ArmY On Fire

ArmY On Fire আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমার এই ছোট্র পেইজটি ফলো দিয়ে সবাই পাশে থাকবেন।আশা করি সাপোর্ট দিলে সাপোর্ট পাবেন।।

প্রযুক্তি, দেশপ্রেম ও নৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়েই গড়ে উঠবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ : এমআইএসটিতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাঢাকা, ১৩ মে ২০২...
14/05/2026

প্রযুক্তি, দেশপ্রেম ও নৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়েই গড়ে উঠবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ : এমআইএসটিতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
ঢাকা, ১৩ মে ২০২৬ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি বাংলাদেশ মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-তে অধ্যয়নরত সশস্ত্র বাহিনীর তরুণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্ম কোনো সাধারণ রাজনৈতিক ঘটনার ফল নয়; বরং এটি লাখো মানুষের রক্ত, ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার ফসল। ১৯৭১ সালে জাতির ক্রান্তিলগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দেশের মুক্তিকামী মানুষকে দিকনির্দেশনা ও সাহস জুগিয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক আহ্বান তরুণদের সংগঠিত করেছিল এবং সশস্ত্র প্রতিরোধের মনোবলকে শক্তিশালী করেছিল। তিনি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সামরিক সদস্য ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি রচনা করেছে। তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে যথাযথ মর্যাদায় ধারণ করা তরুণ কর্মকর্তাদের জাতীয় দায়িত্ব।
তিনি তরুণ কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব কেবল একটি পেশাগত দায়িত্ব নয়, এটি একটি পবিত্র জাতীয় অঙ্গীকার। দেশপ্রেম কোনো আবেগমাত্র নয়; বরং এটি শৃঙ্খলা, সততা, আত্মত্যাগ ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রমাণ করার বিষয়। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংকটময় সময়গুলোতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশের বিরুদ্ধে যেকোন ষড়যন্ত্র, বিশৃঙ্খলা কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ় অবস্থানে থাকবে। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি।
বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের পরিবর্তিত চরিত্র তুলে ধরে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক যুদ্ধ আর কেবল ট্যাংক, কামান, বিমান বা প্রচলিত অস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই। বর্তমান সময়ে সাইবার যুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, তথ্যযুদ্ধ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। এখন কোন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়াই তার আর্থিক ব্যবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, সামরিক যোগাযোগ, জনমত ও তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে আঘাত করা সম্ভব। তাই বর্তমান যুগে সামরিক নেতৃত্বকে শুধু অস্ত্র পরিচালনায় দক্ষ হলেই চলবে না; প্রযুক্তি, তথ্য, মনস্তত্ত্ব ও কৌশলগত যোগাযোগেও সমান দক্ষ হতে হবে।
তিনি বলেন, পারমাণবিক নিরাপত্তা আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, নিরাপত্তা সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ। পারমাণবিক নিরাপত্তা শুধু কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি জাতীয় পর্যায়ের সমন্বিত নিরাপত্তা চিন্তার অংশ। তরুণ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সচেতন, দায়িত্বশীল ও পেশাগতভাবে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে।
এমআইএসটির ভূয়সী প্রশংসা করে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই প্রতিষ্ঠান কেবল ডিগ্রি প্রদানকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; বরং এটি সশস্ত্র বাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম কেন্দ্র। এমআইএসটির গবেষণাগার, শ্রেণিকক্ষ, প্রকল্প ও একাডেমিক কার্যক্রমকে জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন, স্বল্প ব্যয়ের ড্রোন, সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) সিদ্ধান্ত সহায়তা ব্যবস্থা, নিরাপদ ট্যাকটিক্যাল কমিউনিকেশন, কমান্ড কন্ট্রোল ও সার্ভেইলেন্স সিস্টেম এবং তথ্য বিভ্রান্তি প্রতিরোধে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, সীমিত প্রতিরক্ষা বাজেট থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন ও দেশীয় গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্যকর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। সবকিছু বিদেশ থেকে ক্রয় করে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কোন প্রযুক্তি বাংলাদেশ নিজস্ব সক্ষমতায় নকশা, পরীক্ষা, উন্নয়ন, উৎপাদন ও সুরক্ষা করতে পারে, তা চিহ্নিত করতে হবে। এটি শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; এটি সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এই লক্ষ্যে সরকার দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন ও গবেষণা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “সবার আগে বাংলাদেশ” দর্শনকে সামনে রেখে আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দেশের তরুণ সামরিক কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের জন্য উপযোগী, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব।তরুণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তা কেবল একজন কমান্ডার নন; তিনি দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার প্রতীক। সৈনিকরা তাদের কর্মকর্তাদের আচরণ, সিদ্ধান্ত, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম অনুসরণ করে। তাই ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে হতে হবে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ, নৈতিকভাবে দৃঢ় এবং জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল। দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়ানো, যুদ্ধে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকা এবং বিভ্রান্তির সময়ে সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া একজন কর্মকর্তার মৌলিক দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উগ্রবাদ, বিভাজনমূলক প্রচারণা, গুজব, ধর্মের অপব্যাখ্যা এবং রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বাস, সহনশীলতা, সহাবস্থান ও মধ্যপন্থার দেশ। ধর্ম মানুষের চরিত্র, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সাহসকে শক্তিশালী করে; কিন্তু ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা জাতীয় ঐক্য নষ্ট করতে পারে। তাই তরুণ কর্মকর্তাদের চরমপন্থা, সাম্প্রদায়িকতা, মব মানসিকতা এবং বিভ্রান্তিকর বয়ানের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতীয় চেতনা সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে গবেষণা ও প্রশ্ন করা জ্ঞানের অংশ; কিন্তু ইতিহাস বিকৃতি কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্বের ভিত্তি। জুলাইয়ের জাতীয় চেতনা রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার ও নবায়নের আহ্বানকে সামনে এনেছে। ১৯৭১ এবং জুলাইকে একে অপরের বিপরীতে দাঁড় করানো যাবে না। একটি আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি, অন্যটি রাষ্ট্রীয় নৈতিকতার পুনর্জাগরণের আহ্বান। বক্তব্যে তিনি এমআইএসটির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অর্জিত জ্ঞানকে কেবল সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তব প্রয়োগে রূপান্তর করতে হবে। ইউনিট ও ফরমেশনে ফিরে গিয়ে এমআইএসটি থেকে অর্জিত শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধকে বাহিনীর কাজে লাগাতে হবে। গবেষণা, উদ্ভাবন, সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থে জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি তরুণ কর্মকর্তাদের পাঠাভ্যাস, গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিতর্ক, সামরিক ইতিহাস অধ্যয়ন এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধসমূহ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিল্পখাত, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর নেটওয়ার্ক তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বড় দায়িত্ব ও প্রকল্পে নিয়োজিত হলে সততা, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পেশাগত জীবন বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। দুর্নীতি ও অনিয়ম শুধু ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটি গড়ে উঠবে শৃঙ্খলাবদ্ধ চিন্তা, দেশপ্রেম, জ্ঞান, সাহস, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে। তিনি তরুণ কর্মকর্তাদের “বাংলাদেশ প্রথম”আদর্শ ধারণ করে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, তরুণ কর্মকর্তাদের শিক্ষা যেন শুধু যোগ্যতার সনদে সীমাবদ্ধ না থাকে; তা যেন পেশাগত উৎকর্ষ, সৎ নেতৃত্ব, জাতীয় দায়িত্ববোধ, উদ্ভাবন, শৃঙ্খলা এবং সাহসের মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়। আল্লাহ যেন সবাইকে প্রিয় বাংলাদেশকে সেবা করার শক্তি, প্রজ্ঞা ও যোগ্যতা দান করেন, এই প্রার্থনার মাধ্যমে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠানে এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মোঃ হাকিমুজ্জামান, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি সহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষকবৃন্দ এবং সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণরত তরুণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

13/05/2026

#হাজার

বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) — দেশীয় প্রযুক্তি ও দক্ষতায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের মাধ্যমে আত্মনির্ভর প্রতির...
12/05/2026

বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) — দেশীয় প্রযুক্তি ও দক্ষতায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের মাধ্যমে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা শক্তি গড়ে তুলছে। দেশের নিরাপত্তা, সক্ষমতা ও অগ্রগতির প্রতীক হয়ে বিওএফ আজ গর্বিত বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন।

ডিজিটাল পিক্সেল ক্যামোফ্লেজে সজ্জিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: আধুনিকায়ন ও সাহসিকতার এক নতুন অধ্যায়
12/05/2026

ডিজিটাল পিক্সেল ক্যামোফ্লেজে সজ্জিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: আধুনিকায়ন ও সাহসিকতার এক নতুন অধ্যায়

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সামরিক সহযোগিতা: সাম্প্রতিক ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ল্যান্ড ফোর্স টকস (LFT) অনুযায়ী, দুই দেশের সে...
12/05/2026

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সামরিক সহযোগিতা: সাম্প্রতিক ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ল্যান্ড ফোর্স টকস (LFT) অনুযায়ী, দুই দেশের সেনাবাহিনী উন্নত সামরিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।



🟢নানিয়ারচরের দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবারাঙামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর উপজেলার দুর্গম প...
11/05/2026

🟢নানিয়ারচরের দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে 'সম্প্রীতি ও উন্নয়ন' প্রকল্পের আওতায় বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এই মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, সম্প্রতি ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় সেনাবাহিনী দেখতে পায়, দুর্গমতার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ প্রেক্ষিতে জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমানের নির্দেশনায় বন্দুকভাঙ্গা ও নোয়াদম এলাকাসহ আশপাশের জনগণের জন্য এই চিকিৎসা সেবার আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পে বন্দুকভাঙ্গা, নোয়াদম, মুবাছড়া, মগপাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং তাদের সার্বিক স্বাস্থ্যমান উন্নয়ন করা।
মেডিক্যাল ক্যাম্পে নানিয়ারচর জোনের মেডিক্যাল অফিসার মাকসুদুল হাসান ২৮ জন পুরুষ, ৬১ জন নারী ও ১৪ জন শিশুসহ মোট ১০৩ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করেন এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
এসময় জোন অধিনায়ক বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, নিয়মিত এমন চিকিৎসা সেবা পেলে তাদের জীবনমান উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
#রাঙামাটি

পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।লোগাং ইউন...
11/05/2026

পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
লোগাং ইউনিয়ন-এ আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি অসহায় পরিবারের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।
মানুষের পাশে সেনাবাহিনী — সবসময়, সর্বত্র। 🇧🇩💚
#বাংলাদেশ_সেনাবাহিনী #খাগড়াছড়ি #লোগাং #মানবিক_উদ্যোগ #ফ্রি_মেডিকেল_ক্যাম্প #সামাজিক_সেবা

জনগণের আস্থায়, জাতির নিরাপত্তায়—আমরা অবিচল। 🇧🇩বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কেবল একটি বাহিনী নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের ভরসা ও পরম ব...
11/05/2026

জনগণের আস্থায়, জাতির নিরাপত্তায়—আমরা অবিচল। 🇧🇩

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কেবল একটি বাহিনী নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের ভরসা ও পরম বিশ্বাসের এক শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের প্রতিটি সংকট ও গৌরবের মুহূর্তে আমরা আছি আপনাদের পাশে। জনগণের এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে চলার মূল প্রেরণা।
©️I.S.S.

#বাংলাদেশসেনাবাহিনী #জনগণেরআস্থা #জাতীয়সংহতি #দেশপ্রেম

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, শিক্ষা সামগ্রী ও ঢেউটিন বিতরণপার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ক...
10/05/2026

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, শিক্ষা সামগ্রী ও ঢেউটিন বিতরণ
পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিক মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, শিক্ষা সামগ্রী ও ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের চিকনচাঁন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন পাড়া থেকে আসা তিন শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি জোন এর মেডিকেল টিম দিনব্যাপী রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে।
এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ছাতা বিতরণ করা হয়। উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরে স্থানীয় একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজে সহায়তা হিসেবে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।
এদিন উক্ত মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক। উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. খাদেমুল ইসলামসহ পদস্থ সেনা কর্মকর্তারা।
এসময় রিজিয়ন কমান্ডার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পাহাড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। পাহাড়ের দুস্থ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এসময় তিনি পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহিংসতার পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

🇧🇩⚓ ৯ মে, ২০২৬: বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এক নজরে!🔹 ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘INS Sunayna’ শুভেচ্ছা সফর...
10/05/2026

🇧🇩⚓ ৯ মে, ২০২৬: বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এক নজরে!
🔹 ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘INS Sunayna’ শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন।
🔹 সেনাবাহিনী ও সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি।
🔹 মাঠ পর্যায় থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার ও ব্যারাকে ফেরার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
🔹 সিভিল-মিলিটারি সম্পর্ক জোরদারে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।
দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী। 💚❤️

Address

Dhaka
Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ArmY On Fire posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share