Uttam News

Uttam News News Center

https://www.channelionline.com/%E0%A6%9B%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A...
28/10/2018

https://www.channelionline.com/%E0%A6%9B%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6/

মাত্র ছয় বছর বয়সে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশী শিশু সুবর্ণ আইজ্যাক। স্থানীয়দের কাছে সু....

15/10/2018

মংলার দনি কাইনমারীতে খৃষ্ট্রান সম্প্রদায়ের গির্জার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি স....

25/01/2018

সরকারি খাস জমি বন্দোবস্তবিহীন অবস্থায় থাকলে তা বেদখল ও বেহাত হবার সম্ভাবনা থাকে, আবার বিপুল পরিমাণ কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের আওতাবহির্ভূত থাকলে দেশের সার্বিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাবে। তাই কৃষি জমির সুষম বণ্টনের মাধ্যমে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “ভূমি সংস্কার” সরকারের একটি মৌলিক অঙ্গীকার। খাস জমি চিহিৃত করে ভূমিহীন ও প্রায় ভূমিহীন চাষী পরিবারের মধ্যে বিতরণ এবং বাস্ত্তহারা পরিবারসমূহের মধ্যে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য খাস অকৃষি জমি বণ্টন “ জাতীয় ভূমি সংস্কার” কার্যক্রমের একটি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
খাস জমিঃ সরকারি খাস জমি বলতে ব্যক্তি, সংস্থা বা অন্যান্য সরকারি বিভাগের মালিকানা বহির্ভূত ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন খাস জমি বুঝবে এবং নিম্মোক্ত শ্রেণীর জমি ইহার অন্তর্ভুক্ত হবেঃ
(ক) কালেক্টরের ১নং খতিয়ান এবং ৮নং রেজিস্টারের অন্তর্ভুক্ত সকল জমি।
(খ) নদী বা সমুদ্রগর্ভ হতে জেগে উঠা চরের জমি যা সিকস্তি জমির পুনরাবির্ভাব (পয়স্তি) হোক অথবা সম্পূর্ণভাবে নতুন চরই হোক (জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন-১৯৫০ এর ৮৬ ধারা।
(গ) বাংলাদেশ ল্যান্ড হোল্ডিং লিমিটেমন অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের ৯৮ নং আদেশ) এর ৩ ধারা মোতাবেক পরিবার/সংস্থার মালিকানাধীন ১০০ বিঘার অতিরিক্ত সরকারের নিকটে সমর্পনযোগ্য জমি।
(ঘ) সরকার কর্তৃক নিলামে ক্রয়কৃত জমি।
(ঙ) জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০, এর ৯১ ধারা মোতাবেক অধিগ্রহণক্রত জমি।
(চ) মালিকানা ও দাবিদারবিহীন জমি এবং
(ছ) সরকারি বিভাগ বা বিধিবদ্ধ সংস্থার জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মধ্যে যে পরিমাণ জমি অব্যবহার্য থাকার কারণে সরকার পুনঃগ্রহণ করেছেন।
খাস জমি বিতরণের উদ্দেশেঃ
১. ভূমিহীনদের পুনবার্সন ২. দারিদ্র বিমোচন ৩. বর্গাচাষ পদ্ধতি রহিতকরণ ৪. আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ৫. সিলিং বহির্ভুত জমির মালিকানা রহিতকরণ ৬. খাস জমির অবৈধ দখল রোধ ৭. খাস জমি অব্যবহৃত/পতিত না ৮. শহরমুখী জনস্রোত রোধনকরণ ৯. জমির বহুমুখী নিশ্চিতকরণ ১০. ইারীর ক্ষমতায়নের ব্যবস্থাকরণ ১১. আবাসন সমস্যার সমাধান ১২. খাস জমিতে শিল্পায়নের মাধ্যমে কৃষি জমির নির্ভরতা কমানো ১৩. কুঠির শিল্পের প্রসার ১৪. হাঁসমুরগীর খামার/পোলট্রি ফার্ম তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচন ১৫. দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন ১৬. রাজনৈতিক অংগীকার ১৭. সরকারি জমির স্বার্থ সংরক্ষণ ১৮. উৎপাদন বৃদ্ধি ১৯. জমির সুষম বন্ঠন ২০. আদর্শ গ্রাম/আবাসন সৃষ্টির মাধ্যমে ঠিকানাহীনদের ঠিকানা প্রদান ২১. আর্থ-সামজিক অবস্থার উন্নয়ন ২২. সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিস্ঠা ২৩. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি।
বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাস জমিঃ নিম্মোক্ত শ্রেণীর জমি বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাস জমির অন্তর্ভুক্ত হবে এবং ভূমি সংস্থার কার্যক্রমের আওতায় ভূমিহীনদের মধ্যে বণ্টন করতে হবেঃ
(ক) ৮নং রেজিস্টারের অধিগ্রহণ ২য় খন্ডের অন্তর্ভুক্ত সকল বন্দোবস্তযোগ্য খাস কৃষি জমি।
(খ) জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন-১৯৫০ এর ৯২ ধারা মোতাবেক পরিত্যক্ত ও বকেয়া করের দায়ে সরকার কর্তৃক নিলামে ক্রয়কৃত জমি।
(গ) রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ৯৮ নং আদেশ মোতাবেক ১০০ বিঘার অতিরিক্ত ব্যক্তি/সংস্থার মালিকানাধীন সমর্পিত জমি।
(ঘ) নদী বা সমুদ্রগর্ভ হতে জেগে উঠা চরের জমি যা সিকস্তি জমি পয়স্তিই হোক বা নতুন চর হোক।
(ঙ) অন্য যে কোন আইনে সরকারের নিকট সমর্পিত জমি।
(চ) ৮নং রেজিস্টারের ১ম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত জমি যার প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ার কালেক্টর কর্তৃক বন্দোবস্তযোগ্য বলে ঘোষিত হয়েছে।

04/01/2018
04/01/2018

জেনে নিন যে খাবার খেলে রক্ত পরিষ্কার করে আপনার লিভার সুস্থ রাখবে !
সামান্য কাজে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, নিজেকে দুর্বল লাগছে? একটু ঘুমালে আরাম পাবেন ভেবে বিছানায় গেলেই, চোখ থেকে ঘুম হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। দু’একদিন নয় এ ঘটনা আপনার সঙ্গে ঘটছে প্রায় প্রতিদিন। আমাদের শরীরে এমনটা হয় শুধু মাত্র আয়রনের অভাবে। আর শরীরের আয়রনের ঘাটতি শুধুমাত্র পূরণ করতে পারে আখ, খেজুর বার তালের গুড়।

গুড়ের সঙ্গে আদা গুড়া বা ছোলা মিশিয়ে খেলে আয়রনের পরিমাণ বেড়ে যায় আরও কয়েকগুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গুড়ে প্রচুর পরিমাণ আয়রন পাওয়া যায় যা শরীরে হিমোগ্লবিনের মাত্রা বাড়ায়। এই ঘুরে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন ছড়িয়ে দেয়।
নারীদের মধ্যে বেশী মাত্রায় আয়রনের অভাব দেখা যায়, বিশেষ করে ঋতুস্রাবের সময়। এসময় তাদের দুর্বল ও ক্লান্ত দেখায়। এ অবস্থায় তাদের ঘাটতি পূরণ করতে আয়রনের বিকল্প নেই।

গুড়ে সুক্রোজ, আমিষ, চর্বি, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, ক্যারোটিন, রাইবোফ্ল্যাবিন ও নিয়াসিন থাকে। গুড় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভার ভালো রাখে।
বিশেষজ্ঞরা আয়রনের ঘাটতি পূরণে দুইটি মিশ্রণ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী দিয়েছেন, নিম্নে তা আলোচনা করা হল:

গুড় ও ছোলা : রাতে এক মুষ্টি ছোলা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন পানি ঝড়িয়ে ছোলায় দুই চা চামুচ গুড় মিশিয়ে নিন। ভোরে খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেয়ে নিন। এতে আপনার ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর হবে ও আয়রনে ঘাটতি পূরণ হবে।
গুড় ও শুকনা আদা গুঁড়া : দুই চা চামুচ গুড়, এক চা চামুচ আদা গুঁড়া ও এক চিমটি মরিচ গুঁড়া এক সঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। দিনে তিনবার এক চা-চামুচ করে এ মিশ্রণটি খান উপকার পাবেন।

এছাড়া গুড়ে আর কী কী রোগ সারানোর ক্ষমতা রয়েছে, তা নিম্নে আলোচনা করা হল

কোষ্ঠকাঠিন্য : গুড় হজমশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে এর ভিতরের শর্করা কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। এ জন্য রোজ এক চামচ গুড়ই যথেষ্ট।

লিভার ভাল রাখে : গুড় লিভার থেকে যাবতীয় টক্সিন দূর করে। শরীরের টক্সিন বের করতে রোজ ছোট্ট এক টুকরো গুড় আপনাকে সাহায্য করবে।

সর্দি-কাশিতে : গুড় সর্দি-কাশিও তাড়ায়। সর্দি হলে প্রতিদিন সকালে এক চামুচ গুড় খেয়ে দেখুন।

রক্ত পরিষ্কার রাখে : গুড় লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়, সেই জন্য রক্তও পরিষ্কার করে।

স্টমাক ঠাণ্ডা রাখে : গুড় স্টমাক ঠাণ্ডা রাখে।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রক : গুড়ে সোডিয়াম আর পটাসিয়াম থাকে, যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

শ্বাসকষ্ট কমায় : গুড় আপনার শ্বাসকষ্টে স্বস্তি দেবে। অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিসের মতো অসুখে রোজ গুড় খেলে উপকার পাওয়া যায়।

গাঁটের ব্যথা কমায় : গাঁটের ব্যথায় গুড় স্বস্তি এনে দেয়। এক গ্লাস দুধের সঙ্গে ১ টেবিল চামুচ গুড় মিশিয়ে খান উপকার পাবেন।

মেদ ঝরায় : গুড় শরীর থেকে টক্সিন বের করার পাশাপাশি মেদ গলাতেও সাহায্য করে

28/12/2017

তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনোভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না।
এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ডড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে এন্টার করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।

03/12/2017

বিএফআরআই গবেষণায় সাফল্য – ঝিনুক চাষে মাত্র পাঁচ মাসে মুক্তা – প্রতি একরে ৪০ লাখ টাকা আয় – সুযোগ হবে ২০ থেকে ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের
মুক্তা সৌখিনতা ও আভিজাত্যের প্রতীক। মুক্তা অলংকারে শোভিত অতি মূল্যবান রত্ন। মুক্তার প্রধান ব্যবহার অলংকার হলেও কিছু কিছু জটিল রোগের চিকিৎসায় এবং ঔষধ তৈরিতে মুক্তা ও মুক্তাচূর্ণ ব্যবহার হয়। এছাড়া মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের খোলস নানা ধরণের অলংকার ও সৌখিন দ্রব্যাদি তৈরি এবং ক্যালসিয়ামের একটি প্রধান উৎস-যা হাঁস-মুরগী, মাছ ও চিংড়ির খাদ্যের একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রাচীনকাল থেকেই দেশের সব জায়গায় কম-বেশি মিঠাপানির ঝিনুক থেকে মুক্তা সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। বঙ্গোপসাগর প্রাকৃতিক মুক্তার আবাসস্থল। বাংলাদেশের মহেশখালী ছিল ‘পিংক পার্ল’ বা গোলাপী মুক্তার জন্য জগদ্বিখ্যাত। বাংলাদেশে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য পুকুর-দীঘি, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়। এসব জলাশয় মুক্তা বহনকারী ঝিনুকে পরিপূর্ণ। তবে গুণগত উৎকর্ষতা সম্পন্ন গোলাপী মুক্তা বৃহত্তর ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, রাজশাহী, বগুড়া, ফরিদপুর ও চট্টগ্রামে বেশি পাওয়া যায়।
দেশের পুকুর-দীঘি, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, নদী-নালা ও জলাশয়ে মাছের সাথে ঝিনুকে মুক্তা চাষ করে প্রতি একরে ৪০লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মাৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা। ইতোমধ্যে তারা ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রের পুকুরে স্বল্পসময়ে মিঠাপানির ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপাদনে প্রাথমিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গবেষণাকালে কৃত্রিম উপায়ে ঝিনুকে পাঁচ মাসে দুই থেকে তিন মিলিমিটার আকারের মুক্তা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে একই আকারের মুক্তা উৎপাদন করতে সময় লেগেছিল দেড় থেকে দুই বছর। স্বল্পসময়ে ঝিনুকে মুক্তা উৎপাদন প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত মুক্তা বিদেশে রফতানি করে প্রতি বছর ১৫০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। একই সাথে এতে ২০ থেকে ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিএফআরআই ১৯৯৯-০১ সালে ময়মনসিংহের স্বাদু পানি গবেষণা কেন্দ্রে প্রথম গবেষণায় ২-৩ মিলিমিটার সাইজের মুক্তা তৈরিতে সময় লেগেছিল দেড় থেকে দুই বছর। এরপর অর্থাভাবে মুক্তা গবেষণা কার্যক্রম বন্ধ হলেও গতবছর আবার তা শুরু হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১০-১১ অর্থবছরে একটি ‘কোর’ গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ওই প্রকল্পের অধীনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঝিনুকে মেন্টাল টিস্যু ঢুকিয়ে অপোকৃত কম গভীরতার পুকুরে ছেড়ে দেয়া হয় এবং নিয়মিত পরিচর্যা করা হয়। এতে পাঁচ মাসেই ঝিনুকে দুই থেকে তিন মিলিমিটার আকারের মুক্তা জন্মে, যা ‘রাইস পার্ল’ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বছরব্যাপী চাষ করা হলে মুক্তার আকার আরো বড় করা সম্ভব হবে। গ্রামীণ যেকোনো পরিবেশে বাড়ির আঙিনায় ছোট-বড় পুকুরে মাছের সাথে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে মুক্তা চাষ করা সম্ভব বলে প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মোহসেনা বেগম তনু জানান। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, একটি ঝিনুকে ১০ থেকে ১২টি মুক্তা জন্মে। প্রতিটি মুক্তার খুচরামূল্য ৫০ টাকা। প্রতি শতাংশে ৬০ থেকে ১০০টি ঝিনুক চাষ করা যায়। এক হিসাবে দেখা যায়, প্রতি শতাংশে ৮০টি ঝিনুকে গড়ে ১০টি করে ৮০০ মুক্তা পাওয়া যায়, যার বাজারমূল্য ৪০ হাজার টাকা। সেই হিসাবে প্রতি একরে ৪০ লাখ টাকার মুক্তা উৎপাদন করা সম্ভব । এছাড়াও মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের মাংস মাছ ও চিংড়ির উপাদেয় খাদ্য হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। অনেক দেশে ঝিনুকের মাংস মানুষের খাদ্য হিসাবে খেয়ে থাকেন। অর্থাৎ একজন চাষী মুক্তাচাষ করে মুক্তার পাশাপাশি ঝিনুকের খোলস ও মাংসল অংশ বিক্রি করেও লাভবান হতে পারেন। আন্তর্জাতিক বাজারে মুক্তার চাহিদা যেমন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনিভাবে অভ্যন্তরীণ বাজারেও মুক্তার চাহিদা উলেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া মুক্তা উৎপাদনের জন্য চাষকৃত ঝিনুক ছাঁকন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জলাশয়ের পরিবেশ উন্নত করে। উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে দেশে মুক্তাচাষে বিরাট সফলতা অর্জন করা সম্ভব-যা দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে।

আরিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, ময়মনসিংহ।
মোবাইলঃ ০১৭৩৭ ৫১২৯১৭

02/12/2017

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পোপ ফ্রান্সিস। ছবি: রয়টার্স
‘আজ ঈশ্বরের উপস্থিতি বিরাজ করছে রোহিঙ্গাদের মাঝে।’

মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নাম আজ এভাবেই নিলেন বিশ্বের ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। খবর এএফপির।
মিয়ানমার সফরের সময় এবং বাংলাদেশে সফরের প্রথম দিনে পোপের মুখে ‘রোহিঙ্গা’ কথাটি শুনতে না পেয়ে অনেকে হতাশ হয়েছিলেন।
আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে আর্চ বিশপস আন্তধর্মীয় ও আন্তমাণ্ডলিক সমাবেশে নির্যাতিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ১৮ জনের সঙ্গে কথা বলেন পোপ ফ্রান্সিস। তাঁর কাছে নির্যাতন ও দুর্দশার বর্ণনা দিতে কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রোহিঙ্গারা। সরকারের অনুমতি নিয়ে বেসরকারি সংগঠন কারিতাস তিন পরিবারের ১৮ রোহিঙ্গা সদস্যকে ঢাকায় নিয়ে আসে।
সমাবেশে পোপ মন্তব্য করেন, তাঁদের (রোহিঙ্গা) সাহায্য করার জন্য আমাদের সঠিক কাজটি অব্যাহত রাখতে হবে। তাঁদের স্বীকৃত অধিকার সুরক্ষিত রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।’
মিয়ানমার সফরের সময় দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে গত মঙ্গলবার বৈঠক করেছেন ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। তবে বৈঠকে পোপ একবারও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি। ওই বৈঠকে পোপ রোহিঙ্গা শব্দটি বলেন কি না, সেদিকে নজর রেখেছিল বিশ্ব।
রোহিঙ্গা শব্দটিতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের আপত্তি রয়েছে। কারণ সেখানকার শাসকশ্রেণি রাখাইন রাজ্যের এই মানুষগুলোকে নৃগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নারাজ।

02/05/2016

ব্যবস্থার

Address

Sundorban Plaza, Port Power House Road, Mongla Port, Mongla, Bagerhat
Mongla
9350

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttam News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Uttam News:

Share

Category