M TV সত্য ও ন্যায়ের পথে। N/A

11/02/2026

হাসনাত সংসদে গেলে সাধারণ মানুষ ছাড়া কারো কোন লাভ নাই।

সবার লস।

আওয়ামী লীগের লস।
বিএনপির লস।
মিডিয়ার মাফিয়াদের লস।
অলিগার্কদের লস।

সো হাসিনা পর্যন্ত ডিরেক্ট ইনভলভ হয়ে চেষ্টা করতেসে যাতে যে কোন মূল্যে তাকে হারানো যায়।

ভোটারদের বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির পরেও মঞ্জুকে গ্রেফতার করা হয় নাই।

সো সে আরও সাহস পাইসে।

এখন সে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আজাদের সাথেও হাত মিলাইসে।

ভোটারদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে।

ভোটকেন্দ্রে লাশ ফালানোর ভয় দেখানো হইসে।

মিডিয়া আর প্রশাসন জুলাই এর ভূমিকায় ফেরত গেছে।

হাসিনা জুলাইয়ের ভূমিকায় ফেরত গেছে।

সাথে যোগ হইসে বিএনপি নেতা, মঞ্জু।

এই মুহুর্তে একমাত্র উপায় হলো, আমাদেরও জুলাইয়ের ছাত্র জনতায় পরিণত হওয়া।

মনে রাইখেন, জুলাইয়ের নেতাদের সংসদে নিতে না পারলে, দেশ তো দূরের কথা, আইন পর্যন্ত চেঞ্জ করা যাবে না।

হাদি হত্যার বিচার কারা চাইছে?

গুম খুনের বিরুদ্ধে কারা কথা বলেছে গত দেড় বছর?

কারা ভারত আর বসুন্ধরার কোলে উঠেছে আর কারা ভারত আর বসুন্ধরার বিরুদ্ধে কথা বলেছে?

মেলান।

মিলাইয়া দেইখেন, কেন হাসিনা পাগল হয়ে গেছে, কেন বুইড়া জানোয়ারগুলা পাগল হয়ে গেছে এই ছেলেগুলোকে হারানোর জন্য?

৫ আগস্টের পর কাল আমাদের আরও একটা জুলাই।

হাসিনা আর মঞ্জুর সাথের এই গেমে ছাত্র জনতা এক হয়ে হাসনাতকে জুলাইয়ের মত জিতাইয়া আনতেই হবে।

এর বাইরে আর কোন অপশন নাই।

জনগনের কি মত এই ব্যাপারে?
11/02/2026

জনগনের কি মত এই ব্যাপারে?

তারেক রহমান আজ মহাতারকা।যে শহরেই যাচ্ছেন, সেখানেই জনতার ঢল। মানুষ মন খুলে কথা বলছে, স্বপ্ন দেখছে।একইভাবে জামায়াতের আমির ...
11/02/2026

তারেক রহমান আজ মহাতারকা।
যে শহরেই যাচ্ছেন, সেখানেই জনতার ঢল। মানুষ মন খুলে কথা বলছে, স্বপ্ন দেখছে।

একইভাবে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও আজ বড় নেতৃত্বের প্রতীক।
সতেরো বছর নির্যাতিত বিএনপি নেতারা যেমন বুক ফুলিয়ে হাঁটছেন, তেমনি জামায়াতের নির্যাতিত ও লুকিয়ে থাকা নেতারাও আজ মাথা উঁচু করে রাজপথে—মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।

ক্ষমতা হোক বা বিরোধী দল—সবকিছুর ফয়সালা হবে ১২ তারিখের ভোটে। তবে উনারা সংসদে যাবেন এইটা নিশ্চিত ।।

কিন্তু একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না। আজ যারা রাজনীতি করার নিঃশ্বাস পাচ্ছে, তার পেছনে আছে জুলাই–আগস্টের সাহসী নেতৃত্ব।

এনসিপির নাহিদ, সার্জিস, হাসনাদের অনেক বিষয়ে আমার আপত্তি আছে—তবু সত্য হলো, হারুন–আসাদুজ্জামানের মতো ভয়ংকর শক্তির সামনে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চারটি খানি কথা ছিল না।

এই সাহসিকতার কারণেই আজ মানুষ বুক ফুলিয়ে হাঁটছে।

তারেক রহমান বা ডা. শফিকুর রহমান—
কেউ যেন জুলাইয়ের নেতাদের ভুলে না যান,
তাদের মূল্যায়ন, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা সবারই দায়িত্ব ।।

10/02/2026

ডক্টর ইউনূস তাঁর শেষ বক্তব্যটা দিয়ে ফেললেন।

ইউনূস ক্ষমতা ছাড়বে না, ইউনূস নির্বাচন দেবে না, ইউনূস আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রি করে দেবে বলে বলে ফেনা তুলে ফেলা একজন বাটপারও কি আজ মাফ চাইবে?

চাইবে না।

যাওয়ার একদিন আগেও উনি আমেরিকার বাজারে আমাদের কিছু পোশাকের শুল্ক মুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করে গেলেন।

ক্ষমতা ছাড়ার সাতদিন আগে জাপানে আমাদের ১১০০ পন্যের শুল্ক মুক্ত প্রবেশ নিশ্চিত করে গেছেন।

"আমেরিকার দালাল" ইউনূসের সময়েই আমেরিকার সবচেয়ে বড় শত্রু চীনের সাথে বাংলাদেশের ড্রোন চুক্তি হইসে।

ইউনূসের অপরাধ আমেরিকার দালাল হওয়া না।

ইউনূস আসলে ইন্ডিয়া বাদে প্রতিটা দেশের সাথে চুক্তি করেছেন। দেশের জন্য কোন না কোন ব্যবসায়িক লাভ বের করার ট্রাই করেছেন।

শুধু ভারতের কাছে মাথা নত না করার "অপরাধে" রাজনৈতিক বাটপার, বুদ্ধিবেশ্যার দলেরা গুজব ছড়াইলো, ইউনূস ইলেকশন দিবে না।

লিটারালি দেশে এই লোকটাকে কিচ্ছু করতে দেওয়া হয় নাই।

কিচ্ছু না।

যাই করতে গেছে, সবার আগে যাইয়া ভেড়ার পালের মত ঘিরে ধরসে, নির্বাচন দাও, নির্বাচন কই, নির্বাচন খাব......

এই এক বাল করতে করতে উনি শেষ হয়ে গেছেন।

অথচ একেবারে ক্ষমতা নেওয়ার শুরুতেই উনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ইলেকশন দিয়ে দেব।

ভদ্রলোকের এক জবান।

দুই বছরও নেন নাই। আজ দেড় বছরের মাথাতেই উনি নির্বাচন দিয়ে দিচ্ছেন।

সমস্যা হলো, এই লোকটা সারাজীবন উঠাবসা করেছে বড় বড় মানুষের সাথে। তাই রাজনৈতিক বাটপারদের সাথে উনি ডিল করতেই পারেন নাই।

ছোটলোকগুলার মাথায় খালি একটা জিনিসই ঘুরত, কবে ইলেকশন হবে, আর কবে খাওয়া শুরু করব।

এরা পাইত ভয়, যে ইউনূস মনে হয় তাদের সব খাওন শেষ করে ফেলতেসে।

অথচ এই ফকিন্নির পুতেরা জানেই না যে খাওয়ার জন্য ইউনূসের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দরকার ছিল না।

চাইলে ইউনূস এমন খাওন বহু আগেই খাইতে পারতেন।

সেইম সরকার।

বিদেশে এই সরকারটা একের পর এক সফল চুক্তি বের করে আনলো।

ইভেন মোদি সরকারের চেয়ে ইউনূস ট্রাম্পের থেকেও ভালো চুক্তি বের করে আনসে।

একইসাথে চীন আর আমেরিকা ডিল করসে।

অথচ এই সরকারটাই দেশ ভালো চালাইতে পারল না।

কেন?

বাটপার রাজনীতিবিদগুলার জন্য।

এই বাটপারের বাচ্চাগুলা জানত, ইউনূস একবার সফল হইতে পারলে এই দেশে ওদের বাটপারি আর লুটপাট করে খাওয়ার ব্যবসা শেষ হবে।

এই জানোয়াররা ভালো করেই জানে, একবার যদি মেধাবী, জেন্টলম্যানরা রাজনীতিতে আসা শুরু করে, তাইলে এদের পোষা কুকুরদের রাজনীতির নামে হাড্ডি খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

তাই আমলা থেকে শুরু করে মিডিয়া পর্যন্ত ইউনূসের বিরুদ্ধে লেগেছিল সারাটা সময়।

কাজ কী করলো, এরচেয়ে ইউনূসকে বেশি উত্তর দিতে হইসে, নির্বাচন কবে দিবেন? এখনও দিচ্ছে না কেন? এসব প্রশ্নের।

কালকের দিনটা পরেই নির্বাচন।

ভয়ংকর সব সমালোচনা আর গালিগালাজ সহ্য করেও যে কাজ করে যাওয়া যায়, দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে সুদখোর বলেও যে রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানো যায়, গুম হইতে হয় না, এই স্বাধীনতাটুকু ইউনূস আমাদের দিয়েছিলেন।

কে কেমনে মনে রাখবে জানি না, ইউনূসের দেড় বছর আমার কোনদিন কী বোর্ডের ব্যাকস্পেস চেপে কিছু ডিলিট করতে হয় নাই, স্বাধীনতার এই আনন্দটুকু আমি সারাজীবন মনে রাখব।

Collected

‘অনেকেই ভাবছেন, আমি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। এ ব্যাপারে আমার ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা যতই অস্বীকার করার চেষ্টা ...
09/02/2026

‘অনেকেই ভাবছেন, আমি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। এ ব্যাপারে আমার ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা যতই অস্বীকার করার চেষ্টা করি না কেন, সেনাবাহিনী কলুষিত হয়েছে। আমাদের উচিত হবে না আমাদের আত্মশুদ্ধির যে সুযোগ এসেছে, তা কোনো অবস্থাতেই হেলায় হারানো।’

দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া আজকে আদালতে এসব কথা বলেছেন। এর আগে গতকাল রোববার তিনি জবানবন্দি দেন যেটা সকালেই বিস্তারিত লিখেছি।

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘এত কিছুর পরও যখন বুঝতে পারি ক্রসফায়ার থামছে না, তখন আমি ডিজিএফআই, বিজিবি এবং র‍্যাব থেকে অফিসার নিয়ে আসা ও পোস্টিং বন্ধ করে দিই। আমাকে অনেকে মনে করিয়ে দেন যে আমি যা করছি, তা বিদ্রোহের শামিল। আমার উত্তর একটাই ছিল যে হাশরের ময়দানে আমাকে আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। পোস্টিং বন্ধ করার প্রতিক্রিয়াও ছিল মারাত্মক। আমি প্রতিনিয়ত অফিসার পোস্টিং করার জন্য টেলিফোন পেতে থাকি। একসময় র‍্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ আমার অফিসে আসেন এবং র‍্যাব অফিসার দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তাঁকে কোনো কথা দিইনি।’

সাবেক এই সেনাপ্রধান জবানবন্দিতে আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামে হোটেল র‍্যাডিসন উদ্বোধনের সময় তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠককালে আমাকে ডেকে নেন এবং র‍্যাব অফিসার দিতে বলেন। এই স্বল্পতার কারণে র‍্যাবে অফিসার দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানাই। আমার অবসর গ্রহণের আগপর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত ছিল। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল ছিলাম।'

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া আরও বলেন, ‘র‍্যাবের কর্মকাণ্ডের কারণে আমার দায়িত্বকালীন সময়টি ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক। কিছু করতে না পারার বেদনা আমাকে সব সময় আচ্ছন্ন করে রাখত। আজ সুযোগ এসেছে সেই করতে না পারার কাজটি সম্পন্ন করার। এতে সেনাবাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ণ হবে না, বরং সেনাবাহিনী গৌরবের উচ্চ শিখরে আসীন হবে। পুরো জাতি জানবে সেনাবাহিনী কখনো দোষী ব্যক্তিদের ছাড় দেয় না। এতে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং সম্মানের সাইনবোর্ডের আড়ালে অফিসারদের অপকর্ম করে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবৃত্তি দূর হবে।’

সাবেক এই সেনাপ্রধান আজকের জবানবন্দিতে বলেন, ‘র‍্যাব অবিলম্বে বিলুপ্ত করা দরকার এবং সেটি সম্ভব না হলে সামরিক সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে ফিরিয়ে আনা উচিত। আমি আরও চাই ডিজিএফআইও বিলুপ্ত করা হোক। কারণ, এই সংগঠনটি আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতি জন্ম দেওয়ার পরে টিকে থাকার বৈধতা হারিয়েছে।’

আজকে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দি শেষ হয়। পরে তাঁকে জেরা করা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গনি। জেরায় এক প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি একজন ডিহিউম্যানাইজড সেনা কর্মকর্তা। আমি আমার চাকরিজীবনের ৪০ বছরে শিখেছি কীভাবে মানুষ হত্যা করতে হয়। শুধু আমি নই, পৃথিবীর সব সেনাসদস্যকে এই একই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।’প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জেরা আজকের মতো শেষ হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি জেরার জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল তিনি বলেছেন, সেনাবাহিনীতে খুনের সংস্কৃতি আগে থেকেই ছিল। গুমের সংস্কৃতি পরে গড়ে উঠেছে। আমরা যদি ধরে নিই যে ২০০৮ সাল থেকে খুন শুরু হয়েছে, তবে সেটা ভুল বলা হবে। প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার পর থেকেই খুনের সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। আসলে প্রশিক্ষণকালে সেনাসদস্যদের ডিহিউম্যানাইজ করা হয়। তারা ধীরে ধীরে মানুষকে মানুষ মনে করা ভুলে যায়, মানুষকে টার্গেট বলতে শুরু করে। ফায়ারিং রেঞ্জে মানুষ আকৃতির টার্গেটের ওপর গুলি করে তাদের মানুষ হত্যার মনস্তাত্বিক বাধা দূর করা হয়। এ কথা মনে রেখে সেনাবাহিনীকে কখনো বেসামরিক পুলিশের সঙ্গে মেশানো ঠিক হয়নি। অথচ সেটাই ঘটেছে ২০০৩ সালে, যখন র‍্যাব গঠন করা হয়। এটি ছিল একটি মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে কিছু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। র‍্যাব গঠনের পূর্বে অপারেশন ক্লিনহার্টে অনেক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পরে ক্লিন হার্টের সব সদস্যকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। বস্তুত এই ইনডেমনিটি ছিল হত্যার লাইসেন্স প্রদান।”

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ২০০৭ সালে নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়ানোর জন্য যে সংঘাত শুরু হয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে স্টেট অব ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হয়। ২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ডিজিএফআই হয়ে ওঠে দেশের মুখ্য নিয়ন্ত্রক। বিভিন্ন সময়ে তারা বিভিন্ন ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে তাদের সেলে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করত। এর মধ্যে অনেক মন্ত্রী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ছিলেন। তাঁরা বিএনপির জনাব তারেক রহমানকেও উঠিয়ে এনে নির্যাতন করে। এ সময় থেকে বস্তুত বেসামরিক ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে আটক রাখার সেলের মধ্যে রাখা একটি অভ্যাসে পরিণত হয়। বস্তুত যেকোনো ব্যক্তিকে উঠিয়ে এনে যা ইচ্ছা তাই করা যায় মর্মে তারা ভাবতে শুরু করে। তারা ভাবতে শুরু করে যা কিছুই তারা করুক না কেন শেষ পর্যন্ত তারা পার পেয়ে যাবে। জরুরি অবস্থায় সেনাসদস্যদের সংস্কৃতিতে কিছু পরিবর্তন আসে। তারা রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করে, সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে একটি বিভাজন সৃষ্টি হয়, নগদ সংস্কৃতির উত্থান হয় এবং উপরস্থদের আদেশ অন্ধভাবে পালন করার প্রবণতা জন্ম হয়।

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, আমাকে যে জিনিসটা সবচেয়ে ব্যথিত করত তা হলো আমরা সেনাবাহিনী থেকে র‍্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠাচ্ছি আর তারা পেশাদার খুনি হয়ে ফেরত আসছে।

সকালের কথাগুলো দিয়েই শেষ করি, এই দেশের আইন আদালত প্রশাসন থেকে শুরু করে প্রতিটা প্রতিষ্ঠান গত ৫৫ বছর ধরে পঙ্গু। সেনবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানকেও রাষ্ট্র বিভিন্ন সময়ে কীভাবে ব্যবহার করেছে সব আমলে তার ছবি ফুটে ওঠে এই জবানবন্দিতে। ভবিষ্যতে যারা দেশ চালাবেন সেই রাজনীতিবিদ ও নীতি নির্ধারকদের বলবো, দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করুন। দয়া করে সেনাবাহিনী হোক আদালত কিংবা প্রশাসন এগুলোকে যেনতেন ভাবে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার না করে আইনের শাসন গড়ে তুলুন। সবাই মিলে চলুন একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। সুশাসন ও মানবতাবোধ ছাড়া সেই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। আশা করছি আমাদের নীতি নির্ধারকদের বোধ জাগবে।

07/02/2026

একজন নিরস্ত্র মানুষকে হায়েনার মতো মারধর করে পুলিশ। এরা কি আদৌ জনগনের বন্ধু হবার যোগ্য 🤧

বিএনপিপন্থী একটিভিস্ট যারা আছে, দেখলাম তারা সবাই ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যদের মাইর খাওয়া নিয়া উল্লাস করতেছে । তারা ভাবতেছে আজ...
07/02/2026

বিএনপিপন্থী একটিভিস্ট যারা আছে, দেখলাম তারা সবাই ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যদের মাইর খাওয়া নিয়া উল্লাস করতেছে ।

তারা ভাবতেছে আজ বিএনপির ইশতেহারের দিন , আজ কেনো এসব গন্ডগোল করতে হবে?

এটা চংক্রান্ত ।

লজিক্যালি আমি তাদের এটাকে কাউন্টার দিবো না, ইটস ওকে , তারা ক্ষোভ প্রকাশ করতেই পারে ।

এটা বেশ লজিক্যাল ।

কিন্তু পুলিশের এই পৈশা*চিক আক্র*মণে তাদের উল্লাস আমারে আশ্চর্য করে ।

ওকে , আপনাদের কথাই মেনে নিলাম , ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান ভুল । তাদের এই চাওয়া এই সময়ে ভুল।

শাহবাগে তাদের কেনো মারা হইলো এই প্রশ্ন করবো না, যমুনা ভবনের দিকে যাওয়াও ভুল ।

কিন্তু পুলিশের এই অমানবিক আচরণে আপনাদের উল্লাসের যুক্তি কি?

শুধু ইনকিলাব মঞ্চের এই অযাচিত আচরণে আপনাদের রাজনৈতিক ক্ষতি হইলো বলে?

ভিডিওগুলা দেইখা আসলেই খুশি হইছেন?

প্রত্যেকটা ভিডিও দেখলেই আমার মনে হইছে , পুলিশ জুলাইয়ে পুষে রাখা ক্ষোভ আজকে উড়াইছে।

ইন্টেরিম বলছে , পুলিশ ছত্রভ*ঙ্গ করেছে, তাদের সেই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে ।

অথচ দেখলাম , আন্দোলন বিচ্যুত হয়ে যাওয়া একা হয়ে যাওয়া মহিউদ্দিন রনিকে রাস্তার কুত্তার মতো পিডাই*ছে ।

একজনে না , অনেকজনে মিলেই পিডাইছে, নেকড়ে যেমনে দলবদ্ধ হইয়া শিকার করে ।

একটা ছেলে তার ফ্যাক্টরির সামনে, তা'রে ধইরা হুদাই মারতে মারতে গ্রেফতার করছে ।

গেটের সামনে , রেলিং এর সামনে যাদের পিডাইছে, তাদের ভিডিও আমি রনির ভিডিওর মতো শেষ করতে পারি নাই ।

একজনরে লাঠি দিয়া পিডাইছে, তার কান্নার আওয়াজ আমার বুক ভারী কইরা দিছে ।

একটা ছেলে, হুজুর, তারে কয়জনে মিলে পিডাইছে ভিডিওটা সামনে আসলে কাট না করে পুরো ভিডিওটাই দেইখেন কাইন্ডলি !

দেইখা মনে হইছে, আরেকটা জুলাই চলতেছে ।

জুলাইয়ের মতোই মোবাইলে চেকিং, বাস চেকিং চলতেছে ।

জুলাইয়ের মতোই সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভাইঙ্গা দৌঁড়ানি দিতেছে ।

আন্দোলনকারীদের অ*শ্লীল অঙ্গভঙ্গি কইরা গালি দিতেছে , জুলাইয়ের মতোই পিডাইতে পিডাইতে আধমরা কইরা ফালানো হইতেছে ।

এটাই ইন্টেরিমের ছত্রভঙ্গ করার নমুনা!

এসব স্বাভাবিক লাগছে? উল্লাস করার মতো কিছু?

আমি দেখলাম , নিউক্লিয়াস -৭১ কিংবা একস্ট্রিম ৭১ এর মতো লীগের পেজগুলোতে অলরেডি ,

" এই হাদীর লা*শ নিয়া যা...

পুলিশকে জাতীয় বীর ঘোষণা দিতেছে !

তাদের এই জাতীয় বীরদের হাতে এই আপনারাই পিডা খাইছেন, নির্যা*তিত হইছেন সতেরো বছর ।

সেইসব দৃশ্যও আজ হুট কইরা মনে পড়ে গেলো আপনাদের উল্লাস দেইখাই...

আপনারা ইনকিলাব মঞ্চের সমালোচনা করেন, করতেই পারেন ,

কিন্তু আমি দেখলাম না বিএনপির কোনো একটিভিস্ট পুলিশের এই পুরনো কায়দায় হামলা করার সমালোচনা করতে ।

উল্টো নিজেরে বুদ্ধিজীবি দাবি করা , মহিউদ্দিন মোহাম্মদের মতো এক্টিভিস্টরা সরাসরি এক্সপ্রেস করতেছে ,

" পুলিশ সরাসরি লিথ্যা*ল ওয়েপ*নও ব্যবহার করতে পারতো আজ, পুলিশের সেই রাইটস আছে । "

শুধু রাজনৈতিক স্বার্থে হাদীর বিচার চাওয়া পোলাপাই দের উপর গু*লি চালানোর মতো ক্ষোভ আপনারা পুষে রাখেন?

দোষ খালি হাসিনার?

জ্বি, বুদ্ধিজীবি সাহেব , পুলিশের এই রাইটস জুলাই আন্দোলনেও ছিলো ।

তাতে লীগের পুলিশি পালের হাতে বিএনপিরও অনেকে প্রাণ হারাইছে ।

ভবিষ্যতেও আপনাদের মুখোমুখি হয়ে যাওয়া কোনো আন্দোলনেও থাকবে হয়তো...

আর আমরা বারবার দেখতে পাবো একই দৃশ্য , একই মঞ্চে ।

কেবল পরিচালক বদলাইলে ভিক্টিম বদলাইয়া যাবে...

শাসক বদলাইলেই যেরকম মজলুম বদলাইয়া আর কি!
Collected.

এই কু*লা*ঙ্গার জুলাই আন্দোলনে একজন ছাত্রকে গলায় পা দিয়ে মেরেছিল। সেই ছাত্র বলেছিল, 'আমার বাসায় মা আর ছোট বোন আছে, তাদের ...
06/02/2026

এই কু*লা*ঙ্গার জুলাই আন্দোলনে একজন ছাত্রকে গলায় পা দিয়ে মেরেছিল। সেই ছাত্র বলেছিল, 'আমার বাসায় মা আর ছোট বোন আছে, তাদের কেউ নেই', তাও তাকে বাঁচতে দিল না। সেই কুলাঙ্গার এখনো পুলিশের পোশাক পরে আজকে আবার হাদির ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হা*ম*লা করেছে। তাদের বলতে শোনা গেছে, 'আয় আয়, হাদির লা*শ নিয়ে যা'। কত বড় জা*নো*য়ার!

আমরা আজকের এ রায় ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি! চানখারপুলে শুয়ে বসে টার্গেট শ্যুট করে হত্যাযজ্ঞ চালানো আসামি কনস্টেবল সুজন ...
26/01/2026

আমরা আজকের এ রায় ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি!
চানখারপুলে শুয়ে বসে টার্গেট শ্যুট করে হত্যাযজ্ঞ চালানো আসামি কনস্টেবল সুজন কে মাত্র ৩ বছরে সাজা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!!

এ মামলায় কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি দেখিয়ে সিনিয়র পুলিশ সদস্যদের ৩ জন কে মৃত্যুদণ্ড দিলেও সরাসরি হত্যাযজ্ঞ চালানো সুজনের মত একাধিক পুলিশ সদস্য কে মাত্র ৩ থেকে ৫ বছরের সাজা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!!

এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ৩ আসামীই পলাতক, অর্থাৎ তারা বিদেশে সেফ এক্সিট নিয়েছে❗

আমরা এ রায় ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আশা করছি রাস্ট্রপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন এবং সুজনের মত গণহত্যাকারীকে ফা"সিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করবেন। সঠিক বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে।

মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজির গুম/অপহরণ এবং এরপর শেকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার নিয়ে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির বাইরে বাকিদের তুল...
23/10/2025

মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজির গুম/অপহরণ এবং এরপর শেকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার নিয়ে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির বাইরে বাকিদের তুলনামূলক নীরবতা খুবই হতাশাজনক।

জুলাই নিয়ে যেসব অ্যাক্টিভিস্ট দিনে বিশ-ত্রিশটা করে স্ট্যাটাস দেয়, ক্যাঁচাল করে, দলীয় "ন্যারেটিভ" নির্মাণ করে, তাদের অধিকাংশই এখন পর্যন্ত এই ইস্যুতে নীরব। অথচ এটা খুবই সিরিয়াস একটা ইস্যু।

ভ্যানে করে বা "অ্যাম্বুলেন্সে" করে আগে তুলে নিয়ে যেত সরকারী বিশেষ বাহিনী। অথচ মাওলানার অভিযোগ অনুযায়ী এখন সেই কাজ করছে বেসরকারী, পার্শ্ববর্তী দেশের ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী আদর্শ বাস্তবায়নে সক্রিয় বাহিনী।

আপনি সারাদিন যতই জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে ন্যারেটিভ নির্মাণ করেন, এই ধরনের ঘটনা যদি ঘটে, এবং সেটার যদি কোনো সুরাহা না হয়, তাহলে আপনার জুলাই টিকবে না।

এই ধরনের ঘটনা খুবই সেন্সিটিভ। সেজন্যই এগুলোকে খুব দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তি করা উচিত। চোখ বন্ধ করে থাকলে বা না দেখার ভান করলে এগুলোর নিষ্পত্তি হবে না। বরং ভেতরে ভেতরে আরও বাড়তে থাকবে।

ফ্রেন্ডলিস্টে যেসব অ্যাক্টিভিস্ট আছেন, তাদের প্রতি আমার আহ্বান, এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত এবং বিচারের দাবিতে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আল্টিমেটাম দিন।

মাওলানাকে এক্সাক্টলি কারা অপহরণ করেছে, কী উদ্দেশ্যে করেছে, তাদের পেছনে কাদের ব্যাকিং আছে, সেগুলো অতি দ্রুত সামনে আসা এবং সেগুলোর সাথে জড়িত সবার গ্রেপ্তার এবং বিচার হওয়া খুবই জরুরী।

18/10/2025

ভারতীয় দালালরা কে কোথায়?

বাংলাদেশে ভারতীয় দালালরা এতই শক্তিশালী যে এদের কারণে এখন বাংলাদেশপ্রেমীরাও হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানী দালাল। দিল্লি না ঢাকা শ্লোগান দেয়ার সাথে সাথে ব্যালান্স করার জন্য পিন্ডি না ঢাকা শ্লোগানও দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশে নানা কারণে ভারতীয় দালাল তৈরি হয়েছে। যেমন-

০১. সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ লোকজন ট্রেনিং নিতে ইন্ডিয়া যায়। তাদের মধ্য থেকে টার্গেটকৃতরা বিভিন্ন ফাঁদে পড়ে ভারতীয় দালাল হয়ে যায়।

০২. পুলিশ, প্রশাসন, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনও লোভনীয় অফারে ভারত ঘুরতে যেয়ে দালালে পরিণত হয়।

০৩. সাংস্কৃতিক কর্মীরা তো বাধনহারা উল্লাসে যখন তখন ইন্ডিয়া ট্যুরে গিয়ে তাদের দালালে পরিণত হয়।

০৪. বিভিন্ন রাজনৈতিক হর্তাকর্তারা ভারত ভ্রমণে যেয়ে পেতো নানা ধরনের সুবিধা। নারী ও মদে আসক্ত কিছু কিছু নেতা দালালের টোপ গিলার জন্য হা করেই থাকতো।

০৫. বিএনপির প্রথম টার্মে আকাশকে উন্মুক্ত করার নামে ভারতীয় চ্যানেলগুলো অবাধ প্রদর্শনের সুযোগ দিয়ে অবচেতনভাবে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে ভারতীয় দালাল বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এরা জানেও না যে তারা ভারতের দালাল। যদিও আগের চারটা শ্রেণীই সচেতন দালাল। বলাবাহুল্য, এই কাজটি ছিল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ভুল।

০৬. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ভারতে বৃত্তির সুযোগ করে দিয়েও প্রচুর দালাল বানানো হয়েছে। এ কারণে গোলাম আজমের ছেলেও বলে, বাংলাদেশে যে অবিচারের মুখোমুখি সে হয়েছে সে অবিচারের মুখোমুখি তাকে ভারতে হতে হয়নি। অর্থাৎ তার মতে বাংলাদেশের চেয়ে ভারত ভালো।

০৭. বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অনেক মেধাবীকে ভারত ভ্রমণে আমন্ত্রণ জানানো হতো। যার আয়োজন করতো ভারতীয় দূতাবাস। এ কাজটি তারা ২০১০ সাল থেকে নিয়মিত করে আসছে। ২০১০ থেকে প্রতি বছর ১০০ জন মেধাবী ভারত ভ্রমণের সুযোগ পায়। লিখে রাখুন, বাংলাদেশে ভবিষ্যত ভারতীয় দালালিত্বের মুকুট এরাই অলংকৃত করবে। এরাই হয়ে উঠবে আগামী দিনের গওহর রিজভী।

০৮. ভারত-বাংলাদেশ সংস্কৃতি বিনিময়ের আওতায় অনেক আগে থেকেই প্রচুর পরিমানে ভারতীয় শিল্পীকে বাংলাদেশে আনার মাধ্যমেও একশ্রেণীর দালাল তৈরি করা হয়েছে। এরা সবকিছুতেই ভারতীয় প্রোডাক্টকে বাংলাদেশী প্রোডাক্ট থেকে বেশী সম্মান দিয়ে থাকে। তাদের কাছে ভারতীয় শিল্পীদের উলংগ নৃত্যও এবাদতের মত পবিত্র।

০৯. র' এর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে দেশের অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দালাল তৈরি করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর অনেক সিদ্ধান্ত যখন নিতে দেখি সরকারি পর্যায়ে সেটা লীগের আমলেই হোক আর বিএনপির আমলে, আমাদের বুঝতে কষ্ট হয় না এর কলকাঠি নাড়ছে ঢাকা নাকি দিল্লী। বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী সরাসরি ভারতের স্বার্থ রক্ষা করে। এদের অনেকের স্ত্রীও ভারতীয়। ইহুদীরা যেমন মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দালাল তৈরি করে। ভারতও তেমন পন্থা অন্তত ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নিয়েছে এমন নজির এদেশে কম নয়।

১০. বাংলাদেশের চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি খাত ধ্বংসের জন্য বিগ বাজেটের ভারতীয় গোয়েন্দা কার্যক্রম আছে। এই বাজেটের কারণেই মেডিকেলের প্রশ্ন আউট হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার চেয়ে রাজনীতি চর্চা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভারত গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে, উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। যৌক্তিক কারণেই এই মানুষগুলো নিজ দেশের চেয়ে ভারতকে এগিয়ে রাখে। বাংলাদেশের চিকিৎসক যেই রোগীকে বলেছে, ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজ। অপারেশন না করলে রোগী মারা যাবে। খরচ হবে বারো লাখ। সেই রোগী যখন ভারত গিয়ে জানতে পারে ক্যান্সারের প্রাথমিক স্টেজ। অপারেশন করে টিউমার ফেলে দিলেই আর সমস্যা নাই। তবে টিউমার এখনও ছোট। অপারেশন করার জন্য আরও তিনমাস পরে আসতে হবে। তারপর তিন মাস পর গিয়ে টিউমার ফেলে দিয়ে যখন সে সুস্থ হয়ে যায় তখন সে মনে মনে নিজ দেশকে গালি দেয় আর বলে ভারত ভাল দেশ। ভারত যদি বাংলাদেশ দখল করে নেয় সেইটা হবে দারুণ কাজ। অথচ সে বোঝে না বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতকে এমন জঘন্য বানিয়ে রাখার অন্যতম কারণ ভারত। আর এই কারণে আমরা দেখি ইউনুস সরকারও স্বাস্থ্য খাত সংস্কারে কোন পদক্ষেপই নেয়নি। এমনকি ইন্টারিমের সবচেয়ে অপদার্থ ব্যক্তিটি হল এই খাতের উপদেষ্টা।

বাংলাদেশকে ইন্ডিয়ার মনস্তাত্বিক দাস রাষ্ট্র বানানোর এ প্রচেষ্টা ৪৭ থেকেই শুরু হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রথম এদেশীয় ভারতীয় দালালরা সংঘবদ্ধ কার্যক্রম হাতে নেয়। ছায়নাটের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে সেক্যুলার সংস্কৃতি চর্চার যে বীজ ১৯৬১ সালে বপন করা হয় তা আজ মহীরূহ।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনী গঠনই করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব জনতার হাত থেকে ছিনিয়ে লীগের পকেটে নেয়ার নামে ভারতের পকেটে নেয়ার জন্য। পাকিস্তানী বাহিনী যখন আত্মসমর্পনের জন্য প্রস্তুত তখন এদেশের ভারত বিরোধী বুদ্ধিজীবীদের কারা হত্যা করেছিল, সে তথ্য জহির রাহয়ান জেনে গিয়েছিল বলেই তাকেও গুম করে নিকেশ করা হয়।

স্বাধীনতার পর ভারতীয় দালালদের সর্বগ্রাসী থাবা কিছুটা স্তিমিত হয় জিয়ার আমলে। এ কারণে তাকেও সরিয়ে দেয়া হয়। তারপর থেকে পুরো সময় জুড়ে ভারতীয়রা তাদের প্লান অনুযায়ী এগিয়েছে। কিন্তু তাদের সেই প্লান যখন ফল দিতে শুরু করেছে তখনই কেবল আমরা আঁচ করতে পারছি তাদের ষড়যন্ত্রের কথা। অনেকে হয়তো এখনো তা আঁচ করতে পারছে না।

এই মুহুর্তে বাংলাদেশপ্রেমীদের ইন্ডিয়ার সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে হাসিনার শাসন ফিরে আসতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

13/10/2025

প্রদীপ কুমার নামের এক শুয়োর ছিল। বর্তমানে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে। ঐ শুয়োর নিজেই ২০০ অধিক মানুষ ক্রসফায়ারের নামে খুন করেন। সিনহা হত্যা না হলে আরো বহু মানুষ তার হাতে খুন হতো কোন সন্দেহ নেই। যাদের হত্যা করে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে হত্যাকে জায়েজ করা হতো কতিপয় আরেক শুয়োরের বাচ্চা অসাধু মিডিয়া দিয়ে। এভাবে চলছিল সাম্রাজ্য। ঐ পরিবারগুলো এখনো তাদের প্রিয়জন হারানোর বিচার পাননি। গুম খুনে কোন বাহিনীর সদস্যরা বাদ যায়নি।

মজলুমের পরিবর্তে যারা জালেমের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাদের হারামখোর বলাই শ্রেষ্ঠ।

Address

New York
New York

Telephone

+8801555556566

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share