Towhid Network

Towhid Network আসসালামু আলাইকুম আমার পেইজ এ আপনাকে স্বাগতম। আমি আপনাদের ভালো কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবো।
(22)

পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরে যা করছে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে ২% করতে পারে নি। এসব বল্লে আবার রাজাকার বলবে।বাস্তব টা মেনে নিতে কষ্ট...
06/05/2026

পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরে যা করছে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে ২% করতে পারে নি। এসব বল্লে আবার রাজাকার বলবে।বাস্তব টা মেনে নিতে কষ্ট হয়।

চলেন বিস্তারিত জেনে নেয়⤵️

বাংলাদেশের আজকের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো গুলো কি পাকিস্তান আমলেরই দান ? গত ৫৫ বছর রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য কি করতে পেরেছে!

‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন মুসলিম বি/দ্বে*ষী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল যা নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানেন না ।

‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে মাত্র 👉 ১ টা।

‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে আর তৈরির নমুনা গুণগত মান তুলনা করলেই বুঝতে পারবেন ।

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

‎◾পিজি হাসপাতাল, স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।

‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

‎◾ সংসদ ভবন

‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ

‎◾ বাংলা একাডেমি

‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা

‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)

‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন

‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি

‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে মেধাবী কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা ২০২৬ সালের যুদ্ধের কদর্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।

‎আর ১৯৭১ সালে আন্তর্জাতিক সিকৃতি ছাড়া বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। বাস্তবে তারা ১৯৭১ সালে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করে, সরাসরি কলকাতা হতে এসে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে, তৈরি করেছে বাংলাদেশি ভারতীয় দালাল। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর।

‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেতনা বড় নাকি দেশের আর্মি বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন বড় ! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে, মিথ্যা বানোয়াট প্রোপাগান্ডা চালানো ফজু ইতর গং ঘেউ ঘেউ করে । আফসোস🙂। হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করার চাইতে ঐ সমস্ত টাকা বাংলাদেশের আর্মি ও বিমান বাহিনীর উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ব্যায় করতে হবে।
‎ #কপিপোষ্ট

‎“বেদনার ভারে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, দুঃখের প্লাবনে যখন আপনি দুমড়েমুচড়ে যান, যখন নীরবে-নিভৃতে দু'ফোঁটা অশ্রু আপনার চ...
15/04/2026

‎“বেদনার ভারে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, দুঃখের প্লাবনে যখন আপনি দুমড়েমুচড়ে যান, যখন নীরবে-নিভৃতে দু'ফোঁটা অশ্রু আপনার চোখ থেকে ঝরে পড়ে। নিশ্চিত থাকুন, সেই গভীর বনাঞ্চলের সুগভীর কোণে জন্ম নেওয়া সেই নাম না-জানা উদ্ভিদ,

‎যার পাতা-ঝরার ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বেখেয়াল নন, তিঁনি আপনার অশ্রু-ঝরার ব্যাপারেও সম্যক অবগত। তিঁনি আপনার দুঃখগুলো, যেগুলো আপনাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, সেগুলো সম্পর্কেও জানেন। তাই হতাশ হবেন না। আপনার রবের পরিকল্পনায় আস্থা রাখুন।”

‎বই: কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ।

01/04/2026

যে ঠকে সে বোকা নয়, সে নিরুপায়।
আর যে ঠকায় সে চালাক নয়, সে বেঈমান।
যে বিশ্বাসের মান রাখে না, সে মানুষ নয়।
কাউকে ঠকিয়ে নিজেকে বুদ্ধিমান ভেবে না।
সময়ের ব্যাবধানে তুমিও একদিন ঠকে যাবে।
যে অন্যের খুশী সুখ, শান্তি কেড়ে নেয় তার সুখের মেয়াদ বেশি দিন নয়।

প্যা'রালাইস হয়ে যাদের এক পাশ একেবারে অ'বশ হয়ে গেছে তারা নি'রাশ হবেন না। প্যা'রালাইস ভালো হবে মাত্র ২১ দিনে। তার জন্য ল...
31/03/2026

প্যা'রালাইস হয়ে যাদের এক পাশ একেবারে অ'বশ হয়ে গেছে তারা নি'রাশ হবেন না। প্যা'রালাইস ভালো হবে মাত্র ২১ দিনে। তার জন্য লাগবে সাজনা পাতা, লবঙ্গ, কালোজিরা এক সঙ্গে ভালো করে পাটায় বেটে এক মগ কুসুম গরম পানির মধ্যে এর রসটা চিপে দিয়ে এক টানা ২১ দিন এভাবে বানিয়ে খাবেন। দেখবেন ২১ দিনের মধ্যে আপনার প্যা'রালাইস রো'গ একদম ভালো হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ । 💯✅

12/03/2026

ছোটবেলায় বিটিভি ছাড়লেই যদি দেখতাম সংসদ অধিবেশন চলছে, উফ্, কী যে মেজাজ খারাপ হতো! মনে হতো দুনিয়ার সবচেয়ে বিচ্ছিরি আর বোরিং জিনিস এটা। রিমোট আছাড় দিতে ইচ্ছে করতো!

​অথচ আজ বাসায় টিভি নেই, তারপরও ইউটিউবে লাইভ নিয়ে বসেছিলাম। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী আগ্রহ নিয়ে যে দেখলাম!

আমার ধারণা, আজকে আমার মতো অবস্থা দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের। পুরোটা সময় শুধু হাসনাত আবদুল্লাহকে খুঁজছিলাম। হা হা

​আসলে আমরা বড় হচ্ছি নাকি সময় পাল্টেছে জানি না, তবে সংসদের মতো 'বোরিং' জিনিসও এখন আমাদের কাছে থ্রিলার মুভির চেয়েও বেশি ইন্টারেস্টিং।

​নিজের পরিবর্তন দেখে নিজেই হাসছি।

তালাক কেন হচ্ছে জানার জন্য গত ৯ মাস ধরে আমি ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার  সাথে কথা বলেছি, কেন তালাক হলো।এর  ৭২% ত...
30/08/2025

তালাক কেন হচ্ছে জানার জন্য গত ৯ মাস ধরে আমি ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার সাথে কথা বলেছি, কেন তালাক হলো।
এর ৭২% তালাক হয়েছে ভুলবুঝা বুঝি একে অপরকে অসন্মান। আর ১৮℅ তালাকের কারণ পরকীয়া। ১০% তালাক স্ত্রীর উচ্চ বিলাশিতার কারনে। ৭৮℅ তালাক হয়েছে মেয়ের কারণে। ২২℅ পুরুষের দোষে।

মজার বিষয় হলো ৯২℅ তালাক প্রাপ্ত মহিলা পুরুষ তালাকের পরে অনুতপ্ত তারা বলছে সিদ্ধান্তটি ভুলছিলো। তালাক প্রাপ্ত ৮৯℅ মেয়েদের আর বিয়ে হচ্ছে না।

০৪℅ মেয়ে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০৭℅ মেয়ে পথভ্রষ্টা। ছেলেদের মধ্যে ৮৫ ℅ বিয়ে করে সংসার করছে।

১৩℅ ছেলে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০২ ℅ ছেলে পথভ্রষ্ট।

আরো মাজার বিষয় হলো ৬৭℅ ছেলেই কুমারি মেয়ে বিয়ে করেছে। আর মেয়েরা কুমার ছেলে পেয়েছে ০০১℅।
আমি তালাকের বিরুদ্ধে তাই এই জরিপ করেছি।

যারা দাম্পত্য জিবন নিয়ে হতাশ তাদের পরামর্শকের কাজ করতে চাই। চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
প্লিজ তালাক দেওয়ার এগে ভাবুন আবার ভাবুন দেখুন সমযতা করা যায় কিনা।

সততার পথেই সঠিক পথ যা আল্লাহ পছন্দ করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পরে ১২℅ মেয়ের আবারও তালাক হয়েছে।
৮৯% মেয়ে দ্বিতীয় সংসারে অসুখি।

অপর দিকে মাত্র ০২℅ ছেলের আবারও তালাক হয়েছে আর অসুখি ০৩℅ পুরুষ। অবাক করা বিষয় হলো দ্বিতীয় তালাক দেওয়া ছেলেদের স্ত্রী হয়েছিল কোন তালাক প্রাপ্ত মহিলা।
আর বিধ্বা মহিলাকে বিয়ে করে চরম সুখি ৯৩℅ পুরুষ। আশা করি বুঝতে পারছেন।

এটি ১৮৮৩ সালে একজন আরব পুরুষের ছবি, এই লোকটি নিশ্চয় কখনও নারী অধিকার সম্পর্কে কোন বই পড়েননি, অথবা কখনও নারী অধিকার সংক্র...
29/08/2025

এটি ১৮৮৩ সালে একজন আরব পুরুষের ছবি, এই লোকটি নিশ্চয় কখনও নারী অধিকার সম্পর্কে কোন বই পড়েননি, অথবা কখনও নারী অধিকার সংক্রান্ত কোন সভায় অংশগ্রহণও করেননি.. অথচ লোকটি নিজ স্ত্রীকে ঘোড়ার পিঠে বসিয়ে নিজে ঘোড়ার লাগাম ধরে খালি পায়ে উত্তপ্ত মরুভূমিতে হেটে চলেছে.........

— প্রোফেসর মোখতার আহমেদ (হাফি.)

কি মনে হয় আদোও বাংলাদেশে এই আইন কার্যকর হবে।।।।।।???? ゚viralシfypシ゚viralシalシ
28/08/2025

কি মনে হয় আদোও বাংলাদেশে এই আইন কার্যকর হবে।।।।।।????
゚viralシfypシ゚viralシalシ

28/08/2025

Who is Hasnat Abdullah ?

প্রতিটি মানুষের একটি আবেগের জায়গা থাকে। আমরা যারা ৫ই আগস্টকে বুকে ধারণ করি এবং বিশ্বাস করি একদল তরুণ ১৬ বছরের বন্দিদশা এবং ফ্যাসিবাদীদের হাত থেকে আমাদের মুক্ত করেছেন তারা অবশ্যই, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম কিংবা সজীব ভূঁইয়াদের অস্বীকার করতে পারিনা, সে জামায়াত, বিএনপি বা অন্য কোন দলের লোকই হোক না কেন।

বিশেষ করে হাসনাত আব্দুল্লাহর কথা বলতেই হয়। তার ৫ই আগস্টের আগে এবং পরের কার্যকলাপ আমাদের মনে দাগ কেটেছে, এবং তার প্রতি একটা ভালোবাসার বিশাল জায়গা তৈরি করছে ।

কেউ যদি তাদের অবদানকে অস্বীকার করে সে যেন পুরো বাংলাদেশকেই অস্বীকার করলো।

আর রুমিন ফারহানা বলে কিনা
Who is Hasnat Abdullah ?

Hasnat Abdullah is that person

যাদের কারনে আজকে তোমরা টকশোতে বড়ো বড়ো কথা বলতে পারতেছো।

27/08/2025

দয়া করে এক মিনিট ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ কথাগুলো শুনে যাবেন।
゚viralシfypシ゚viralシalシ

23/08/2025

তিন ধরনের লোক বেশি পেরেশানিতে থাকে!

সাহায্যকারী, দায়িত্বশীল, যার অন্তর পরিচ্ছন্ন!

Address

Chashara
Narayanganj
1400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Towhid Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share