21/06/2026
অনেক সময় পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে কাউকে নিয়ে sarcastic comment বা ব্যঙ্গাত্মক রসিকতা করার পর বলা হয়, “আরে, আমি তো মজা করছিলাম! তুমি এত সেনসিটিভ কেন?” কিন্তু বিহেভিওরাল সাইকোলজির দৃষ্টিতে বিষয়টি এতটা সহজ নয়।
এখানে দুটি বিষয় সমান গুরুত্বপূর্ণ— **Intention (উদ্দেশ্য)** এবং **Impact (প্রভাব)**। আপনার উদ্দেশ্য হাসানো হলেও, যদি তা অন্যের আত্মবিশ্বাস বা মানসিক স্বস্তিতে negative প্রভাব ফেলে, তবে সেটিকে শুধু ‘মজা’ বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে এমন আচরণ ‘Psychological Safety’ বা মানসিক নিরাপত্তা নষ্ট করে, যা গবেষণায় ‘Workplace Incivility’ হিসেবে চিহ্নিত। এটি সরাসরি বুলিং না হলেও সুস্পষ্ট অবমাননা হিসেবে কাজ করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটির ঝুঁকি বাড়ায়।
অনেকে সামাজিক চাপে মুখ খোলেন না বলে তাদের নীরবতাকে consent বা unimpacted থাকা’ ভাবা ভুল। স্বাস্থ্যকর হাস্যরস মানুষকে একত্রিত করে, আর অস্বাস্থ্যকর হাস্যরস মানুষকে insecure করে তোলে। তাই একজন ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট মানুষ শুধু নিজের রসিকতার দিকেই নজর দেন না, বরং ভাবেন
“আমার কথায় অন্যজন কেমন অনুভব করলেন?”
মজার ছলে মজাই করুন, অপমান নয়!