S.M Digital e Service

S.M Digital e Service Welcome to our Officials Page.
(2)

15/12/2025
জুড়ী থানার নতুন ওসি দিলীপ কান্ত নাথমৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন দিলীপ কান্...
06/12/2025

জুড়ী থানার নতুন ওসি দিলীপ কান্ত নাথ

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন দিলীপ কান্ত নাথ। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান।

ওসি দিলীপ কান্ত নাথ আশা প্রকাশ করেন যে, জুড়ীবাসীর সহযোগিতায় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। স্থানীয়রা নতুন ওসিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাঁর দায়িত্ব পালন যাতে আরও সফল হয় সে জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

25/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ
🎆শুভ সকাল🌃
Fatema Jannat Naima
ফাতেমা জান্নাত নাইমা অফিসিয়াল ♥

25/11/2025
17/10/2025

সকলের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহনে সফল হোক হাজী ইনজাদ আলী স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন ও নাশিদ মাহফিল।

📅 ৩০ নভেম্বর ২০২৫ খ্রী

গল্প: “বুদ্ধিমান খামারির গরু” 🐄😂এক খামারি প্রতিদিন তার গরুকে মাঠে নিয়ে যায় ঘাস খাওয়াতে। গরুটা খুব শান্ত, কারো কথা না শুন...
02/10/2025

গল্প: “বুদ্ধিমান খামারির গরু” 🐄😂

এক খামারি প্রতিদিন তার গরুকে মাঠে নিয়ে যায় ঘাস খাওয়াতে। গরুটা খুব শান্ত, কারো কথা না শুনে নিজের মতো ঘুরে বেড়ায়।

একদিন খামারি ভাবলো, "গরুটা তো শুধু খায় আর ঘুমায়, যদি একটু কাজ করত!" ।

তাই সে গরুকে একটা বোঝা টানতে দিল। গরু একটু ঘুরে দাঁড়িয়ে খামারিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।
খামারি বলল: “দেখ, তুই যদি কাজ করিস না, তাহলে তোর ঘাস বন্ধ!”

পরদিন খামারি দেখে, গরুটা নিজেই জোয়াল গলায় দিয়ে দাঁড়িয়ে!
খামারি খুশি হয়ে ভাবল, “কি বুদ্ধিমান গরু!”

কিন্তু সন্ধ্যায় সে দেখে, গরুটা অন্য গরুকে বোঝা টানাতে বাধ্য করছে! নিজে বসে আরাম করছে!

শিক্ষণীয় কথা:
চালাক মানেই কাজপটু নয়। কখনও কখনও চালাকেরা কাজ এড়িয়ে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়!
নিজের কাজ নিজে করুন, নাহলে “গরু”র থেকেও কম চতুর হয়ে যাবেন! 😄

#হাসিরগল্প #শিক্ষণীয়

29/09/2025

আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহে নিরব এক শিক্ষক হলো আমাদের "সময়"। গভীরভাবে উপলব্ধি করলে "সময়" থেকে পর্যালোচনা করে জীবনের নির্ভূল অনেক সাফল্যের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা যায়। 💦

📕🖋️ এস. এম. জালাল উদদীন ✅

জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না! কখনোই কারো ওপর এত বেশি নির্ভরশীল হয়ো না যে,...
30/05/2025

জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না! কখনোই কারো ওপর এত বেশি নির্ভরশীল হয়ো না যে, তার সামান্য অবহেলাতেই তোমার মন খারাপ হয়ে যায়।

তোমার মন খারাপ? সুন্দর একটা গান শোনো, নিজের জন্য এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বানাও, বিকেলের মৃদুমন্দ হাওয়ায় আপনমনে হাঁটো, জানলার পাশে বসে বৃষ্টি দেখো কিংবা প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুব দাও। যদি তোমার মধ্যে সৃষ্টিশীলতা থাকে, সেটাকে কাজে লাগাও।

অন্যকে ব্যঙ্গ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া, নিজের দুঃখ দুর্বলতা সবার সামনে প্রকাশ করা — এগুলো কোনো পরিণত মানসিকতার পরিচয় নয়। খুব বেশি একা লাগলে বা মন খারাপ হলে সমুদ্র বা পাহাড় দেখতে চলে যাও।

পুরোনো স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো — কিন্তু নিজের সাথে এমন একটা সম্পর্ক গড়ে তোলো, যেন দুঃখের দিনগুলোতে কাউকে না পেলেও নিজেই নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে উঠতে পারো।

যদি কোনো কাজে সফল হও, নিজেকে পুরস্কৃত করো। যদি ব্যর্থ হও, নিজের সাথে একটু অভিমান করো, কিন্তু হাল ছেড়ো না। আর কখনোই অন্যের চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার ভুল করো না। কারণ মানুষ সবসময় তোমার গুণের চেয়ে তোমার ত্রুটিগুলোকে বড় করে দেখতেই বেশি পছন্দ করে।

একা রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াটা স্বাভাবিক মনে করো, একা পার্কে সময় কাটানোটা যেন হাস্যকর না লাগে। নিজেকে ভালোবাসো। যে মানুষ নিজেকে ভালবাসতে পারে না, সে কখনো সুখী হতে পারে না।

নিজেকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করো, যাতে মুড অফ থাকলে নিজের জন্য একটা চকলেট কিনতে পারো, নিজের জন্মদিনে নিজেকে একটা সুন্দর উপহার দিতে পারো, নিজের পছন্দের পোশাক নিজের জন্য নিজেই কিনতে পারো, পছন্দের কোনো জায়গায় ঘুরতে যেতে পারো।

মাঝেমধ্যে নিজেকে কিছু ফুল উপহার দাও, ঘরের কোণায় ফুলদানিতে একটা ফুল রাখো, সুন্দর সুবাস মন ভালো করে দেবে। সবার মন জয় করা তোমার দায়িত্ব নয়, কারণ পৃথিবীর কেউই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনি। তাই যেখানে মন টানে না, সেখানে "না" বলতে শেখো।

"আমার বাবা-মা আমাকে বোঝে না, বন্ধুরা আমাকে সময় দেয় না, কাছের মানুষ আমাকে অবহেলা করে" — এসব ভাবনাকে প্রশ্রয় দিও না। কারণ এগুলো আসলে তোমার নিজের তৈরি করা মানসিক চাপ।

কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবে? যেখানে তোমার মূল্য নেই, সেখান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নাও। নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলো, যাতে তোমার ভালো থাকা বা না থাকাটা কারো ওপর নির্ভর না করে।

23/04/2025

আসসালামু আলাইকুম, সকলের নিকট দোয়ার দরখাস্ত 🤲

23/04/2025

সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
▬▬▬ ✪◉✪ ▬▬▬
সবর বা ধৈর্য ধারণ করা আকিদার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জীবনে বিপদ-মুসিবত নেমে এলে অস্থিরতা প্রকাশ করা যাবে না। বরং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাওয়ার আশা করতে হবে।

◈ ইমাম আহমদ রহ. বলেন, “আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নব্বই স্থানে সবর সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।”

◈ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
الصبر ضياء
“সবর হল জ্যোতি।” (মুসনাদ আহমদ ও মুসলিম)

◈ উমর রা. বলেন, “সবরকে আমরা আমাদের জীবন-জীবিকার সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে পেয়েছি।” (সহিহ বুখারি)
◈ আলী রা. বলেন, “ঈমানের ক্ষেত্রে সবরের উদাহরণ হল দেহের মধ্যে মাথার মত।” এরপর আওয়াজ উঁচু করে বললেন, “যার ধৈর্য নাই তার ঈমান নাই।”
◈ আবু সাঈদ খুদরি রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
مَا أَعْطَى اللَّهُ أَحَدًا مِنْ عَطَاءٍ أَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ

“আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যের চেয়ে উৎকৃষ্ট এবং ব্যাপকতর দান কাউকে দেন নি।” (সুনান আবু দাউদ, অনুচ্ছেদ: নিষ্কলুষ থাকা। সহিহ)

❑ সবরের প্রকারভেদ:

সবর তিন প্রকার। যথা:

✪ ১. আল্লাহর আদেশের উপর সবর করা।
✪ ২. আল্লাহর নিষেধের উপর সবর করা।
✪ ৩. বিপদাপদে সবর করা।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَمَنْ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ يَهْدِ قَلْبَهُ

“আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোন বিপদ আসে না। আর যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে তিনি তাঁর অন্তরকে সঠিক পথের সন্ধান দেন।” (সূরা তাগাবুন: ১১)

আলকামা বলেন, “আল্লাহ তায়ালা ‘যার অন্তরকে সঠিক পথের সন্ধান দেন’ সে হল ঐ ব্যক্তি যে বিপদে পড়লে বিশ্বাস করে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে। ফলে বিপদে পড়েও সে খুশি থাকে এবং সহজভাবে তাকে গ্রহণ করে।”

অন্য মুফাসসিরগণ উক্ত আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বলেন, “যে ব্যক্তি বিপদে পড়লে বিশ্বাস রাখে যে এটা আল্লাহর ফায়সালা মোতাবেক এসেছে। ফলে সে সবর করার পাশাপাশি পরকালে এর প্রতিদান পাওয়ার আশা রাখে এবং আল্লাহর ফয়সালার নিকট আত্মসমর্পণ করে আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন, আর দুনিয়ার যে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তার বিনিময়ে তিনি তার অন্তরে হেদায়েত এবং সত্যিকার মজবুত একিন দান করেন। যা নিয়েছেন তার বিনিময় দান করবেন।”

সাঈদ বিন জুবাইর রা. বলেন, “যে ব্যক্তি ঈমান আনে আল্লাহ তার অন্তরকে হেদায়েত দেন।” এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বলেন, অর্থাৎ সে কোন ক্ষয়-ক্ষতি ও বিপদের সম্মুখীন হলে বলে ‘ইন্নাল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন’ অর্থাৎ আমরা আল্লাহর জন্যই আর তাঁর নিকটই ফিরে যাব। (সূরা বাকারা: ১৫৬)

উক্ত আয়াতে প্রমাণিত হয় যে, আমল ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। আরও প্রমাণিত হয় যে, ধৈর্য ধরলে অন্তরের হেদায়াত অর্জিত হয়।

❑ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা:

প্রতিটি পদক্ষেপে মুমিনের ধৈর্যের প্রয়োজন। আল্লাহর নির্দেশের সামনে ধৈর্যের প্রয়োজন। আল্লাহর পথে দাওয়াতের ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজন। কারণ, এ পথে নামলে নানা ধরণের কষ্ট ও বিপদের মুখোমুখি হতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ… وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ

“তোমার প্রভুর পথে আহবান কর হেকমত এবং ভাল কথার মাধ্যমে। আর সর্বোত্তম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। তোমার প্রভু তো সব চেয়ে বেশি জানেন, কে তাঁর পথ থেকে বিপথে গেছে আর তিনিই সব চেয়ে বেশি জানেন কারা সঠিক পথের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন।…আর ধৈর্য ধর। ধৈর্য ধর কেবল আল্লাহর উপর।” (সূরা নাহল: ১২৫-১২৭)

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে গেলেও চরম ধৈর্যের পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। কারণ, এ পথে মানুষের পক্ষ থেকে নানা ধরণের যাতনার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন আল্লাহ তাআলা লোকমান সম্পর্কে বলেন, (তিনি তার সন্তানকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন):
يَا بُنَيَّ أَقِمِ الصَّلَاةَ وَأْمُرْ بِالْمَعْرُوفِ وَانْهَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَاصْبِرْ عَلَى مَا أَصَابَكَ إِنَّ ذَلِكَ مِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ

“হে বৎস, নামাজ প্রতিষ্ঠা কর, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ কর। আর যে বিপদ আসে তাতে ধৈর্য ধারণ কর। বিপদে ধৈর্য ধরণ করা তো বিশাল সংকল্পের ব্যাপার।” (সূরা লোকমান: ১৭)

মুমিনের ধৈর্যের প্রয়োজন জীবনের নানান বিপদ-মুসিবত, কষ্ট ও জটিলতার সামনে। সে বিশ্বাস করে যত সংকটই আসুক না কেন সব আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। ফলে সে তা হালকা ভাবে মেনে নেয়। বিপদে পড়েও খুশি থাকে। এ ক্ষেত্রে ক্ষোভ, হতাশা ও অস্থিরতা প্রকাশ করে না। নিজের ভাষা ও আচরণকে সংযত রাখে। কারণ, সে আল্লাহর প্রতি গভীরভাবে বিশ্বাসী। সে তকদিরকে বিশ্বাস করে। তকদীরকে বিশ্বাস করা ঈমানের ছয়টি রোকনের একটি।

তকদিরের উপর ঈমান রাখলে তার অনেক সুফল পাওয়া যায়। তন্মধ্যে একটি হল, বিপদে ধৈর্য ধারণ। সুতরাং কোন ব্যক্তি বিপদে সবর না করলে তার অর্থ হল, তার কাছে ঈমানের এই গুরুত্বপূর্ণ খুঁটিটি অনুপস্থিত। অথবা থাকলেও তা খুব নড়বড়ে। ফলে সে বিপদ মুহূর্তে রাগে-ক্ষোভে ধৈর্যহীন হয়ে পড়ে। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খবর দিয়েছেন যে, এটা এমন এক কুফরি মূলক কাজ যা আকিদার মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করে।

❑ বিপদ-আপদের মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মোচন হয়:

আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদেরকে বিভিন্ন বালা-মুসিবত দেন এক মহান উদ্দেশ্যে। তা হল এসবের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দার গুনাহ মোচন করে থাকেন।

05/04/2025

Address

Moulvi Bazar
3251

Telephone

1919648103

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.M Digital e Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share