04/02/2026
২০১৬ সালে বিশ্বের ২ লাখ ১৪ হাজার ব্যক্তির টাকা পাচারের নথি প্রমাণ সহ ফাঁস করে দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।১১.৫ মিলিয়নের এই নথিতে নাম ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া , তারেক রহমান ও কোকোর নাম। কিন্তু ১৪০ টি রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক দের মধ্যে একমাত্র পাকিস্তানের নওয়াজ শরীফ সাজা পেয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ায়। প্যারাডাইস প্যাপারস ডট কম এর দূর্নীতির তালিকায় উঠে এসেছিল খালেদা জিয়ার দুই পুত্র দূর্নীতির অঘোষিত সম্রাট তারেক ও কোকোর নাম।
খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মালয়েশিয়ায় ৪৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের দূর্নীতির চিত্র প্রমাণ সহ প্রকাশ করেছিল পানামা পেপার্স। এছাড়াও "ওয়াকারস ' নামে একটা আইন ফার্মের সহযোগিতায় ২০০২ সালে কর ফাঁকি দিয়ে খালেদা জিয়ার পুত্র কোকো সিঙ্গাপুরে পাচার করেছিলেন ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সম্প্রতি রাজনীতিতে আলোচিত " আই হ্যাভ এ প্লান " তারেক রহমান সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন?
পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছিল খালেদা জিয়ার পুত্র দূর্নীতির অঘোষিত সম্রাট তারেক জিয়ার নাম। লন্ডনের অফশোর ইন্ড্রাস্ট্রির অ্যাপলবি ঠিকানা দিয়ে (১৯৮৬- ২০০৬) সাল পর্যন্ত তারেক জিয়া ট্যাক্স হেভেনে পাচার করেছিলেন ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তারেক জিয়াকে দূর্নীতির বরপুত্র কেন বলা হয় তা এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। বিএনপির হয়ে নোয়াখালী থেকে নির্বাচন করা খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, তার স্ত্রী নাসরিন, তার তিন ছেলে তাবিথ আউয়াল ও তাজওয়ার আউয়াল।১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনে শীর্ষ দশ ধনীর সবাই বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত। একবারও কি বিবেকের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছেন - আগামীর বাংলাদেশ কাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছেন?
তারেক জিয়ার এই অফশোর ইন্ড্রাস্ট্রির পানামা আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিনস আইল্যান্ড, দুবাই ও সিঙ্গাপুরে তারেক জিয়ার মাধ্যমে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মত ব্যবসায়ীরা প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিনিয়োগ করেছে , যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ১.৩ শতাংশ।এত এত অবৈধ অর্থ এইভাবে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে। বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং জগতের অঘোষিত সম্রাট তারেক জিয়া অর্থ পাচারের জন্য এই ট্যাক্স হেভেন বেছে নিয়েছিলেন।
কিন্তু তারেক জিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দূর্নীতিবাজ নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানের এসব গোপন তথ্য ২০১৬ সালে ফাঁস করে দিয়েছিলো পানামা পেপার্স।
নিজেকে কখনো প্রশ্ন করেছিলেন - একসময় মাত্র ৩০০ ডলারের চাকরি করা ইউনূস কীভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের মালিক হলো?
সম্প্রতি সারাবিশ্বে আলোচিত হচ্ছে জেফ্রি এপস্টেইন এর ৩০ লাখ নথির " এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সফারেন্সি অ্যাক্ট" । ১৯৭৬ সালে নারী পা/চার/কারী জেফ্রি এপস্টেইন বিনিয়োগ করেছিলেন আমেরিকার ব্যাংকিং খাতে।১৯৭৪ সালে আমেরিকার ফুড পলিটিক্সের শিকার বাংলাদেশে ইউনূস তৈরি করেছিলেন গরীবের সম্পদ লুট করার " জোবরা প্রজেক্ট।" জেফ্রি এপস্টেইন তখন চাকরি করা শুরু করেছেন ওয়াল্ড স্ট্রীটের বায়ার্নসের সাথে।অল্প বেতনে ডাল্টন স্কুলে গণিতের চাকরি থেকে বহিস্কারের মাত্র ছয় বছরেই ১৯৮২সালে এপিস্টেইন খুলে বসেন নিজের এক বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি " জে এপেইস্টেন এন্ড কো."।১৯৭৪ সালে ' জোবরা প্রজেক্ট ' শূরু করার মাত্র ৯ বছরের মাথায় এপস্টেইন এর মতো করে ইউনূস প্রতিষ্ঠিত করেন নিজের কোম্পানি " গ্রামীণ ব্যাংক ''। ইউনূস ও এপস্টেইন দু'জনেই অর্থনীতি খুব ভালো বুঝেন।তাই এপস্টেইনের মতো ইউনূস তার প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করেছিলেন আমেরিকাকে। এদের দু'জনের এই উন্নতির পেছনে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত তা হচ্ছে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের সাথে তাই ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের এত সখ্যতা।
ইউনূস ২০০৬ সালে যে বছর নোবেল পুরস্কার পেলেন সেই একই বছর খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু নারী ধ/র্ষ/ক এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রিচার্ডসনকে মার্কিন নির্বাচনের জন্য ৫,০০০ মার্কিন ডলার অনুদান দেন।এর ঠিক এক বছর আগেই ২০০৫
সালে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে নিজের ৭৫ একরের পেডোফাইল আইল্যান্ডে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠে এপেস্টাইনের বিরুদ্ধে।১৯৯৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমেরিকার দুই মেয়াদের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন হয়ে এসেছিলেন ইউনূস ও এপস্টেইনের জন্য আশীর্বাদ।বিল ক্লিনটনের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও বন্ধুত্বকে কাজে লাগিয়ে এপিস্টেইন পরিণত হন এক মাল্টি বিলোনিয়ার। ২০০২ সালে জনপ্রিয় নিউইয়র্ক টাইমস পর্যন্ত কিনে নিতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন। অপরদিকে ১৯৯৭ সালে নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিল ক্লিনটনের প্রভাব কাজে লাগিয়ে নরওয়েজিয়ান কোম্পানির সাথে পার্টনারশিপে ইউনূস বাংলাদেশে নিয়ে আসেন গ্রামীণ ফোন।এর পেছনে অর্থায়ন ছিল দেশে দেশে সরকার পরিবর্তন করা ইহুদি জর্জ সোরসের বিনিয়োগ।সোরসের ওপেন ফাউন্ডেশন+ ক্লিনটনের ক্লিনটন ফাউন্ডেশন আর ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশন এক হয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। ইউনূস পরিণত হন এক অর্থনৈতিক দানবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনস্কির যৌন কেলেঙ্কারির কথা সারা বিশ্ব জানে। কিন্তু একজন যৌন নীপিড়ক কীভাবে শান্তির নোবেল খ্যাত ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে যান এবং ২০২৪ সালে সেই ক্লিনটনের " ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ" সম্মেলনে ইউনূসকে সম্মানিত করা হলে ৫ ই আগষ্টের আন্দোলন নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইউনূস নিজ কন্ঠে স্বীকার করেন __
" The students revolution in Bangladesh was not organic but a meticulously designed agitation which did not came naturally."
সত্য কখনোই গোপন থাকে না। বাংলাদেশ নিয়ে ইউনূসের এই মেটিকুলাসলি ডিজাইনড জাতির সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে।এক সময় গ্রামীণ ব্যাংকে ক্ষুদ্র বেতনের চাকরি করা ইউনূস এখন গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক। শুধু তাই নয় গ্রামীণ ফোনের ৪৪ শতাংশ শেয়ারের মালিকও হচ্ছেন এই ইউনূস।এর পেছনের বিনিয়োগ ইহুদি জর্জ সোরোস ও বিল ক্লিনটনের পরিবারের এতে কোন সন্দেহই নেই।এই মেটিকুলাস ডিজাইনের আমেরিকার ৫ বিলিয়ন ডলারের শেখ হাসিনা পতনের প্রজেক্ট ইউনূস তুলে দিয়েছিলেন ধর্ম ব্যবসায়ী ও জ-ঙ্গী সংগঠন জামায়াত শিবিরের হাতে।
এপস্টেইনকে নিয়ে একসময় নিউইয়র্ক টাইমস তাকে বুদ্ধিজীবী ছাপিয়ে প্রতিবেদন ছাপতো।আজ যেমন বাংলাদেশের ভেতর অশান্তির সৃষ্টি করা ইউনূসকে শান্তির নোবেল ভেবে বাংলাদেশের মিডিয়া প্রশংসা ভাসায়। কিন্তু রাশিয়ার ভেরা ফরেস্তেনকোকে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে ইউনূসের অন্ধকার সমাজ্যের বিষয়ে মিডিয়া যেন একদম চুপ।১৯৯২ সালে এপস্টেইন আমেরিকার ম্যানহাটনে সবচেয়ে বড় বাড়ি কিনে আলোচনার এসেছিলেন। অন্যদিকে তার ঠিক এক বছর পর ১৯৯৩ সালে ডক্টর ইউনুস আলোচনায় এসেছিলেন ডক্টর কামালের সাথে " আমার দল" নামক রাজনৈতিক দল তৈরি করে।এই দু'জনের ক্ষমতা ও অর্থের উৎস ছিল ১৯৯৩ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া বিল ক্লিনটন।বিল ক্লিনটন ছিলেন এপস্টেইন ও ইউনূসের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ইউনূসের ক্ষমতার উৎস সবসময় ছিল আমেরিকা। ইউনূস কখনোই বাংলাদেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করেননি। ইউনূস বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসের এক দানব।এর মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের ব্লাকমেইল করতেন।মানি লন্ডারিং করার জন্য , ট্যাক্স হেভেনে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কর ফাঁকি দিতেন।একই মানি লন্ডারিং মামলায় এপস্টেইন অভিযুক্ত হয়েছেন আমেরিকায়।
বিশ্ব বিখ্যাত ফাঁস হওয়া উইকিলিকসের নথিতে বাংলাদেশের জঙ্গীদের মদদদাতা হিসেবে ফাঁস হয় তারেক জিয়ার নাম।২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার সরাসরি তারেকের সম্পৃক্ততা এবং জ-ঙ্গী সংগঠন জেএমবির বাংলা ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ কামরুলের সাথে তারেক জিয়ার কথোপকথন ফাঁস।উইকিলিকসের এই বোমশেল ছিল বিএনপি ও জামায়াতের নষ্ট রাজনীতির মুখে এক বিশাল চপোটাঘাত।তারেক জিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফরি এফ মরিয়ার্টি লিখেন, " সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দুষ্টু ও ভয়ঙ্কর পুত্র হচ্ছে তারেক।" তারেক রহমান সম্পর্কে বলতে গিয়ে মরিয়ার্টি আরও বলেছেন, " তারেক রহমান ভয়ঙ্কর রাজনীতিবীদ এবং দূর্নীতি ও চুরির মানসিকতাসম্পন্ন সরকারের প্রতীক।" এই দূর্নীতির বরপুত্রকেই ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত " হাওয়া ভবন" এ পাহারা দিয়ে রেখেছিল জামায়াত শিবির। এজন্য যখনি দূর্নীতির প্রসঙ্গ উঠে আসে তখন জামায়াত হয় তার পাহারাদার। বিএনপির সারাবিশ্বে দূর্নীতিতে প্রথম স্থান অধিকারের দূর্নীতির হ্যাটট্রিকের সবচেয়ে বড় অংশীদার ছিল এই জামায়াতে ইসলাম।
‼️ভাবেন , প্লিজ ভাবতে থাকুন।অন্তত দেশটা বাঁচান‼️
সত্য সবসময় সুন্দর।