31/03/2026
📢 হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশু ও টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের ২ ডোজ (৯ ও ১৫ মাস বয়সে) এমআর/এমএমআর টিকা দেওয়া হাম প্রতিরোধের প্রধান উপায়। জ্বর, সর্দি, লাল চোখ এবং সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি হলে দ্রুত আইসোলেশন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।
💉 হাম নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও করণীয়:
👉 টিকা নিশ্চিত করুন: হামের টিকা (Measles Vaccine) সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা।
👉 নির্দিষ্ট সময়ে দুই ডোজ টিকা নেওয়া হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন।
লক্ষণসমূহ জানুন:
উচ্চ জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং এরপর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা দেওয়া হামের প্রধান লক্ষণ।
আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা (Isolation): হাম হলে অন্তত ৮-১০ দিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তি ও শিশুদের থেকে আলাদা রাখতে হবে।
চিকিৎসা ও পুষ্টি: হামের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। আক্রান্ত শিশুকে প্রচুর তরল খাবার (পানি, ডাব, স্যুপ) ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে ।
জটিলতা থেকে সতর্কতা: হাম থেকে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কের জটিলতা (এনসেফালাইটিস) হতে পারে। ফুসকুড়ি কমে যাওয়ার পরও যদি জ্বর থাকে বা শ্বাসকষ্ট হয়, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পরিচ্ছন্নতা: হাঁচি-কাশি থেকে রোগ ছড়ায়, তাই মাস্ক ব্যবহার করুন এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখুন ।
কেন হাম বাড়ে?
টিকা কর্মসূচিতে ঘাটতি, অসম্পূর্ণ ডোজ এবং অপুষ্টির কারণে হামের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই জনসচেতনতা ও সঠিক সময়ে টিকা দেওয়াই এর প্রধান প্রতিকার।
#হামসচেতনতা #বাংলাদেশস্বাস্থ্য #শিশুবিকাশ #হামরুবেলাটিক #সচেতনহন #সুস্থথাকুন #হাম #সচেতনতা #স্বাস্থ্যসেবা #সংক্রামক_ব্যধি #রুবেলা_প্রতিরোধ #হাম_মুক্ত_বাংলাদেশ
#টিকাদান_কর্মসূচি #সময়মতো_টিকা #ইপিআই