Black man

Black man আল্লাহ ভরসা
(48)

15/06/2026

স্বপ্নের কোনো বংশপরিচয় হয় না, সাফল্যেরও কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। ✨

অক্সফোর্ডের ঐতিহ্যবাহী মঞ্চে আজ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখলেন বাংলাদেশের এক তরুণ। একজন রাজমিস্ত্রির সন্তান হিসেবে জীবনের নানা সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে তিনি পৌঁছে গেছেন এমন এক জায়গায়, যেখানে একসময় বক্তব্য রেখেছেন Albert Einstein ও Winston Churchill।

Hasnat Abdullah তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন সংগ্রাম, স্বপ্ন আর অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প। বাংলাদেশের আরেক তরুণের সঙ্গে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছেন নতুন প্রজন্মের সাহস, মেধা ও সম্ভাবনাকে।

Oxford Union–এর মতো বিশ্বখ্যাত মঞ্চে তাঁদের উপস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের তরুণ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।

এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জন্ম নয়, মানুষের পরিচয় তৈরি হয় তার পরিশ্রম, অধ্যবসায় আর স্বপ্ন দেখার সাহসে। যোগ্যতা থাকলে কোনো বাধা, কোনো সীমাবদ্ধতা কিংবা কোনো সামাজিক অবস্থানই একজন মানুষকে থামিয়ে রাখতে পারে না। 🖤🇧🇩

15/06/2026

ওমা! মনে হচ্ছে দেশের চেয়ে লন্ডনেই যেন এনসিপির সমর্থকদের উচ্ছ্বাস একটু বেশি!

অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণে যখন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সাদিক কায়েম ঐতিহাসিক সেমিনার কক্ষে প্রবেশ করছিলেন, তখন চারপাশে একটাই স্লোগান বারবার ধ্বনিত হচ্ছিল— "ইনকিলাব জিন্দাবাদ! ইনকিলাব জিন্দাবাদ!"

পুরো পরিবেশটাই ছিল উৎসবমুখর আর আবেগে ভরপুর।

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ যেভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ইংরেজিতে বক্তব্য উপস্থাপন করলেন, তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। তাঁর কথার স্পষ্টতা, উপস্থাপনার দক্ষতা এবং দৃঢ়তা উপস্থিত সবার মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে। শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, তাঁর বক্তব্য কতটা প্রভাব ফেলেছে।

এমন আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা নিঃসন্দেহে গর্বের। হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সাদিক কায়েম আজ শুধু নিজেদের নয়, বরং বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনা, আত্মবিশ্বাস এবং সক্ষমতাকেই বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।

সেই মুহূর্তে কবির সেই বিখ্যাত লাইনটি যেন নতুন করে মনে পড়ে যায়—

"আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।"

বাংলাদেশের তরুণরা এগিয়ে যাক, তাদের সাফল্যে বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠুক লাল-সবুজের পতাকা। ❤️🇧🇩

14/06/2026

সংসদে বোরকা ও হিজাব পরা নারী এমপিদের নিয়ে কটাক্ষ করে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্য বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তিনি বলেন, "আপনারা লেখাপড়া করে সংসদ সদস্য হয়েছেন, দুইজনের বক্তব্য শুনলাম কিন্তু বুঝলাম না কারা আপনারা।"

বক্তব্যের পর সংসদের বিভিন্ন আসন থেকে হাসাহাসি ও টেবিল চাপড়ানোর দৃশ্যও দেখা যায়। তবে তখনই ডেপুটি স্পিকার হস্তক্ষেপ করে বলেন, "ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।"

প্রশ্ন হলো, দেশের সামনে যখন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আইনশৃঙ্খলার মতো অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তখন একজন নারী কী পোশাক পরবেন বা কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন—সেটাই কি সংসদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত?

মতাদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে, রাজনৈতিক মতবিরোধও থাকতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের পোশাক, ধর্মীয় অনুশীলন বা ব্যক্তিগত পছন্দকে উপহাসের বিষয় বানানো কোনো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিচয় হতে পারে না।

সংসদ হওয়া উচিত নীতি, যুক্তি ও জনগণের সমস্যা সমাধানের জায়গা; ব্যক্তিগত পরিচয় বা পোশাক নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপের মঞ্চ নয়।

13/06/2026

💥❤️

13/06/2026

🌻 একজন শহীদের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না, কিন্তু সম্মান জানানো যায়।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদদের একজন ছিলেন ওয়াসিম আকরাম। চট্টগ্রাম কলেজের ইংরেজি বিভাগের শেষ বর্ষের এই শিক্ষার্থী ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় আন্দোলনের সময় প্রাণ হারান। তার আত্মত্যাগ দেশের মানুষের হৃদয়ে আজও গভীরভাবে স্মরণীয়।

সম্প্রতি কক্সবাজারের পেকুয়ায় ওয়াসিম আকরামের বাড়িতে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। এ সময় তিনি ওয়াসিমের পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তার মায়ের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন।

একজন মায়ের কাছে সন্তানের শূন্যতা কখনো কোনো অর্থমূল্যে পূরণ হওয়ার নয়। সন্তানের হারানোর বেদনা সারাজীবনের। তবুও রাষ্ট্র যখন শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ায়, তখন সেটি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়—এটি কৃতজ্ঞতা, সম্মান এবং আত্মত্যাগকে স্মরণ করার একটি প্রতীকী অঙ্গীকার।

ওয়াসিম আকরামের মতো তরুণদের ত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের স্মৃতি বেঁচে থাকবে মানুষের ভালোবাসায়, ইতিহাসের পাতায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুপ্রেরণায়।

শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সম্মান। 🌻🖤

12/06/2026

ছবিটা নিশ্চয়ই আপনারও চোখে পড়েছে!

নায়িকা পূর্ণিমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন নারীকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, তিনি নাকি পূর্ণিমার ক্লাসমেট। ছবিটা দেখে কেউ অবাক হচ্ছেন, কেউ মজা করছেন, আবার কেউ তুলনা টানছেন।

কিন্তু একটু ভেবে দেখলে, এখানে অবাক হওয়ার মতো খুব বেশি কিছু নেই। আসলে এই ছবির ভেতরে লুকিয়ে আছে জীবনের দুইটা ভিন্ন গল্প। দুইটা ভিন্ন পথচলার গল্প।

একদিকে আছেন পূর্ণিমা, জয়া আহসানদের মতো তারকারা। তাদের পেশার বড় একটা অংশই হলো নিজের ফিটনেস, সৌন্দর্য আর ব্যক্তিত্বকে ধরে রাখা। নিয়মিত ডায়েট, ব্যায়াম, স্কিনকেয়ার, পর্যাপ্ত বিশ্রাম—সবকিছুই তাদের কাজের অংশ। বছরের পর বছর নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য যে পরিশ্রম আর শৃঙ্খলা লাগে, সেটাও কম প্রশংসার নয়।

অন্যদিকে আছেন আমাদের ঘরের মায়েরা, খালারা, চাচিরা।

তাদের দিনের শুরু হয় পরিবারের চিন্তা দিয়ে, শেষও হয় পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই। তারা ক্যালোরি গুনে খাবার খাননি, কিন্তু সন্তান পেট ভরে খেয়েছে কি না, সেটা নিশ্চিত করেছেন। তারা জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাননি, কিন্তু ভোর থেকে রাত পর্যন্ত সংসারের হাজারো কাজ সামলেছেন। নিজেদের শখ, ইচ্ছা, স্বপ্ন—কত কিছু যে চুপচাপ সরিয়ে রেখেছেন পরিবারের হাসিমুখ দেখার জন্য!

তাই বয়সের ছাপ যদি তাদের মুখে পড়ে থাকে, সেটা কোনো দুর্বলতার চিহ্ন নয়। বরং সেটা অসংখ্য ত্যাগ, ভালোবাসা আর দায়িত্ব পালনের নীরব সাক্ষী।

আমরা প্রায়ই সৌন্দর্যকে শুধু বাহ্যিক রূপে মাপতে চাই। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মানুষগুলো অনেক সময় তারাই, যাদের হাতের রেখায় পরিশ্রমের গল্প লেখা থাকে, যাদের চোখের কোণে জমে থাকা বয়সের ছাপের পেছনে লুকিয়ে থাকে পরিবারের জন্য অসংখ্য নির্ঘুম রাত।

পর্দার তারকারা অবশ্যই সম্মানের দাবিদার। নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে তারা কঠোর পরিশ্রম করেন।

কিন্তু ঘরের সেই নারী, যিনি নিজের যৌবন, আরাম আর স্বপ্নের অনেকটা অংশ পরিবারকে দিয়ে দিয়েছেন—তিনি কোনো অংশে কম নন।

বরং আমাদের কাছে তিনিই সবচেয়ে বড় তারকা। কারণ সিনেমার নায়ক-নায়িকারা লাখো মানুষের মন জয় করেন, আর একজন মা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তোলেন পুরো একটা জীবন। ❤️

জীবনের পথ সবার জন্য এক রকম হয় না। কেউ নিজের স্বপ্নকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায়, কেউ আবার নিজের স্বপ্নের চেয়ে প্রিয়জনদের স্বপ্নকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

দুই পথই সম্মানের, দুই গল্পই সুন্দর। তাই তুলনা নয়, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা থাকুক সবার জন্য। ❤️🥰

11/06/2026

WTF!!

08/06/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়তো এই প্রথম এত সংখ্যক শিক্ষার্থী একসঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন ও সংসদের অধিবেশন দেখার সুযোগ পেল। কথা দিয়েছিলেন, আর সেই কথা রেখেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

কুমিল্লার দেবিদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর আমন্ত্রণে তারা সংসদ ভবনে যান এবং সরাসরি অধিবেশন উপভোগ করেন।

সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো—এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার সেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের, যারা ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জন করেছে। পরিদর্শন শেষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে স্মারক উপহারও তুলে দেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

শুধু সংসদ ভবন দেখানো নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এমন দৃশ্য সত্যিই বিরল, এমন দৃশ্য আগে খুব কম মানুষই দেখেছে।

মেধাবী শিক্ষার্থীদের মুখের হাসি আর তাদের চোখের উচ্ছ্বাসই বলে দেয়—দিনটি তাদের জীবনের স্মরণীয় একটি দিন হয়ে থাকবে। ❤️🇧🇩

🤣
07/06/2026

🤣

বেইজ্জতিরও একটা লেভেল থাকা উচিত, কিন্তু এই দৃশ্যটা দেখে মনে হয় লেভেলটাই আপডেট হয়ে গেছে!

আজকে মহিলা সংরক্ষিত আসন থেকে প্রথমবার সংসদে গিয়ে এক আন্টি বেশ উৎসাহ নিয়ে স্পিকারকে বললেন—
“মাননীয় স্পিকার, আমিও আপনার মতো সাতবার এমপি হতে চাই!”

কথাটা শুনে মনে হয় একটু ‘তেল-মাখানো প্রশংসা’ই দিলেন, কিন্তু স্পিকার মহোদয় ছিলেন একেবারে অন্য মুডে

তিনি সাথে সাথে স্মার্ট একটা রিপ্লাই দিলেন—
“সাতবার এমপি হতে চাইলে শুধু বক্তৃতা দিলেই হবে না, এলাকার মানুষের সাথে থাকতে হবে, কাজ করতে হবে, তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে!”
ব্যস! মুহূর্তেই পুরো হাউজে একটা সাইলেন্ট কমেডি শো শুরু 😆

আন্টি হয়তো ভাবছিলেন একটু পলিটিক্যাল পামপট্টি মারবেন… কিন্তু এখানে দেখা গেল, স্পিকার সাহেব নিজেই “রিয়েলিটি চেক” দিয়ে দিলেন! 🤣

মনে হয় আন্টি এখন বুঝে গেছেন—
এখানে শুধু কথা না, কাজটাই আসল “ভোট ব্যাংক”!

06/06/2026

ভা-র-তে-র কপালে আজ থেকে শনি লাগে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়!

ঠিক দুই বছর আগে, ৬ জুন ২০২৪-এ কোটা আন্দোলনের ডাক দিয়ে মাঠে নেমেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এরপর আওয়ামী লীগের ভাগ্যে কী ঘটেছিল, সেটা সবারই জানা।

আজ আবার ৬ জুন। ভা-র-তে ককরোচ জনতা পার্টি শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষা কেলেঙ্কারি, বেকারত্ব ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তরমন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করেছে। ইতোমধ্যে তাদের অন্যতম মুখ অভিজাত দীপকও দেশে ফিরেছেন।

এখন অপেক্ষা মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের। তাদের মুখ থেকে একটা উল্টাপাল্টা কথা বের হলেই খেলা জমে যেতে পারে! তার ওপর যদি কোনো সাংবাদিক প্রভাস আমিন বা মুন্নি সাহা স্টাইলে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, তাহলে তো ক্ষীর একেবারে ঘন হওয়ার সম্ভাবনা আছে! 😂

দেখতে থাকি, নাটকের পরের পর্বে কী হয়! 🍿😆
#ককরোচজনতাপার্টি

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Black man posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share