09/06/2026
চিন্তা করেন ব্যবসা বলে কথা,,,,,
বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের প্রধান খাদেম সংবাদ সম্মেলনে করছেন কুমির কে পুনরায় মাজারের দিঘি তে ফিরিয়ে আনার জন্য। তাহার বক্তব্য হচ্ছে- কুমির ৬০০ বছরের ঐতিহ্য বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের এবং নানান দর্শনার্থীরা কুমির কে দেখতে আসে ইত্যাদি।
এইটা ভুল-- অধিকাংশ মানুষ আসে মানতের নামে শিরকে লিপ্ত হওয়ার জন্য। খাদেমদের কথার ধোঁকায় জড়িয়ে👉 হাস- মুরগী-ছাগল ইত্যাদি দেওয়ার জন্য। আর এই ৬০০ বছর এই সমাজের অজস্র মানুষ এই কুমিরের দ্বারা শিরকে লিপ্ত হয়ে মুশরিক হয়ে গিয়েছে।
মাজারের খাদেমদের বক্তব্য হচ্ছে - তারা কাউকে হাস- মুরগী, গরু -ছাগল নিয়ে এই দিঘিতে মানত করতে বলেনি-- এইটা একদম মিথ্যা কথা ।
যদি তাদের উদ্দেশ্য ভাল হতো তাহলে ঐ খানে সাইনবোর্ড বা নোটিশ টানিয়ে দিতো। এবং উল্লেখ থাকতো যে- এই দিঘির কুমির কে হাস, মুরগী, গরু, ছাগল ইত্যাদি দিয়ে মানত করা নিষেধ। এই কাজ করলে শিরক হবে।
যেহেতু তাদের উদ্দেশ্য অসৎ খারাপ ধান্দা - তাইতো তারা যুগের পর যুগ আবেগি মূর্খ মানুষদের নিষেধ করেনি - বাধা দেয়নি। মাজারের খাদেমরা মানুষ কে শিরকে লিপ্ত করেছে নিজেদের পেট ভরানোর জন্য।
মূল বিষয় হচ্ছে-- ঐ মাজারের দিঘিতে কুমির থাকলে বছরের পর বছর- যুগের পর যুগ- মূর্খ মানুষদের নিকট থেকে মানতের নামে যে- হাস, মুরগী, গরু, ছাগল ইত্যাদি লাভ করে বিক্রি করার যেই বড় সুযোগ সুবিধা তারা ভোগ করে এসেছে, সেইটা চলমান থাকবে।
ধলা পাহাড় এবং কালা পাহাড় নামে যেই কুমির ছিল, সেই কুমির অনেক আগেই মারা গিয়েছে।
পরবর্তী তে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য নুতুন কুমির দিঘিতে রেখেছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে 👉এই কুমির দিয়ে ব্যবসা করা।
যদি সব কিছু জেনে বুঝেও প্রশাসন যদি পুনরায় কুমির কে দিঘিতে ফেরত দেয়- তাহলে মনে রাখবেন --শিরকের কাছে ইসলাম পরাজিত হবে। খাদেম প্রতারকদের ভণ্ডামির কাছে জাতি হেরে যাবে
পোস্ট টা শেয়ার করে সবাই কে জানিয়ে দেন