10/03/2023
বোনদেরকে বলছি, আপনারা সকল প্রকার হারাম সম্পর্ক থেকে সতর্ক হোন। স্কুল কলেজ কিংবা প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে, যেখানেই থাকেন না কেন, আপনার ইজ্জত এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় সম্পদ। আপনি যদি হারাম সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন অথবা সহশিক্ষায় এখনো যুক্ত থাকেন, তাহলে কখন ক/ফের অপবিত্র হিন্দু্রা আপনার ইজ্জত লুণ্ঠন করে নিয়ে যাবে, আপনি ভাবতেও পারবেন না। আপনার ইজ্জত সম্মান যেভাবে একজন মুসলিম নন-মাহরামের জন্য হারাম ঠিক তেমনিভাবে অমুসলিমদের জন্যেও হারাম।
কিন্তু এখন বাংলাদেশে হিnদুরা মুসলিম মেয়েদের গর্ভবতী করে ছেড়ে দেয়ার এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েছে। এটা নিছক কয়েকজন হিnদুর আবেগতাড়িত যৌবনের আকাঙ্ক্ষা পূরণের অপরাধ নয়, বরং এটা একটা পরিকল্পিত ছক অনুযায়ী সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনাকে জারজ সন্তান দিয়ে অপবিত্র করা। যেই গর্ভ একবার অপবিত্র হয়েছে, সেই গর্ভে আর কখনো নেককার ও ঈমানদার সন্তান জন্ম নিবে না। আল্লাহ না করুক, আপনি ভাবছেন কিছুই হবে না, অথচ কখন কি ঘটবে আপনি টের পাবেন না। আপনার পড়াশোনার চাইতে আপনার ইজ্জতের মূল্য এই উম্মতের কাছে অনেক বেশি।
❛❛লাভ জিহ|দ প্রতিরোধের নামে সেই গ্রুপের সদস্যরা মুসলিম মেয়েদেরকে টার্গেট করছে। প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে, অবচেতন করে, মিথ্যা পরিচয় দিয়ে, মুসলিমদের ছদ্মনাম ব্যবহার করে মেয়েদের সাথে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করছে, বিয়ে করছে, সন্তানের জনক হচ্ছে এবং এরপর তাদেরকে ফেলে চলে যাচ্ছে, ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য বাধ্য করছে! এগুলো শুনে মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়ছে? কাল্পনিক মনে হচ্ছে?
আমিও ভেবেছিলাম এগুলো হয়তো সত্য না। পরবর্তীতে প্রতিবেদনে দেখানো কয়েকটা স্ক্রিনশট যাচাই করার জন্য আইডির ছবি, নাম খুঁজলেই দেখি এগুলো বানোয়াট স্ক্রিনশট না!
এছাড়াও সংবাদমাধ্যমগুলোতে এমন অসংখ্য সংবাদ ইতিমধ্যে দেখা গেছে। বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম আছে যারা চাইলেই এসব তথ্য যাচাই করতে পারে।
গ্রুপ প্রাইভেট হলেও এসব প্রমাণ যোগাড় করা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই না! আমরা বাংলাদেশে কোনো সাম্প্রদায়িক অস্থিতিশীলতা চাই না। দোষীদের পরিচয় উদঘাটন করে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ না নিলে বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে অনেক ভাই আবেগের বশবর্তী হয়ে অনেক কিছু করে ফেলতে পারে যা পরবর্তীতে সবকিছুকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলবে। ❜❜
হিnদুদের এই বিষাক্ত পরিকল্পনা থেকে বাঁচার জন্য সহশিক্ষা থেকে দূরে থাকেন। এটাই সকল সমস্যার মূল গোড়া। আপনাকে পর্দা এবং আল্লাহর বিধান মেনে চলতে হবে। আপনি যদি খামখেয়ালি ভাবে আল্লাহর এই বিধানকে মানতে অস্বীকার করেন, তাহলে কখন কিভাবে আপনার উপর হিnদুরা তাদের নাপাক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে আমাদের জানা নেই। সহশিক্ষা থেকে দূরে থাকুন এবং প্রাইভেট কোচিং সেন্টারেও এই ব্যাপারে সতর্ক হোক। সহশিক্ষায় পড়ার চেয়ে মহিলা মাদরাসায় ভর্তি হোন, অথবা এমনভাবে নিজের শিক্ষা কার্যক্রম সাজান, যেখানে নন মাহরামের সাথে আপনার কোন যোগাযোগ হবে না।
আপনাকে সতর্ক হতে হবে আপনার নিজের জন্য এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য। ভারতীয় মুসলমানদের উপর যেভাবে সেই দেশের হিNদুত্বব াদীরা আক্রমণ করছে এখন ঠিক একই পরিকল্পনা এই দেশের কিছু দালাল হিnদুরা করে আসছে। আমরা চাই আপনারা এই সকল নাপাক পরিকল্পনার অংশ না হোন এবং নিজের ইজ্জত সম্মান রক্ষা করে চলুন। মিডিয়া আপনাদেরকে এই সম্পর্কে অবগত করবে না। আপনাদের কাছে আমাদের কোন স্বার্থ নেই, কিন্তু আপনার ঈমানের কাছে আমরা দায়বদ্ধ। আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন, ইসলামের দিকে ফিরে আসুন।
সংগৃহীত