20/07/2026
গতকাল বিশ্বকাপের পর প্রায় সব প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টদের দেখলাম স্পেনের বিজয়ে আনন্দোৎসব করেছে। টুইটারে দেখলাম প্যালেস্টাইনরা স্পেনের জয়ে উচ্ছাসিত।
এমন নয় যে তারা সকলে ক্রীড়াপ্রেমী।
এমন নয় যে তারা সকলে সত্যিকার স্পেন সমর্থক।
তারা এটা করেছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এবারের বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রচুর রাজনীতি করেছে জাYo কমিউনিটি।
আর, একদিকে ছিল স্পেন সরকার আর খেলোয়াড়দের জাYo বিরোধি এবং প্রো-প্যালেস্টাইন মুখী স্ট্যান্ড, অন্যদিকে Neতানিয়াহু ও আর্জেন্টিনা সরকারের ছিল জাYo মুখী স্ট্যান্ড। Neতানিয়াহু তো সরাসরিই সমর্থন জানিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে এবং সেই সমর্থন নিছক ক্রীড়াপ্রেমের জায়গা থেকে নয়, রাজনৈতিক জায়গা থেকে।
আজ যদি আর্জেন্টিনা জিতে যেতো, Neতানিয়াহুর দেশে নিশ্চয় আনন্দ মিছিল হতো। তাদের রাজনীতিটা সফল হতো।
কিন্তু জিতল স্পেন। আমি দেখলাম, দুনিয়ার প্রায় সকল প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টেরা আনন্দিত। স্রেফ ক্রীড়া জয়ের আনন্দ না, Neনিয়াহুর পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ ভেঙেচুরে পড়ায় তারা আনন্দিত। স্পেনের খেলোয়াড়েরা প্যালেস্টাইনের পতাকা গায়ে জড়াল, স্পেনের রাস্তায় রাস্তায় স্প্যানিশরা চিৎকার করে বলতে লাগল—ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন।
স্পেনের তরুন ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল আলোচনায় এসেছে Doনাল্ড ট্রাম্প এর সাথে হাত না মিলিয়ে। এগলা রাজনৈতিক ভাবে চিন্তা করলো শয়তান দুইটার জন্য অপমানজনক।
দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কাছেই এইসব ফুটবল আর ক্রিকেট এখনও অরাজনৈতিক, বিনোদন আর অবসর উদযাপনের ঘটনা হয়ত। কিন্তু এইসব ক্রীড়ার ক্রীড়নক যারা, তাদের রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক স্ট্যান্ড। ফলে, আজ হোক আর কাল হোক, এসব জায়গাও রাজনৈতির মধ্যে বিলীন হতে বাধ্য।