harunur rosid

harunur rosid Quran Recitation • Islamic Gojol • Peaceful Bayans
Presented by Md Shipon

02/01/2026

জন্মের পর সন্তানের হক। পর্ব। (৩)

31/12/2025

থার্টি ফার্স্ট নাইট: ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম কেন?
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সম্মানিত উপস্থিত মুসল্লি ভাইয়েরা ও প্রিয় ইসলামি ভাই-বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আজ আমরা এমন এক বাস্তবতা নিয়ে কথা বলব, যা প্রতি বছর আমাদের ঈমানকে চুপিচুপি দুর্বল করে দেয়। সেই বাস্তবতার নাম—থার্টি ফার্স্ট নাইট। যে রাতকে দুনিয়াবি মানুষ আনন্দ, উল্লাস ও স্বাধীনতার রাত মনে করে; অথচ একজন মুমিনের কাছে সেই রাত হওয়া উচিত আত্মসমালোচনা ও আল্লাহর কাছে ফিরে আসার সময়।
১. থার্টি ফার্স্ট নাইটের বাস্তবতা
ভাইয়েরা, একটু ভেবে দেখুন—এই রাতের সাথে কী কী জড়িত?
গান-বাজনা ও নাচ-গান
বেহায়াপনা ও বেপর্দা
মদ্যপান ও নেশা
নামাজে গাফিলতি
যুবক-যুবতীর অবাধ মেলামেশা
এসব কি ইসলামে হালাল? কখনোই না। বরং কুরআন ও হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশ—এগুলো হারাম।
২. অমুসলিমদের অনুকরণ নিষিদ্ধ
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“من تشبه بقوم فهو منهم”
“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।” (আবু দাউদ)
থার্টি ফার্স্ট নাইট কোনো ইসলামি সংস্কৃতি নয়। এটি অমুসলিমদের ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতির অংশ। একজন মুমিন কীভাবে নিজের পরিচয় ভুলে গিয়ে অন্যের সংস্কৃতি গ্রহণ করতে পারে?
৩. সময় নষ্ট করা ও গুনাহের রাত
ভাইয়েরা, আল্লাহ তাআলা সময়কে খুব মূল্যবান বানিয়েছেন। অথচ এই রাতে মানুষ কী করে? একটা বছর শেষ হলো—হিসাব নেওয়ার বদলে গান-বাজনা।
মৃত্যু একদিন কাছে আসছে—তাওবা করার বদলে আতশবাজি।
আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই সফল সেই ব্যক্তি, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে।” (সূরা আ’লা)
৪. একজন মুমিনের করণীয়
তাহলে প্রশ্ন—এই রাতে একজন ঈমানদারের করণীয় কী?
গুনাহের আসর থেকে দূরে থাকা
নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ায় সময় কাটানো
বিগত বছরের গুনাহের জন্য তাওবা করা
আগামী বছর আল্লাহর হুকুম মেনে চলার সংকল্প করা
পরিবার ও সন্তানদের হারাম সংস্কৃতি থেকে বাঁচানো
৫. শেষ নসিহত
ভাইয়েরা, আনন্দ হারাম নয়—কিন্তু হারাম পথে আনন্দ খোঁজা ঈমানের লক্ষণ নয়।
মুমিনের আনন্দ আল্লাহর আনুগত্যে,
মুমিনের উৎসব তাকওয়ায়,
মুমিনের পরিচয় কুরআন ও সুন্নাহতে।
আসুন, আমরা এই থার্টি ফার্স্ট নাইটকে হারামের রাতে পরিণত না করে তাওবা ও ইবাদতের রাতে পরিণত করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হারাম থেকে বেঁচে চলার তাওফিক দান করুন।
আমিন।।

29/12/2025

সন্তান দুনিয়াতে আসার পর তার হক কি। পর্ব। (২)

ঈমান ভঙ্গের কারন।সৌজন্যে..নাহারখিল হিলফুল ফুযুল
28/12/2025

ঈমান ভঙ্গের কারন।
সৌজন্যে..নাহারখিল হিলফুল ফুযুল

24/12/2025

ক্রিসমাস ডে পালনের শরঈ দৃষ্টিকোণ—_

খ্রি*ষ্টানরা ২৫ ডিসেম্বরকে “ক্রিসমাস ডে” বলে। ধর্মীয় ও সামাজিক দিক থেকে দিনটি তাদের বছরের সবচেয়ে বড় উৎসব। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মদিন পালন করেন তাঁরা। যদিও তাঁর জন্মদিনের তারিখ কেউ জানে না। বাইবেলে ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ দেওয়া নেই। কিন্তু ৩৩৬ সাল নাগাদ থেকে এটি তাঁর জন্মদিন হিসাবেই নথিভুক্ত করে রোমানরা। দিনটি সামনে রেখে খ্রি*ষ্টানরা তাদের গির্জা, বাসা, বাগান, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ক্রিসমাস ট্রি, মোমবাতি ও আলোকসজ্জাসহ নানা সরঞ্জামাদি দিয়ে সাজান।

অর্থগত দিক থেকে ক্রিসমাস শব্দটিই একটি শিরকি শব্দ। কারণ শব্দটির অর্থ “প্রভুর জন্মদিন বা প্রভুর পুত্রের জন্ম দিন।” নাউযু-বিল্লাহ মিন যালিক, মহান আল্লাহ এ থেকে পুত পবিত্র। এ ব্যাপারে কুরআনের বয়ান হলো—

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ

“তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাঁকে জন্ম দেয়নি।” (সূরা ইখলাস, আয়াত : ৩)

আরো ইরশাদ হয়েছে—
فَآَمِنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ وَلَا تَقُولُوا ثَلَاثَةٌ انْتَهُوا خَيْرًا لَكُمْ إِنَّمَا اللَّهُ إِلَهٌ وَاحِدٌ سُبْحَانَهُ أَنْ يَكُونَ لَهُ وَلَدٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَكَفَى بِاللَّهِ وَكِيلًا

তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান
আন এবং বলো না ‘আল্লাহ তিন।’ এর থেকে নিবৃত্ত হও। এরই মধ্যে তোমাদের কল্যাণ। আল্লাহ তো একই মাবূদ। তার কোনো পুত্র থাকবে-এর থেকে তিনি সম্পূর্ণ পবিত্র। আর আকাশমন্ডল ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই। সকলের তত্ত্বাবধানের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।
(সূরা নিসা, আয়াত : ১৭১)

আর খ্রি*ষ্টানরা হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম এর ব্যাপারে—যে আকিদা-বিশ্বাস পোষণ করে তিনি কখনোই তা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন আল্লাহর বান্দা ও তাঁর সম্মানিত রাসূল। তাঁর বিভিন্ন মুজিযা ছিল। তাঁর পূর্বেও অনেক রাসূল এসেছিলেন এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকেও বিভিন্ন মুজিযা দান করেছিলেন।

তাই ক্রিসমাস ডে বা বড়দিন হচ্ছে কথিত খ্রি*ষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। যা তাদের ধর্ম ও ভ্রান্ত আকিদা-বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত। অতএব একজন মুসলমানের জন্য এ ধরণের উৎসব ও সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

বিধর্মীদের কোনো ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেওয়া, স্বীকৃতি দেওয়া বা সহায়তা করা সুস্পষ্ট হারাম কাজ। এজাতীয় উৎসবে নিজে অংশ না নিলেও নিজের ব্যবসা-বাণিজ্যে সেই উৎসবকে উপলক্ষ্য বানানোও মূলত উৎসবটিকে প্রকাশ্য সমর্থনেরই অংশ, তাই তাও বৈধ নয়।

নবী কারীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করছেন, যে ব্যক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে।
(সুনানে আবু দাউদ : ৪০৩১)

অন্য একটি বর্ণনায় খলিফা হযরত উমর (রা.) বলেছেন, তোমরা আল্লাহর দুশমনদের উৎসবগুলোতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাক।
(সূত্র : আসসুনানুল কুবরা, হাদীস - ১৮৮৬২)

অন্য বর্ণনায় তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, কারণ এক্ষেত্রে আল্লাহর অসন্তুষ্টি নাযিল হয়ে থাকে। আরেকটি বর্ণনায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেছেন, যারা বিধর্মীদের মত উৎসব করবে, কিয়ামত দিবসে তাদের হাশর ঐ লোকদের সাথেই হবে।
(সূত্র : আসসুনানুল কুবরা, হাদীস - ১৫৫৬৩)

১. ক্রিসমাস ডে উপলক্ষ্যে পণ্যে ডিসকাউন্ট—
ক্রিসমাসকে আলাদাভাবে উল্লেখ করে ডিসকাউন্ট প্রদান করা বৈধ নয়। যারা ডিসকাউন্ট দিবে তাদের পণ্যট ক্রয় করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ। অবশ্য এই দিনগুলোকে আলাদাভাবে ট্যাগ করা ও হুবহু অনুকরণ ছাড়াই যদি এই সময়গুলোতে বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য ক্রেতাকে ডিসকাউন্ট প্রদান করা হয় তাহলে তা বৈধ হবে। যেমন : শীত উপলক্ষ্যে ডিসেম্বর মাসব্যাপী ডিসকাউন্ট। একইভাবে এসময়ে ডিসকাউন্ট ঘোষিত পণ্য ক্রয় করাও বৈধ হবে।

২. ক্রিসমাস ডে উপলক্ষ্যে কর্মবিরতির বিধান—
সরকারীভাবে আম ছুটির নির্দেশনা থাকলে ভিন্ন
কথা। এক্ষেত্রে সরকারি হুকুমের তামিলের কারণে নিজেদের এখতিয়ার থাকেনা। সেহেতু এই পর্যায়ে কেউ ‘ক্রিসমাস ডে’ এর ছুটি নিলে বা মঞ্জুর করলে তাকে প্রকৃত অর্থে গুনাহগার সাব্যস্ত না করাই অধিক শ্রেয়। তবে কোন মুসলিম ব্যবসায়ী বা মালিক তাদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে ক্রিসমাস ডে’ উপলক্ষ্যে এ দিন কর্মবিরতি গ্রহণ করলে বা কোনো শারঈ কারণ ব্যতিরেকে ছুটি মঞ্জুর করলে তা নিশ্চিতরূপে হারাম সাব্যস্ত হবে। তবে খ্রি*ষ্টান ধর্মালম্বী কোনো কর্মচারী থাকলে তাকে ছুটি প্রদান করা যাবে।

আর ক্রিসমাস ডে উপলক্ষে মুসলিম মালিকদের
জন্য স্টাফদের বোনাস, উপহার সামগ্রী প্রদান করা জায়েয নেই। তবে ক্রিসমাস ডে এর নিয়ত ছাড়া ২৫ ডিসেম্বরের আগে বা পরে প্রচলন অনুযায়ী প্রদান করা যেতে পারে।

24/12/2025

সন্তান জন্মের আগে তার হক কি কি জেনে নি।
পর্ব।(১)

#নসিহা #ভিডিও

মৃত্যু আসে নীরব পায়ে, ডাকে না সে ঢাক,সব রঙ মুছে এক মুঠোয়, থেমে যায় সব হাঁক।আজ যে আমি, কাল যে নেই—এই তো দুনিয়ার রীতি,...
22/12/2025

মৃত্যু আসে নীরব পায়ে, ডাকে না সে ঢাক,
সব রঙ মুছে এক মুঠোয়, থেমে যায় সব হাঁক।
আজ যে আমি, কাল যে নেই—এই তো দুনিয়ার রীতি,
ভালো কাজই সঙ্গী হবে, কবর ঘরের অতিথি।

20/12/2025

ওজনে কম দিলে, নেশা,জুয়ার কারনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে।

#নসিহা #ভিডিও

18/12/2025

*_জুমার দিনে বিশেষ কিছু আমলের বিষয়ে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো:-_*

* 🌸 ১. সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। ( পুরোটা না হলে অন্তত প্রথম এবং শেষ দশ আয়াত পাঠ করুন। )

* 🌸 ২. দুরূদ শরীফ পাঠ করা। ( আপনার প্রিয় যেকোনো দুরূদ বেশি বেশি পাঠ করুন। )

* 🌸 ৩. ইস্তেগফার। ( কমপক্ষে ১০০০ বার ইস্তেগফার করুন। (আসতাগফিরুল্লাহ) অথবা যেকোনো ইস্তেগফার। )

* 🌸 ৪. দান-সদকা বা উপকারী কাজ করা। অসহায়দের সাহায্য করুন, কাউকে উপকারী জ্ঞান শিখিয়ে দিন, অথবা নীরবে ভালো কাজ করুন।

* 🌸 ৫. উম্মাহর জন্য দোয়া করা। বিশ্বের নির্যাতিত মুসলিমদের জন্য বিশেষ দোয়া করুন। (ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, উইগুর, সিরিয়া, আরাকানসহ যেখানেই মুসলিমরা কষ্টে আছেন)।

* 🌸 ৬. আসর থেকে মাগরিবের মাঝে দোয়া করুন। এই সময়ে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বেশি বেশি প্রার্থনায় মগ্ন থাকুন।

> *আমাদের জুমার দিনগুলো যেন আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হয়ে কাটে, নাফরমানি আর অলসতা থেকে যেন আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেন। আমিন।।

16/12/2025

সুদি লেনদেন এর কারনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে।পর্ব (৫)

#নসিহা #ভিডিও

14/12/2025

সমাজে যিনা ব্যবিচার বেড়ে গেলে পাকৃতিক দুর্যোগ আসে।পর্ব। (৪)

#নসিহা #ভিডিও

12/12/2025

প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসার আরেকটা কারণ যাকাত হক আদায় করে না দেওয়া।পর্ব (৩)

#ভিডিও

Address

Bangladesh �
Noakandi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when harunur rosid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share