Its Mahu Here

Its Mahu Here Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Its Mahu Here, Digital creator, Mirpur.

18/07/2025

জীবনে তো এইরকমই কনফিডেন্স দরকার


আমরা অনেকেই হয়তো ধরে নেই বার্থডে কেক মানেই বেইস কেকটা হতে হবে স্পন্জ কেক। বিষয়টা আসলে একেবারেই এইরকম না। একটা বার্থডে ক...
18/07/2025

আমরা অনেকেই হয়তো ধরে নেই বার্থডে কেক মানেই বেইস কেকটা হতে হবে স্পন্জ কেক। বিষয়টা আসলে একেবারেই এইরকম না। একটা বার্থডে কেকের বেইস কেকটা হতে পারে স্পন্জ কেক, ময়েস্ট কেক কিংবা অন্য কোনো কেক।

ময়েস্ট কেক এবং স্পঞ্জ কেক দুটি ভিন্ন ধরনের কেক, যাদের গঠন, স্বাদ এবং উপকরণে পার্থক্য রয়েছে। ময়েস্ট কেক সাধারণত বেশি আর্দ্র এবং ভারী হয়ে থাকে, যেখানে স্পঞ্জ কেক হালকা, ফ্লাফি এবং বাতাসের মতো হয়ে থাকে।

Sponge cake:

-স্পঞ্জ কেক মূলত ডিম, চিনি এবং ময়দা দিয়ে তৈরি করা হয়। ডিমের সাদা অংশকে বিট করে ডিমের মেরিং তৈরি করা হয়, যা কেকের হালকা এবং স্পঞ্জি গঠন দেয়। স্পঞ্জ কেক খুবই হালকা, ফ্লাফি এবং স্পঞ্জি হয়। এটি সাধারণত কম মিষ্টি হয় এবং বিভিন্ন ফ্লেভারের সাথে সহজেই মিশে যায়।

Moist cake:

-ময়েস্ট কেক সাধারণত ডিম, ময়দা, চিনি এবং মাখন বা তেল দিয়ে তৈরি করা হয়। কিছু রেসিপিতে অতিরিক্ত আর্দ্রতার জন্য দই, ক্রিম বা সিরাপ ব্যবহার করা হয়। ময়েস্ট কেক সাধারণত ভারী এবং ঘন হয়। এটি একটি আর্দ্র টেক্সচারযুক্ত এবং সাধারণত মিষ্টি হয়ে থাকে।

পার্থক্য:

⭐️গঠন: ময়েস্ট কেক ভারী এবং আর্দ্র, যেখানে স্পঞ্জ কেক হালকা এবং ফ্লাফি। �
⭐️উপকরণ: ময়েস্ট কেক তৈরিতে মাখন বা তেল, দুধ বা দই ব্যবহার করা হয়, যা স্পঞ্জ কেকের চেয়ে বেশি উপকরণ ব্যবহার করে। স্পঞ্জ কেক প্রধানত ডিম, চিনি এবং ময়দা দিয়ে তৈরি। �
⭐️স্বাদ: ময়েস্ট কেক সমৃদ্ধ এবং ভারী স্বাদযুক্ত, যখন স্পঞ্জ কেক হালকা এবং কম মিষ্টি হয়ে থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম জুড়ে এক মজার ট্রেন্ড ঘুরে বেড়াচ্ছে —এক গ্লাস পানিতে মেশানো হলুদের গুড়া আর নিচে মোবাইল...
22/06/2025

সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম জুড়ে এক মজার ট্রেন্ড ঘুরে বেড়াচ্ছে —

এক গ্লাস পানিতে মেশানো হলুদের গুড়া আর নিচে মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট। হঠাৎই দেখা যাচ্ছে একটা সোনালী ঝলকানো আলো! অনেকেই ভাবছেন, “এ আবার কেমন জাদু?”

আসলে এটা জাদু নয়, বরং এক মজার বিজ্ঞান — নাম যার Tyndall Effect।

➡️ যখন পানিতে হলুদের গুড়া দেওয়া হয়, তখন সেটা পুরোপুরি গলে না — বরং পানিতে ভেসে থাকে অতি সূক্ষ্ম কণার মতো। এ ধরনের মিশ্রণকে বলে কলোয়েড (colloid)।

➡️ এবার যদি নিচ থেকে ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চের আলো দিলে, সেই আলো হলুদের কণাগুলোর সাথে ধাক্কা খায় ও চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এই ছড়িয়ে পড়া আলোর কারণেই গ্লাসের ভিতরে এক সোনালী-আবছা জ্যোতি দেখতে পাওয়া যায়।

এটা কেন ঘটে?

এই প্রক্রিয়ার নাম Tyndall Effect, এক ধরনের আলোক বিক্ষেপণ, যেখানে আলো কলোয়েডাল কণার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং আলোক রশ্মি দৃশ্যমান হয়।

এই ঘটনা আরও দেখা যায়:

✅ কুয়াশায় গাড়ির হেডলাইট
✅ কফির মগে রোদ পড়লে
✅ ধুলাবালির ভেতর আলো চললে

🌼 কেন হলুদ?

হলুদে থাকে কারকিউমিন, যার রং হলুদাভ-সোনালী।
তাই আলো প্রতিফলিত হলে একদম সোনার মতো উজ্জ্বল ঝলক তৈরি হয়!

তাই যখনই আপনি হলুদের পানি গ্লাসে নিয়ে আলো ফেলছেন, মনে রাখবেন — আপনি শুধু একটা ট্রেন্ডে অংশ নিচ্ছেন না, আপনি বিজ্ঞানের একটি রোমাঞ্চকর এক্সপেরিমেন্ট উপভোগ করছেন!

©️

Address

Mirpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Its Mahu Here posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share