03/06/2026
বা** লের আলাপ বাদ দিয়ে একটু রিয়েল আলাপ করি।
আবেগী বাঙ্গালী জাতিকে টুপকি দেখিয়ে পু ট কি মেরে দিলেও এদের হুশ থাকেনা, এরা বুঝতে পারবেনা।
নির্বাচনের আগে হাসনাত আবদুল্লাহ কি কোনো সরকারি পদে ছিল? সে কি কোনো সরকারি কর্মকর্তা নাকি কোনো জনপ্রতিনিধি?
তাহলে সে কিভাবে সরকারি তহবিল থেকে টাকা নিতে পারে? কিসের প্রভাব খাটিয়ে টাকা বরাদ্দ নিয়েছিল?
মাথা খাটান, উত্তর পেয়ে যাবেন।
আসিফ মাহমুদের বেলায়ও একি, সে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য থাকলেও পরবর্তীতে পদত্যাগ করে, তারমানে সেও সরকারি কোনো পদে ছিলনা, সে কোনো সরকারি কর্মকর্তাও না, কোনো জনপ্রতিনিধিও না।
যাইহোক অন্য আলাপে যাই,
নিজেকে অধিক সৎ দেখানোর জন্য এমপি হবার পর ১ম মাসে সরকারি বরাদ্দ কম্পিউটারের স্লাইড শোর মাধ্যমে তুলে ধরছে সবার কাছে বাহবা পাইলো।
১০০ টাকা কেজি ধরে খেজুরের বরাদ্দ দেখালো, জামাতিরাসহ জুলাই ব্যবসায়ীরা তাকে নিয়ে গর্বে গর্ভবর্তী হলো!
অথচ তারপর আরো ২ মাস চলে গেলো কথা ছিলো সরকারি সব বরাদ্দ আয় -ব্যয়ের হিসাব জনসম্মুখে জানবে, অথচ কুমিল্লা জেলার ১৭ টি উপজেলার টোটাল বরাদ্দের ৩০ শতাংশ অর্থ ২ উপজেলার জন্য নিয়ে গেলো হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আসিফ মাহমুদ!
যার টাকার অংক প্রায় ২৫ কোটি টাকা।
কই আমরা কেউ তার লাইভ দেখলাম না, স্লাইড শো দেখলাম না, আয়- ব্যয়ের বিবরণ তুলে ধরতে দেখলাম না।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন যদি বিষয়টি না জানাতো আমরা তো জানতেই পারতাম না!
জেলা প্রশাসক সাহেব টাকার বিষয়টা ফাঁস করার পরেই সেই পুরোনো স্টাইলে লাইভে এসে কুমিল্লার দ্বেবিদারের বরাদ্দ পাওয়া টাকা কোন প্রজেক্টে খরচ হয়েছে,সেটার একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করালেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
অথচ এটা সরকারি ওয়েবসাইটে গেলেই দেখা যায়।
জুলাই বাটপার হাসনাত আবদুল্লাহ মনে হয় ভুলে গেছে,
কোন সরকারি প্রজেক্টের সাফল্য/ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে নাই।
প্রশ্ন হইল এত টাকা বরাদ্দ পেল কিভাবে❓
আসিফ উপদেষ্টা পরিষদে থাকলেও পরবর্তীতে সে পদত্যাগ করেছে।
জাতীয় নির্বাচনের আগে দুইজন সাধারণ রাজনৈতিক দলের নেতা কোন যোগ্যতায়, কোন আইনে তার নির্বাচনী আসনে মানে দ্বেবিদার ও মুরাদনগরে ২৫ কোটি বরাদ্দ ভাগিয়ে নেয়া হয়েছিল❓🫵
যেখানে কুমিল্লার বাকি ১৫টি উপজেলা বরাদ্দ পেয়েছে ১০-১৫ লক্ষের মধ্যে সেখানে হাসনাতের দ্বেবিদার উপজেলা পেয়েছে ১০ কোটি আর আসিফের মুরাদনগর পেয়েছে ১৫ কোটি❗
★প্রশ্নের উত্তর একটাই:
ইউনুসের ক্ষমতার সীমাহীন অপব্যবহার।
ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এইসব বরাদ্দ ভাগিয়ে নিয়েছিল হাসনাত আবদুল্লাহ ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া।🫵
উল্লেখ্য এইসব বরাদ্দে উন্নয়ন কাজে যেইসকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল,সেটা সিলেক্ট করেছে হাসনাত ও আসিফ নিজেই।
সীমাহীন কমিশন বানিজ্য এইখানেই🫵
★হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আসিফে বলেছে, 'এই সরকারি বরাদ্দের টাকা তো আমরা নিজেরা নেই নাই।'
-কথা সঠিক, ওরা সরাসরি টাকা নেয়নি।
কিন্তু কুমিল্লার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে ১০০গুনের বেশী সরকারি বরাদ্দ নিয়ে কমিশন বানিজ্য করাই ছিল এদের আসল উদ্দেশ্য।
কারন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিলেকশন এরাই করেছিল❗
টাকা সরাসরি খায়নি, একটু থার্ড পার্টি থেকে খেয়েছে।
আর কাজ করিয়েছে নিজ নির্বাচনী এলাকায়-যাতে পাবলিকের মনযোগ আকর্ষন করা সহজ হয়।
ভোটের মাঠে বাড়তি সুবিধা আদায় করা যায়।
★হাসনাত-আসিফরা নিজেদের অনেক চালাক ভাবে।
মনে করে এদের নাটকবাজি আর ভন্ডামি পাবলিক বুঝবে না।
ফেসবুকে এসে হাসনাতের পাওয়া সরকারি বরাদ্দের কোন খাতে কত খরচ সেটা প্রকাশ করাই হইল আরেক ভন্ডামি🫵
পাবলিকরে বুঝাচ্ছে সে কত্ত সৎ❗
কুমিল্লার ১৫ উপজেলার চেয়ে শুধু দ্বেবিদারে ১০০ গুন বেশী বরাদ্দ ভাগিয়ে নেয়া কি হাসনাত আব্দুল্লাহদের সততা❓
বাকি ১৫ উপজেলায় কি জুলাই আন্দোলন হয়নি❓
ওইসব উপজেলায় কি জুলাই যোদ্ধা নেই❓
আচ্ছা,
কুমিল্লা বাদ দেন, দেশে ৪৯৫টা উপজেলা আছে।
দ্বেবিদার আর মুরাদনগরে কোন আইনে ১০০গুন বেশী বরাদ্দ চলে যায়❓
বাকি ৪৯৩টা উপজেলার নাগরিকগন কি অপরাধ করছে
যে তারা বঞ্চিত হইল❓🫵
তারা কি জুলাই আন্দোলনে রাস্তায় নেমে আসেনাই❓
বাস্তবতা হইল, হাসনাত আবদুল্লাহ-আসিফরা জুলাই আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিল,তাই ইউনুসের ক্ষমতার অপব্যবহার করে সীমাহীন জুলাই ব্যবসা এরা করেছে।
যেটা দেশের অন্য কোন জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা করে নাই। তফাৎ এইখানেই।
এদের মত ইতর গুলির জন্যেই পাবলিক চান্স পাইলেই
বলে -'আগেই ভাল ছিলাম'
ঘটনা এখানেই শেষ নয়,
স্থানীয় এলাকাবাসীর অনেকেই দাবী করছেন উন্নয়ন প্রকল্পের যে তালিকা দেখানো হয়েছে সেটা ভুয়া।
তালিকা অনুযায়ী এমন কিছুই পাননি তারা।
যেখানে নলকূপ থাকার কথা সেখানে নলকূপ নেই, যেখানে সোলার লাইট বসানোর কথা সেখানে সোলার লাইট নেই, যেখানে কালভার্ট বানানোর কথা সেখানে কালভার্ট নেই।
অধিকাংশ জায়গায় বাস্তবে এমন কিছুই পাননি তারা।
মানে এই তালিকার সাথে বাস্তবে কোনো মিল নেই।
ইতিমধ্যে সেসব অভিযোগের ভাইরাল হওয়া কিছু পোস্ট ফেইসবুকে ঘুরঘুর করছে, আপনারাও দেখেছেন নিশ্চয়ই।
তাহলে এখন প্রশ্ন হলো এই উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা গুলো গেল কোথায়?
আফিস মাহমুদ কি আবারও ফেইসবুক লাইভে আসবে নাকি হাসনাত আবদুল্লাহ আবারও ডিজিটাল প্রজেক্টেরের স্ক্রিনের সামনে লম্বা লেকচারের মাধ্যমে ক্লাস নিয়ে জাতিকে টুপি পরাবে?
©️collected