15/02/2026
কথায় কথায় "জুলাই নেমে আসবে", "গণ অভ্যুত্থান হবে" টাইপের কথাবার্তা কমাতে হবে।
মনে আছে? ঈদের পর কঠোর আন্দোলন আর হরতাল শব্দ দুইটা ইররেলেভ্যান্ট হয়ে গেছিল বিএনপির আমলে?
এরপর জুলাইতে হরতালের বদলে শাটডাউন ইউজ করতে হইছিল।
মোসাদ্দেক আর জুবায়ের এই দুইজন মিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী টার্ম দুইটাকে জোকে পরিণত করেছে।
প্রতিদিন রাত ১০ টায় একবার করে মিছিল করে সরকার ফালাইয়া দেয়।
ফলাফল হইলো, কেউ এখন আর ঐ মিছিলকে সিরিয়াসলি নেয় না।
সরকারকে ব্রিদিং স্পেস দেন আপাতত।
আমরা হাসিনার মত ১৮০ দিন হরতাল করতে চাওয়া বিরোধীদল চাই না।
ইউনূস সরকারের আমলে রাস্তা বন্ধ করতে করতে মানুষ বিরক্ত।
সাত কলেজের পোলাপানের উপর পুলিশের মা*রকে মানুষ কেমনে সেলিব্রেট করছিল, মনে কইরা দেখেন।
সাত কলেজ হয়েন না।
৫ আগস্ট এর পর থেকে রাজনীতি করতে করতে মানুষ ক্লান্ত।
নিজেরাও রেস্ট নেন। মানুষকেও রেস্ট দেন।
আসনভিত্তিক হিসাব নিয়ে বসেন।
যত বিরোধিতা, যত বিপ্লব, যত বিদ্রোহ আর মারামারি সংসদে যাইয়া করেন, আর টকশোতে করেন, প্লিজ।
এইটা ভোট চুরি করে যাওয়া সরকার না যে প্রথম দিন থেকেই সরকারকে শত্রু বানাইয়া রাস্তায় নামতে হবে।
কাজ করার সুযোগ দেন।
অকাজ করলে তখন আপনাদের বলা লাগবে না, মানুষই বলবে রাস্তায় নামতে।
মানুষের বলা পর্যন্ত ওয়েট করেন।
শুধু সরকারি দল না, বরং বিরোধী দলেরও মানুষের কথার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই।
মানুষ চাওয়ার আগেই মিটিং মিছিল হরতাল এসব করে মানুষের বিরক্তি উৎপত্তি ছাড়া আর কিছু পাওয়া সম্ভব না।
গণ-অভ্যুত্থান, জুলাই, ফ্যাসিবাদ এইগুলা খুব শক্ত শব্দ।
নিজেদের ঠুনকো রাজনৈতিক স্বার্থে এই শব্দগুলোর অতি ব্যবহার করে আমরা যেন এই শব্দগুলোকে হরতালের মত করে হারিয়ে না ফেলি।
ঠিক বলছেন Sadiqur Rahman Khan