03/09/2026
প্রথম বারের মতো হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনার পর খুনী জিয়াউল আহসানের চোখে-মুখে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ার আভাস স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়েছে!
দুই বছর আগে গ্রেপ্তারের পরপর তার চোখে- মুখে যে তাচ্ছিল্যর হাসি ছিল , অবশেষে একের পর এক সাক্ষীর বক্তব্য শুনে নিজের
শেষ পরিণতি সম্পর্কে তার ধারণা স্পষ্ট হয়ে গেছে!
দৃষ্টি নরম হয়ে গেছে;
মাথা ঝুঁকেছে মাটির দিকে;
কপালেও ভাঁজ পড়েছে;
মুখের অভিব্যক্তি গুরুগম্ভীর ও হতাশাপূর্ণ!
এই অপ/রাধী হয়ত বুঝতে পেরেছে যারা তাকে ফ্রাঙ্কেস্টাইন বানিয়েছে-তারাই এখন লেজ তুলে দৌড়ের ওপর।
তাকে রক্ষা করতে কেউ আসবে না!
ইতোমধ্যে যে কয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন তাতে বিশ্বের শীর্ষ সিরি/য়া/ল, কি/লা/রদের তালিকায় তার নাম নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হলো, হেসে-খেলে শত শত মানুষ হত্যাকারী এই খু/নী আজ আদালতে আজ বায়না ধরেছে- “হাতকড়া, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট আর হেলমেট সে পড়তে চায়না।”
প্রথম বারের মতো হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনার পর এই খুনী আদালতের কাছে এসব থেকে অব্যাহতি চেয়েছে! সে আদালতে বলেছে, সেনাবাহিনীতে নাকি প্রশিক্ষণের সময় সে কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা পেয়েছিল।
তাই ‘কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও বুকে জ্যাকেট (ভেস্ট) পরানো থেকে অব্যাহতি চাই।’
আদালত ও নাকি হাতকড়া, হেলমেট থেকে অব্যাহতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে !?
কিয়েক্টাবস্থা!
আপনারা কি মনে করেন? কি করা উচিত?