04/06/2026
সাপটি বাড়ী বাজারে সন্ধ্যায় বসে ছাত্রদল নেতা মাইদুলের আরেকটি সমান্তরাল ৫নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদ
-----------------------------------------------------------------------------
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের সাপটি বাড়ী বাজারে সন্ধ্যায় বসে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে মাইদুলের আরেকটি সমান্তরাল ভুয়া ৫নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদ চালানোর মতো ঘটনা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং এটি একটি বড় ধরনের প্রতারণার ফাঁদ।তার রয়েছে একটি প্রতারক চক্র। যারা সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয় বলে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।সে ৫নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের একজন উদ্যোক্তা হলেও তার কথায় চলে পুরো ইউপি কার্যক্রম। সরকারি বিভিন্ন অনলাইন সেবায় তার কাছে না এসে অন্য মাধ্যমে আবেদন করলে সে নানাভাবে সেবার নামে হয়রানি করে থাকে।জানা যায়,তার কাছ থেকে এনআইডি কার্ড,জন্ম সনদসহ নাগরিক সেবা পেতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা।যারা ইউনিয়ন পরিষদ সেবা যান তাদের সে সন্ধ্যায় সাপটিবাড়ী তার ব্যক্তিগত চেম্বারে আসতে বলে হয়রানি করে এবং নাগরিক সেবার নামে মোটা অংকের টাকা আদায়ে চলে বিশেষ ইন্টারভিউ। সেবা প্রত্যাশীদের বিভিন্ন কথার মারপ্যাচে ফেলে তাদের নাগরিক সেবা ব্যহত করছে বলে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাসখানেক আগে ছাত্রদল পরিচয় দেয়া এই প্রতারকের বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিক সমকালসহ জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে ত্রাণের টিন ও নগদ অর্থ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হলেও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।জানা যায়, মাইদুল ইসলাম হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা কেন্দ্রের দায়িত্বেও রয়েছেন। গত ২৬ এপ্রিল লালমনিরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এর পরদিনই ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ভাইরাল হওয়া প্রায় দুই মিনিট সাত সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘বিউটি’ নামের এক নারী চারটি টিনের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ত্রাণ হিসেবে পাওয়া আটটি টিন (এক বান্ডিল) ও তিন হাজার টাকা দুই ভাগ করা হয়েছে। এর একটি অংশ তাঁকে এবং অপর অংশ মাইদুল ইসলামকে দিতে হয়েছে বলে ভিডিওতে শোনা যায়।এতোসব অভিযোগের পরও কিভাবে সে হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে।এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো রকমের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা এবং ত্রাণের টিন ও নগদ লুটপাটের অপরাধে কিভাবে এখনো সে উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না,অফিসে যোগাযোগ করে জেনে নিতে বলেন।এদিকে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,ইউপি উদ্যোক্তা মাইদুল লিখিত আমাদের কেউ নয়,কিন্তু তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং দুর্নীতির বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।