Omar Faruk Veterinary

Omar Faruk Veterinary প্রাণী চিকিৎসক | Artificial Insemination (AI) Technician
গবাদি পশুর প্রজনন ও খামার পরামর্শ সেবা
(1)

ইয়াসমিন হত্যার ৩১ তম বাষির্কী আজ একটি ধর্ষণ, যা নাড়িয়ে দিয়েছিলো সরকারের গদি...গোটা দিনাজপুর কেঁপে উঠেছিল, কাঁপিয়েছিল গোট...
25/08/2026

ইয়াসমিন হত্যার ৩১ তম বাষির্কী আজ
একটি ধর্ষণ, যা নাড়িয়ে দিয়েছিলো সরকারের গদি...

গোটা দিনাজপুর কেঁপে উঠেছিল, কাঁপিয়েছিল গোটা দেশকে, এক কিশোরীর হত্যাকান্ড৷ একজনের হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছিল আরও ৭ জন৷ তরুণ প্রজন্ম হয়তো জানে না, কি ছিল সেই দিনগুলো৷ তাদের জন্য :

১৯৯৫ সালের ২৩শে অগাস্ট দিবাগত রাত। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি বাসে করে দিনাজপুরের দশমাইল মোড় এলাকায় নামে ইয়াসমিন আক্তার নামে এক কিশোরী। তার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর। ইয়াসমিন আক্তার ঢাকার ধানমন্ডির একটি বাড়িতে গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতো।

সে সময় টহল পুলিশের একটি ভ্যান সেখানে হাজির হয়। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মেয়েটিকে পরামর্শ দেয় যে পুলিশের গাড়িতে করে দিনাজপুর শহরে যেতে।

কিন্তু পুলিশের ভ্যানে করে সেই কিশোরী দিনাজপুর শহরে যেতে রাজী ছিলেন না। তখন পুলিশ সদস্যরা বলেন যে এতো রাতে তার সেখানে একা থাকা নিরাপদ নয়।

পুলিশের সেই ভ্যানে ছিলেন একজন এএসআই এবং দুইজন কনস্টেবল।

শেষ পর্যন্ত খানিকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিশোরীটি পুলিশের ভ্যানে ওঠেন।

এরপর দিন সকালে কিশোরীটির মৃতদেহ পাওয়া পাওয়া যায় গোবিন্দপুর নামক জায়গায়।

এ খবর ছড়িয়ে গেলে ক্ষোভে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দিনাজপুর।

বিভিন্ন সরকারি অফিসে ভাংচুর চালিয়ে তছনছ করা হয়। দিনাজপুর শহরে কাস্টমস গুদামে মালামাল লুট করে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসেও আক্রমণ করা হয়। পরিস্থিতি এতোটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে দিনাজপুর শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিডিআর মোতায়েন করা হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দিনাজপুর শহরে কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু এই কারফিউকে আমলে নেয়নি সাধারণ মানুষ। কারফিউ উপেক্ষা করেই বিভিন্ন জায়গায় মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

একপর্যায়ে ঘটনার দুইদিন পরে এলাকাবাসী কোতোয়ালী থানা আক্রমণ করে সারারাত থানা অবরুদ্ধ করে রাখে। সে সময় কোন পুলিশ সদস্য থানা থেকে বের হতে পারেনি।

পরের দিন দিনাজপুর শহরে শতশত মানুষ বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

এসময় কয়েকটি জায়গায় পুলিশের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভের মাত্রা এতোটাই তীব্র হয়েছিলে যে পুলিশ মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে এবং তাতে ৭ জন নিহত হয়।

নিহত ইয়াসমিন আক্তারের গায়েবানা জানাজায় হাজার-হাজার মানুষ অংশ নেয়।

পুলিশের প্রতি মানুষের ক্ষোভ এতোটাই চরমে ওঠে যে পুলিশ সদস্যরা রীতিমতো লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায়।

২৯শে অগাস্ট দিনাজপুর থেকে ভোরের কাগজ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদনে বলা হয় - "গোটা শহরটাই যেন প্রেতপুরী। সব পুলিশ কোথায় যেন গা ঢাকা দিয়েছে। আজ শহরে একটি রিকশায় কিছু আসবাবপত্র পরিবহন করতে দেখলে এক পথচারী জানতে চায়, 'এসব কার মাল?' রিকশাচালক উত্তর দেয়, এগুলো পুলিশের না। শহরবাসী আর পুলিশকে বাসা ভাড়া দিবে না।"

পুলিশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এতোটাই চরমে উঠেছিল যে পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা বিডিআর পাহারার মধ্য দিয়ে দিনাজপুরে শহরে প্রবেশ করেন।

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ সামাল দিতে দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়।একই সাথে দিনাজপুর জেলা থেকে ১০৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং সদস্যকে বদলি করে অন্য জেলায় নেয়া হয়।

তবে সে সময় সরকারের তরফ থেকে একটি প্রেসনোট প্রচার করে পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হয়। উল্টো ঘটনার দায় নিহত ইয়াসমিন আক্তারের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়।

সেসময়কার বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা দিনাজপুরে এসে আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রবল বিক্ষোভের মুখে ঘটনার পাঁচদিন পরে ময়নাতদন্ত এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির জন্য ইয়াসমিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।

ময়নাতদন্তের পর অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বিচারের মাধ্যমে তারা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল।

এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ইমেজ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা ৯৬'র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের অন্যতম রাজনৈতিক হাতিয়ার ছিলো।

ঘটনার নয় বছর পর অর্থাৎ ২০০৪ সালে ব তিন জন পুলিশ সদস্যকে ফাঁসি দেয়া হয়।

ধর্ষণ নিয়ে এতো বড়ো গণ আন্দোলন বাংলাদেশ এর আগে কখনো হয়নি, আজও তাই দিবসটি বিভিন্ন সংগঠন পালন করে আসছে 'ইয়াসমিন হত্যা দিবস' হিসেবে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল তার বান্ধবী কামরুন নাহার মনিকে।ঘটনার দিন মনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা গ্রহ...
25/08/2026

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল তার বান্ধবী কামরুন নাহার মনিকে।

ঘটনার দিন মনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছিলেন—এর সাক্ষ্য-প্রমাণও পাওয়া যায়।

কামরুন নাহার মনি প্রেগন্যান্ট ছিলেন। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করেন পিবিআই।

যার ফলশ্রুতিতে তার সন্তান জন্মদান এবং সন্তানের শৈশব কাটে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে।

পিবিআইয়ের তৎকালীন চিফ বনজ কুমারের শয়তানি দেশবাসী জানেন।

জানেন না নিরীহ মানুষকে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে খুনের আসামি বানিয়ে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কুশীলব, কুলাঙ্গার সাংবাদিক সময় টিভির কমল দে দের কথা।

জুলাই-পরবর্তী কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও এখন আবারও তাকে দেখা যাচ্ছে সময় টিভির বিভিন্ন রিপোর্টে।

বাস্তবতাবহির্ভূত ও অন্যায্য রায় দেওয়ায় আজ নিম্ন আদালতের সেই বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু আইন, বিচার—সবকিছুর বাইরে থেকে যাচ্ছে কমল দের মতো সাংবাদিক নামের ক্রিমিনালরা।

—হাসান রিয়াদ

এই আপু কে চিনতে পেরেছেন? আমি কিন্তু চিনে ফেলেছি।মনে আছে নুসরাত হ-ত্যা মা*মলায় যাবতজ্জীবন আদেশ প্রাপ্ত আ*সামী কামরুন নাহ...
24/08/2026

এই আপু কে চিনতে পেরেছেন? আমি কিন্তু চিনে ফেলেছি।মনে আছে নুসরাত হ-ত্যা মা*মলায় যাবতজ্জীবন আদেশ প্রাপ্ত আ*সামী কামরুন নাহার মণির কথা?গ্রে*ফতারের সময় তার পেটে সন্তান সম্ভবা ছিল।তার স্বামী অনেক চেষ্টা করেও জামিন করাতে পারেন নাই। অবশেষে জেলেই ভিতরে মণি সন্তান জন্ম দিলেন। সেই সন্তানের বয়স এখন ৬ বছরের বেশি। জন্মের পর থেকেই মায়ের সাথে কারাগারে আর আদালতের বারান্দায় তার শৈশব কেটে গেছে।

জেলের ভিতরে সন্তান যখন মাকে প্রশ্ন করতো, মা! আব্বু বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায় আমরা কেন এই ঘরের ভিতরে বন্দী আছি?আমাদের কাছে কেন আসেনা? আব্বুর সাথে কি তুমি আড়ি করেছ? আব্বুকে বলো না আমাদেরও বাইরে নিয়ে রাখতে। এই আটকানো ঘরে তো আর ভালোই লাগে না।

আচ্ছা আম্মু! ঈদের সময় আব্বু আমাদের জন্য নতুন জামা নিয়ে আসে। তাও তুমি কেন কাঁদো? আমার মত কেন আনন্দ করো না? ও আচ্ছা বুঝেছি তুমি এখনো আব্বুর উপরে আড়ি করে আছো।

কামরুন নাহার মনির হাসবেন্ডের এমন একটি পোস্ট ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিল। সেদিন সেই পোস্টের লেখা পড়ে দু চোখে পানি আটকে রাখতে পারিনি।মনি লীগের পাতানো মামলায় ৭ বছর বন্দি ছিলেন।

এডভোকেট শিশির মনিরের প্রচেষ্টায় আজকে আদালতের রায়ে মণি খালাস পেল। সাথে তার ৬ বছরের সন্তানও মুক্তি পেল। মণি আর মণির সন্তান রাথীর জীবন থেকে যা হারাল তার দায় কি কেউ নিবে? আদালতের পেছনে খরচ হওয়া তার স্বামীর ক্ষতিপূরণ কে দিবে?

এডভোকেট শিশির মনির আজ আদালতে স্রোতের বিপক্ষে গিয়ে ১৬ জন ফাঁ*সির দ*ন্ডপ্রাপ্ত আ*সামির পক্ষে দাঁড়ালেন।এটা নিয়ে সারা দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।শিশির মনির যেটা করেছে দেশের মানুষ কিছুদিন পরে বুঝবে এটাই সঠিক ছিল।

শিশির মনির আরো বলেছেন,এই মামলার পিছনে অনেক রহস্য লুকায়িত আছে। সব রহস্য ইনশাল্লাহ খুঁজে বের করব।বাংলার কেডি পাঠক এডভোকেট শিশির মনিরের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।

24/08/2026

আজকের নামাজ আপনার জীবনের শেষ নামাজ

23/08/2026

আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হবেন না

23/08/2026

গুনাহ যত বড়ই হোক... 🥺 | Islamic Short Video | Omar Faruk Veterinary

সম্পদ জমিয়ে কৃপণ হলে পরকালে যা হবে
20/08/2026

সম্পদ জমিয়ে কৃপণ হলে পরকালে যা হবে

Address

Rohanpur
Nawabganj
6320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Omar Faruk Veterinary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share