‘জুলাই আন্দোলনে’ শহীদের স্মরণের ব্যানারে করা হলেও, তাতে প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ক বা শিক্ষার্থীদের কোনো স্থান ছিল না, প্রকৃত আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও কোনো স্থান ছিল না। বরং এই আনসারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক চাঁদা তুলে ছুটির দিনে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের উপস্থিত হতে বাধ্য করেন। নারী শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন, অডিটোরিয়ামে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশে তাদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা কোনোমতে মানসম্মান নিয়ে ফিরে আসেন।

আনসারী তার মতাদর্শে বিশ্বাসী অযোগ্য, সুবিধাবাদী, খণ্ডকালীন ও জুনিয়র শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধানের পদে বসানো এবং মজুমদারের দোসর শিক্ষকদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে নিজের দল গঠনের মতো নানা অপকর্ম করে চলেছেন। তিনি নিজেকে বিএনপির বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের বন্ধু পরিচয় দিয়ে ক্ষমতাধর প্রমাণ করে যা খুশি তাই করছেন। অথচ নিজে বাংলার শিক্ষক হয়েও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন এবং ক্লাসে পড়ানোর চেয়ে গল্প করে সময় কাটানো ছিল তার নিয়মিত অভ্যাস। তার বিরুদ্ধে একজন শিক্ষিকা প্রতিবাদ করায়, তাকে নিয়ে ফেসবুকে নিজের পেজে এবং বেনামে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে অপমান ও অপদস্থ করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে তার এবং তার অনুসারীদের দাপটে সাধারণ শিক্ষকরা নাজেহাল।

(উক্ত পোস্ট নিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে লাভ নেই। গঠনমূলক সমালোচনা পাবলিকের সামনে করুন)

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এইধরনের অনেক ভাঙা চেয়ার, টেবিল ,ডেক্স , যন্ত্রাংশ,কাগজ পত্রের স্তুপ র...
30/09/2025

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এইধরনের অনেক ভাঙা চেয়ার, টেবিল ,ডেক্স , যন্ত্রাংশ,কাগজ পত্রের স্তুপ রয়েছে। সাধারণ বছর শেষে কমিটির অনুমোদনে টেন্ডার এর মাধ্যমে এইসব বিক্রি করে সেই টাকা প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে জমা রাখা হয়। কিন্ত আজ কলেজ ক্যাম্পাসে দেখা যাচ্ছে এইগুলো সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। প্রশ্ন হলো কোন টেন্ডার কি ডাকা হয়েছে? সভাপতি কি বিষয় টা জানেন? জানলে কততম সভায় তিনি এটা অনুমোদন করেছেন?
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে বর্তমান অভিভাবক প্রতিনিধি শাকিল মোল্লা এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর তত্বাবধানে স্কুলের এই সম্পদ গুলো নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এবং পুরাতন জিনিসের সাথে নতুন জিনিস‌ও সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।এই ভাবে প্রতিষ্ঠানের কোটি টাকার সম্পদ নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রি করা কতটা যুক্তিসঙ্গত?

@কপিকৃত পোস্ট
পোস্টে কোনো তথ্য ভুল থাকলে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।

'মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ আজ বিশ্ব বাটপারদের খপ্পরে'মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা শহরের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠ...
20/08/2025

'মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ আজ বিশ্ব বাটপারদের খপ্পরে'

মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা শহরের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার পর খ্যাতিমান প্রধান শিক্ষক মরহুম শবদার আলী স্যারের হাত ধরে সমগ্র ঢাকা তথা বাংলাদেশের মধ্যে জায়গা করে নেয় এক অনন্য উচ্চতায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বিভিন্ন সময়ে কমিটি ও প্রশাসনে রদবদল হলেও শিক্ষক নিয়োগ ও একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো রূপ ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ধারা বজায় ছিল ২০১০ পর্যন্ত। তখন ছোটখাটো কিছু রাজনৈতিক ও উচ্চ মহলের চাপ থাকলেও প্রতিষ্ঠানে প্রকটভাবে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি। সে কারণে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মহলে আত্মতুষ্টি ও সন্তুষ্টির মাত্রা ছিল সর্বোচ্চ।

সবদার আলী স্যারের এত জনপ্রিয়তা, প্রতিষ্ঠানের এত সুনাম থাকা সত্ত্বেও মূল ও ব্রাঞ্চ-১ ছাড়া আর কলেবর বৃদ্ধি করার কথা চিন্তা করেননি। তিনি প্রায়শই বলতেন “যতো কক্ষ, ততো লক্ষ”। তাই ঐগুলো বাদ দিয়ে কোয়ালিটি ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। তাই পাঠদান প্রথা, খাতা মূল্যায়ন সিস্টেম, প্রশ্নের ধরন সবকিছুই চলত মানসম্পন্নভাবে এবং জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে। শিক্ষকদের মধ্যে মতাদর্শ ভিন্নতা থাকলেও প্রতিষ্ঠানে কোনো গ্রুপিং ছিল না। শতভাগ না হলেও যোগ্যতা ও দক্ষতার একটা কদর ছিল। সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে চমৎকার মেলবন্ধন ছিল।

২০১০ এর পর আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ একটা সুনামির মধ্যে পড়ে গেল প্রতিষ্ঠান। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২ বার শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া বাংলার শিক্ষক জনাব ফরহাদ হোসেন শেষবার শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে চরমভাবে হেরে গিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। সরকার বদলের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাছে গেলেন কামাল মজুমদার সাহেবের। তারপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। নির্বাচন ছাড়া নতুন নতুন পকেট কমিটি, এডহক কমিটি করে প্রতিষ্ঠান থেকে যতোভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার রাস্তা আছে, সব রাস্তা তৈরি করতে যা যা করা দরকার তার সবকিছু করেছেন নিখুঁতভাবে। কামাল মজুমদারকে সাথে নিয়ে যখন যাকে দরকার তাকে দিয়ে কাজ করিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির সর্বনাশ করতে তারা একের পর এক ক্যাম্পাস বৃদ্ধি, কলেজ, ইংলিশ ভার্সন ইত্যাদি চালু করে রাতারাতি আয়ের খাতগুলো তৈরি করতে থাকেন। তারা জায়গা কেনা, ভবন নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগ, কর্মচারী, আয়া, পিয়ন, ডাক্তার, নার্স, লাইব্রেরিয়ান, ডেমোনস্ট্রেটর, ড্রাইভার, কেয়ারটেকার, লিফটম্যান, আইটি’র মতো প্যাটার্ন বহির্ভূত নিয়োগ দেওয়া শুরু করেন। আর এসব নিয়োগে কোনো রকম নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করা হয়নি। টাকা এবং আত্মীয়তাই এসব নিয়োগের মূল মাপকাঠিতে পরিণত হয়। স্বামী-স্ত্রী, মামা-খালু, চাচা-চাচি, ভাগনে-ভাগনি, ভাতিজা-ভাতিজি ইত্যাদি ব্যক্তিরাই হয়ে উঠে মনিপুরের চালিকা শক্তি।

কিছু গুণী, যোগ্য, দক্ষ শিক্ষককে অন্যায়ভাবে নির্মম নির্যাতনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত করে; কিছু সিনিয়র শিক্ষককে বদলি ও হয়রানি করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে হারার প্রতিশোধ নেয় ফরহাদ গং। চরমভাবে ভেঙে পড়ে স্কুলের শৃঙ্খলা, নিয়ম-কানুন। এই পরিস্থিতিতে যারা সুযোগ বুঝে পা চাটতে পেরেছেন, নিজের সবকিছু বিলিয়ে দেওয়ার পরে তাদের কোনো রকম পরীক্ষা ছাড়াই সহকারী প্রধান পোস্টে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে সিনিয়রিটি ব্রেক করে এক ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা চরম ফ্যাসিস্ট ও অগণতান্ত্রিক আচরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

এই সময়ে তারা অ্যাকাউন্ট সেকশনে নিয়ন্ত্রণ নিতে পুরাতন হিসাবরক্ষকদের সরিয়ে নিজেদের লোক নিয়োগ করে। তারা এমপিওভুক্ত সিনিয়র শিক্ষকদের নানা কৌশলে নির্যাতনের মাধ্যমে এমপিও সারেন্ডার করিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ট্রাস্টি বোর্ডের আওতায় নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তবুও তারা আশা না ছেড়ে সকল শিক্ষকদের বেতন কমিয়ে সেই টাকা নিজেদের পকেটে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়। কিন্তু বেতন কাটা সহ অন্যান্য নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের নিয়োগকৃত পাচাটা শিক্ষক গ্রুপের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

২০২৩ সালে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রাঞ্চ-১ এর ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক জাকির স্যার তার অনুগত ব্রাঞ্চ-১ এর আরো কয়েকজন শিক্ষক (নাম উল্লেখ করলাম না) কে সাথে নিয়ে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। দলমত নির্বিশেষে সে আন্দোলনে প্রায় সবাই একত্রিত হয়। শিক্ষকদের মাঝ থেকে প্রচুর অর্থ চাঁদা হিসেবে উত্তোলন করা হয়। বাইরের অনেক ডোনারও নাকি টাকা-পয়সা সহায়তা দেয়। এসব টাকার কোনো হিসাব নেই। ব্রাঞ্চ-১ এর একজন আইটি ইঞ্জিনিয়ার তার পছন্দের কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে জাকির স্যারের সাথে এ সব অর্থের হিসাব-নিকাশ করতেন।

ফরহাদ স্যারের পতনের পর জাকির স্যার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হন। তখনও আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মতো যারা বেশি টাকা দিতে পেরেছে তাদের কোনো রকম যোগ্যতার বিচার না করে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাম্পাসে নিয়োগ দেন। সে ক্ষেত্রেও কুশীলব হিসেবে ব্রাঞ্চ-১ এর শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পান। কিন্তু ফরহাদ গেলেও পুনরায় কামাল মজুমদার কিছু দুর্নীতিকারী বেইমান শিক্ষকদের নিয়ে স্কুলে আবার দখল প্রতিষ্ঠা করেন।

এমতাবস্থায় নিরীহ সিনিয়র শিক্ষকেরা আবার তাদের রোষানলের শিকার হন। ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট হাজার শিক্ষার্থী ও ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিদায় হলে সবাই মনে করেছিলো ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে দেশের সবখানে। যার সুফল মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজও ভোগ করতে পারবে। প্রতিষ্ঠানটি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। বিদায় হবে অযোগ্য পাচাটা ফ্যাসিস্ট গ্রুপ। সেই আশায় ছিলেন হাজার হাজার অভিভাবক।

একটা এডহক কমিটি এসে কিছু কাজে হাতও দিয়েছিলেন। উপায়ান্তর না পেয়ে ইন্টারনাল সার্কুলার এর মাধ্যমে সহকারী প্রধান নিয়োগ দেওয়ার জন্য লিখিত ও ভাইভার মাধ্যমে একটা নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করেন। সেখানে ব্রাঞ্চ-১ এর সুবিধাভোগী শিক্ষকদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। পরে যারা কৃতকার্য হন তাদের একটি প্যানেল করে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে নতুন এডহক কমিটি আসলে সবাই আবার বিভিন্ন বিএনপি নেতার পাচাটা শুরু করে নতুনভাবে বিএনপি সেজে নিজেকে জাহির করতে শুরু করেন। বিএনপি-ও দেখল, এই পাচাটা বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে তাদের ১৫টি বছর লেগেছে। আমরা নতুন পাচাটা গ্রুপ তৈরি করতে তো ঐ রকম সময় লাগাবে। কাজেই সময় কোথায়, এদেরকে নিয়েই কাজ চালিয়ে দিই। সুতরাং যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। প্রতিভাবান এক প্রধান শিক্ষককে (ভারপ্রাপ্ত) সামনে দিয়ে ফ্যাসিস্ট কায়দায় জামাত ট্যাগ দিয়ে মেধাবী কিছু সহ-প্রধানকে কোনো রকম নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে চেয়ার থেকে সরিয়ে পাচাটা গ্রুপটিকে দায়িত্বে বসিয়ে দেওয়া হয়।

এর পেছনে ও এই বাটপারদের হাত রয়েছে বলে অভিভাবক মহল মনে করে। এখন দেখার বিষয়, এই বাটপারদের রাহুগ্রাস থেকে কবে মুক্তি পায় আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ।

— একজন অভিভাবক

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট পর্যায়ের অসঙ্গতি এবং ৫ই আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকার ল...
10/08/2025

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট পর্যায়ের অসঙ্গতি এবং ৫ই আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকার লেখা আমাদের হাতে এসেছে। আমরা তা হুবহু প্রকাশ করছি।

|| ৮ আগস্ট, ২০২৫ ||

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) এর কাছে একটি খোলা চিঠি।
আসসালামুয়ালাইকুম, স্যার
পবিত্র জুম্মার শুভেচ্ছা র‌ইলো।স্যার, গতবছর ৫ই আগষ্টের পরের জুম্মার নামাজের খুতবায় প্রতিটি মসজিদের ইমাম সাহেব গন সাহসীকতার সহিত মন খুলে খুতবা দিতে পেরেছিলেন যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে সম্ভব ছিল না কারন তখন খুতবার সীমানা নির্ধারণ করা ছিল। ২০২৪ এর ৫ই আগষ্টের পরের শুক্রবারটা ছিল ইমামগনের খুতবা পাঠের স্বাধীনতা দিবস। আমরা মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষকগণ ও ঐদিন ভেবেছিলাম আমরাও ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর মজুমদার এবং তার দোসরদের হাত থেকে আজ স্বাধীন হলাম। কিন্তু ধীরে ধীরে আমাদের ধারনাকে ভুল প্রমাণিত করে দিয়ে দেখলাম সেই দোসররা যাদের আস্তানা ছিল মোহনা টিভি, যাদের দাপটে অরাজকতায় আমরা ছিলাম নির্যাতিত, অপমানিত তারাই এখন জয়বাংলা থেকে বাংলাদেশে জিন্দাবাদ হয়েগেল!!তারাই এখন আপনার প্রিয়ভাজন।অথচ আপনার কাছে আমাদের অন্যরকম প্রত্যাশা ছিল। আপনাকে যখন রূপনগর আবাসিক এলাকায় চিহ্নিত শয়তান অসীম বালার(মজুমদার এর একান্ত দোসর)সাথে ঘুরতে দেখি এবং শুনতে পাই যে সে আপনাকে সেখানে দোকান ঠিক করে দিয়েছে ব্যাবসা করার জন্য তখন আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। অথচ আপনিও মজুমদার এর নির্যাতনের শিকার ছিলেন।
*রহমতুল্লাহ আজম যার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ইংরেজি ভার্সন থেকে ব্রাঞ্চ ২ এ পোস্টিং দেয়া হলো সে গোঁয়ার্তুমি করে সেখানে যোগদান করলো না, সেখানকার সহকারী প্রধান তাকে যোগদান করতে বললে সে বলেছিল চাকরি করবে না এবং সে গত ছয়মাস যোগদান ও করলোনা।এরপর সে নানান ভাবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার পছন্দের ক্যাম্পাসে যোগদান করতে চাইলে সভাপতি তাহমিনা ম্যাডামের নির্দেশে যোগদান করতে পারলো না।অথচ গতকাল আপনার স্বাক্ষর করা চিঠি নিয়ে সে পুনরায় নিয়মের তোয়াক্কা না করে যোগদান করেন। এটা দিয়ে আপনি কী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন? রহমতুল্লাহ আজম কী এমন করলো,কী ভাবে আপনাকে প্রভাবিত করলো তা আমাদের জানার খুব ইচ্ছা। আপনাকে জিজ্ঞেস করা হলে আপনি অভিভাবক প্রতিনিধি জনাব শাকিল মোল্লার রেফারেন্স দিচ্ছেন।এর আগে আপনি হঠাৎ করে চারজন সহকারী প্রধানকে পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে বসালেন, যাদের সরালেন তাদের কী অপরাধ ছিল সেটা জানতে চাইলে সেখানেও আপনি জনাব শাকিল মোল্লার রেফারেন্স দিলেন। অর্থাৎ সব বিষয়েই আপনি অন্যেকে দোষী সাব্যস্ত করে নিজে ভালো থাকার চেষ্টা করছেন। স্যার, সবকিছু যদি জনাব শাকিল মোল্লাই করেন তবে আপনার ঐ চেয়ারে বসার দরকার কী? উনাকেই ঐ চেয়ারে বসিয়ে দেন।আপনি এবং আপনারা ছোট ছোট নিষ্পাপ দেশপ্রেমিক ছেলেগুলোর রক্তের সাথে বেইমানি করছেন। ওরা অনিয়ম, স্বৈরশাসন,এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জীবন দান করেছিল। ওদের জীবন দানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও দায়বদ্ধতা থেকে বলছি এইসব করে আপনারা ভালো থাকতে পারবেন না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাদের বিচার করবেন ইনশাআল্লাহ।

-Ragia Razzak
Teacher
MUBC

Address

Mirpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of MUBC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share