Rahe Islam

Rahe Islam আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ
আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই

24/05/2026
আমরা যখন এগুলো বলি অনেকে ডার্ক সাইট টা বিশ্বাস করতে চায় না। ভার্সিটির অসংখ্য মেয়েদের কে বড় বড় ব্যবসায়ী/কর্পোরেটদের কাছে ...
17/05/2026

আমরা যখন এগুলো বলি অনেকে ডার্ক সাইট টা বিশ্বাস করতে চায় না। ভার্সিটির অসংখ্য মেয়েদের কে বড় বড় ব্যবসায়ী/কর্পোরেটদের কাছে পাঠানো হয়।
প্রতি রাতে তাদের রেট ২০ হাজার থেকে এক লক্ষ পর্যন্ত আছে চাহিদা অনুযায়ী।

জানে ঐ ব্যবসায়ী বিবাহিত। তার সন্তান আছে৷ এটাও জানে তার নেশাই নারী ভোগ। তারপরও তাদের বেডে ভার্সিটির মেয়েরা যায়৷

এই জনপদে বিয়ের আগে ও বিয়ের পরে যে পরিমাণে জ্বিনা হয়। আমেরিকা থেকে কম নয়। পার্থক্য ওরা প্রকাশ্যে করে আর এই দেশে গোপনে করে।

আমি ভালো করেই জানি ভার্সিটির ছেলে-মেয়ে,কর্পোরেট, ব্যবসায়ী,সুশীলদের চরিত্র।
চট্টগ্রামের হালিশহরে এমন একটা স্পা হাউজের সন্ধান পেয়েছিলাম, যাদের কালেকশনে শুধু ভার্সিটির মেয়ে৷

এই দেশে ডার্ক সাইটে কুমারী ১৫/১৬ বয়সী মেয়েদের চাহিদা বেশি। আসলে যারা খবর রাখে তাদের কাছে এগুলো ওপেন সিক্রেট।

চিন্তা করেন জ্বিনার জন্য বিবাহিত পুরুষের বিছানায় যাওয়া অধিক সংখ্যক নারী সমাজ৷ ইসলামের একাধিক বিধানের কথা শুনলে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে৷

ভার্সিটিতে যা দেখেছি যা শুনেছি তা বলে শেষ করা যাবে না। শুধু এতটুকু বলব ভার্সিটি গুলো একেকটা দা-জ্জালের জীবন্ত প:তিতালয়।

ভার্সিটির ফ্রিমিক্সিং অভ্যস্ত ছেলেটাও আজ হুজুরদের কে ফতোয়া দিচ্ছে। টাকনুর নিচে কাপড় পড়া ছেলেটাও হুজুরদের সমালোচনা করছে৷ ...
14/05/2026

ভার্সিটির ফ্রিমিক্সিং অভ্যস্ত ছেলেটাও আজ হুজুরদের কে ফতোয়া দিচ্ছে।
টাকনুর নিচে কাপড় পড়া ছেলেটাও হুজুরদের সমালোচনা করছে৷
হারাম কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বিক্রেতাও আজ হুজুরদের শাসিয়ে বেড়াচ্ছে৷
সেক্যুলার রাজনীতি করা ছেলেটাও হুজুরদের কে আকীদা শিখাচ্ছে৷

পর্নো,মিউজিক,কনসার্টে আসক্ত ছেলেটাও হুজুরদের চরিত্র শেখাচ্ছে।

অন্যের হক্ব ও হারাম ইনকাম করা ছেলেটাও হুজুরদের কে ইনসাফ শেখাচ্ছে।

৭৮ কিলো অধিক দূরত্বে সহ-শিক্ষায় অবস্থান করা মেয়েটাও হুজুরদের মানবিক স্বামী হওয়ার জ্ঞান দিচ্ছে৷

ফুচকা,চটপটি, গ্রিফটের লোভে বয়ফ্রেন্ডের কাছে সম্ভ্রম হারানো মেয়েটাও আজ হুজুরদের সে'ক্স পাগল বলে গালি দিচ্ছে৷

ভার্সিটিতে অর্ধনগ্ন পোশাক পরিহিতা মেয়েটাও হুজুরদের ক্ষেত বলে কটাক্ষ করছে৷

নিজের বিপথগামী কন্যাকে যৌ'ন বস্তু বানানো পিতাও হুজুরদের কে নমানুষ বলে ক্রিটিক করে যাচ্ছে৷

অধিক কাস্টমার কে আকর্ষিত করতে, শপিংমল হতে বিভিন্ন দোকান,কোম্পানি,সুপারশপ,হাসপাতাল রিসিপশনে সুন্দরী তরুণীদের নিয়োগ দেওয়া লোকটাও হুজুরদের গালি দিচ্ছে, হুজুর নাকি নারীদের দাসী মনে করে৷

নিউজ প্রেজেন্টার হতে নাটক, সিনেমায় সুন্দরী ফি'গারের নারীদের নিয়োগ দেওয়া মিডিয়া জগৎ ও আজ হুজুরদের নারী লোভী বলে গালি দিচ্ছে৷

পণ্যের বিজ্ঞাপনে বিলবোর্ডে মডেলের অর্ধাবৃত বুকের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া কর্পোরেটরাও আজ হুজুরদের নারী লিপ্সু বলে ট্যাগ দিচ্ছে।

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বডি মেজারমেন্ট আলোকে সুন্দরী মুকুট পড়িয়ে দেওয়া কীটরাও আজ হুজুরকে লম্পট বলে গালি দিচ্ছে৷

আসলে এসব লোকদের আস্ফালন টা ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়া অন্যতম কারণ মডারেট মোল্লারা। যারা শুধু একপেশে খন্ডিত দ্বীন উচ্চারণ করে। যারা শুধু শরীয়ত টেনে আনে হুজুরদের ক্ষেত্রে।

সমস্ত সেক্যুলার ল'ম্পট,ফ্রিমিক্সিং আসক্ত,কর্পোরেট নারী ব্যবসায়ী হতে সব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই মোল্লারা শরীয়ত টা উচ্চারণ করে না।
যার কারণে আজ এই সুশীল,লিবারেলরাও আমাদের ইসলাম শেখায়৷

ছোটো বেলায় যেখানে মক্তব পড়তাম। তখন মোটামুটি একটু বড় বাচ্চা মেয়েদের বেড টাচ করতো ইমাম সাহেব। এলাকার একটা ছেলে থাকতো লজিং।...
04/05/2026

ছোটো বেলায় যেখানে মক্তব পড়তাম। তখন মোটামুটি একটু বড় বাচ্চা মেয়েদের বেড টাচ করতো ইমাম সাহেব।

এলাকার একটা ছেলে থাকতো লজিং। সে আলিয়া মাদ্রাসায় পড়তো এবং মেয়েদের পিক সফটওয়্যার দিয়ে নগ্ন করতো।
সে কিছুদিন পর মহিলা মাদ্রাসা খুলে বসে।

এলাকার আরেক ইমাম ক্যাডেট মাদ্রাসায় জব করে এবং বাড়িবাড়ি গিয়ে টিউশন করে৷ আমাদের পাশের বাসায় সে টিউশন করাতে এসে ঘরের মহিলাদের সাথে আড্ডাবাজি করে৷

এমন ঘটনা গুলো সারা বাংলাদেশের চিত্র। কিন্তু প্রশ্ন করার নেই যে৷ একটা ইমাম বিবাহিত হওয়ার পরেও স্ত্রী ছাড়া বছরের পর বছর কথিত খেদমত করে৷
একটা হাফেজি/নূরানী/ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ৮ থেকে ১৪ হাজার বেতন পায়।
যে বেতনে না সহজে বিয়ে করতে পারে৷ আর বিয়ের পর না স্ত্রী নিয়ে থাকতে পারে৷

তাহলে এই সংকট আসবে না কি আসবে৷
বিবাহিত শিক্ষক স্ত্রী সাথে থাকার পরেও সেইফ না। কারণ পুরুষের ফিতরাত খুব ভয়ংকর।

যদি একটা পুরুষ শিক্ষক পর্দার অভ্যন্তরেও ক্লাস নেয়। তারপরও ছাত্রীদের উপস্থিতি, কণ্ঠ,ছায়া তার ভেতর যৌ'ন আবেদন সৃষ্টি করবে৷ এই আবেদন টা পুরুষের স্বাভাবিক ফিতরাত।
পার্থক্য এখানেই লম্পটরা খায়েশ মেটায় আর যারা হারামের ভয় পায় তারা নিজেকে সংযত রাখে।

সে শুধু দৈহিক খায়েশ থেকেই সংযত রাখতে পারবে। মানসিক ও কাল্পনিক দৈহিক আবেদন থেকে সে মুক্ত নয়৷। অর্থাৎ মনের জ্বিনায়(ওয়াসওয়াসায় খারাপ চিন্তা) প্রত্যেক পুরুষ আক্রান্ত।
এক কথায় মহিলা মাদ্রাসার যতবড় উস্তাদ হোক সে মনের আবেদন থেকে মুক্ত নয়।

কেউ যদি তর্ক করে সে নিজেই সত্য কে লুকায়। কারণ ধ্বজভঙ্গ ছাড়া কেউ মানসিক আবেদন থেকে মুক্ত নয়।
নারীর প্রতি পুরুষের চুম্বকের মত আকর্ষণ করবে এটা সহজাত ফিতরাত৷

হাদীসে এসেছে যে,রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। কোনো নারীর প্রতি কুধারণা আসার পর তুমি স্ত্রীর সাথে মিলিত হও। ঐ নারীর মাঝে যা আছে তোমার স্ত্রীর মাঝে অনুরুপ তাই আছে।

আমাদের হয়তো ধারণা হুজুর,উস্তাদ,ইমামরা মহামানব। তারা জৈবিক চাহিদা থেকে মুক্ত। অথচ স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় এদের দৈহিক আবেদন টা বেশি হয়ে থাকে৷

এখন যেই যুগ আপনার ৪ বছরের কন্যাটাও সেইফ না৷

আপনি প্রতিটি মুরুব্বিদের দেখবেন ইউটিউবে নারীদের ভিডিও গুলোতে মগ্ন হয়ে থাকে৷
আমলদার মুরুব্বি গুলোও এখন নষ্ট হয়ে গেছে ইউটিউবের কারণে। কারণ তারা জীবন আবদ্ধ থাকার পর এই যুগের নারীদের ভিডিও দেখে কিছুতেই চোখ সামলাতে পারেনা৷

যাই

Address

Narsingdi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahe Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share