19/07/2026
বাচ্চার জন্য একটা রুটিন প্রয়োজনঃ
ছোট বাচ্চাদের যত দ্রুত রুটিনে আনা যায় তত ভালো। যত দ্রুত রাত/দিনের সাথে ঘুমের সম্পর্ক কানেক্ট করা যাবে,তত ভালো।তার মানে এই না যে,সবার একই অবস্থা হবে বা সব বাচ্চা একই সময়ে রুটিনে আসবে।কিন্তু রুটিনে আনার এইযে চেষ্টাটুকু,এটা চালিয়ে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমের সাথে সবকিছুর যে দারুণ সম্পর্ক এটা আমরা অনেকেই বুঝতে পারিনা,পেরেও চাইনা। অনেক বাচ্চা ২-৩ মাসের মধ্যেই ঘুমের রুটিনে চলে আসে।ঘুমের মধ্যে বারবার খিদে পাওয়াটাকে আলাদা ধরা যাবেনা। আবার অনেক বাচ্চার ঘুমের রুটিন সেট হতে এটলিস্ট ৩ বছর লাগে। কিন্তু মাঝখানের সময়টায় রুটিন আনায় চেষ্টা চালিয়ে যেতেই হবে।
কিন্তু এখানেই আমাদের সবার ধৈর্য্য থাকেনা।দেরীতে ঘুমাচ্ছে বলে বাচ্চাকে কিছুদিন চেষ্টা করে ওই অবস্থাতেই ছেড়ে দিই,এতে লাভের অংক শূন্য ছাড়া কিছুনা।
অনেকের পারিবারিক বিষয় ম্যাটার করে,অনেকের নিজেদের ঘুমের সময়টারই ঠিক থাকেনা।কোন পরিবারে বড়রা রাত জেগে টিভি বা ডিভাইস নিয়ে থাকছে,ফলাফল বাচ্চারাও ওটাই বুঝছে।বাচ্চারা দেখে শেখে।আবার রাতে অনেক বেশি খেলা
ধুলা,ছুটোছুটি হলেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
কিছু পরিবারে দেখা যায় দিনের বেলায়ও অনেক্ক্ষণ টিভি বা এমন ডিভাইস চলে,কেউ দেখুন বা না দেখুক চলে।এই ব্লু রে ঘুমের বারোটা বাজিয়ে রাখে দিনের বেলাতেই।
পরিবেশ বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেককিছু এর উপর নির্ভর করে।এমন না যে খুব পয়সাওয়ালা হতে হবে,এমন না যে খুব দামী কিছু হতে হবে,তবে স্বদিচ্ছা সবসময় জরুরী।
একদিন হঠাৎ করে তাড়াতাড়ি ঘুম না পাড়িয়ে ধীরে ধীরে ঘুমের সময়টাকে এগিয়ে আনা উচিত।যেমনঃ রাত ২ টায় ঘুমালে পরদিন ১ টা ৪০ মিনিটে ঘুমানোর জন্য নিয়ে আসুন।এভাবে ৪/৫ দিন চলার পর সময়টাকে আরও ২০ মিনিট এগিয়ে আনুন।এভাবে। তবে সকালে সেম সময়ে ঘুম থেকে উঠা বিষয়টাকে মেনটেইন করতে হবে।
রাতে ঘুম কম= মনোযোগ কম=খিটখিটে মেজাজ
আপনি বদলান,সব বদলাবে।সমাজ না,যতটুকু বদলানো আপনার পক্ষে সম্ভব ওটুকুই।কোন অজুহাত চলেনা ভালো কাজে।