13/05/2026
আমদানি শুল্ক বা Customs Duty, সম্পূরক শুল্ক বা Supplementary Duty , মূল্য সংযোজন কর (VAT), অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax - AIT), রেগুলেটরি ডিউটি (Regulatory Duty - RD) দিয়ে বাইক এদেশে আনা হয়, মোট ১৫৫% কর । যেগুলা পুরোটাই একজন বাইকারের পকেট কেটে নেয়া হয় বাইক 🏍️ কেনার সময়, তারপর বাইক কেনার পরে রেজিস্ট্রেশন ফি, প্রতি বছর ট্যাক্স টোকেন, নম্বর প্লেট ফি , সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর টাকা । এতোগুলো টাকা দেওয়ার পর আবার ইনকাম ট্যাক্স কিসের?
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল 🏍️ এখন আর বিলাসিতা নয়; অনেকের জন্য এটি জীবিকা ও প্রয়োজনের বাহন।
🛵 রাইড শেয়ার, 📦 ডেলিভারি সার্ভিস, ছোট ব্যবসা কিংবা প্রতিদিন অফিস যাতায়াতে লাখো মানুষ মোটরসাইকেলের উপর নির্ভরশীল।
অথচ বাইক কেনার সময়ই রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ইন্স্যুরেন্স, ট্যাক্স টোকেনসহ বিভিন্ন খাতে সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। 💰
শুধুমাত্র সিসি ভিত্তিক অতিরিক্ত কর আরোপ জনগনের উপর এক ধরনের দ্বৈত চাপ ছাড়া কিছুই নয়। ⚖️ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রাজস্ব বাড়ানোর দিক নয়, মানুষের বাস্তব সক্ষমতা ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
ট্যাক্স তখনই অর্থবহ হয় যখন তার বিনিময়ে জনগণ সুযোগ সুবিধা পায়। কিন্তু কোনো উন্নয়ন বা সুবিধা না দিয়ে এভাবে ট্যাক্স চাপিয়ে দেওয়া আসলে প্রশাসনিক ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। বাইক চালকদের মধ্যে ৫০ লাখ ভোট নিশ্চিত হারাইছে। সারা বাংলাদেশের বাইকার ভাইরা, এখনই সময় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার! এই অযৌক্তিক ট্যাক্স আর শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
দাবি একটাই: সাধারণ মানুষের ওপর ট্যাক্সের জুলুম বন্ধ করো! 🙏