Silent Feelings

Silent Feelings Silent Feelings — যেখানে feelings কথা বলে, শব্দ নয়।🖤

তুমি এলে বিষন্নতা কাটবে।
30/05/2026

তুমি এলে বিষন্নতা কাটবে।

এই মুহূর্তে গুগলে "1 Iranian Rial equal to Euro" সার্চ দিলে ভ্যালু দেখাচ্ছে 0.00❗ইরানিয়ান রিয়াল বর্তমানে ইতিহাসের সর্বন...
13/01/2026

এই মুহূর্তে গুগলে "1 Iranian Rial equal to Euro" সার্চ দিলে ভ্যালু দেখাচ্ছে 0.00❗

ইরানিয়ান রিয়াল বর্তমানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে এবং ইউরোর বিপরীতে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছেছে।

কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, লাগামছাড়া মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতার ব্যাপক পতনের কারণে এই সংকট আরও গভীর হয়েছে, এমনটাই বলছে‌ আন্তর্জাতিক গনমাধ্যম গুলো।

এর ফল হিসেবে দেশজুড়ে চরম অর্থনৈতিক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইরান বলছে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ষড়যন্ত্রকারিদের নামসহ ভিডিও ফুটেজ তারা সবার সামনে‌ উন্মুক্ত করে দিবে, সাথে সর্বোচ্চ শাস্তিও নিশ্চিত করবে।

🚨 Iran's currency has collapsed and is now officially worth $0.Iran needs Bitcoin 🇮🇷
13/01/2026

🚨 Iran's currency has collapsed and is now officially worth $0.

Iran needs Bitcoin 🇮🇷

"ইরান কল্পনার চাইতেও বেশি চালাক বের হল আর এমন ভাবে অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান করল, যা দেখে সবার চোখ উপরে উঠে গেল "কাল পর্...
13/01/2026

"ইরান কল্পনার চাইতেও বেশি চালাক বের হল আর এমন ভাবে অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান করল, যা দেখে সবার চোখ উপরে উঠে গেল "

কাল পর্যন্ত যে পশ্চিমা মিডিয়া হাত ধুয়ে লেগেছিল, কিন্তু পুরো বর্ণনা (narrative) উল্টে গেছে এবং এখন তাদের পক্ষে চলে এসেছে—যেটা আগে তাদের বিপক্ষে ছিল। আর খেয়াল রাখো, পশ্চিমা মিডিয়া চায় না তুমি এগুলো জানো যা নিচে আসছে

১ প্রথম পদক্ষেপ ছিল একটা দারুণ কূটনৈতিক চাল, যা কেউ আশা করেনি... কয়েক ঘণ্টা আগে ইরান তাদের দেশে থাকা ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালির রাষ্ট্রদূতদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠায়। এই দেশগুলো গত কয়েক মাস ধরে ইরানের ওপর আক্রমণ করছিল, তাদের মিডিয়া প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ছবি নষ্ট করছে, বলছে ইরানি সরকার প্রতিবাদকারীদের হত্যা করছে...

তাহলে ডেকে এনে কী করল?!

এই ডাকা শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না বন্ধু, বরং ছবিটা নতুন করে আঁকার একটা চাল... ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রদূতদের একটা হলে নিয়ে বসিয়ে একটা বড় স্ক্রিনের সামনে রাখে, তারপর তাদের সামনে চালায় ভিডিও—যেখানে মুখোশধারী অজ্ঞাত লোকেরা (প্রতিবাদকারীদের মাঝে মিশে) হিংসা, সংঘর্ষ, আগুন লাগানো, মানুষ মারা, এমনকি পুলিশ অফিসারদেরও মারছে... আর ৯৯% সম্ভাবনা এরা মোসাদের গোপন এজেন্ট!

ভিডিও শেষ হওয়ার পর সরাসরি বলে দেয়: তোমরা যাদের সমর্থন করছো এটা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ নয়। তোমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে এটাকে শান্তিপূর্ণ বলা মানে আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সরাসরি হস্তক্ষেপ, রাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসকারীদের সমর্থন।

এই চাল দিয়ে হঠাৎ পুরো বর্ণনা উল্টে যায়। ইরান অভিযুক্ত থেকে হয়ে যায় পশ্চিমের সামনে প্রমাণসহ প্রতিরোধকারী পক্ষ... আগে যেখানে ইরান প্রতিবাদকারীদের মারছিল, এখন ইরান দেশ রক্ষা করছে আর মিশে থাকা ধ্বংসকারীরা মানুষ মারছে!

আর এখানেই থামেনি...

২ এরপর সরাসরি ইরান খেলাটা ঘরের ভিতর থেকে রাস্তায় নিয়ে আসে... ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিজে নেমে আসেন তেহরানের কেন্দ্রে বিশাল প্রতিবাদে—যা সরকার-সমর্থকদের। লক্ষ লক্ষ মানুষ, সব শ্রেণি-ধর্ম-সম্প্রদায়ের লোক, আর ছবিগুলো নিচে দিলাম

এই ছবির প্রভাব ছিল খুব ভারী; সরকার-সমর্থকদের মনোবল বাড়িয়েছে, সমর্থকদের ভিড় বাড়িয়েছে, একই সাথে বিরোধী প্রতিবাদের গতি কমিয়ে দিয়েছে—হঠাৎ করে অনেক কমে গেছে গতকাল থেকে... এতে চাপটা সরকারের ওপর থেক

তাহলে কি শেষমেশ বিশ্ববাসী আবার প রমাণু যু/দ্ধের ভ/য়াবহ দৃশ্য দেখবে ই'উক্রেন অথবা ই'রানের আকাশের নিচে? পৃথিবীতে বর্তমানে ...
12/01/2026

তাহলে কি শেষমেশ বিশ্ববাসী আবার প রমাণু যু/দ্ধের ভ/য়াবহ দৃশ্য দেখবে ই'উক্রেন অথবা ই'রানের আকাশের নিচে?

পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ১৯৫টি দেশ রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৮টি দেশ প্রকাশ্যে প'রমা'ণু বো/মা তৈরি করেছে।

প'রমা'ণু যুগের শুরু ১৬ জুলাই ১৯৪৫ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বি/স্ফো'রণের মাধ্যমে। এরপর পর্যায়ক্রমে রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পা'কিস্তান ও উত্তর কোরিয়া প/রমাণু শ/ক্তিধর হয়।

এছাড়াও, hisরায়েলকে গো'পনে প'রমা'ণু শ'ক্তিধর দেশ হিসেবে মনে করা হয়, যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তা স্বী'কার করে না।

মাত্র এই কয়েকটি দেশের হাতেই রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভ'য়ঙ্ক'র অ'স্ত্র। যদি কোনোদিন এই দেশগুলোর প'রমা'ণু অ'স্ত্র একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেকেন্ড ও মিনিটের মধ্যেই কোটি কোটি মানুষ প্রা'ণ হা'রাবে।

প'রমাণু অ'স্ত্র paradoxically একদিকে ভ'য়াবহ, আবার অন্যদিকে এক ধরনের ভ'য়ভি'ত্তিক নি'রাপত্তা। কারণ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় নতুন কোনো দেশের জন্য প'রমাণু বো'মা তৈরি করা শুধু ক'ঠিনই নয়, প্রায় অ'সম্ভব। আন্তর্জাতিক চাপ ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাধার কারণে অনেক দেশ ই'রান তার একটি উদাহরণ এই পথে এগোতে পারে না।

প'রমা'ণু বো'মা কীভাবে কাজ করে?

প'রমা'ণু বো'মা সাধারণত বিমান থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নি'ক্ষেপ করা হয় এবং এটি মাটির প্রায় ১০০ মিটার ওপরে বি'স্ফো'রিত হয়। বি'স্ফো'রণের ক্ষু'দ্রাতিক্ষু'দ্র মুহূর্তে বো'মার ভেতরের প'রমাণুগুলো ভেঙে গিয়ে এক বিশাল শ'ক্তি উৎপন্ন করে।

প্রথমেই সৃষ্টি হয় এক ভ'য়াবহ উ'জ্জ্বল আলোর গোলা, যার তী'ব্রতায় সূর্যের আলোও ম্লান হয়ে যায়। এই আলো এতটাই শক্তিশালী যে মানুষ মা'রা যাওয়ার আগেই তাদের দৃ'ষ্টিশ'ক্তি ন'ষ্ট হয়ে যেতে পারে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই তা'প ভূমিতে আ'ঘাত করে, যেখানে তাপমাত্রা সূ'র্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

এর ফলে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মানুষ, পশু, গাছপালা, ঘরবাড়ি, যানবাহন সবকিছু এক সেকেন্ডেই ধ্বং'স হয়ে যায়। এরপর আসে ভ'য়াব'হ বি'স্ফো'রণ ও শক্তিশালী শ'ক ওয়েভ, যা কয়েক কিলোমিটার দূরের বড় বড় ভ'বনকেও ধ্বং'সস্তূ'পে পরিণত করে।

বি/স্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে অ'দৃশ্য তে'জস্ক্রি'য় রে'ডিয়েশন, যা মা'নবদেহ ভেদ করে মা'রাত্ম'ক ক্ষ'তি করে। তে'জস্ক্রিয় ধোঁ'য়া আকাশে উঠে মেঘ তৈরি করে এবং পরে যে বৃষ্টি হয়, তাতে থাকা কণা দীর্ঘদিনের জন্য ওই অঞ্চলকে বসবাসের অ'যোগ্য করে তোলে।

এর প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক নয়। যারা বেঁচে থাকে, তাদের অনেকেই ভবিষ্যতে সন্তান জ'ন্মদানের ক্ষ'মতা হা'রায়, আর জ'ন্মালেও অনেক ক্ষেত্রে সন্তান শা'রীরিকভাবে বি'কলা'ঙ্গ হয়।

প'রমা'ণু বো'মার ধ্বংস সাধারণত গো'লাকার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বো'মা যত শ'ক্তিশা'লী, ধ্বং'সের পরিধিও তত বি'স্তৃত।

ভ'য়াবহ বা'স্তবতা
যদি কখনো সত্যিকারের বি'শ্বযু'দ্ধ শুরু হয়, তাহলে হয়তো আর কিছুই অ'বশিষ্ট থাকবে না। কারণ প্রতিটি প'রমা'ণু শ'ক্তিধর দেশের কাছেই রয়েছে শত শত বো'মা।

শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে হাজার হাজার প'রমা'ণু অ'স্ত্র, আর ভারতের কাছেও রয়েছে আনুমানিক প্রায় ১৮০টি।

এখন প্রশ্ন একটাই?

মানবজাতি কি এই ভ'য়াব'হ প'রিণতির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে?

📍 ১. তেহরানেও বিক্ষোভ চলমানতেহরানের মতো রাজধানী শহরেও সাধারণ লোকজন সরাসরি বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছে, এবং এখনও 거리-পথে স্লোগান, ...
12/01/2026

📍 ১. তেহরানেও বিক্ষোভ চলমান
তেহরানের মতো রাজধানী শহরেও সাধারণ লোকজন সরাসরি বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছে, এবং এখনও 거리-পথে স্লোগান, সমাবেশ ও ধর্মঘটের মতো কার্যক্রম চলছে।
আন্দোলন এখন শুধু আর্থিক ক্ষোভ নয়; রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সরকার-বিরোধী স্লোগানও তীব্র হচ্ছে।
🔥 ২. সরকার কঠোর অবস্থানে
ইরানের সরকার ও কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে “সন্ত্রাসবাদী” ও “দাঙ্গাবাজ” হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং কঠোর দমন-নীতি জারি রেখেছে।
প্রশাসন তেহরান সহ বিভিন্ন জায়গায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
⚠️ ৩. সহিংসতা ও হতাহতের সংখ্যা
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে দেশব্যাপী বিক্ষোভে হতাহতের সংখ্যা ৫০০+ ছাড়িয়েছে, এবং সহিংসতার ঘটনায় বহু মানুষ মারা গেছে ও আহত হয়েছে। অনেক নিহত ও আটক ব্যক্তির তথ্যও তেহরান থেকে এসেছে।
📵 ৪. যোগাযোগ এবং প্রতিবন্ধকতা
ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক সীমাবদ্ধতা থাকায় (nationwide blackout) সংবাদ প্রবাহ ঠিকমতো পাওয়া কঠিন হচ্ছে।
এই কারনে অনেক ঘটনা বা বিক্ষোভের পরিমাণের সঠিক তথ্য realtime-এ প্রকাশ পাচ্ছে না।

12/01/2026

তেহরান শহরের অন্তত ২০–৩০টি স্পটে গত কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এগুলোর মধ্যে যে এলাকাগুলোতে বেশি খবর পাওয়া যাচ্ছে:
🔥 প্রধান সংঘর্ষ/বিক্ষোভ কেন্দ্রসমূহ
🌆 উত্তর ও মধ্য তেহরান
Ferdowsi / Ferdos Blvd – রাতে প্রচণ্ড সংঘর্ষ ও স্লোগান চলছে
Saadat Abad – নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দাউ দার যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি
Chitgar – প্রতিবাদকারীরা রাস্তা অবরোধ করেছে
Nezamabad – বহু জায়গায় জনসমাগম ও সংঘর্ষ রিপোর্ট হয়েছে
🏙️ পশ্চিম তেহরান
Sattarkhan – আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
Sadeghieh – বহু মানুষ 거리 ও মোবাইলে প্রতিবাদ করছে
Ekbatan – উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন
🛣️ পূর্ব/দক্ষিণ তেহরান
Tehranpars – জোরালো গুলি চালনার ঘটনা এবং প্রতিবাদ
Narmak – বিক্ষোভকারীরা রাস্তা আটকাচ্ছে
Yousefabad, Seyed Khandan, Khak-Sefid – রাতে সংঘর্ষের খবর এসেছে
Heravi Square – স্লোগান ও রাজনৈতিক প্রতিবাদ বাড়ছে
এগুলো ছাড়াও Rahahan, Punak, Mirdamad, Zafaraniyeh, Jannat Abad-এও সংঘর্ষের তথ্য পাওয়া গেছে।
🚧 সংঘর্ষ কেমন চলছে?
🔹 স্লোগান ও বাধা
নিরাপত্তা বাহিনীকে আটকাতে রাস্তা অবরোধ, আগুন জ্বালানো ও ব্যারিকেড তৈরি করছে বিক্ষোভকারীরা।
“Death to Khamenei” বা “এই বছরের রক্তবর্ষা, খামেনিকে উৎখাত হবে” ধরণের রাজনৈতিক স্লোগান প্রচুর শোনা যাচ্ছে।
🔹 নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিক্রিয়া
বিশেষ বাহিনী ও SSF (State Security Forces) অংশ নিয়েছে সংঘর্ষে।
গুলি, টিয়ার গ্যাস ও হাইড্রোলিক ফোর্স ব্যবহার করে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
📉 পরিস্থিতির বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট
👉 বিক্ষোভ শুধু তেহরানে নয়, ইরানের প্রায় ২০০ শহরে ছড়িয়েছে।
👉 দেশের ইন্টারনেট ও টেলিফোন সার্ভিস অনেক জায়গায় প্রায় বন্ধ অবস্থায় (nationwide blackout) — তথ্য সংগ্রহ কঠিন হচ্ছে।
👉 হতাহত সংখ্যা বাড়ছে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিবাদ অব্যাহত আছে।

12/01/2026

#ইরান আন্দোলন
🔥 ১. আন্দোলনের কারণ (কারণ কি?)
🟠 মূল কারণ – ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট
ইরানের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ হয়েছে — বিচলিত মুদ্রা (রিয়াল) দ্রুত ডলারের তুলনায় মূল্য হারাচ্ছে এবং জীবনযাত্রার খরচ অবাস্তবভাবে বেড়ে গেছে। তাই সাধারণ মানুষ দিনমজুর, ব্যবসায়ী এবং শ্রমিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন।
🟠 মূল অবস্থান থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ
শুরু হয়েছিল টেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে দোকানদারদের বিক্ষোভ দিয়ে — মুদ্রার পতন ও দ্রব্যমূল্যের স্থায়ী বৃদ্ধির কারণে। এরপর অন্যান্য শহর ও অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
🟠 অর্থনৈতিক + রাজনৈতিক অসন্তোষ
শুধু অর্থনৈতিক কারণে নয়, বহু মানুষ সরকার এবং শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইছে — বিশেষ করে তরুণ, শিক্ষিত ও শ্রমজীবী মানুষ। তারা অধ্যাদেশমূলক শাসক ও কঠোর ধর্মীয় নেতাদের ধুয়ে ফেলার দাবি করছে।
🟠 অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, তেলের রফতানিতে বাধা, বেকারত্ব ও বাজে প্রশাসনিক নীতি সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
📍 ২. বর্তমানে কি পরিস্থিতি?
🔥 ব্যাপক বিক্ষোভ ও আঁতাত
আন্দোলন পুরো দেশজুড়ে বিস্তৃত — দেশের সব ৩১টি প্রদেশে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছে।
😔 নিহত ও গ্রেফতার
মানবাধিকার সংগঠনের রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকন্তে 500-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজারেরও বেশি লোক গ্রেফতার হয়েছে। সরকার আর কিছুই প্রকাশ করে না বোঝা যায়।

📵 ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট
সরকার ইন্টারনেট ও ফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে যাতে বিক্ষোভ সংগঠিত করা কঠিন হয় এবং বহির্বিশ্বের কাছে তথ্য পৌঁছায় না।
⚔️ কঠোর দমন ও সহিংসতা
নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বুলেট, টিয়ারগ্যাস ও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। অনেক আহত হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
🧑‍💻 প্রচার ও নেতাদের বক্তব্য
নির্বাসিত রাজনৈতিক নেতারা জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং অনেকে সরকারের পরিবর্তন ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা চাইছেন।
🇺🇸 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ ইরানের প্রতি চাপ বাড়াচ্ছে এবং কিছু হলে সামরিক সহায়তা বা কড়া নিষেধাজ্ঞার কথা চলছে, বিচারাধীন।

আজ রাত থেকে অনলাইন কর্মসূচির সময় শুরু,সকলকে অংশগ্রহণ এর আহ্বান।
29/12/2025

আজ রাত থেকে অনলাইন কর্মসূচির সময় শুরু,
সকলকে অংশগ্রহণ এর আহ্বান।

আমাদের ভাই বলছিলো আমাকে মারা হলে জাস্ট ধরে তার বিচারটা করে ফেলিবেন আর কিছু লাগবে না। এটাইতো তো তার শেষ ইচ্ছে ছিলো এই দেশ...
29/12/2025

আমাদের ভাই বলছিলো আমাকে মারা হলে জাস্ট ধরে তার বিচারটা করে ফেলিবেন আর কিছু লাগবে না। এটাইতো তো তার শেষ ইচ্ছে ছিলো এই দেশ থেকে। এইবার আপনি একবার চিন্তা করেন, একটা দেশের রাষ্ট্র ব্যাবস্থা কতটা অর্থব হলে আজকে এতো দিন হলো এখনো ওরা খু*নির অস্থান সনাক্ত করতে পারেনি। খু*নির বোনের শ্বশুর এর কাক ধরা পরে। পুলিশ হেফাজতে যায় ওর মা বোন। কিন্তু খু*নি থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। বাহ্ রে রাষ্ট্র ব্যাবস্থা বাহ্. তোমাদের আইন ব্যাবস্থাকে সালাম।❣️

Address

Netrokona, Barhatta
Mymensingh
2440

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Silent Feelings posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share