Md Jiarul

Md Jiarul sherpur

20/10/2022

Kichui bolar nei........

04/06/2020

# পুলিশিনী_যখন_ক্রাস
পর্ব :- ১৬
:::
:::
:-তাই আমি ঠিক করেছি, আমি পুলিশিনীকে ডিভোর্স দিবো? (আমি)
:-কি বলছিস তুই!! (নীলয়)
:-ঠিকই বলছি আমি। (আমি)
:-বন্ধু রাগের মাথায় ভুল কিছু করিস না,,,নাহলে পরে পস্তাতে হবে (কাব্য)
:-আর কি পস্তাবো,,,,যে বউ নিজের স্বামীকে অন্যের কাছে কাজের ছেলে হিসেবে পরিচয় দেয়,,,তার সাথে ডিভোর্স করলে আর কি পস্তাবো!! (আমি)
:-হুমমম,,,বুঝলাম!!! এখন কি করবি!!? (কাব্য)
:-সত্যিই কি তাহলে ভাবীকে ডিভোর্স দিবি!!! (নীলয়)
:-হুমমম!! (আমি)
:-আমার মনে হচ্ছে,, ভাবী তার ভুল বু্ঝতে পেরেছে (কাব্য)
:-আমিও অনেকবার ভেবেছিলাম,,,পুলিশিনী আমাকে ভালোবেসে,,,তাই বিশ্বাস করে ভালোবাসা নিয়ে ওর কাছে গিছিলাম,,,কিন্তু ভালোবাসা পাইনি,,শুধু অপমান আর কষ্ট পেয়েছি!!
তাই আর ওকে বিশ্বাস করতে চাই না!! (আমি)
:-ওকে,,,দেখা যাবে কি হয়!! (নীলয়)
:-হুমমম, আর হে,,আমি সুস্থ হলে আমাকে কলেজে নিয়ে যাবি,,আমি আমার আগের জীবনে ফিরে যেতে চাই!! (আমি)
:-ওকে সমস্যা নেই,,,একাসাথেই যাবো নি!! (কাব্য)
(তারপর ওদের সাথে অনেকক্ষণ কথা বললাম!!
আর বিকালে আমাকে বাসায় আনা হয়!!)
::
::
::
বাসায় এসেই একটু রেস্ট নিলাম,,,,
কিন্তু একটি বিষয় খেয়াল করলাম,,,এর মধ্যে পুলিশিনী আমার সামনে আর আসেনি!!!
কিছুটা অবাক লাগতেছে,,,তবে ভালো লাগছে!!!
কারণ পুলিশিনীকে আমার সহ্য হয় না!!!
তারপর মা আমার রুমে আসলো,,,,
:-বাবা আয়? কিছু খাবার খেয়ে নে? (মা)
:-হুমম!!!(আমি)
(খুব খিদাও লাগছিলো)
(তারপর মার সাথে ধীরে ধীরে হেঁটে খাবারের টিবিলে গেলাম)
::
::
::
খাবাবের টেবিলে গিয়ে দেখি,,,পুলিশিনী খাবারের টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে আছে!!
আমি ওর দিকে না তাঁকিয়ে খেতে বসে গেলাম!!
আর আজকের মেনুতে আমার যেসব খাবার সবথেকে বেশি প্রিয় সেগুলো রান্না হইছে!!
তাই আর দেরি না করে,, খেতে শুরু করে দিলাম!!
:-আহ্হ্হ্হ্,,,খাবারটা আজ অনেক মজা হইছে? (আমি)
:-তাই! (মা)
(পুলিশিনী দাঁড়িয়ে আছে মার পাশে)
:-হুমম,,,মা!! অনেক ধন্যবাদ তোমাকে!! আমার প্রিয় খাবারগুলো এতো ভালো করে রান্না করে খাওয়ানোর জন্য, (আমি)
:-আমাকে ধন্যবাদ না দিয়ে,,শুরুভিকে ধন্যবাদ দে? (মা)
:-কেনো? (খাওয়া বাদ দিয়ে)
:-কারণ,,এগুলো সব ঔই তো রান্না করেছে? (মা)
:-.......(শুরুভি রান্না করছে শুনে আর খাবার গলা দিয়ে নামছে না)
:-মেয়েটি তোর জন্য,,অনেক কষ্ট করে রান্না করেছে,,আমার কাছে এসে বলতেছে,, মা আজ আমি রান্না করবো!!
আর তোর সব প্রিয় খাবারের নাম শুনে রান্না করলো তোর জন্য!! (মা)
:-....... (আমি চুপ করে আছি,,রাগ হচ্ছে পুলিশিনীর এসব আদিকখেতা দেখে)
:-কিরে চুপ করে বসে আছিস কেনো খাঁ? (মা)
:-....... (আমি আর কিছু না খেঁয়ে,,হাঁত ধুতে লাগলাম)
:-কিরে হাঁত ধুচ্ছিস কেনো? (মা)
:-খাবো না!! খাওয়া হয়ে গিছে!!! (আমি)
(এই বলে ওখান থেকে চলে আসলাম)
:- ...?পুলিশিনী মন খারাপ করে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলো)
::
::
:-মা মন খারাপ করিস না,,, (মা শুরুভিকে বললো)
:-নাহ্হ্,,,মা ... আমি যা করেছি তার জন্য আমাকে সবকিছু সহ্য করতে হবে!! (কান্না করে দিছে)
:-কাদিস না মা!! পাগলটা রেগে গেলো কি যে করে কিছুি জানে না!! (মা)
:-হুমমম
::
::
আমি রুমে এসে শুঁয়ে পড়লাম!!
খিঁদে ছিলো,,,কিন্তু,শুরুভি রান্না করছে বলে,খাবার কেনো জানি গলা দিয়ে নামলো না!!
খিঁদে পেটেই এসে শুঁয়ে পড়লাম!!!
::
::
কিছুক্ষণ পরে,,শুরুভি রুমে আসলো,,,
রুমে এসে দাঁড়িয়ে থাকলো কোন কথা না বলে,,,
:- ...(শুরুভি)
(আমি ওকে দেখে না দেখার ভান করে শুঁয়ে থাকলাম)
তখন শুরুভি,,,
:-আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না? (মাথা নিচু করে বললো)
:-সরি,,আমার মতো কাজের ছেলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন কেনো? আমি ক্ষমা করার কে? (আমি)
:-এভাবে বলো না প্লিজ!! আমি অনেক বড় ভুল করে ফেলছি,,আমাকে মাফ করে দেও? (কান্না করে দিলো)
:-এই দেখে নেকা কান্না করবেন নাতো,,সহ্য হয়না!! (রেগে বললাম)
:- ..(পুলিশিনী মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলো)
(কিছুক্ষণ নীরবতা,, কিছুক্ষণ না,, অনেকক্ষণ কেও কোন কথা বলসি না!)
(হঠাৎ পুলিশিনীর ফোন বেজে উঠলো,,,
:-.....(পুলিশিনী ফোনের দিকে তাঁকিয়ে আবার আমার দিকে তাঁকালো,,, আমি বুঝতে পারলাম করিম সাহেব ফোন দিছে)
(কিন্তু শুরুভি ফোন রিসিভ করছে না,,
:-আর ১সপ্তাহ অপেক্ষা করুন,,তারপর ভালো মতো কথা বলতে পারবেন? (আমি রেগে বললাম)
:- ..(অশ্রুভেজা চোখে আমার দিকে তাঁকালো)
:-যান? যান? বাইরে গিয়ে কথা বলে আছেন আপনার নাগর করিম সাহেবের সাথে?
:- .....(ফোনটি কেঁটে গেলো)
::
কিছুক্ষণ পর আবার ফোন আসলো,,,,
:-আরে যান তো ঢং দেখায়েন না!! কথা বলে আসুন বাইরে থেকে!! (আমি)
:- ... (আমার কথা শুনারর সাথে সাথে ফোনটি রিসিভ করেই,,,)
:-ওই সমস্যা কি তোর? বার বার ফোন দিচ্ছিস কেনো? (ফোনে রেগে বললো শুরুভি)
:- ..(এরকম কথা শুনে আমি তো অবাক)
:-আর কখনো আমার ফোনে ফোন দিবি না!! (পুলিশিনী এই বলে ফোনটি কেঁটে দিলো)
:- ..(আমি হেঁসে দিলাম শুরুভির নাটক দেখে)
:- ..(অবাক চোখে শুরুভি তাঁকালো)
:-নাটক ভালোি করতে পারেন!! (আমি)
( পুলিশিনী আর কিছু না বলে,,খাঁটে উঠে আসলো)
:-এই দাঁড়ান কি করছেন? (আমি)
:- ..(ভয় পেলো কিছু টা)
:-আপনি খাঁটে আসছেন কেনো? (আমি)
:-ঘুমাবো না!!
:-তো খাঁটে কেনো? নিচে ঘুমান!! (রেগে বললাম)
:-অনেক শীততত.... (বলতে গিয়ে থেমে গেলো)
:-কি হলো বলেন,, অনেক কী? (আমিও তখন বলে ছিলাম অনেক শীত)
:- ..(পুলিশিনী আর কিছু বলে শীতের মধ্যে ফ্লোরে গিয়ে শুয়ে পড়ো একটি কম্বল নিয়ে)
(আমার কিছুটা খারাপ লাগলো,,,তবুও খাঁটে আসতে বলতে পারলাম না,,মনের বিরুদ্ধে যেতে পারলাম না!!
কারণ মন বলতে তুই কেনো দোয়া দেখাবি,,তোকে তো কোন দোয়া দেখিয়েছিলো না)
(এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমায়ে গেলাম)
::
::
::
কিন্তু রাত যখন,১০টা বাজে,,
তখন আমার ঘুম ভেঙে গেলো,,ফোনের রিংটনের জন্য,,মানে কেও ফোন দিছে!!
তবে ফোনটি আমার ফোনে আসেনি,,শুরুভির ফোনে এসেছে!!
::
::
এতো রাত্রে শুরুভিকে কে ফোন দিলো,,এটি ভেবে আমি ঘুমানোর ভান করলাম,,,
আর শুরুভি ফোনটি রিসিভ করে,,কোন কথা না বলে বাইরে চলে গেলো!!
::
আমার আর বুঝতে অসুবিধা হলো না,,কে ফোন দিছে!!
তারমানে তখন বকাবাজি করলো করিম সাহেবকে,, সব নাটক ছিলো!!
অনেক রাগ হচ্ছে কার সাথে এক সাঁদের নিচে থাকি!!
নাহ্হ্,,এর একটি বিহিদ এখনি করতে হবে!!
::
::
১০মিনিট পর শুরুভি কথা বলে ভিতরে আসলো,,
আর ভিতরে এসে আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে,,
:- ...(অবাক চোখে তাঁকালো)
:- ..(আমি রাগি চোখে তাঁকিয়ে আছি)
:-আসলল.... (ও কিছু বলার আগেই)
:-ঠাসসসসসস (খুব জোরে একটি থাপ্পড় মারলাম)
:- ..(শুরুভি গাঁলে হাত দিয়ে তাঁকালো)
:-যতদিন আমাদের বাড়িতে থাকবি ভদ্র হয়ে থাকবি!!
লুচ্চামি যা করার এ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর করিস (রেগে বললাম)
:- ..(পুলিশিনী কান্না করে দিলো)
:-ওই নেঁকা কান্না করবি না!! আমি ডিভোর্স দেওয়ার পর,,এ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর এসব করে বেড়াস তখন কেও কিছু বলবে না (আমি)
:- ..(কান্না করেই যাচ্ছে)
:-এ বাড়ির একটি সম্মান আছে তোর জন্য সেটি নষ্ট করতে পারবো না!! (আমি)
:- ... (কান্না করতেছেই)
:-ওই যা তো এখান থেকে!! আর যা বলছি মনে থাকে যেনো? (আমি)
:- (কান্না করতেছেই)
:-ধুরররররর (এই বলে চলে আসতে যাচ্ছিলাম তখন,,,
:-আমার মা ইস্ট্রোক করছে,, (শুরুভি)
:- (আমি ঘুঁড়ে তাঁকালাম)
:- ..(পুলিশিনী কান্না করতেছে)
:-কিহ্হ্হ্হ্ (অবাক হয়ে চিৎকার করে আমি)
:-পাশের বাসার রমেশ কাকা ফোন দিয়ে বললো?
(পুলিশিনী)
:-
::
::কেমন হলো জানাবেন
::
::
# চলবে

মেয়েরা পারেও বটে
02/05/2020

মেয়েরা পারেও বটে

কি করে পারলে.....
02/05/2020

কি করে পারলে.....

23/04/2020

#পবিত্র__ভালোবাসা৷৷

ক্যান্সার আক্রান্ত ‘ছেলেটি তার প্রেমিকাকে বলে ছিলো..🗿🍁
—– “আমিতো ‘মরে’ যাবো”!!!😢😢

“কিন্তু, তোমাকে “ভালবাসবে কে,,???
“কে দেখে রাখবে,,???😭😭😭😩🍂🍁

“কে তোমায় “শাসন করবে,,???😒
“ঝগড়া করবে কার সাথে,,???🥺

“তোমার তো রাত জাগার স্বভাব”!!!
“না খেয়ে থাকার বদ অভ্যাস”!!!😋😋

“কে তোমাকে বকা দিয়ে খাওয়াবে,,???
“কে ‘গান শুনিয়ে ঘুম’ পাড়াবে,???😵😩

“তুমি বরং একটা ‘বিয়ে’ করে নাও”!!!
“আমার মৃত্যুর আগেই প্লিজ”!!!😕😕

“আমি অন্তত দেখে যেতে চাই”—- “তুমি ভালো থাকবে”, “আমি না থাকলেও” !!!🤫

“মেয়েটি ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে, “ছেলেটিকে বুকে ‘জড়িয়ে’ ধরে বলেছিলো”—– “চুপ একদম চুপ”!!!🤫🍂

“তোমার কিচ্ছু হবেনা”!!!🤗
“তুমি ছাড়া আমি আর কারও হতে পারিনা”!!!😍

” হবোনা কোনদিন”!!!
“আমি তোমাকেই “ভালবাসি”!!!😍😍😍

” তুমিই আমার “পাগল”!!!
“তুমি ‘মরবে না”!!!☺☺🙂

“মরতে পারোনা”!!!
“স্রষ্টা এমন করতে পারেনা”!!!😥😥

“ছেলেটির চোখ বেয়ে “অজস্র অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে”!!!😭
“বুকের কষ্ট গুলো ছাঁইচাপা আগুনের মত ফুঁসে উঠেছে”!!!🙁🙃

“এমন “ভালবাসার মানুষকে ছেড়ে যেতে হবে,,???🍁🌺

‘“ছেলেটি বললো জানো”—- “আমার অন্ধকারে খুব ‘ভয় লাগে”!!!😭

“অথচ দেখো কদিন পর চিরস্থায়ী অন্ধকারে থাকতে হবে”!!!
“বলোনা কি করে থাকবো,,???😥😥

“খুব ইচ্ছে করছে তোমার বুকে মাথা রেখে, “সারাজীবন আলোয় থাকতে”!!!😍☺

“মেয়েটির চোখে মুখে ‘অশ্রুজলে’ মাখামাখি”!!!😭😥

“দুইজন দুজনকে বুকের মাঝে ‘জড়িয়ে কেদে যাচ্ছে নিরবে”!!!..😭
“এই ঘটনার কিছুদিন পর”—– “ছেলেটির মৃত্যু হয়ে যায়!!!😥😥

“মেয়েটি প্রতি রাতে, “ছেলেটির কবরের পাশে বসে থাকে”!!!🙃🍁

“একের পর এক ‘মোমবাতি জ্বালিয়ে,“ছেলেটি কবর আলোকিত করে”!!!🔥🚪

“রাতে ঘুমায়না এইভেবে যে”—— “ছেলেটি অন্ধকার সহ্য করতে পারেনা”!!!😥

‘ “ইদানীং মেয়েটিরও ‘ক্যান্সার’ ধরা পরেছে”!!!😭

‘খুব টেনশনে আছে মেয়েটি”!!!
” মৃত্যুর চিন্তা না”!!!😓😓

“মেয়েটি ভাবছে সে চলে গেলে, “কবরে ‘মোমের আলো জ্বালাবে কে,,???😩😩😩

“ছেলেটি যে অন্ধকারে খুব ভয় পায়”!!!😭

“ভালো থাকুক ‘পবিত্র ভালবাসা’ ওপারেও”!!!
“হৃদয়ের বন্ধনে আন্তরিকতার টানে”!!!😟😟

[~ #সমাপ্ত~]

কেমন লাগলো জানাবেন।

,,,,,,,,,,,,,💗 💗,,,,,,,,,,,,,,

20/04/2020

#গল্প:বসের অহংকারি মেয়ে যখন বউ
#লেখক:রিফাত

আম্মুঃরিফাত এই রিফাত
আমিঃউমমমম
আম্মুঃভার্সিটি যাবি না ?
আমিঃনা
আম্মুঃকি বললি আজ প্রথম দিন আর
আজকেই যাবি না
আমিঃনা মানে যাব
আম্মুঃখেতে আয়
আমিঃতুমি যাও আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
আম্মু চলে গেল ।
আমি ফ্রেশ হতে ঢুকলাম ।
যতক্ষনে ফ্রেশ হচ্ছি ততক্ষনে
আপনাদেরকে আমার পরিচয়টা দিয়ে দি

আমি হলাম মোঃরিফাত আলি ।
বাবা মায়ের বড় ছেলে ।
আমার একটা ছোট ভাই আছে ।
আমি ফ্রেশ হয়ে গেলাম ।
বাকি পরিচয় পরে একদিন বলা যাবে ।
আসলে আজ আমার ভার্সিটির প্রথম দিন
।কিন্তু আমি যেতে ভয় পাচ্ছি ।
কারন আমি শুনেছি ভার্সিটিতে নাকি
নতুনদের রেগিয় করায় ।
এমনিতেই আমি অনেক ভিতু তার উপর
যদি আজকে উল্টা পাল্টা কিছু করিয়ে
নেয় তাহলে ত আমি শেষ ।
আম্মুঃকি হলো তাড়াতাড়ি আয়
আমিঃআসছি
আমি নিচে গেলাম
আম্মু আমাকে খেতে দিলো ।
আমিঃআম্মু
আম্মুঃবল
আমিঃআজকে আমার সাথে ভার্সিটি চলো
না ?
আম্মুঃকেন?
আমিঃআজকে আমার ভয় করছে ।
আম্মুঃনা একাই যা
আমিঃচলোনা
আম্মুঃতোর থেকে ত তোর ছোটটা বেশি
সাহসি ।
পিছন থেকে হাসির আওয়াজ আসছে ।
পেছনে তাকিয়ে দেখি আব্বু আর ছোট
ভাই দুজনে মিলে হাসাহাসি করছে ।
ভাইঃদেখেছ আব্বু বলেছিলাম না আমি
ভাইয়ার থেকে বেশি সাহসি
আব্বুঃহাহাহাহা এখন ত তাই দেখছি ।
আমিঃআব্বু তুমি আমার সাথে চলো না
আব্বুঃআজকে একটা মিটিং আছে তাই
যেতে পারবো না ।
আমিঃপ্লিজ আজকে চলো না ।
আব্বুঃআজ কোন ভাবেই যেতে পারব না
রে ।দরকার হলে বডিগার্ড নিয়ে যা ।
আমিঃথাক এসবের দরকার নেয় আমার ।
আমি একাই যেতে পারবো ।
আব্বুঃআচ্ছা তোর বডিগার্ডে এত
এলার্জি কেন ?
আমিঃআমি বিনা কারনে শো অফ করতে
পছন্দ করি না ।বাই
এই বলে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে বের হয়ে
আসছিলাম ।কিন্তু পরক্ষনেই আবার
আব্বুর কাছে গেলাম ।
আমিঃটাকা দাও
আব্বুঃকেন ?
আমিঃটাকা না দিলে ভার্সিটিতে
কেমন করে যাব ।
আব্বুঃগাড়ি নিয়ে যা
আমিঃনা বাসেই যাব
আব্বুঃআচ্ছা এই নে টাকা
আব্বু ২০০০ টাকা দিল ।
আমিঃএত টাকা কিসের জন্য
আব্বুঃএই সপ্তাহের পকেট মানি
আমি টাকা নিয়ে চলে গেলাম ।
বাসে করে ভার্সিটির সামনে এসে
নামলাম ।
বাসায় ত অনেক রাগ দেখিয়ে এলাম ।
কিন্তু এখন ভার্সিটিতে ঢুকতে অনেক ভয়
করছে ।
কোন মতে ভিতরে ঢুকলাম ।
চারিপাশে তাকিয়ে দেখলাম যে কিছু
হচ্ছে কি না ।
নাহ সব ঠিক আছে ।
তারপরেও আমার ভয় করছে ।
ভাবছিলাম দৌড়ে ক্লাসে চলে যাব ।
কিন্তু আমি ক্লাসরুম চিনি না ।
হেটে হেটে যাচ্ছিলাম তখনি কে যেন
পিছন থেকে ডাক দিল ।
এই ছেলে বলে ডাক দিচ্ছিল ।
তাই ভাবলাম অন্য কাউকে হয়তো ডাকছে

কে যেন আমার কাধে হাত দিল ।
পিছনে ঘুরে দেখলাম এক ভাই ।
আমিঃজি কিছু বলবেন ?
ভাইটাঃতোমাকে ডাকছি শুনতে পাও না

আমিঃসরি ।জি বলেন কি বলবেন
ভাইটাঃআমি না ওখানে যাও
আমিঃওই গাছের ওখানে ?
ভাইটাঃহুম
আমি ওই গাছের ওখানে গেলাম ।
দেখলাম কয়েকটা ভাই দাড়িয়ে আছে ।
আমিঃআসসালামু আলাইকুম
ভাইয়ারাঃঅলাইকুম আসসালাম
আমিঃজি ভাইয়ারা কিছু বলবেন
ভাইয়ারাঃওই তোর ভাই কে রে ?
আমি ত ওদের দেখে অবাক ।
এরা সবাই মেয়ে ।
শার্ট প্যান্ট পরে আছে তাই বুঝতে
পারিনি এরা মেয়ে ।
আমিঃসরি আপু ।বুঝতে পারি নি
আপুরাঃহুম ঠিক আছে ।ভার্সিটিতে নতুন
এসেছিস ?
আমিঃজি আপু
আপুরাঃহুম ।নাম কি তোর ?
আমিঃরিফাত
আপুরাঃআচ্ছা এখন যা ।
আমিঃআমার ক্লাসটা কোনদিকে একটু
বলে দিলে ভাল হতো ।
আপুরাঃডানে গিয়ে ডানে যা প্রথমটাই
তোর ক্লাস ।
আমিঃধন্যবাদ
আমি আমার ক্লাসে চলে এলাম ।
ক্লাসে সবাই আমার দিকে অবাক চোখে
তাকিয়ে আছে ।
একটা ছেলেঃতোমাকে ওরা কিছু করে
নি ?
আমিঃনা তো ।আপুরা অনেক ভাল ছিল ।
একটা ছেলেঃতোমার ভাগ্য ভালো আজকে
সিমি ছিল না
আমিঃকেন সিমি আবার কে ?
একটা ছেলেঃওদের লিডার ।
ক্লাসে সার চলে আসায় আর কথা হলো না

সব ক্লাস শেষ করে ভার্সিটি থেকে
বাসায় ফিরছিলাম ।
তখনি আবার ওই আপুরা আমায় ডাক দিল ।
আপুরাঃকোথায় যাচ্ছিস ?
আমিঃবাসায়
আপুরাঃকেন তুই আড্ডা দিবি না ?
আমিঃনা দেরি হলে আম্মু চিন্তা করবে

আপুরাঃওলে আমাল আম্মুল বাবুটা ।এত বড়
ছেলে হয়েও আম্মুকে ভয় পাস ।
আমিঃআমি ভয় পায় না ,সন্মান করি ।
আপুরাঃচল
আমিঃকোথায় ?
আপুরাঃরেস্টুরেন্টে
আমিঃযাব না ।
আপুরাঃচুপ বেশি কথা বললে কিন্তু ভাল
হবে না ।তুই নতুন তারপরেও তোকে কিছু
করি নি এটা তোর ভাগ্য ।
আমি ত ভয়ে ঘামতে লেগেছি ।
আমিঃনা না আপু আপনার যা বলবেন তাই
করবো ।
আপুরাঃহাহাহাহা চল ।
ওদের সাথে হাটতে হাটতে
রেস্টুরেন্টে এলাম ।
ওরা ৪ জন আছে ।
আমাকে ১ দিকে বসালো আর ওর ২
সাইডে বসে আছে আর আমার দিকে
তাকিয়ে আছে ।
এক আপুঃতুই এত কিউট কেন রে ?
আরেক আপুঃশুধু কিউট কেন রে কত
হ্যান্ডসাম তাও ।
আরেক আপুঃতুই কি খেতে পাস না ?
আমিঃকেন আপু ?
আপুঃতাহলে তুই এত চিকনা কেন ?
আমিঃএমনিই
খাবার খেয়ে যখন বিল দিতে যাব তখন
আপুরা বললো বিল দিতে হবে না ।
ওনারাই বিল দিল ।আর আমার ফোন
নাম্বার নিল ।
বাসায় গেলাম ।
রাতে শুয়ে শুয়ে বই পড়ছি লাম তখন কে যেন ফোন দিল ।
আননোন নাম্বার ।
কয়েকবার ফোন করার পর ধরলাম ।
অপরপাশেঃকুত্তা এতক্ষন লাগে তোর ফোন ধরতে ?
আমিঃকে আপনি এভাবে গালি দিচ্ছেন কেন ?
অপরপাশেঃসাথি
আমিঃআপু আপনি ।জি বলেন কি বলবেন ?
সাথি আপুঃকাল ভার্সিটিতে এসে কেন্টিনে বসে থাকবি ।
আমিঃজি ঠিক আছে
সাথি আপু হচ্ছে সিনিয়ার গুন্ডি আপুগুলোর মধ্যে একজন ।
সকালবেলা ভার্সিটি গেলাম ।
এখন আর ভয় লাগেনা ।
বড় আপুদের সাপোর্ট আছে ত তাই ।
ভার্সিটিতে ঢুকতে যাব আর ঠিক তখনি একটা গাড়ি এসে ধাক্কা দিল ।
আমি মাটিতে পড়ে গেলাম ।
গাড়ি থেকে একটা মেয়ে বের হয়ে আসলো আর আমাকে
মেয়েটাঃঠাসসসস ।কুত্তা দেখে চলতে পারিস না ।
একে ত নিজে দোষ করলো উল্টা আমাকে মারে ।
আমিঃঠাসসসস ।কুত্তি তুই দেখে গাড়ি চালতে পারিস না ।
মেয়েটাঃতুই আমাকে মারলি আর গালি দিলি ?
মেয়েটা কাকে যেন ডাক দিল ।
কয়েকজন এলো আর
চলবে????
সাড়া পেলে পরের পর্ব লিখতে আগ্রহি হবো

05/08/2019

Shobai akta kore like den amr ai page..plz

13/06/2019

Shopno purene dilam pari..ochin deshe apon chari

Address

Sherpur
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Jiarul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share