28/05/2026
বাঙালির মুখের উপ্রে ওয়াক থুঃ কইরা থুত্থু মাইরা এয়ারপোর্ট থেইক্যাই চইলা যাওন উচিত ছিল প্রফেসর ইউনুসের!
অকৃতজ্ঞ বাঙালী মজাটা বুঝত তাইলে!
৬ আগস্ট ২০২৪ সালে দেশের হাল ধরার মত কোন মায়ের বি**চি**ওয়ালা পুত খুঁইজা পাওন যায় নাই!
এই জাতি যারে সহজে পায় তাকে কিভাবে গ্রহণ করে শুনুন কবির ভাষায়-”মানুষ এমন তয়?একবার পাইবার পর নিতান্তই মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর?”
আজকা যারা টকশো গরম কইরা ফালাইতাছে ইউনুস ইউনুস কইরা,
তাগো আড়া বি**চি কাড়ে উইঠা গেছিল সেদিন!
পতনের এক বছর আগেও BAL'র সেক্রেটারি নিজেই আশংকা প্রকাশ কইরা কর্মীগো সাবধান করছিল-ক্ষমতা হারাইলে এক রাতেই ১ লক্ষ লোক মারা যাইব!
তাগো অপকর্মের আমল নামা নিয়া তারা যথেষ্ট চিন্তিত ছিল।
প্রফেসর ইউনুস ক্ষমতা লইলেন কিন্তু সারাদেশে ১০০ লোকও মরল না! বাংলাদেশি ইন্ডিয়ানরা নাখোশ হইল।
তারপর বাংলাদেশি ইন্ডিয়ানরা একের পর এক নয়া নয়া কার্ড খেলা শুরু করল।ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে শুরু হল সংখ্যালঘু কার্ড খেলা!
তারা কোর্টে একজন উকিলকে জবাই করে হত্যাও করল-তবু তারা জঙ্গী বলে আখ্যায়িত হল না!
সচিবালয় থেকে গনিকালয় এমন কোন প্রতিষ্ঠান ছিল না,যারা এই বৃদ্ধ প্রফেসরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে নাই,যমুনা ঘেরাও করে তাদের দাবী দাওয়া তুলে নাই!
অবাক করা বিষয় হইল ডঃইউনুস পতিত সরকারের সাহাবাদের(অনুসারি)সামরিক বেসামরিক আমলা,কামলা,পাতি আমলা কাউকেই সরাইতে পারেন নাই!
যখনই সরাইতে গেছেন হয় বিএনপি নয় জামাত,নয়তো প্রভাবশালী অনলাইন এক্টিভিস্টরা পাথাল হইয়া পড়ছে-একে সরানো যাইব না!তিনি সম্পুর্ন একটা বৈরী আমলাতন্ত্র নিয়া দেশ চালায়া গেছেন!
ছাত্রগো দাবী পরীক্ষা ছাড়াই পাশ দিতে হইব,আনসারের দাবী চাকরি পার্মানেন্ট করতে হইব!
অন্তঃসত্ত্বা কুমারি মায়ের দাবি তার প্রতারক প্রেমিককে খুঁইজা দেন-না পারলে ইউনুসের দোষ!’এমন বাংলাদেশ আমরা চেয়েছিলাম'?
রাস্তায় গাড়ি চাপায় পথচারির মৃত্যু? ইউনুসের দোষ!বন্যা?ইউনুসের দোষ!অমুকের মাইয়া ভাইগ্যা গেছে?ইউনুস দোষী!স্বামী স্ত্রী তালাক হইয়া গেছে ইউনুসের দোষ!
এখন যেমন হামের টীকার জন্য তাকে দায়ী করা হচ্ছে!প্রকৃত পক্ষে ২০২০ সাল থেকেই সরকার এই খাতের টাকা অন্যত্র সরিয়েছে…
বরঞ্চ ২০২৫ সালে প্রফেসর ইউনুস ২০২৪ সালের চাইতে ৪ গুণ বেশি টীকা আমদানী করেছেন!
হামের টীকা দেওয়া শুরু হয় সাধারনত
৯ মাস বয়স থেকে;যে বাচ্চাগুলো মারা যাচ্ছে তাদের ৯৮%ই বয়স মাত্র ৪-৫ মাস!
অর্থাৎ হামের টীকা দেয়ারই বয়স হয়নি এখনও তাদের-হাউ স্ট্রেঞ্জ!এই মৃত্যুর জন্যও বালবদর বাহিনী ইউনুস সাহেবকে দায়ী করে সে কী মায়া কান্না!
১৫০০ মায়ের বুক খালি করার জন্য তাদের কোন শোক তাপ অনুশোচনা নাই!সত্যি সেলুকাস!কী বিচিত্র এই দেশ!
ব্যাটারি চালিত অবৈধ রিকশাওয়ালাগো দাবী তাগো সড়ক মহাসড়কে চলতে দিতে হইব।সচিবালয়ের কর্মচারীগো দাবী পে-স্কেল দিতে হইব।
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের দাবী তাগো স্কুল কলেজ সরকারি করতে হইব!
ডাক্তারদের দাবী ব্যাপকহারে পদোন্নতি দিতে হইব!হকারগো দাবী ফুটপাত তাগো নামে লেইখ্যা দিতে হইব!
-ক্যান বাবারা আপনেরা রেগুলার সরকারের কাছে এই দাবীগুলা তুলেন নাই ক্যান?
-আমরা তো সব সময়ই এইসব দাবী দাওয়া নিয়া সোচ্চার ছিলাম!লেকিন দাবীনামা পেশ করার নিয়ত করলেই ক্যান যেন প্যান্ট ভিইজ্যা যাইত!
-ক্যান,ক্যান?ডরে?
-’৭১’র চেতনাওয়ালারা মর্দে মুজাহিদ আমরা কাউরে ডরাই না!
-হাহাহাহা
বাকি রইল ইয়াবা ব্যবসায়ী আর সড়কে চাঁদাবাজদের দাবী!তারাও কিন্তু কম কষ্ট করে না।এরা অপেক্ষাকৃত’ভদ্র’কিছু দাবী করল না বটে-
কিন্তু আগামীতে কারা ক্ষমতায় আসতে চলেছে তা মাথায় রাইখ্যা সমঝোতার ভিত্তিতে কাজ কাম অব্যহত রাখল।
আমজনতা ছাড়া,নুন্যতম রাজনীতির সাথে যুক্ত লোকটাও প্রফেসর ইউনুসের বিরোধিতা করেছে!ইউনুস সুদখোর,
ইউনুসের ব্যাংক সুদখোর ব্যাংক!
ইউনুসের ব্যাংক সুদ খায় আর ভাতিজা তাপসের মধুমতি ব্যাংক জমজমের পানি খায়-হাঃহাঃহা!
হিমাগার থেকে শৌচাগার কোথাও বেচারাকে এক মুহুর্ত শান্তিতে থাকতে দেয়া হয় নাই।কারন একটাই-মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া শেখ হাসিনার প্রিসেট মাইন্ডসেট!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বালবদর বাহিনীর অপপ্রচার ছিল নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে!
এবার মাঠে নামল স্বয়ং বিএনপির প্রথম সারির নেতারা!তারা সকাল সন্ধ্যা নির্বাচন নির্বাচন করে প্রফেসর ইউনুসকে হুমকি ধামকি দেয়া শুরু করল-ভাগ্যিস বেগম খালেদা জিয়ার ধমক খেয়ে তারা চুপ করেছে!
ডঃইউনুসের বিরোধিতাকারিদের অনেকেই কী কারনে তার বিরোধিতা করেছে তা সে নিজেও জানে না!
ওইপাড় থেইক্যা আফায় সকাল-সন্ধ্যা প্রফেসর ইউনুসকে দখলদার,দখলদার বইলা গালাগালি করতে লাগল।
জুলাই বিপ্লবকে মেটিকুলাস ষড়যন্ত্র বইলা খাটো বা হেয় করতে লাগল।
জুলাইকে হেয় করতে পারলে,জনগণের মন থেকে মুছে দিতে পারলেই তো ১,৫০০ লোক হত্যাকে আর গণহত্যা বলতে হয় না।
২৫,০০০ আহতদের সন্ত্রাসী,রাজাকারের নাতিপুতি বইলা অনায়াসে চালায়া দেওন যায়!
আমার মনে হয় প্রফেসর ইউনুস ছোট বেলায় বাঘের দুধ খাইছিলেন!নাইলে বাংলাদেশের মত একটা টাউট বাটপারের দেশে সরকার চালাইতে আইলেন কোন সাহসে?
যেই দেশে সরকার পতনের পর করাপ্টেড পলিটিশিয়ান্স,দলদাস আমলা,দল অনুমোদিত চোর ডাকাইতদের সাথে জাতীয় মসজিদের ইমামও পালায়া যায়!
সেই দেশে শান্তি ফিরানোর আশায়
নিধিরাম সরকার চালানোর মত সাহসের জন্য তারে আরেকবার শান্তিতে নোবেল দেয়া উচিত।
তারে এমন এক সরকার ব্যবস্থার প্রধান হইতে হইল যেই সরকার ব্যবস্থার হোগাম্রাস্রা কইরা দিয়া গেছেন জাতির আফায়!
বৈদেশিক ঋণের কিস্তিগুলো একে একে ডিউ হতে লাগলো তার সময়কালে।
তারপরেও ১৯৯১ সালের পরে সবচেয়ে ফেয়ার একটি ইলেকশান দিয়ে তিনি চলে গেলেন!
অকৃতজ্ঞ জাতি এখন তার গুষ্টি উদ্ধার করছে;তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইছে!
বিরক্ত আদালত বলছেন-প্রফেসর ইউনুসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার কি আছে?তিনি পালিয়ে তো যাননি।
#অন্তর্বর্তী_সরকার
#প্রফেসর_ইউনুস
#অকৃতজ্ঞ_জাতি