14/07/2026
আগের টার্মে মিলন সাহেব ছিলো শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী। তখনও উনার সমালোচনা হইছিলো। লোকজন তখন শিক্ষামন্ত্রীর নামও জানতো না।
পত্রিকায় বড় বড় করে রিপোর্ট হইতো- শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রীর হেলিকপ্টার বিলাস।
একদিন মিলন সাব বাধ্য হইলো কইতে যে
নিজের টাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে কেন্দ্র পাহাড়া দিতে যাই। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো আসলেই উনি নিজের টাকায় হেলিকপ্টার নিয়ে দেশ চষে বেড়াচ্ছেন।
বাঙালি ৪ বছর উনার সমালোচনা করেছে, পরের ১৭ বছর উনার জন্য আফসোস করছে।
এবার উনি পূর্ণমন্ত্রী। এবারও উনাকে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। হউক।
উনার সলামোলচনা কী নিয়ে? প্রশ্ন কঠিন করছে। ঘাড় ঘুরাতে দেয় না। দেখে লিখতে দেয় না ইত্যাদি।
প্রশ্ন অবশ্যই কঠিন হতে হবে। পড়াশোনা কোন পার্ট টাইম জব না। মেট্রিক ইন্টার অবশ্যই না। সারাবছর নাচুংগি ফিরংগি, টিকটক করোংগি। আর বছর শেষ পরীক্ষায় বসেই এ প্লাস!
এসব টাক্লা নাহিদের যুগে হইসে। এখন হবেনা। টাক্লা নাহিদ পরীক্ষার আগের রাতে ঘরে ঘরে প্রশ্ন পৌছে দিতো। নকল হতো না কিন্তু পরীক্ষার হলে গ্রুপ স্টাডি টাইপ আলাপ করে এক্সাম দিতো। এসব এখন হবে না। টিচারদের প্রচুর নাম্বার দিতে বাধ্য করতো। ৫০ পাবে না পোলা ৮০ পেয়ে বসে থাকতো। এসব এখন হবে না।
আর দিপুমনি তো টাক্লার সব কিছু রাখসিলোই সাথে সে এমন শিক্ষামন্ত্রী ছিলো যার শিক্ষার প্রতি ছিলো আক্রোশ। ৩ বছর স্কুল কলেজ অফ রাখসিলো। সেভেন পাশের যোগ্যতা নিয়ে অটো পাশ করে মেট্রিক ছাড়াই ইন্টারে উঠে গেছিলো পোলাপান। এসব এখন হবে না।
সমালোচনা করুক। কাজের ওষুধ তিতাই হয়।
এরপরে বর্ষায় এক্সাম নেয়া। এইটা শিক্ষামন্ত্রীর একার সিদ্ধান্ত না। বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান শিক্ষা সচিব, ডিসি অফিস- এদের প্রোপজাল পাঠানো উচিত ছিলো এক্সাম পেছানোর জন্য।
উনাকে টাক্লা নাহিদ আর দিপুমনির সাথে তুলনা দেওয়া মানি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে অপমান করা।