Alhamdulillah $

Alhamdulillah $ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই, হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁহার প্রেরিত রাসুল।

🌿 রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রিয় সন্তানদের পরিচয় 🌿আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর মোট ৭ জন সন্তান ছিলেন—৩ জন পুত্র ও ৪ জন...
26/08/2026

🌿 রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রিয় সন্তানদের পরিচয় 🌿

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর মোট ৭ জন সন্তান ছিলেন—৩ জন পুত্র ও ৪ জন কন্যা। তাঁদের অধিকাংশের মা ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা (রাঃ)। আর ইবরাহীম (রাঃ)-এর মা ছিলেন মারিয়া আল-কিবতিয়্যা (রাঃ)।

❤️ রাসূল ﷺ-এর পুত্রগণ:
১️⃣ কাসিম (রাঃ) — রাসূল ﷺ-এর প্রথম সন্তান। শৈশবেই ইন্তেকাল করেন। তাঁর নাম থেকেই রাসূল ﷺ-এর উপনাম আবুল কাসিম।

২️⃣ আবদুল্লাহ (রাঃ) — তাঁকে তাইয়্যিব ও তাহির নামেও উল্লেখ করা হয়। শৈশবেই ইন্তেকাল করেন।

৩️⃣ ইবরাহীম (রাঃ) — তাঁর মা ছিলেন মারিয়া আল-কিবতিয়্যা (রাঃ)। মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন এবং অল্প বয়সেই ইন্তেকাল করেন।

🌸 রাসূল ﷺ-এর কন্যাগণ:
৪️⃣ যায়নাব (রাঃ) — রাসূল ﷺ-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা। তাঁর স্বামী ছিলেন আবুল আস (রাঃ)।

৫️⃣ রুকাইয়্যা (রাঃ) — তাঁর স্বামী ছিলেন হযরত উসমান ইবন আফফান (রাঃ)।

৬️⃣ উম্মে কুলসুম (রাঃ) — রুকাইয়্যা (রাঃ)-এর ইন্তেকালের পর হযরত উসমান (রাঃ)-এর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। এ কারণে উসমান (রাঃ)-কে যুন-নুরাইন বা ‘দুই নূরের অধিকারী’ বলা হয়।

৭️⃣ ফাতিমা (রাঃ) — রাসূল ﷺ-এর অত্যন্ত প্রিয় কন্যা। তাঁর স্বামী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)। তাঁদের সন্তানদের মধ্যে হযরত হাসান (রাঃ) ও হযরত হুসাইন (রাঃ) ছিলেন।

💚 একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা:
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সকল পুত্রই শৈশবে ইন্তেকাল করেন। তাঁর বংশধারা হযরত ফাতিমা (রাঃ)-এর মাধ্যমে অব্যাহত থাকে।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁদের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

📖 সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ﷺ

#রাসূলুল্লাহﷺ #নবীজীﷺ #আহলেবাইত #ফাতিমা_রাঃ #ইসলামিক_পোস্ট #ইসলামের_ইতিহাস #সুন্নাহ #ইসলামিক_জ্ঞান

সুদের কারবারে জড়িত ব্যাংকার পাত্রের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিলে বাবার কি গুনাহ হবে?বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু পাত্রের টাকা-পয়সা,...
25/08/2026

সুদের কারবারে জড়িত ব্যাংকার পাত্রের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিলে বাবার কি গুনাহ হবে?

বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু পাত্রের টাকা-পয়সা, চাকরি বা সামাজিক অবস্থান দেখাই যথেষ্ট নয়। একজন মানুষের দ্বীনদারি, চরিত্র এবং উপার্জনের উৎসও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

“আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।”
— সূরা আল-বাকারা: ২৭৫

রাসুলুল্লাহ ﷺ সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যাপারে কঠোর সতর্ক করেছেন। তাই কোনো ব্যক্তির চাকরি যদি সরাসরি সুদের লেনদেন পরিচালনা, লেখা বা সম্পাদনের সঙ্গে জড়িত হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—শুধু ব্যাংকে চাকরি করেন বলেই প্রত্যেক ব্যাংকারের উপার্জনকে একইভাবে হারাম বলা যায় না। তিনি কী পদে আছেন এবং কী ধরনের কাজ করেন, তা জানতে হবে।

একজন বাবা যদি জানেন যে পাত্রের উপার্জন হারাম উৎসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং তারপরও শুধু টাকা-পয়সা বা সামাজিক মর্যাদার কারণে মেয়েকে সেই বিয়েতে দেন, তাহলে নিজের সিদ্ধান্ত ও সহযোগিতার জন্য তাকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হতে পারে।

আবার পাত্রের কাজ ও উপার্জনের প্রকৃতি না জেনে কাউকে হারাম উপার্জনকারী বলে দেওয়াও ঠিক নয়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে দ্বীন ও চরিত্রকে গুরুত্ব দিতে।

তাই মেয়ের বিয়ের সময় প্রশ্ন হওয়া উচিত শুধু—
“পাত্র কত টাকা উপার্জন করে?”

এর পাশাপাশি প্রশ্ন হওয়া উচিত—
“সে কীভাবে উপার্জন করে?”
“তার উপার্জন হালাল কি না?”
“তার দ্বীন ও চরিত্র কেমন?”

কারণ একজন বাবা-মায়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব শুধু মেয়ের বিয়ে দেওয়া নয়; বরং এমন একজন মানুষের হাতে মেয়েকে তুলে দেওয়া, যার সঙ্গে সে দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তিতে থাকতে পারে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল-হারাম বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲

#ইসলাম #সুদ #রিবা #হালালউপার্জন #বিয়ে #ইসলামিকপোস্ট #দ্বীন #চরিত্র #মুসলিম

16/07/2026

মানুষ ঠিকই বলে

16/07/2026

সমাজের সমালোচনা

15/07/2026

এমন স্ত্রী হয়ে কি লাভ

15/07/2026

স্বামীর কথা শুনতে বিরক্ত লাগে

15/07/2026

আমার নামে বদনাম কর

 #ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️❤️❤️🤲👍🏻👍🏻🥰দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ...
09/11/2025

#ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️❤️❤️🤲👍🏻👍🏻🥰
দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজেকশন, দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার যে কিছু পদার্থ আলোর এক্সপোজার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়[২]। 18 তম শতাব্দীর আগে হালকা সংবেদনশীল উপকরণ দিয়ে ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা নির্দেশ করে এমন কোন শিল্পকর্ম বা বর্ণনা নেই।
লে গ্রাস ১৮২৬ বা ১৮২৭ এ জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় যে এটি সবচেয়ে আগে বেঁচে থাকা ক্যামেরার ছবি। [১] আসল (বামে) এবং রঙিন পুনর্নবীকরণ (ডান)।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেইনরিচ শুলজ একটি বোতলের উপর কাটা-আউট অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল স্লারি ব্যবহার করেছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করার চেষ্টা করেননি তিনি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্যভাবে নথিভুক্ত করেছেন, যদিও স্থায়ী রূপে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত আলোকচিত্র তৈরি করেছিল, কিন্তু ওয়েডগউড এবং তার সহযোগী হামফ্রি ডেভি এই ছবিগুলিকে ঠিক করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, Nicephore Niépce প্রথম একটি ছবি ঠিক করতে সক্ষম হয়েছিল যা একটি ক্যামেরা দিয়ে ধরা হয়েছিল, কিন্তু কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিন ক্যামেরার এক্সপোজার প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি খুব অপরিশোধিত ছিল। নিপেসের সহযোগী লুই ড্যাগেরেরে ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া বিকশিত করতে শুরু করেছেন, প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ড্যাগেররিওটাইপের ক্যামেরায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট এক্সপোজার প্রয়োজন, এবং পরিষ্কার, সূক্ষ্মভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি। ২ আগস্ট, ১৮৩৯ তারিখে ড্যাগেরে প্যারিসে চেম্বার অফ পিয়ারস-এ প্রক্রিয়াটির বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট ইনস্টিটিউট প্যালেস এ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় কারিগরি বিবরণ প্রকাশ করা হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগেররে এবং নিপেসেকে জীবনের জন্য উদার বার্ষিকী প্রদান করা হয়। )[3][4][5] যখন মেটাল ভিত্তিক ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া জনসাধারণের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তখন কাগজ-ভিত্তিক ক্যালোটাইপ নেতিবাচক এবং লবণ প্রাই এর প্রতিযোগী পদ্ধতি
আলহ ❤️😘❤️👍😘❤️🙂🥰❤😘❤️❤️😘👍❤️😘👍

Address

Mirsarai Chittagong
Mirsarai

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhamdulillah $ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share