Feroz Khan

Feroz Khan ♻️ বাংলাদেশ থেকে - আমি ফিরোজ খান।
টিপস, হ্যাকস ও মোটিভেশন নিয়ে কথা
বলি।
♻️ From Bangladesh - I’m Feroz Khan.
(2)

I talk about tips, hacks and motivation.
♻️ Official page

 -ul-Fitr (ঈদুল ফিতর) হলো মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে উদযাপন করা হয়।🌙 ঈদুল ফিত...
17/03/2026

-ul-Fitr (ঈদুল ফিতর) হলো মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে উদযাপন করা হয়।
🌙 ঈদুল ফিতর কী?
ঈদুল ফিতর মানে “রোজা ভাঙার উৎসব”। পুরো রমজান মাস রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসের ১ তারিখে এই ঈদ পালন করা হয়।
🕌 ঈদের প্রধান আমল
সকালবেলা ঈদের নামাজ আদায় করা
নামাজের আগে সদকাতুল ফিতর (ফিতরা) প্রদান করা
আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা
আত্মীয়-স্বজন ও গরিবদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করা
🍽️ ঈদের আনন্দ
নতুন কাপড় পরা 👕
সেমাই, পোলাও, মাংসসহ বিভিন্ন খাবার খাওয়া
পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো
সালাম ও কোলাকুলি করা
💖 ঈদের মূল শিক্ষা
ঈদুল ফিতর আমাদের শেখায়—
ধৈর্য
আত্মসংযম
দানশীলতা
ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা

১৫. #গল্প ভাঙ্গা সুতোর শেষ প্রান্তে। (পার্ট-২)---রাইয়ার গল্পটা শুরু হয়েছিল একেবারে সাধারণভাবে…বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়, এ...
23/10/2025

১৫. #গল্প ভাঙ্গা সুতোর শেষ প্রান্তে। (পার্ট-২)

---

রাইয়ার গল্পটা শুরু হয়েছিল একেবারে সাধারণভাবে…
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়, একদিন লাইব্রেরিতে দেখা হয় রুদ্রর সঙ্গে।
ছেলেটা শান্ত, চোখে অদ্ভুত এক ভরসা।
প্রথম দেখাতেই মনে হয়েছিল — “এই মানুষটার সঙ্গেই হয়তো জীবনের পথ চলা ভালো হবে।”

রুদ্রও রাইয়ার হাসিটা পছন্দ করত।
ধীরে ধীরে কথা, হাসি, চা–কফি — তারপর ভালোবাসা।
দুই পরিবার মেনে নেয়, আর এক বছর পর তাদের বিয়ে হয়।

বিয়ের প্রথম দিকের দিনগুলো ছিল স্বপ্নের মতো।
রুদ্র সকালে অফিসে যাওয়ার আগে রাইয়ার কপালে চুমু খেত,
রাইয়া অপেক্ষা করত সন্ধ্যায় দরজার পাশে দাঁড়িয়ে।
সবকিছু যেন সিনেমার মতো নিখুঁত ছিল।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই রুদ্র বদলে যেতে থাকে।
অফিসের চাপ, পরিবারিক অশান্তি, আর ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া —
ধীরে ধীরে হাসির জায়গায় নেমে আসে নীরবতা।

রাইয়া চেষ্টা করত আগের মতো করতে,
কিন্তু রুদ্রের উত্তর এখন একটাই —
“তুমি বুঝো না, আমি ক্লান্ত।”

এক রাতে রাইয়া খুব চুপচাপ বসে ছিল।
রুদ্র ফোনে ব্যস্ত অন্য কারও সঙ্গে…
সেই রাতে রাইয়া প্রথমবার বুঝেছিল,
ভালোবাসা হারিয়ে গেলে মানুষ একেবারে অপরিচিত হয়ে যায়।

---

💬 রাইয়ার ডায়েরির লেখা:

> “ভালোবাসা যদি কেবল একা টিকিয়ে রাখা যেত,
তাহলে আমি হয়তো আজও তার পাশে থাকতাম…”

---

🕊️ চলবে...

১৪. #গল্প💔 “ভাঙা সুতোর শেষ প্রান্তে” পার্ট–১ 👇---💔 ভাঙা সুতোর শেষ প্রান্তে (পার্ট–১)রাতটা ছিল অদ্ভুত শান্ত।বৃষ্টি হচ্ছিল...
22/10/2025

১৪. #গল্প💔 “ভাঙা সুতোর শেষ প্রান্তে” পার্ট–১ 👇

---

💔 ভাঙা সুতোর শেষ প্রান্তে (পার্ট–১)

রাতটা ছিল অদ্ভুত শান্ত।
বৃষ্টি হচ্ছিল না, তবুও জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রাইয়ার চোখ ভিজে যাচ্ছিল।
বিয়ের তিন বছর পর আজ সে সত্যি একা হয়ে গেছে।
হাতের কাগজটায় লেখা —
“আমি আর এই সম্পর্ক টানতে পারছি না, রাইয়া। ভালো থেকো।”

এই লাইনটাই যেন পুরো পৃথিবীটাকে থামিয়ে দিল।
একসময় যাকে ভালোবেসে সব ছেড়ে ছিল, সেই মানুষটাই আজ নিজের মুক্তির ঘোষণা দিয়ে চলে গেলো।

রাইয়া জানে না দোষটা তার, নাকি ভাগ্যের।
সব ঠিক রাখতে গিয়ে সে নিজের ভেতরটা কতটা ভেঙেছে, সেটা কেউ জানে না।
মা–বাবা বলে, “বিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করো।”
কিন্তু মানুষ তো একা বাঁচাতে পারে না সম্পর্ক, তাই না?

রাইয়া আজ বুঝেছে —
ভালোবাসা একা থাকলে টিকে না,
দুইজনের ভরসা লাগে, দুইজনের চাওয়া লাগে।
আর আজ, তার পাশে কেউ নেই।

সে চুপচাপ নিজের বালিশে মুখ গুঁজে বলে—
“হয়তো আমার হাসিটাই ছিল ভান,
হয়তো ভালো থাকা শুধু অভিনয় ছিল…”
চলবে........

13.  #গল্প 💔 শেষ দেখা – Part 5 (শেষ অধ্যায়)সময় বয়ে যায় নিজের মতো।রাহুল আর আয়েশা এখন জীবনের সবচেয়ে শান্ত সময় কাটাচ...
21/10/2025

13. #গল্প 💔 শেষ দেখা – Part 5 (শেষ অধ্যায়)

সময় বয়ে যায় নিজের মতো।
রাহুল আর আয়েশা এখন জীবনের সবচেয়ে শান্ত সময় কাটাচ্ছে।
দু’জন একে অপরের ভরসা, একে অপরের হাসির কারণ।

কিন্তু জীবন তো কখনো সম্পূর্ণ হয় না।
একদিন হঠাৎ ডাক্তার বললেন—
আয়েশার শরীরে এক জটিল রোগ ধরা পড়েছে।
রাহুল থেমে গেল। পৃথিবী থেমে গেল তার জন্য।

হাসপাতালের সাদা বিছানায় শুয়ে আয়েশা হেসে বলল,
“রাহুল, ভয় পেও না। মৃত্যু মানে শেষ না, এটা কেবল এক নতুন শুরু।”
রাহুল চোখের পানি লুকাতে চাইলেও পারল না।
“তুমি ছাড়া আমার শুরু কেমন হবে, আয়েশা?”

দিন গড়াল।
এক রাতে আয়েশা ঘুমের মধ্যেই চুপচাপ চলে গেল।
রাহুল অনেকক্ষণ তার হাত ধরে বসে ছিল—
যেন সময়টা থেমে যায়, যেন শ্বাসটা আর না থামে।

কয়েক মাস পরে,
রাহুল সেই জানালার পাশে বসে আছে—
যেখান থেকে একদিন মায়াকে হারিয়েছিল,
যেখান থেকে আবার আয়েশাকে পেয়েছিল।

বৃষ্টি পড়ছে, আগের মতোই।
কিন্তু এবার সে হাসছে।
কারণ সে জানে—
কিছু ভালোবাসা মরে যায় না,
ওরা শুধু অন্য এক আকাশে বেঁচে থাকে। ☔💫

শেষ।

12.  #গল্পের_নাম 💔 শেষ দেখা – Part 4 (ভালোবাসার পরীক্ষা)রাহুল আর আয়েশার সম্পর্ক এখন গভীর।দু’জনের চোখে একে অপরের প্রতি ভ...
20/10/2025

12. #গল্পের_নাম 💔 শেষ দেখা – Part 4 (ভালোবাসার পরীক্ষা)

রাহুল আর আয়েশার সম্পর্ক এখন গভীর।
দু’জনের চোখে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর অদ্ভুত এক বোঝাপড়া।
তবুও জীবনে সবকিছু এত সহজ হয় না।

একদিন হঠাৎ আয়েশার ফোনে একটা মেসেজ আসে—
তার পুরোনো প্রেমিক, রাফি লিখেছে,
“তুমি কি সত্যিই আমাকে ভুলে গেছো?”

আয়েশা মেসেজটা দেখেই চুপ করে যায়।
রাহুল পাশে ছিল, কিন্তু কিছু জিজ্ঞেস করে না। শুধু তাকিয়ে থাকে—
কারণ সে জানে, কাউকে ভালোবাসা মানে তাকে স্বাধীনতা দেওয়া।

সেই রাতে আয়েশা কেঁদেছিল।
রাহুল কিছু বলেনি, শুধু তার হাতটা ধরে রেখেছিল।

পরদিন সকালে আয়েশা বলল,
“রাহুল, আমি গতকাল ভয় পেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম তুমি রাগ করবে।”
রাহুল মৃদু হেসে বলল—
“ভালোবাসা মানে বিশ্বাস, আয়েশা। আমি তোমাকে হারানোর ভয় পাই না, আমি শুধু চাই তুমি সুখে থাকো।”

আয়েশার চোখ ভিজে গেল।
সে আস্তে রাহুলের বুকের কাছে মাথা রাখল।

বাইরে হালকা বৃষ্টি পড়ছিল, জানালায় কুয়াশা জমে ছিল,
আর সেই কুয়াশার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো ঢুকে পড়ছিল ধীরে ধীরে—
ঠিক যেমনটা হয় প্রতিটি কষ্টের শেষে,
যখন ভালোবাসা সত্যি হয়ে ওঠে। ☔❤️

#গল্প

11.  #গল্প💔 শেষ দেখা – Part 3 (নতুন শুরু)মায়া চলে যাওয়ার পর এক বছর কেটে গেছে।রাহুল এখন অনেক শান্ত। কষ্টগুলো যেন ম্লান ...
19/10/2025

11. #গল্প💔 শেষ দেখা – Part 3 (নতুন শুরু)

মায়া চলে যাওয়ার পর এক বছর কেটে গেছে।
রাহুল এখন অনেক শান্ত। কষ্টগুলো যেন ম্লান হয়ে গেছে, কিন্তু ভেতরের ফাঁকিটা এখনো রয়ে গেছে।

একদিন অফিসে নতুন এক মেয়ে যোগ দিল—আয়েশা।
চুপচাপ, ভদ্র, কিন্তু চোখে অদ্ভুত এক প্রশান্তি।
রাহুল প্রথমে তেমন খেয়াল করে না, কিন্তু ধীরে ধীরে কথার ভেতর দিয়ে বুঝতে পারে—এই মেয়েটা ভেতরে খুব শক্ত।

একদিন আয়েশা বলল,
“সবাই কষ্ট পায়, কিন্তু সবাই কষ্টের কাছে হার মানে না।”
রাহুল হেসে বলল,
“আমি হয়তো সেই হার মানা মানুষগুলোর একজন।”

আয়েশা চুপ করে রাহুলের দিকে তাকাল,
“না রাহুল, তুমি এখনো হারনি। তুমি শুধু অপেক্ষা করছো, নিজের ফিরে পাওয়ার।”

সেই দিন থেকে রাহুলের ভেতরে কিছু বদলে যেতে লাগল।
সে আবার হাসতে শিখল, আবার জীবনকে নতুন করে ভালোবাসতে শিখল।

এক বিকেলে তারা দু’জন কফি খেতে গিয়েছিল।
রাহুল কফির মগটা হাতে নিয়ে চুপ করে রইল—
হুবহু সেই মগ, যেটা একদিন মায়া রেখে গিয়েছিল।

কিন্তু এবার ওর চোখে আর কান্না নেই।
আয়েশার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল—
“সময় অনেক কিছু নিয়ে যায়, আবার অনেক কিছু ফিরিয়েও আনে।”

বাইরে আবার বৃষ্টি পড়ছিল।
কিন্তু এবার রাহুল জানালার পাশে নয়—
কারো হাত ধরে হাঁটছিল। ☔❤️

১০ 💔 #গল্প: শেষ দেখা – Part 2 (ফিরে আসা)এক বছর পেরিয়ে গেছে।রাহুল এখন অনেক চুপচাপ। আগের মতো হাসে না, কারো সঙ্গে তেমন কথা...
18/10/2025

১০ 💔 #গল্প: শেষ দেখা – Part 2 (ফিরে আসা)

এক বছর পেরিয়ে গেছে।
রাহুল এখন অনেক চুপচাপ। আগের মতো হাসে না, কারো সঙ্গে তেমন কথা বলে না। শুধু কাজ শেষে নিঃশব্দে ঘরে ফিরে জানালার পাশে বসে থাকে।

সেদিন হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল।
রাহুল অবাক—এই সময়ে কে আসতে পারে?

দরজা খুলতেই দেখে—সামনে দাঁড়িয়ে মায়া।
চোখে ক্লান্তি, কাঁধে ব্যাগ, মুখে একরাশ অপরাধবোধ।
রাহুল প্রথমে কিছুই বলতে পারল না। শুধু তাকিয়ে রইল।

মায়া আস্তে বলল,
“আমি সুখে ছিলাম না রাহুল... যাকে ভেবেছিলাম, সে ভালোবাসতে জানত না। আমি ভুল করেছিলাম।”

রাহুল নিঃশব্দে তাকিয়ে ছিল। তারপর ধীরে বলল—
“তুমি চলে গিয়েছিলে, আর আমি সেই দিন থেকেই থেমে গেছি। এখন ফিরে এসে কী চাও?”

মায়ার চোখ ভিজে গেল।
সে কাঁদতে কাঁদতে বলল—
“শুধু একটা সুযোগ চাই, আবার তোমার পাশে থাকতে।”

রাহুল জানালার বাইরে তাকাল, বৃষ্টি পড়ছে ঠিক সেই আগের দিনের মতো।
কিন্তু আজ সে জানে, কিছু বৃষ্টি ভিজে গেলে মুছে যায় না,
যেমন কিছু মানুষ ফিরে এলেও আগের মতো হয় না।

সে আস্তে দরজা বন্ধ করে দিল।
বৃষ্টির আওয়াজে মায়ার কান্না মিশে গেল।
রাহুল শুধু বলল—
“ভালো থেকো, মায়া… এবার সত্যিই চিরতরে।” 💔

9.  #গল্প 💔 শেষ দেখা - পার্ট ১রাতটা খুব ঠান্ডা ছিল। বৃষ্টি পড়ছিল টুপটাপ করে। রাহুল জানালার পাশে বসে শুধু বাইরে তাকিয়ে ...
17/10/2025

9. #গল্প 💔 শেষ দেখা - পার্ট ১

রাতটা খুব ঠান্ডা ছিল। বৃষ্টি পড়ছিল টুপটাপ করে। রাহুল জানালার পাশে বসে শুধু বাইরে তাকিয়ে ছিল। ফোনটা বারবার হাতে নিচ্ছে, আবার রেখে দিচ্ছে। মায়া শেষবার বলেছিল —
“আমি ফিরবো না রাহুল, এবার সত্যিই না।”

রাহুল হেসে বলেছিল, “তুমি না ফিরলে, আমার ঘরটা ফাঁকা হয়ে যাবে।”
কিন্তু সেদিনের পর থেকে মায়া আর ফেরেনি।

প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে রাহুল দরজাটা খুলে ভাবে, হয়তো আজ মায়া ফিরে আসবে। টেবিলে রাখা সেই কফির মগটা এখনো আছে, যেমনটা মায়া রেখে গিয়েছিল। ধুলো জমে গেছে, কিন্তু রাহুল পরিষ্কার করে না। কারণ ওর বিশ্বাস, একদিন মায়া ফিরবে, আর ঠিক সেই মগটাই ধরবে হাতে।

মায়া এখন অন্য কারো সঙ্গে সুখে আছে—এই খবরটা সবাই জানে। শুধু রাহুল জানে না, বা জানলেও বিশ্বাস করতে চায় না।

রাত বাড়ে, রাহুল জানালার পাশে বসে থাকে। বাইরে বৃষ্টি পড়ে, ভেতরে তার চোখের পানি।
বৃষ্টির সঙ্গে মিশে যায় সব স্মৃতি, আর একটা প্রশ্ন—
“ভালোবাসা যদি সত্যিই এত সুন্দর হতো, তবে কেন এত কষ্ট দেয়?”

8. #গল্প💖 তুমি আমার ছিলে (Part 3 – ফিরে পাওয়া)বৃষ্টি থেমে গেছে অনেকদিন।আরিয়ান এখন দেশের বাইরে — কাজের জন্য লন্ডনে।জীবন...
16/10/2025

8. #গল্প💖 তুমি আমার ছিলে (Part 3 – ফিরে পাওয়া)

বৃষ্টি থেমে গেছে অনেকদিন।
আরিয়ান এখন দেশের বাইরে — কাজের জন্য লন্ডনে।
জীবনের গতি ধীরে ধীরে স্থির হয়েছে, কিন্তু হৃদয়ের ভেতরে একটাই শূন্যতা — মেহরিন।

প্রতিদিন অফিস শেষে একটাই কাজ,
এক কাপ কফি বানানো, জানালার পাশে বসা, আর পুরনো মেসেজগুলো পড়া…
যেগুলোর শেষ লাইন সবসময় ছিল —
“ভালো থেকো, আমার আরিয়ান।”

---

✈️ সাত বছর পর...

এক সকালে একটা ইমেল এল বাংলাদেশ থেকে।
বিষয় — “Reunion – St. Mary’s School, 2025”

মেহরিনের স্কুলে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হবে।
সেই স্কুলেই সে পড়ত, আর এখন সে সেই স্কুলের শিক্ষক।

আরিয়ান ভাবল — “হয়তো এটাই সময়।”
টিকিট কাটল, ব্যাগ গুছাল, আর অনেক বছর পর নিজের শহরে ফিরল।

---

🌸 পুনর্মিলনী দিন

স্কুলে ঢোকার সময় পুরনো স্মৃতিগুলো হু-হু করে ফিরে এলো।
হঠাৎ দূর থেকে একটা শিশুর কণ্ঠ শোনা গেল —
“মা! এই যে উনি আমার প্রিয় লেখক আরিয়ান স্যার!”

আরিয়ান ঘুরে তাকিয়ে দেখল —
অয়ন, মেহরিনের ছেলে।
আর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে মেহরিন।

চোখে জল, ঠোঁটে হাসি, আর মনে হাজার অজানা কথা।

---

💬 প্রথম কথা, অনেক বছর পর...

আরিয়ান বলল,
“তুমি এখনো ঠিক আগের মতোই আছো…”

মেহরিন হেসে বলল,
“আর তুমি… এখনও কফি খাও একা একা?”

দুজনেই হেসে উঠল।
শিশুরা চারপাশে দৌড়াচ্ছে, কিন্তু তাদের জন্য পৃথিবী থেমে আছে।

---

🌅 শেষ সন্ধ্যা

পুনর্মিলনীর শেষে তারা হাঁটছে স্কুল মাঠে।
সূর্য ডুবছে, বাতাসে মৃদু আলো।

মেহরিন ধীরে বলল,
“জানো, অয়ন জানে তুমি কে?”
“না।”
“আমি বলেছি, তুমি সেই মানুষ — যে ভালোবাসতে জানত, কিন্তু দাবি করতে জানত না।”

আরিয়ান কিছু বলল না।
শুধু বলল,
“তুমি যদি কখনও একা বোধ করো, মনে রেখো — আমি এখনো আছি।”

---

🌠 কয়েক মাস পর...

একদিন সন্ধ্যায় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।
আরিয়ান দরজা খুলল।
দেখল — মেহরিন দাঁড়িয়ে, হাতে কফির কাপ।

বলল,
“আজ একা একা কফি খেয়ো না। আমি এসেছি।”

আরিয়ান হেসে বলল,
“তুমি ফিরবে, জানতাম।”

দুজনেই বসে পড়ল জানালার পাশে।
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে।
সেই একই কফি, সেই একই ভালোবাসা,
শুধু এবার কেউ আর চলে গেল না।

---

💖 শেষ কথা

> “ভালোবাসা হারিয়ে যায় না,
কেবল সময় চায় ফিরে আসতে।”

এবার তারা আর আলাদা হলো না।
বৃষ্টি থেমে গেল, কিন্তু ভালোবাসা রয়ে গেল… চিরদিনের মতো।

---

🌧️ শেষ নয় — এটা তাদের নতুন শুরু।

7.  #গল্প💖 তুমি আমার ছিলে (Part 2 – ফেরার গল্প)সময় কেটে গেছে সাত বছর।আরিয়ান এখন একটা বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করে।চুলে হালকা...
15/10/2025

7. #গল্প💖 তুমি আমার ছিলে (Part 2 – ফেরার গল্প)

সময় কেটে গেছে সাত বছর।
আরিয়ান এখন একটা বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করে।
চুলে হালকা পাকা, চোখে চশমা — কিন্তু সেই পরিচিত শান্ত হাসিটা এখনও আছে।

মেহরিন এখন একজন স্কুল শিক্ষক।
ছোট ছেলেটা তার ক্লাস টু-তে পড়ে, নাম অয়ন।
স্বামী ব্যবসায়িক কাজে দেশের বাইরে — সম্পর্কটা এখন শুধু সামাজিক একটা নাম মাত্র।
---

🌧️ হঠাৎ দেখা

একদিন বিকেলে স্কুল ছুটির পর বৃষ্টির মধ্যে মেহরিন ছাতাটা খুলে রাস্তা পার হচ্ছিল।
একটা গাড়ি থামল সামনে — দরজা খুলে নামল আরিয়ান।

মুহূর্তের জন্য সময় থেমে গেল।
দুজনের চোখে আবার সেই পুরনো আলো, সেই চেনা নীরবতা।

“তুমি?”
“হ্যাঁ, আমি…”

দুজনের হাসি — কিন্তু সেই হাসিতে যেন লুকানো কষ্টের পাহাড়।
---

☕ পুরনো কফি শপে

সেই একই কফি শপ, একই টেবিল, শুধু সময় বদলে গেছে।
আরিয়ান বলল,
“তুমি জানো, আমি ভাবিনি আবার তোমাকে দেখব।”

মেহরিন ধীরে বলল,
“আমি প্রতিদিন দেখতাম তোমাকে… মনে মনে।”

একটু নীরবতা।
তারপর মেহরিনের চোখে জল এসে গেল।

“আমি চেয়েছিলাম তোমার সঙ্গে থাকতে, কিন্তু সাহস হয়নি।”
আরিয়ান হেসে বলল,
“তুমি কি জানো, আমি আজও প্রতিদিন কফি বানাই দুজনের জন্য। শুধু তুমি আসো না।”

মেহরিন চুপ করে রইল।
চোখের কোণ ভিজে গেল।
---

💔 শেষবারের মতো

বৃষ্টি থামল।
দুজনেই জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল।
মেহরিন বলল,
“আরিয়ান, আমি এখনো তোমাকে ভালোবাসি… কিন্তু আমার জীবন এখন অন্য পথে চলে গেছে।”

আরিয়ান ধীরে বলল,
“আমি জানি। আমি তোমাকে ফের চাই না, আমি শুধু চাই তুমি সুখে থাকো।”

দুজনের হাত ছুঁয়ে গেল মুহূর্তের জন্য।
তারপর মেহরিন ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল।

যাওয়ার আগে পিছন ফিরে একবার তাকিয়ে বলল,
“তুমি আমার ছিলে, আর থাকবেও… শুধু জীবনে নয়, মনে।”
---

সেই রাতে আরিয়ান জানালার পাশে বসে কফির কাপ হাতে নিল।
বৃষ্টি পড়ছে বাইরে।
সে চোখ বন্ধ করে ধীরে বলল—
“তুমি আমার ছিলে… আর থাকবেও, যতদিন আমি বেঁচে আছি।”
---

💔 শেষ নয় — হয়তো কোনো একদিন, অন্য জীবনে, তারা আবার দেখা পাবে। হয়তো এবার কোনো বৃষ্টির দিনে নয়, রোদেলা বিকেলে… যেখানে চোখে জল নয়, শুধু হাসি থাকবে।

6.  #গল্প 💖 তুমি আমার ছিলে part 1রাত তখন প্রায় আড়াইটা। শহর ঘুমিয়ে গেছে, শুধু রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ আর আরিয়ানের কলমের খ...
14/10/2025

6. #গল্প 💖 তুমি আমার ছিলে part 1

রাত তখন প্রায় আড়াইটা। শহর ঘুমিয়ে গেছে, শুধু রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ আর আরিয়ানের কলমের খসখসানি। সে লিখছে — “তুমি আমার ছিলে।”

কিন্তু যাকে লিখছে, সেই মেয়েটা এখন অনেক দূরে — হয়তো অন্য কারো পাশে বসে হাসছে।
---

🌸 একসময়...

আরিয়ান আর মেহরিনের গল্পটা শুরু হয়েছিল এক লাইব্রেরিতে।
দুজনেরই বই পড়ার শখ। একদিন একই বইয়ের দিকে হাত বাড়াল দুজনই — "The Notebook".
চোখে চোখ পড়তেই যেন সময় থেমে গেল।

সেই দিন থেকেই গল্পের শুরু।
বৃষ্টি হলে ছাতা ভাগাভাগি, সন্ধ্যায় রিকশায় ধীরে ধীরে ঘোরা, আড্ডায় ছোট ছোট হাসি…
সব কিছু যেন ছিল একটাই শব্দের ভিতর — ভালোবাসা।

আরিয়ান স্বপ্ন দেখত — একদিন সে মেহরিনকে বিয়ে করবে, একটা ছোট ঘর বানাবে, জানালার পাশে বসে কফি খাবে দুজনে।
---

💔 কিন্তু একদিন...

সবকিছু বদলে গেল।
মেহরিনের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লেন, সংসারের চাপ, সমাজের ভয় — আরিয়ানকে একদিন সে বলল,
“আমাকে ভুলে যাও, আমি আর পারব না।”

আরিয়ান চুপ করে রইল।
শুধু বলল,
“তুমি যদি না পারো, আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব… সারাজীবন।”
---

🕰️ বছর পেরিয়ে গেল…

পাঁচ বছর পর এক অনুষ্ঠানে তাদের দেখা হয়।
মেহরিন সোনালী শাড়িতে দাঁড়িয়ে, চোখে জল নিয়ে তাকিয়ে আছে আরিয়ানের দিকে।
সে শুধু হাসল, বলল —
“তুমি কেমন আছো?”

আরিয়ান হেসে উত্তর দিল,
“আমি ভালো আছি। তুমি?”

মেহরিন বলল,
“ভালো থাকার অভিনয় করি…”

আরিয়ান কিছু বলল না।
শুধু চলে যাওয়ার আগে ছোট্ট একটা চিঠি দিল —
চিঠিতে লেখা ছিল:

> “ভালোবাসা কখনও শেষ হয় না,
শুধু জায়গা বদলায়।”

সেই রাতে মেহরিন অনেক কাঁদল।
কারণ সে জানত —
যে ছেলেটা একসময় তার জন্য কফির কাপ গরম রাখত,
সে আজও ঠান্ডা কফি নিয়েই বসে আছে…
কারণ এখনো সে অপেক্ষা করছে।

5. 💔  #গল্প: “যে চিঠিটা আর পাঠানো হলো না”রাতটা ছিল ২টা বেজে ৪৫ মিনিট।পুরো শহর ঘুমিয়ে, কিন্তু আরিয়ান ঘুমাতে পারছে না।টে...
13/10/2025

5. 💔 #গল্প: “যে চিঠিটা আর পাঠানো হলো না”

রাতটা ছিল ২টা বেজে ৪৫ মিনিট।
পুরো শহর ঘুমিয়ে, কিন্তু আরিয়ান ঘুমাতে পারছে না।
টেবিলের ওপর পড়ে আছে একটা চিঠি—
লিখা শুরু করেছিল, কিন্তু শেষ করতে পারেনি।

চিঠিটা যার জন্য লেখা,
সে এখন অন্য কারো সঙ্গে সুখে আছে।

কিছুদিন আগেও ওরা ছিল একে অপরের পৃথিবী।
প্রতিদিন ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা,
হাজারো প্রতিশ্রুতি,
“তুমি ছাড়া আমি বাঁচবো না” —
এইসব কথাই ছিল তাদের জীবনের মানে।

কিন্তু একদিন হঠাৎ মেয়েটা বলল,
“আরিয়ান, আমি আর পারছি না… তোমাকে ভালোবাসি, কিন্তু ভবিষ্যৎ দেখি না।”

আরিয়ান প্রথমে ভেবেছিল এটা মজা,
কিন্তু ওর চোখের জল যখন মাটিতে পড়তে লাগল, তখন বুঝেছিল—
মেয়েটা সত্যিই চলে যাচ্ছে।

সেদিনের পর থেকে আর কোনো ফোন আসেনি,
আর কোনো মেসেজে “বেবি” বা “মিস ইউ” লেখা নেই।
সবকিছু কেমন হঠাৎ শেষ হয়ে গেল,
যেন ভালোবাসা শুধু একটা অধ্যায়, আরিয়ান যেন সেই বইয়ের ভুলে যাওয়া পৃষ্ঠা।

প্রতিদিন রাতে ওর একটাই অভ্যাস —
ওই পুরনো চ্যাটগুলো পড়ে দেখা,
শেষ মেসেজটা খুলে হাসা,
আর ভেতরে ভেতরে ভেঙে যাওয়া।

আজ রাতেও ও একই কাজ করছিল।
তারপর কলম হাতে নিল,
চিঠি লিখল মেয়েটার জন্য —

> “তুমি কি জানো, তোমার চলে যাওয়ার পরও আমি প্রতিদিন তোমার জন্য প্রার্থনা করি?
তুমি হাসলে আমার বুকটা হালকা লাগে, যদিও আমি এখন আর তোমার হাসির কারণ নই।
একদিন যদি আবার দেখা হয়, আমি কিছু বলব না, শুধু হাসব — যেন কিছুই হয়নি।”

চিঠিটা শেষ করল, কিন্তু খামবন্দি করল না।
কারণ আরিয়ান জানে—
এই চিঠি আর কখনও পৌঁছাবে না তার কাছে।

ভোরে জানালার বাইরে সূর্যের আলো পড়ল।
চিঠিটা ওর টেবিলেই পড়ে রইল,
আর একটুখানি হাসি নিয়ে আরিয়ান চোখ বন্ধ করল।

ভালোবাসা শেষ হয়নি —
শুধু মানুষটা নেই।
বাকিটা গল্প হয়ে গেছে… নিঃশব্দ, অথচ চিরস্থায়ী।

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Feroz Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share