12/01/2026
তাহলে কি শেষমেশ বিশ্ববাসী আবার প রমাণু যু/দ্ধের ভ/য়াবহ দৃশ্য দেখবে ই'উক্রেন অথবা ই'রানের আকাশের নিচে?
পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ১৯৫টি দেশ রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৮টি দেশ প্রকাশ্যে প'রমা'ণু বো/মা তৈরি করেছে।
প'রমা'ণু যুগের শুরু ১৬ জুলাই ১৯৪৫ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বি/স্ফো'রণের মাধ্যমে। এরপর পর্যায়ক্রমে রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পা'কিস্তান ও উত্তর কোরিয়া প/রমাণু শ/ক্তিধর হয়।
এছাড়াও, hisরায়েলকে গো'পনে প'রমা'ণু শ'ক্তিধর দেশ হিসেবে মনে করা হয়, যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তা স্বী'কার করে না।
মাত্র এই কয়েকটি দেশের হাতেই রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভ'য়ঙ্ক'র অ'স্ত্র। যদি কোনোদিন এই দেশগুলোর প'রমা'ণু অ'স্ত্র একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেকেন্ড ও মিনিটের মধ্যেই কোটি কোটি মানুষ প্রা'ণ হা'রাবে।
প'রমাণু অ'স্ত্র paradoxically একদিকে ভ'য়াবহ, আবার অন্যদিকে এক ধরনের ভ'য়ভি'ত্তিক নি'রাপত্তা। কারণ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় নতুন কোনো দেশের জন্য প'রমাণু বো'মা তৈরি করা শুধু ক'ঠিনই নয়, প্রায় অ'সম্ভব। আন্তর্জাতিক চাপ ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাধার কারণে অনেক দেশ ই'রান তার একটি উদাহরণ এই পথে এগোতে পারে না।
প'রমা'ণু বো'মা কীভাবে কাজ করে?
প'রমা'ণু বো'মা সাধারণত বিমান থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নি'ক্ষেপ করা হয় এবং এটি মাটির প্রায় ১০০ মিটার ওপরে বি'স্ফো'রিত হয়। বি'স্ফো'রণের ক্ষু'দ্রাতিক্ষু'দ্র মুহূর্তে বো'মার ভেতরের প'রমাণুগুলো ভেঙে গিয়ে এক বিশাল শ'ক্তি উৎপন্ন করে।
প্রথমেই সৃষ্টি হয় এক ভ'য়াবহ উ'জ্জ্বল আলোর গোলা, যার তী'ব্রতায় সূর্যের আলোও ম্লান হয়ে যায়। এই আলো এতটাই শক্তিশালী যে মানুষ মা'রা যাওয়ার আগেই তাদের দৃ'ষ্টিশ'ক্তি ন'ষ্ট হয়ে যেতে পারে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই তা'প ভূমিতে আ'ঘাত করে, যেখানে তাপমাত্রা সূ'র্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
এর ফলে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মানুষ, পশু, গাছপালা, ঘরবাড়ি, যানবাহন সবকিছু এক সেকেন্ডেই ধ্বং'স হয়ে যায়। এরপর আসে ভ'য়াব'হ বি'স্ফো'রণ ও শক্তিশালী শ'ক ওয়েভ, যা কয়েক কিলোমিটার দূরের বড় বড় ভ'বনকেও ধ্বং'সস্তূ'পে পরিণত করে।
বি/স্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে অ'দৃশ্য তে'জস্ক্রি'য় রে'ডিয়েশন, যা মা'নবদেহ ভেদ করে মা'রাত্ম'ক ক্ষ'তি করে। তে'জস্ক্রিয় ধোঁ'য়া আকাশে উঠে মেঘ তৈরি করে এবং পরে যে বৃষ্টি হয়, তাতে থাকা কণা দীর্ঘদিনের জন্য ওই অঞ্চলকে বসবাসের অ'যোগ্য করে তোলে।
এর প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক নয়। যারা বেঁচে থাকে, তাদের অনেকেই ভবিষ্যতে সন্তান জ'ন্মদানের ক্ষ'মতা হা'রায়, আর জ'ন্মালেও অনেক ক্ষেত্রে সন্তান শা'রীরিকভাবে বি'কলা'ঙ্গ হয়।
প'রমা'ণু বো'মার ধ্বংস সাধারণত গো'লাকার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বো'মা যত শ'ক্তিশা'লী, ধ্বং'সের পরিধিও তত বি'স্তৃত।
ভ'য়াবহ বা'স্তবতা
যদি কখনো সত্যিকারের বি'শ্বযু'দ্ধ শুরু হয়, তাহলে হয়তো আর কিছুই অ'বশিষ্ট থাকবে না। কারণ প্রতিটি প'রমা'ণু শ'ক্তিধর দেশের কাছেই রয়েছে শত শত বো'মা।
শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে হাজার হাজার প'রমা'ণু অ'স্ত্র, আর ভারতের কাছেও রয়েছে আনুমানিক প্রায় ১৮০টি।
এখন প্রশ্ন একটাই?
মানবজাতি কি এই ভ'য়াব'হ প'রিণতির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে?