Beauty of Islam

Beauty of Islam পরিপূর্ণ মানসিক শান্তি " একমাত্র আল্লাহর দিকেই রেখেছে। আলহামদুলিল্লাহ
(3)

🥰
05/05/2026

🥰

18/02/2026

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে এই রমাদানে তাকওয়া, আমলে ইখলাস, আত্মশুদ্ধি অর্জনে এবং নতুন করে আবারো হেদায়েতের আলোয় আলোকিত করুন।💗

05/02/2026

ٱلْأَخِلَّآءُ يَوْمَئِذٍۭ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا ٱلْمُتَّقِينَ

আলআখিল্লাউ ইয়াওমাইযিম বা‘দুহুম লিবা‘দিন ‘আদুওউন ইল্লাল মুত্তাকীন।

বন্ধুবর্গ সেদিন একে অপরের শত্রু হবে, তবে খোদাভীরুরা নয়।

Friends on that day will be foes, one to another,- except the Righteous.

30/01/2026

ইয়া রব

27/01/2026

"ঐ ব্যক্তি কীভাবে বুদ্ধিমান হতে পারে যে কিছু সময়ের স্বাদ উপভোগের জন্য জান্নাতকে বিক্রি করে ফেলে?"

- ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)

অবিবাহিতরা দু'আ কবুলের সিজনে উত্তম জাওজ, পরিবার আর অন্যান্য নি'আমতের আবদার গুছিয়ে আল্লাহর কাছে পেশ করার জন্য এই দুআ লিস্...
26/01/2026

অবিবাহিতরা দু'আ কবুলের সিজনে উত্তম জাওজ, পরিবার আর অন্যান্য নি'আমতের আবদার গুছিয়ে আল্লাহর কাছে পেশ করার জন্য এই দুআ লিস্টটার হেল্প নিতে পারেনঃ

(এটা মূলত অবিবাহিতাদের জন্য। বিবাহিতারা বাক্যগুলোকে পরিবর্তন পরিমার্জন করে নিন ইন শা আল্লাহ)

ইয়া আল্লাহ! ইয়া রহমানুর রহিম! আমি আপনাকে ডাকছি আপনার সুন্দরতম নামসমূহের মাধ্যমে। যে নামগুলো আপনি আপনার জন্য রেখেছেন, আপনার কিতাবে উল্লেখ করেছেন এবং আপনার সৃষ্টিকে শিখিয়েছেন, যে নামগুলো আপনি গায়েবের জ্ঞানের মাধ্যমে অপ্রকাশিত রেখেছেন, সেই প্রতিটি নাম ধরে আজ আমি আপনার কাছে ফরিয়াদ করছি।

ইয়া আল্লাহ! সালাত ও সালাম পেশ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদের উপর। আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিইয়্যিনা মুহাম্মাদ..

হে রব্বুল আলামিন!
আমায় এমন কাউকে দান করুন, যিনি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার সঙ্গী হবেন। আমাকে দ্বীনের পথে আগলে রাখবেন।

رب إني لما أنزلت إلي من خير فقير.

হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ ازْوَاجِنَا وَذُريَّتِنَا قُرَّةَ اعْيُنِ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ করুন।

হে আমার প্রতিপালক, নিশ্চয়ই আপনি অসীম দয়ালু, পরম করুনাময় । আপনি আমার উপর দয়া করুন।
আমাকে ইসলামে পরিপূর্ণ রূপে অন্তর্ভুক্ত কর এবং ইসলামের পথে আমাকে মজবুত করতে একজন দ্বীনদার, নেককার, পরহেজগার, সৎ, সাহসী ও আল্লাহভিরু জীবনসঙ্গী দান করুন। যিনি হবেন মুত্তাকীদের একজন, আপনার প্রিয় বান্দাদের একজন,
ইলমওয়ালা, তাকওয়াবান, আমাকে এবং আমাদের পরিবারকে ইসলাম অনুযায়ী চলতে এবং আপনার নৈকট্য অর্জনে উত্তম সাহায্যকারী। এমন একজন আমাকে দান করুন যিনি আমার প্রতি সদয় আচরন করবেন, আমার ব্যাপারে ধৈর্য ধারন করবেন, আমার হক্ব রক্ষায় আপনাকে ভয় করবেন।

হে আমার রব, আপনি ছাড়া তো আমার আর কোন সহায় নেই। আপনি আমার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীকে সাহায্য করুন, হেফাজত করুন, উনাকে সত্যিকারের মু'মিন হিসেবে তৈরি করুন। উনাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ দান করুন, উনাকে উত্তম রিযিক দান করুন। আর আমাকেও উনার উপযুক্ত করে উনার দ্বীন পূরণে সহায়তা করুন। শারীয়াহ'র সীমায় থাকা প্রতিটি ক্ষেত্রে আমি যেনো আপনার সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য উনার আনুগত্য করতে পারি! বিয়ের আগে অথবা পরে কখনোই আমকে উনার জন্য বা উনাকে আমার জন্য ফিতনার কারণ বানাবেন না। দ্বীন কায়েমের পথে বাঁধা সৃষ্টিকারী বানাবেন না।

হে আমাদের প্রভু, আপনি আমাদেরকে ইসলামের উপর অটল রাখুন, আমাদের উপর রহম করুন এবং আপনার সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়তা করুন। আমরা যেন সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ, বিপদ-আপদ সকল সময়ে এক সাথে আপনার পথে থাকি, আপনার ইবাদত করি এবং আপনার প্রশংসা করতে পারি ।

এমন কাউকে দান করুন, যিনি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার সঙ্গী হবে। আমাকে দ্বীনের পথে আগলে রাখবেন। বেহাত মুহাব্বাত করবেন। এমন মুহাব্বাত, যা পছন্দ করেন আপনি এবং আপনার রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এমন জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিন যিনি হবেন আপনার রঙে রঙ্গিন। আর সাথে রাঙিয়ে দেবে আমাকেও, আপনার-ই রঙে!

ওগো রব! বাহ্যিক দ্বীনদারিত্ব অনেককেই আজ ঘায়েল করে বসেছে। উপরে দ্বীনদারিত্বের মোড়কে নিজেকে আগলে নিলেও, দিলে দ্বীনদারিত্ব আগলে নিতে পারেনি অনেকে। এমন লোক থেকে রব আমাকে হেফাজত করুন। এমন জীবনসঙ্গী দান করুন, যিনি প্রকৃত অর্থেই দ্বীনদার আর আমাকেও দ্বীনদার বানিয়ে আপনার পথে হাঁটতে শেখাবে।

হে অন্তরের মালিক! ইলমহীন অন্তর তো একদম শূন্য। যেকোনো সময় শয়তান ধোঁকা দিতে পারে। তাই এমন একজন জীবনসঙ্গী আমাকে দান করুন, যিনি দ্বীন পালনের মতো সঠিক জ্ঞান রাখে। এমন জ্ঞান যা সমাজে ফিতনা সৃষ্টি করে না। ঈমান ধ্বংস করে না। যার ইলম নিজেকে দ্বীনের পথে রাখতে পারে না তার থেকে আমাকে হেফাজত করুন! এমন একজনকে দান করুন, যিনি শুধু ইলমের অধিকারী না, আমলেরও করেন যথাযথ পাবন্দি।

হে কা'বার মালিক! ফিতনা ভরা যোগে একাকী ঈমান আগলে বাঁচা কঠিন।
হে পরওয়ারদিগার! এমন কাউকে দান করুন, যিনি ফিতনা থেকে আমাকে আগলে রাখবে। নিজেও ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে। আমি যে একাকী আর ফিতনার সাথে লড়তে পারছি না মালিক!

আমাকে আপনার পছন্দের কাউকে মিলিয়ে দিন, যিনি শুধু আমাকে ভালোবাসবে না, সাথে আপনাকেও ভালোবাসতে শেখাবে। রব আমি যে আপনাকে ভীষণ ভালোবাসতে চাই! চাই প্রিয়মানুষটাকে সঙ্গে নিয়ে আপনার সিজদায় মন ভরে কাঁদতে।

হে আরশের অধিপতি! এমন কাউকে দান করুন, যার মাধ্যমে পৃথিবীতে আসবে নেক সন্তান! যে হবে ইলমের ময়দানে আলিমগণের রাহবার আর জি-হা-দের ময়দানে মুজাহিদদের সিপাহসালার!

হে মালিক! আমাদের এমন সন্তান দান করুন! যে হবে আপনার ঘর মসজিদে আকসা উদ্ধারকারী! যে হবে গজওয়াতুল হিন্দের অংশীদার।
হে রব! দ্বীনের পূর্ণতা দানে আমার জীবনসঙ্গীকে উত্তমরূপে আমার জীবনে মিলিয়ে দিন যাকে দেখে আমি আপনার দুয়ারে কৃতজ্ঞতা আদায় করে বলব – মালিক আলহামদুলিল্লাহ! আমি জিতেছি, চাওয়া জিনিসটা থেকেও আপনার কাছে ভীষণ বেশি পেয়েছি।

হে আল্লাহ আমাকে এমন একজন নেক জীবনসঙ্গী দিন, যাকে আপনি ভালোবাসেন। যিনি আপনাকে ভালোবাসবেন!

আমার জীবনে পাঠিয়ে দিন;যে আমাকে ভালোবাসে গ্রহণ করবে। যে পরিপূর্ণ সুন্নাহ অনুসারে জীবন গঠন করবে;যে আমার দুনিয়া ও আখিরাত দুইটাই সাজিয়ে দিবে। আমাকে দ্বীনি পালনে সাহায্য

করবে,যার সাথে আমি একসাথে জান্নাতে থাকতে পারবো। ইয়া হায়্যি ইয়া ক্বয়্যিমু ইয়া জুলজালালী ওয়াল ইকরম আমাকে একজন চক্ষুশীতল কারী স্বামী দিন; যার সাথে কথা বললে মনে হবে সে একজন 'হাকিম (ন্যায় বিচারক) আমার সাথে রাগ করলে হবে 'হালিম (ধৈরশীল)

আমার ভরণপোষণে হবে 'কারিম (উদার,অকৃপন)

আর আমার সাথে কোনো ওয়াদা করলে হবে 'ওয়াফী (ওয়াদা রক্ষাকারী)।

আল ওয়াদুদ (বন্ধুত্বপূর্ণ রব, সাহায্যকারী রব) আর রউফ(স্নেহশীল রব) আমাকে এমন একজন জীবনসঙ্গী দিন যে আমার প্রতি অনেক যত্নশীল হবে। আমার পরিবারের সবাইকে আপন করে নিবে, এবং মনে প্রাণে ভালোবাসবে। একজন ভদ্র, শিক্ষিত, জ্ঞানী,ধৈর্যশীল, সৎ কর্মশীল হালাল উপার্জনকারী। হারাম হালাল কুসংস্কার সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন।

বন্ধুত্বপূর্ণ নরম মনের অধিকারী। স্ত্রীর হক যথাযথ পালনকারী। আত্নীয়দের সাথে সম্পর্ক

রক্ষাকরী। যাকে আমি একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে পাবো; আমি যাকে অনেক সম্মান করবো শ্রদ্ধা করবো। যাকেই আমি পরিপূর্ণ ভাবে ভালোবাসতে পারবো।

* অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে আমি তার মুখাপেক্ষী।

(সুরা কাসাস ২৮: আয়াত ২৪) رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ ازْوَاجِنَا وَذُريَّتِنَا قُرَّةَ اعْيُنِ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

• অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।

(সুরা ফুরকান ২৫: আয়াত ৭৪ )

হে আল্লাহ, আমার জন্য একটা ভালো পরিবারের ব্যবস্থা করে দিন ভদ্র পরিবারের ব্যাবস্থা করে দিন; যে পরিবারের সবাই ইসলামিক ইসলামিক মনমানসিকতার হবে। যেখানে দ্বীনি পালনের জন্য সবকিছু

সহজ হবে। আপনি দেখবেন আমার যেন একজন সুন্দর মনের শাশুড়ী হয়, যে আমাকে নিজের মেয়ের মতো করে ভালোবাসবে; যার সাথে আমার অনেক সুন্দর সময় কাটবে। হে আল্লাহ আমাকে তাদের ভালোবাসা দিন যাদের কে আপনি ভালোবাসেন। আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা হুব্বাক ওয়া হুব্বা মাইয়্যু হিব্বুক।

ইয়া আল্লাহ তুমি আমাকে তোমার নেককার, স্বলেহীন, মুকাররাবিন, মুহসিন, মহাসৌভাগ্যবান, মহাসাফল্যবান, মুস্তাযাবুদ-দাওয়া, তাকওয়াবান, অসীম তাওয়াক্‌কুলকারী, উত্তম সচ্চরিতবান, ক্ষমাশীল, দয়ালু, দানশীল, রাগ সংবরণকারী, আবদান, শাকুর, সাবরুন জামিল, যিনি কিনা তোমার অল্পসংখ্যক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।তেমন বান্দা তুমি আমাকে উত্তম চক্ষুশীতলকারী জীবন সঙ্গী হিসেবে দান করো। দান করো অঢেল বারাকাহর সাথে, কল্যাণের সাথে, সম্মানের সাথে, অত্যান্ত সহজতার সাথে কম মোহরানার বরকতময় সুন্নাহ সম্মত বিয়ের মাধ্যামে। এবং তা যেন হয় অত্যান্ত বরকতময় সময়ে।

ইয়া রব্বি আপনিতো খুব ভালো করেই জানেন আমি কি চাই। ইয়া আল্লাহ এমন জীবন সঙ্গী দিয়েন যাকে দেখলে আমার চোখ জুরাবে।যাকে দেখলে আমার কাছে মনে হবে ইনিই দুনিয়ার সবথেকে উত্তম পুরুষ। ইয়া আল্লাহ আপনিতো জানেন আমি কেমন,আর কেমন মানুষ অপছন্দ করি। ইয়া রব্বি আপনি তো জানেন আমি ছেলে মানুষের এই এই স্বভাব (খুতখুতে, দোষ ধরা, স্ত্রীকে মারধোর করা, স্ত্রী কে না বুঝা, ছোট ছোট চাওয়ার প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া, নিজের ফ্যামিলির সাথে মেলামেশায় সবকিছুতে পাবন্দি শশুর বাড়ির থেকে এটা সেটা অযথা নেয়া, চাওয়া, প্রেশার দেয়া) দেখতে পারিনা।আপনি তো উত্তম ফয়সালা কারী ইয়া রব্ব, আপনি তো সামিউল বাসির,সর্বশ্রেষ্ঠ, সর্বশক্তিমান, সর্বশ্রোতা,। প্রতিশ্রুতি পালনে আপনার চেয়ে উত্তম কে আছে ইয়া রব্ব? এমন একজন কে দান করুন যিনি কিনা আমাকে বুঝবে।

ইয়া আল্লাহ আমি রাগ করলে যেন।আমার স্বামী সেটা বুঝে, এবং আমার রাগ ভাঙানোর ট্রাই করে। আপনি তো জানেন ইয়া রব্ব আমি কতটা অভিমানি,অভিমান হলে মুখ ফুটে আমার কিছুই বলতে ইচ্ছে করে না। উনি যেন আমার চোখ দেখেই সব বুঝে যান, আমাকে যেন আমার মতো করে বুঝেন। অভিমান ভাঙানোর ট্রাই করেন খুউউব।আমার ছোট খাটো দুষ্টমি গুলো যেন ওনার বিরক্ত না লাগে, ইভেন আমার কোনো কিছুতেই যার বিরক্তি আসবে না এমন কাউকে দান করেন ইয়া রব্ব ।

জানেন আল্লাহ আমার খুউব কান্না পায়। আপনি তো জানেন আমার মন কি চায়? এ কোন পরীক্ষা নিচ্ছেন ইয়া রব্ব, ।

খুউব করে এমন একজন কে চাই যে আমার পর্দার গুরুত্ব বুঝবে, পর্দার বিষয়ে, মন মাহরামের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি কঠোর থাকবে। আপনি তো জানেন ইয়া রব্ব পর্দার জন্য আমাকে কতটা লড়াই করতে হয়। এমন গায়রত সম্পুর্ন একজন দেন ইয়া রব্ব যে কোনো ভাবেই চাইবে না বোরখা পরিহিত অবস্থাতেও কোনো নন মাহরাম আমাকে দেখুক। আমার প্রতি সে যেন অনেক বেশি পসেসিভ থাকবে।

ইয়া রহমান আজকে আপনার শাহী দরবারে আসছি কান্না নিয়ে; আজকে আমাকে খালি হাতে ফিরায়ে দিয়েন না মালিক!! ভিখিরি যখন ভিক্ষা চায় এক দোয়ারে না পেলে অন্য দোয়ারে যায়, আপনি ফিরিয়ে দিলে আমি কই যাবো রব! আমি ছাড়াও তো আপনার কত বান্দা বান্দী আছে কিন্তু আপনি ছাড়া তো আমার আর কোনো রব নাই;আমার আর যাওয়ার যায়গা নাই পাওয়ার যায়গা নাই । আপনি দিবেন না তো কে দিবে মালিক! আপনি ভালোবাসবেন না তো কে ভালোবাসবে। আমার পেছনের গুনাহ সমূহ মাফ করে দিন।সামনে কোনো বিপদ আপদ থাকলে আপনি তা দূর করে দিন।

আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছুর মালিক তো আপনিই;আপনি আমার জন্য উত্তম রিজিকের ব্যাবস্থা করে দিন। যার জন্য আপনি আমাকে সৃষ্টি করেন নি তাকে আপনি আমার থেকে দূরে রাখুন। আমার জন্য যা কিছু কল্যাকর তা আমার জন্য সহজ করে দিন। আর যা কিছু আমার জন্য অকল্যানকর তা থেকে আমাকে হেফাজত করুন। অতঃপর আপনার ফয়সালার উপর আমাকে সন্তুষ্ট থাকার তৌফিক দিন।জানেন আল্লাহ আমার খুব কান্না পায়।আপনি তো জানেন আমার মন কি চায়? এ কোন পরীক্ষা নিচ্ছেন ইয়া রব।

আল্লাহুম্মা আমিন

_ সংগৃহীত

25/01/2026

দোয়ায় এমনিতে ই চলে আসে🥰

বিয়ে বাড়ির পর্দা আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি দ্বীনকে অমান্য করা হয় বিয়ে-শাদীর ক্ষেত্রে। এ জন্যই বলা হয়, মানুষের দ্বীন...
24/01/2026

বিয়ে বাড়ির পর্দা

আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি দ্বীনকে অমান্য করা হয় বিয়ে-শাদীর ক্ষেত্রে। এ জন্যই বলা হয়, মানুষের দ্বীনদারি বোঝা যায় দুই ক্ষেত্রে, বিয়ে-শাদীতে আর লেনদেনের ক্ষেত্রে। বহু দ্বীনদার মানুষ এই দুই ক্ষেত্রে ধরা খেয়ে যান। বহু মানুষের আসল রুপ প্রকাশ পেয়ে যায় এই দুই কাজে। বিশেষ করে বিয়ে-শাদীতে শরীয়ত বিরোধী কাজ করা এখন সামাজিক ব্যাধির রুপ ধারণ করেছে। মানুষ মনে করে, প্রচলিত পন্থায় বিয়ে না হলে সমাজে মুখ দেখানো যাবে না। একটা মাত্র সন্তানের বিয়েতে যদি খরচ না করি, তাহলে মানুষ কী বলবে! জীবনে এর চেয়ে ব্যর্থতা আর কিছুই থাকবে না। একদিন না হয় সবাই একটু এনজয় করল, আনন্দ-ফুর্তি করল। এসব তো আর সারাজীবন হবে না। সুতরাং কোনো সমস্যা নেই। এমন আজগুবি যুক্তি তারা এসব শরীয়ত বিরোধী কাজের ক্ষেত্রে পেশ করেন।
অনেক দ্বীনদার ব্যক্তির বিয়ের সময়ও দেখা যায়, তারা সুন্নাহ অনুসারে বিয়ের পরিবর্তে সমাজের প্রচলিত নিয়মে বিয়ে করছেন। যাতে সুন্নাতের কোনো নাম গন্ধই থাকে না। শুধু ইজাব-কবুলের যে নিয়মটি শরয়ীভাবে হয়, সেটাও হয় পুরুষ-মহিলা সবাই একসাথে বসে। এ জন্যই বলা হয়, মানুষের দ্বীনদারি প্রকাশ পায় তার বিয়ে আর লেনদেনের সময়। এমনকি বিয়েতে কী কী কাজ সুন্নাত আর কী কী কাজ শরীয়ত বহির্ভূত এটাও অনেকে জানেন না। আবার অনেকে জানলেও স্পষ্ট হারাম কাজে জড়িয়ে পড়েন সমাজের দোহাই দিয়ে। দুনিয়াতে সমাজের ভয়ে আমি যদি এসব হারাম ও গ‌র্হিত কাজ করতে পারি, তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে কোন মুখে দাঁড়াব?
আরও ভয়ংকর কথা হলো, অনেকেই এসব সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে ব্যাংক থেকে চড়া সুদে বিশাল অঙ্কের টাকা লোন নিয়ে বসেন। মাওলানা তারিক জামিল সাহেব এক বয়ানে শোনাচ্ছিলেন, করাচির এক ব্যক্তি চল্লিশ লাখ টাকা খরচ করে তার ছেলের বিয়ে করায়। পরে শোনা যায় পুরো টাকাটাই তিনি ব্যাংক থেকে চড়া সুদে লোন নিয়েছেন! আচ্ছা এখানে তার কয়টি গুনাহ হলো বলতে পারবেন? সুদ, শরীয়ত বর্জিত রুসম-রেওয়াজ পালন, অপচয়, বেপর্দা এমন অসংখ্য গুনাহের বোঝা এখন তার কাঁধে উঠে গিয়েছে। মানুষ কিয়ামতের দিন একটি গুনাহের ভারের কারণেই জাহান্নামের অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হবে, আর এখানে অসংখ্য গুনাহকে যেন কোনো গুনাহই মনে করা হচ্ছে না। আরও আশ্চর্য হওয়ার কথা হলো, খোঁজ নিলে দেখা যাবে এসব বিয়ে কোনো কাফের-মুশরিকের বিয়ে নয়; বরং দ্বীনের লেবাস লাগানো কোনো ব্যক্তিরই বিয়ে! তারাও কিন্তু নামাজ পড়েন, আল্লাহ্ তাআলাকে রব হিসেবে স্বীকার করেন; কিন্তু আল্লাহ তাআলা যে সমস্ত কাজ হারাম করেছেন, তারা সেগুলো সামাজিকতার ভয়ে ছাড়তে রাজি নয়। অনেকেই বলে, আরে হুজুর একদিনের জন্যই তো! সারাজীবন তো আর বিয়ে করব না। এখন একটু খরচ করলে কী-ই বা হবে! পরে না হয় তাওবা করে নিলাম। এসব কথা মূলত দ্বীন নিয়ে ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিয়ে-শাদীর সব ধরনের অশ্লীলতা নিয়ে এখানে লেখা উদ্দেশ্য নয়, এখানে শুধু পর্দার ব্যাপার নিয়ে লেখা উদ্দেশ্য। তবে বিয়ে-শাদীতে সবচেয়ে বেশি অবহেলা এই পর্দা নিয়েই হয়।

বইঃ পর্দা গাইডলাইন, পৃষ্ঠাঃ ৮১-৮২

23/01/2026

যদি সৃষ্টিকর্তাকে সত্যিকার অর্থে ভয় ও ভালোবাসতে পারো,
তবে কখনোই তাঁর কোনো সৃষ্টিকে অবহেলা করতে পারবে না—
ভালোবাসা আপনাতেই হৃদয়ে জন্ম নেবে।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share