Ma Sha Allah

Ma Sha Allah রবের প্রিয় হবো বলে ছেড়েছি যে পথ,
সেই পথে আর কখনো ফেরা না হোক.... ❤️‍🩹🌼

09/11/2024

এক কঠিন আযাব আর মুসিবত হল, এটা মনে করা: "মিউজিক সাফল্য, আনন্দ আর সৃষ্টিশীলতার উৎস"; আর " কুরআন শুধু মৃতের প্রতি শোক প্রকাশের জন্য।"

-আতিক উল্লাহ হাফিঃ

16/10/2024

ঘটনা-দুটি যতবারই পড়ি, শিহরিত হই.......!

❙ ঘটনা - ১ ❙

“বাগদাদে বাস করত এক মুয়াজ্জিন...।

যার নাম ছিল সালেহ। সালেহ মুয়াজ্জিন নামে প্রসিদ্ধ ছিল সে। প্রায় চল্লিশ বছর আজান দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছিল। তার সততা ও সদাচার কারো অজানা ছিল না। সকলেই তাকে খুব ভালো জানত। সত্যিই সে ছিলও তেমনই। একদিনের কথা। মুয়াজ্জিন সালেহ আজান দিতে মসজিদের মিনারায় উঠেছে।

এমতাবস্থায় তার চোখ পড়েছে মসজিদ-সংলগ্ন বাড়িতে থাকা এক খ্রিষ্টান রমণীর দিকে। দেখামাত্রই সে তার প্রেমে পড়ে যায়। এরপর সে সব ফেলে সেই রমণীর কাছে পৌঁছায়।

দরোজায় কড়া নাড়তেই ভেতর থেকে আওয়াজ আসে, কে...? জবাবে সে বলে, আমি সালেহ মুয়াজ্জিন। দরোজা খুলে দিলেই সালেহ মেয়েটিকে স্প*র্শ করতে চায়।

নিরুপায় হয়ে মেয়েটি বলে,
আপনারা তো আমানতদার! তবে এ কেমন খেয়ানতের আচরণ করছেন? সালেহ বলে, যদি আমার কথা না শোনো, তাহলে প্রা*ণে মে*রে ফেলব। ‘আপনার কথা শুনতে পারি, তবে আপনাকে ইসলাম ত্যাগ করতে হবে।'—বলে মেয়েটি।

সালেহ তৎক্ষণাৎ বলে ফেলে, 'আমি ইসলাম ত্যাগ করলাম, মুহাম্মদ আনীত কোনো কিছুর সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।' মেয়েটি বলে, 'এভাবে বললে তো হবে না; হতে পারে আপনার কামনা চরিতার্থ করে আপনি আবার ইসলাম গ্রহণ করবেন; তা হবে না। স্থায়িত্বের প্রমাণস্বরূপ আপনাকে শূক*রের মাংস খেতে হবে।

সালেহ তা-ই করে। তারপর তাকে ম'দ'পান করতে বলা হয়; সে তাও করে। সব কথা শোনার পর যখন আবার সে মেয়েটিকে স্পর্শ করতে যায়, তখন মেয়েটি অন্দরমহলে গিয়ে দরোজা আটকে দেয় এবং সালেহকে বলে ছাদে ওঠে অপেক্ষা করতে—যেন মেয়েটির বাবা এসে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে পারে।

এবার সে তা-ই করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ছাদ থেকে পড়ে সে মা*রা যায়। তারপর বেরিয়ে এসে মেয়েটি তাকে একটি কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে রাখে। তার পিতা ঘরে ফিরলে সে তাকে সব খুলে বলে। অতঃপর রাতের অন্ধ'কারে শহরের গলিতে ফেলে দেওয়া হয় সালেহ মুয়াজ্জিনের লা*শ। পরদিন সকালে ঘটনা জানাজানি হলে,সালেহের জায়গা হয় ময়লার স্তূপে!”

কুদৃষ্টির ফলাফল কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার উপমা এই ঘটনাটি। বর্ণনা করেছেন আল্লামা ইবনুল জাওযি রাহিমাহুল্লাহ।

(জাম্মুল হাওয়া, পৃষ্ঠা ৪০৯)
বইঃ নজরের হেফাজত, পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬।

আসলে মৃ*ত্যু'র আগে কেউই ফিতনামুক্ত নয়! সারাজীবন হকের পথে থেকে, মৃ*ত্যু'র আগে ঈমান হারিয়ে মৃ'ত্যু'বরণ করার মতো ভয়ানক আর কি হতে পারে! আল্লাহুম্মাগফিরলি!

হিদায়াত এমন এক জিনিস, হতেও পারে আপনি সারাজীবন আপনি সারাজীবন নেককার ছিলেন, কিন্তু মৃ'ত্যু'র আগে এমন একটা কাজ করে ঈমানহারা হয়ে মৃ'ত্যু'বরণ করলেন! আল্লাহ মাফ করুন।।।

❙ ঘটনা - ২ ❙

বারসিসার ঘটনাটাও ঠিক এমনই......।।
বারসিসা ছিল খুব ইবাদাত গুজার লোক।

যু*দ্ধে যাবার আগে তিন ভাই তাদের একমাত্র বোনকে বারসিসার জিন্ময় রেখে যেতে চাইলো। প্রথমে না করলেও ভাইদের পীড়াপীড়িতে অবশেষে বারসিসা রাজি হল‌‌। ঠিক হলো বারসিসা থাকবে তার নিজের বাসায়। আর মেয়েটি থাকবে অন্য এক বাসায়। রোজ খাবার তৈরি করে মেয়েটির ঘরের দরজায় রেখে আসতো বারসিসা। কথা বলতো না। কিছুদিন কেটে গেল এভাবে। কিন্তু আস্তে আস্তে বারসিসা শয়'তানের ফাঁদে পা দিল।

শয়তান তাকে বোঝালো এভাবে খাবার দিয়ে চলে আসা তো অভদ্রতা, তাকে ডেকে খাবার দিয়ে আসো। বারসিসা তাই করতে শুরু করল। তারপর শয়তান বলল তার সাথে দুই একটা কথা বল কথা বললে আর কি হবে? সে তাই করলো।

তারপর শয়তান বলল ঘরের মধ্যে বসে একটু কথা বললে আর কি হবে? মেয়েটা সারাদিন একা একা থাকে। বারসিসা শয়তানের কুমন্ত্রণায় সারা দিলো। এভাবে একটু করলে কি হয় থেকে শুরু করে একপর্যায়ে বারসিসা সেই মেয়ের সাথে যি*না করলো‌। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে সন্তান জন্ম দিল।

ততদিনে ভাইদের ফেরার সময় হয়ে গিয়েছে। বারসিসা প্রচন্ড ভয় পেলো। শায়তান এবার বুদ্ধি দিল ভাইয়েরা যদি এসে এই অবস্থা দেখে তাহলে তোমাকে কঠিন শা*স্তি দেবে। তুমি বরং ঝামেলা মিটিয়ে ফেলো।

শয়তানের পরামর্শে বার্সিসা সেই মেয়ে ও তার সন্তানকে খু*ন করে ক'বর দিল। ভাইয়েরা ফিরলে কান্নাকাটি করে বলল তোমাদের বোন অসুখে মা*রা গেছে। ওইখানে ক'বর দিয়েছে। ভাইয়েরা কান্নাকাটি করে চলে গেল।

কিন্তু রাতে শয়তান গিয়ে স্বপ্নের মাধ্যমে তিন ভাইকে সত্যটা জানিয়ে দিল। পরদিন তিন ভাই মিলে বারসিসার কাছে আসলো। মেয়েটির কবরে তার সন্তানের লা*শ'ও দেখতে পেল। নিশ্চিত হল বারসিসাই তাদের বোনকে হ*ত্যা করেছে। তারা বারসিসাকে মে*রে ফেলা সিদ্ধান্ত নিলো। তারা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন শয়তান এসে বারসিসাকে বললো তুমি যদি আমাকে সিজদা করো তাহলে আমি তোমাকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করব। বারসিসা তাই করল। তারপর? তারপর শয়তান বারসিসাকে ত্যাগ করলো।

এভাবে একটু কথা বললে কি হয়__একটু তাকালে কি হয়__এই একটু একটুর ফাঁদে পরে বারসিসা জি*না করলো,খু*ন করলো, শি'রক করলো,তারপর তাকে সেই অবস্থায় ম*রতে হলো।

(বই-আকাশের ওপারে আকাশ)

এই ঘটনা দুটিতে দুজনই বড়ো বুজুর্গ ছিলেন!
কিন্তু মৃ'ত্যুর আগে আর ঈমান নিয়ে যেতে পারলেন না, সারাজীবনের এতো আমলের আর দাম থাকলো না!

একদিন মাত্র নজরের হেফাজত না করায় তার এমন নি*র্ম'ম মৃ'ত্যু হলো, আর বারসিসার ঘটনার মতো আমরাও ছোট ছোট গুনাহের ব্যাপারে ছাড় দিয়ে ফেলি ,যা আস্তে আস্তে আমাদের বড় গুনাহের দিকে নিয়ে যায়।

মানুষ আগেই সোজাসুজি হা'রা'ম রিলেশনে পা বাড়ায় না। আগে নজরের খেয়ানত করে, ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকায়, তারপর ভাবে একটু কথা বললে কি হয় , এভাবে একটু একটু করে করে বড় মারাত্মক গুনাহ করে ফেলে।

এভাবে ছোট ছোট গুনাহগুলোই বড় গুনাহের দিকে ঠেলে দেয় , যেভাবে বারসিসাকে ঠেলে দিয়েছে শি'রক এর দিকে , আর সেই অবস্থায় মৃ'ত্যু।

ঈমান ছাড়া তো আমলের কোনোই মূল্য নেই, ঠিকই যেমন প্রাণ ছাড়া দেহের কোনো মূল্য নেই!

ঠিক এইভাবেই হিদায়াত হারিয়ে যায়!

আল্লাহর কাছে এইজন্য আমাদের বেশি বেশি কান্নাকাটি করে দুআ করা উচিত যেন আল্লাহ আর সবকিছু নিয়ে গেলেও হিদায়াতটা না নিয়ে নেন!

হিদায়াতের চাইতে মূল্যবান আর কি হতে পারে?
এজন্য সবসময় এই দুআ করতে যেন না ভুলি,

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ

অর্থঃ হে অন্তর পরিবর্তনকারি! আমার অন্তর তুমি তোমার দীনে সুদৃঢ় রাখ।

[জামে আত তিরমিজী : ৩৫২২]

এবং,

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ প্রদর্শনের পর আপনি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিয়েন না এবং আপনার নিকট থেকে আমাদেরকে করুণা দান করুন । নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।

(সূরাহ আলে ইমরানঃ আয়াত ৮)।

ইয়া রব্ব, আপনি আমাদের মৃ'ত্যু পর্যন্ত বা'তি'লের বি'রু!দ্ধে আপোসহীন থাকার এবং দৃঢ়চিত্তে হ'কের পথে ঈমানের সাথে থাকার তাওফিক দিন, ঈমানের সাথে শা*হা*দা!তের মৃ'ত্যু দিন।

আমীন।

লেখা : Samiha Bint AH

16/10/2024

শাপলার স্মৃতিচারণ:

রাতে হ|mল| শুরু হওয়ার পর যখন সবাই দৌড়ানো শুরু করে, আমি তখন প্রথমে আমার একজন ক্লাসমেট আর একজন উস্তাদের হাত ধরে দৌড়ানো শুরু করি। তখন কেবল কাফিয়া পড়ি, জীবনে প্রথম মতিঝিল এসেছি মা-বাবা ছাড়া, পথঘাট তেমন চিনিও না। একটু পর হোঁচট খেয়ে আমি পড়ে যাই, উঠে দেখি আমার সাথের দুইজন নেই। এরপর একা দৌড়ানো শুরু করি। একটা বুথে গিয়ে মুরুব্বী গার্ড চাচাকে বললাম, চাচা! ভেতরে একটু জায়গা দেন। চাচা জায়গা দেয়ার পরিবর্তে উল্টো লাঠি দিয়ে আমাকে বাড়ি দিয়ে বলেন, ‘ভাগ মোল্লা! আইছোস সরকাররে নামাইতে, এহন বোঝ মজা!’

এরপর একটা সরকারী গার্লস কলেজের পাশের গলিতে ঢুকে একটা বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় চাই, সেখানকার দারোয়ানও লাঠি দিয়ে বাড়ি দিতে থাকে।

মনে পড়ে এসব কথা মাঝে মাঝেই।

- তানজীল আরেফীন আদনান হাফিঃ

ভারতের এক সেনাবাহিনী আমার দাড়ি ধরে এত জোরে টেনেছিল যে, আমার মনে হয়েছিল আমার দাড়ি দাঁতসহ উঠে যাবে। পরক্ষণেই আমি জ্ঞান হার...
01/10/2024

ভারতের এক সেনাবাহিনী আমার দাড়ি ধরে এত জোরে টেনেছিল যে, আমার মনে হয়েছিল আমার দাড়ি দাঁতসহ উঠে যাবে।

পরক্ষণেই আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। আমার সাথে থাকা এক ছেলে আমাকে বলে, তারা আমার দাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের মধ্যে থেকে এক সেনাবাহিনী বাঁধা প্রদান করে। আমাদের অপরাধ আমরা মুসলিম, আমরা কাশ্মীরের অসহায় মুসলিম।

সোর্স : BBC নিউজ বাংলা

26/09/2024

আপনাকে গালি দিয়েছে, কিছুই করতে পারিনি। আপনার স্ত্রীগণের সম্মানহানি করেছে নিস্তব্ধ ছিলাম৷

আপনার প্রিয় সহোদর সাহাবী আজমাইনদের শানে অকথ্য ভাষা বলেছে, আপনার এই জালিম উম্মত কেবল চেয়ে চেয়ে দেখেছে।

মাফ করে দিয়েন রাসূলুল্লাহ্। আপনাকে দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব। আপনার মদীনায় ছুট্টে গিয়ে আকুতি মিনতি করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, "আমি অপারগ।" আমি আপনার বিলালের মতো অপারগ রাসূলুল্লাহ। আমাকে একটু জড়িয়ে ধরুন না, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)।"

|| সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ||

হে বোন!আপনার দ্বীনের বুঝ আছে বলেই, ফিতনার ভয়ে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টে কোনো নন মাহরামকে রাখেননি। মিউচুয়াল দেখে, বেশ ক...
26/09/2024

হে বোন!
আপনার দ্বীনের বুঝ আছে বলেই, ফিতনার ভয়ে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টে কোনো নন মাহরামকে রাখেননি। মিউচুয়াল দেখে, বেশ কয়েকবার আইডি চেক করে তারপর আপনি রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করেন। মাশাআল্লাহ বোন। আপনি নন মাহরামের ব্যাপারে খুবই সচেতন। কিন্তু সেই আপনি আপনার আইডির সকল পোস্ট পাবলিক রেখে নিজের রোজনামচা, ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়, লেখনির মাধ্যমে নিজ সৌন্দর্যের বর্ণনা পোস্ট করতে কখনোই ভুলেন না। বোন কী লাভ হলো বলুন? এতবার আইডি চেক করে আপনি রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করে কী লাভ হলো? আপনি কি আদৌ নন মাহরাম মেইনটেইন করতে পারলেন? পর্দা মানে কি শুধু একটুকরো কাপড় দিয়ে নিজেকে আবৃত করা?

হে বোন!
নিজেকে নিয়ে একটু ভাবুন। কোনো পুরুষ যদি আপনার টাইমলাইন চেক করতে গিয়ে আপনার রোজনামচা, কৌশলে লেখনির মাধ্যমে সৌন্দর্যের বর্ণনা রয়েছে এমন পোস্ট পড়ে ফিতনায় পড়ে তবে সেই পুরুষ যেমন দায়ী এজন্য বোন আপনি নিজেও দায়ী। কারণ, সেই পুরুষের উচিত ছিল এসব না পড়া এবং টাইমলাইন চেক করা থেকেও বিরত থাকা। আর আপনার উচিত ছিল পাবলিকলি এসব পোস্ট না করা। আমরা সবাই নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করবো। তাই আমরা একটু সচেতন হয়।

লেখা: Dawah-দাওয়াহ

Ma Sha Allah

26/09/2024

ইসলামে হারাম সম্পর্কের গুনাহ অত্যন্ত গুরুতর বলে বিবেচিত। হারাম সম্পর্ক বলতে এমন সম্পর্ককে বোঝায় যা ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বৈধ নয়, যেমন বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক, জিনা বা অবৈধ যৌন সম্পর্ক। কুরআন ও হাদিসে এর গুনাহ সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হারাম সম্পর্কের গুনাহের কিছু দিক নিয়ে তুলে ধরা হলো:

1. আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন: হারাম সম্পর্কের মাধ্যমে আল্লাহর স্পষ্ট আদেশ অমান্য করা হয়। কুরআন স্পষ্টভাবে জিনা বা অবৈধ যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়:

"তোমরা ব্যভিচারের ধারে-কাছেও যেও না, নিশ্চয়ই এটি অগ্নীল কাজ এবং অত্যন্ত মন্দ পথ।" (সূরা আল-ইসরা: ৩২)

2. পাপের শাস্তি: কিয়ামতের দিন এই পাপের জন্য কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। হাদিসে এসেছে, যারা অবৈধ সম্পর্ক করে, তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

3. পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি: হারাম সম্পর্ক পারিবারিক বন্ধনকে দুর্বল করে এবং সমাজে অশান্তির সৃষ্টি করে। এর ফলে মানুষের মধ্যে আস্থা ও সততার অভাব দেখা দেয়।

4. নফসের তাড়না ও আত্মার ক্ষতি: হারাম সম্পর্ক মানুষের নৈতিকতা ও আত্মার বিশুদ্ধতা নষ্ট করে। এটি মানুষের আত্মাকে দুর্বল করে দেয় এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ককে দূরে সরিয়ে দেয়।

5. জাহান্নামের হুমকি: জিনা বা হারাম সম্পর্কের কারণে জাহান্নামের কঠিন শান্তির ভয়াবহতা বর্ণিত হয়েছে।

অতএব, ইসলামে হারাম সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, এবং যারা এই পাপ থেকে তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসে , তাদের জন্য আল্লাহর রহমতের দরজা সবসময় খোলা।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ-যে কেউ অন্যায়ভাবে কারো এক বিঘত জমি নিয়ে নেয় , আল্লাহ তাকে তার জমিনে...
26/09/2024

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ-
যে কেউ অন্যায়ভাবে কারো এক বিঘত জমি নিয়ে নেয় , আল্লাহ তাকে তার জমিনের সাত তবকের শেষ পর্যন্ত খুঁড়তে বাধ্য করবেন। অতঃপর তার গলায় তা শিকলরূপে পরিয়ে দেওয়া হবে , যতক্ষণ পর্যন্ত না মানুষের ( হাশরের ) বিচার শেষ করা হয়।

রেফারেন্স :- ( মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৬০ ; মুসনাদে আহমাদ : ১৭৫৭১ )

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ma Sha Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share